SEBA Class 10 Social Science Chapter 2 মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম 

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Social Science Chapter 2 মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Social Science Chapter 2 মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Social Science Chapter 2 মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম Solutions We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Social Science Chapter 2 মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Social Science Solutions For Class 10 SEBA. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম 

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:

১। মহাত্মা গান্ধির জন্ম কবে হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দর নামক স্থানে মহাত্মা গান্ধির জন্ম হয়েছিল।

২। সত্যাগ্রহের কৌশল গান্ধি কোন দেশে সর্বপ্রথম প্রয়োগ করেছিলেন?

উত্তরঃ গান্ধিজি ১৮৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের আন্দোলন আরম্ভ করেছিলেন, যেখানে তিনি সত্যাগ্রহকে কৌশল হিসাবে ব্যবহার করেন।

৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেছিলেন?

উত্তরঃ জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেন।

৪। কার কার নেতৃত্বে ভারতে খিলাফৎ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল?

উত্তরঃ মৌলানা সৌকত আলি এবং মহম্মদ আলির নেতৃত্বে খিলাফৎ সমিতির মাধ্যমে ভারতে খিলাফৎ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল।

৫। চৌরিচৌরার ঘটনা কখন সংঘটিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে উত্তর প্রদেশের চৌরিচৌরায় স্থানীয় পুলিশ ও প্রতিবাদকারীর মধ্যে এই হিংসাত্মক সংঘর্ষ সংঘটিত হয়েছিল।

৬। কেমন পরিস্থিতিতে লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু হয়েছিল?

উত্তরঃ লাহোরে সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে চালিত এক শোভাযাত্রায় পুলিশের নির্দয় লাঠি চালনার ফলে লালা লাজপত রায় গুরুতর ভাবে আহত হন এবং তার ফলে তাঁর মৃত্যু হয়।

৭। কখন এবং কোন অধিবেশনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভারতবাসীদের মূল দাবি হিসাবে পূর্ণ স্বরাজের দাবি উত্থাপন করেছিল?

উত্তরঃ ১৯২৯ সালে লাহোরে জওহরলাল নেহরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের অধিবেশনে ভারতবাসীদের মূল আকাঙ্ক্ষা হিসাবে পূর্ণ স্বরাজের দাবি উত্থাপিত হয়েছিল।

৮। গান্ধিজি সবরমতী আশ্রম থেকে দান্ডির সাগর পার অবধি লবণ আইন ভঙ্গ করতে গিয়েছিলেন। সবরমতী আশ্রম এবং দান্ডির মধ্যে দূরত্ব কতদূর?

উত্তরঃ সবরমতী আশ্রম এবং দান্ডির মধ্যে দূরত্ব ছিল ৩৮৫ কিলোমিটার।

৯। সীমান্ত গান্ধি নামে পরিচিত কে?

উত্তরঃ খান আব্দুল গফুর খান ‘সীমান্ত গান্ধি’ নামে পরিচিত ছিলেন।

১০। লন্ডনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে কে কংগ্রেসকে এককভাবে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন?

উত্তরঃ মহাত্মা গান্ধি দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে কংগ্রেসের একমাত্র প্রতিনিধি হিসাবে যোগদান করেছিলেন।

১১। ১৯৩২ সালে সাম্প্রদায়িক বাটোয়ারা ঘোষণাকারী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?

উত্তরঃ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামছে ম্যাকডোনাল্ড ১৯৩২ সালে সাম্প্রদায়িক বাটোয়ারা ঘোষণা করেছিলেন।

১২। কোন আন্দোলনের সময় গান্ধিজি ‘করব কিংবা মরব’ শ্লোগান দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ভারত ত্যাগ আন্দোলনের সময় গান্ধিজি ‘করব কিংবা মরব’ শ্লোগান দিয়েছিলেন।

১৩। আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তরঃ কেপ্টেইন মোহন সিং প্রথম ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর ধারণা পোষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে সুভাষ চন্দ্র বসু বিদেশবাসী জাতীয়তাবাদী নেতা রাসবিহারী বসুর সহযোগে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী (আজাদ হিন্দ ফৌজ) পুনর্গঠন করেন।

১৪। ‘আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দিব’ এই বিখ্যাত বাণীটি কোন ভারতীয় নেতার?

উত্তরঃ ‘আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দিব’ এই বিখ্যাত বাণীটি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর।

১৫। ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যেকার সীমারেখাকে কী নামে জানা যায়?

উত্তরঃ ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট রেডক্লিফ রেখাকে ভারত এবং পাকিস্তানের সীমা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

দীর্ঘ উত্তর লেখো:

১। সত্যাগ্রহ বলতে কী বোঝ? যে তিনটা স্থানীয় বিবাদের ক্ষেত্রে গান্ধি সত্যাগ্রহকে প্রথম প্রয়োগ করেছিলেন সেই তিনটার বিষয়ে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ সত্যাগ্রহের সংজ্ঞা: ‘সত্যাগ্রহ’ শব্দটি ‘সত্য’ এবং ‘আগ্রহ’ শব্দ দুটি যুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে, যার অর্থ ‘সত্যের প্রতি আগ্রহ’, অর্থাৎ সত্যনিষ্ঠ হয়ে কাজ করা। এটি কেবল একপক্ষীয় প্রতিরোধ নয়, বরং এর তাৎপর্য হল জনগণের গভীর রাজনৈতিক কার্যকলাপে আত্মনিয়োগ। সত্যাগ্রহের ভিত্তি হল অহিংসা।

গান্ধির সত্যাগ্রহের প্রয়োগ:

চম্পারণ: ১৯১৭ সালে উত্তর বিহারের চম্পারণে তিনি ভূস্বামীদের বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষকদের নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন।

খেড়া: ১৯১৭-১৮ সালে গুজরাটের খেড়ায় কৃষকদের চাষের ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও সরকার কর্তৃক আরোপিত অত্যধিক রাজস্বের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়ে উঠেছিলেন।

আহমদাবাদ: ১৯১৭-১৮ সালে আহমদাবাদে তিনি বঞ্চিত মিল শ্রমিকদের হয়ে মিল মালিকদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন।

২। ভারতে খিলাফৎ আন্দোলন কেন আরম্ভ হয়েছিল?

উত্তরঃ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কিদের পরাজয়ের ফলস্বরূপ খলিফার গুরুত্ব কমে গিয়েছিল, যা ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে। মুসলমানরা তুরস্কের সম্রাটকে খলিফা বা আধ্যাত্মিক গুরু হিসাবে গণ্য করতেন, কিন্তু খলিফা নিজের সাম্রাজ্যের পবিত্র স্থানগুলির ওপর অধিকার হারিয়ে ফেললে মুসলমানরা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। এর ফলে ভারতীয় মুসলমানরা খলিফাকে পূর্ব মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে মৌলানা সৌকত আলি ও মহম্মদ আলির নেতৃত্বে খিলাফৎ সমিতি গঠন করে খিলাফৎ আন্দোলনের সূচনা করেন।

৩। ১৯২০-২২ সালে গান্ধিজি কেন অসহযোগ আন্দোলন আরম্ভ করেছিলেন? এর কার্যসূচি কী ছিল? গান্ধিজি কেন এই আন্দোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ আন্দোলনের কারণ:

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব: যুদ্ধের ফলে ভারতের অর্থনীতি এবং মানব সম্পদে বিরূপ প্রভাব পড়েছিল, যা ভারতবাসীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।

রাওলাট অ্যাক্ট: ১৯১৯ সালের রাওলাট অ্যাক্টের সাহায্যে ব্রিটিশরা দমনমূলক নীতি গ্রহণ করেছিল, যার প্রতিবাদে গান্ধির নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে।

জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড: ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিলের এই মর্মান্তিক ঘটনাটিও আন্দোলনের অন্যতম কারণ ছিল।

অর্থনৈতিক শোষণ: ব্রিটিশদের দ্বারা ভারতে অর্থনৈতিক শোষণও আন্দোলনের কারণ ছিল।

খিলাফৎ আন্দোলন: ভারতীয় মুসলমানদের খিলাফৎ আন্দোলনের প্রতি গান্ধির সমর্থনও এই আন্দোলনকে ইন্ধন যুগিয়েছিল।

আন্দোলনের কার্যসূচি: আন্দোলনকারীরা ব্রিটিশের সামগ্রী কিনতে অস্বীকার করেছিল এবং স্থানীয় কুটির শিল্পের সামগ্রী ব্যবহার করছিল। তারা সুরা বিক্রীর দোকান বন্ধ করে দিয়েছিল এবং বিদেশী বস্ত্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বৃহৎসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী সরকারি বিদ্যালয়-মহাবিদ্যালয় ত্যাগ করেছিল। উকিলরা কাছারি ত্যাগ করেছিলেন এবং অনেক জায়গায় ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত উপাধি ও পদকও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আন্দোলন বন্ধ করার কারণ: ১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদেশের চৌরিচৌরায় স্থানীয় পুলিশ ও প্রতিবাদকারীর মধ্যে এক হিংসাত্মক সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। উন্মত্ত জনতা পুলিশ থানায় অগ্নিসংযোগ করে ২২ জন পুলিশকে হত্যা করলে গান্ধি মর্মাহত হয়ে পড়েন। তিনি অনুধাবন করেন যে আন্দোলন অহিংস নীতি পরিহার করেছে, তাই তিনি আন্দোলন বন্ধ করে দেন।

৪। আইন অমান্য আন্দোলনের মূল লক্ষ কী ছিল? এই আন্দোলনের মূল বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তরঃ মূল লক্ষ্য: 

আইন অমান্য আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারের দমনমূলক আইন এবং নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানো।

(a) আন্দোলনের কার্যসূচি শুরু হয়েছিল ‘লবণ সত্যাগ্রহ’ বা ‘দান্ডি যাত্রা’র মাধ্যমে, যার লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশদের লবণ আইন লঙ্ঘন করা।

(b) আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল লবণ কর বাতিল করা, জমির খাজনার পরিমাণ কমানো এবং বিদেশী কাপড়ে সীমা শুল্ক আরোপ করা।

মূল বৈশিষ্ট্য: 

গণ-অংশগ্রহণ: এই আন্দোলনে হাজার হাজার পুরুষ, মহিলা এবং যুবক-যুবতিরা কারাবরণ করেছিলেন, যা এর ব্যাপক গণ-অংশগ্রহণ প্রমাণ করে।

অহিংস কৌশল: সত্যাগ্রহের নীতির উপর ভিত্তি করে এই আন্দোলন সম্পূর্ণ অহিংস পথে পরিচালিত হয়েছিল।

আইন লঙ্ঘন: এই আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশদের তৈরি বিভিন্ন আইন, যেমন লবণ আইন, শান্তিপূর্ণভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছিল।

জাতীয় সচেতনতা: এই আন্দোলন ভারতীয় জনমানসে রাজনৈতিক সচেতনতা জাগিয়ে তুলেছিল।

৫। কী পরিস্থিতিতে ভারত ত্যাগ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল? ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই আন্দোলনের কার্যসূচিকে তুমি মাইলস্টোন রূপে সাব্যস্ত করতে চাও? তোমার মতামতের সমর্থনে যুক্তি দাও।

উত্তরঃ ভারত ত্যাগ আন্দোলনের সূচনা: 

ক্রিপস মিশনের ব্যর্থতা: ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ সরকার ক্রিপস মিশন পাঠিয়েছিল, কিন্তু তাতে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো প্রস্তাব না থাকায় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ উভয়ই তা প্রত্যাখ্যান করে।

যুদ্ধ পরিস্থিতি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ভারত আক্রমণের হুমকি এবং ব্রিটিশরা দেশকে রক্ষা করতে পারবে না বলে ভারতীয়দের মনে নিরাপত্তাহীনতার বোধ স্থান পেয়েছিল।

ব্রিটিশের দমনমূলক নীতি: ব্রিটিশ সরকার ভারতের স্বাধীনতা সংক্রান্ত দাবি অগ্রাহ্য করেছিল এবং কংগ্রেস মন্ত্রীদের পদত্যাগের পরও তাদের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

আন্দোলনের গুরুত্ব (মাইলস্টোন): হ্যাঁ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারত ত্যাগ আন্দোলনকে একটি মাইলস্টোন রূপে গণ্য করা যায়। 

এর স্বপক্ষে যুক্তিগুলি হলো:

গণ-সংগ্রামের সর্বোচ্চ রূপ: এই আন্দোলনে ‘করব কিংবা মরব’ শ্লোগানে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র, মহিলা, চাষি এবং শ্রমিকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিল, যা আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা প্রদান করে।

স্বাধীনতা অপ্রতিরোধ্য: যদিও আন্দোলনটি কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, তবুও এটি প্রমাণ করে যে স্বাধীনতার দাবি ভারতীয়দের হৃদয়ে কতটা গভীর ছিল। আন্দোলনের পরে স্বাধীনতা আর দর কষাকষির বিষয় ছিল না, বরং কেবল ক্ষমতার হস্তান্তর বাকি ছিল।

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ: এই আন্দোলনের সময় জনতা রেল স্টেশন, আদালত, পুলিশ থানা ইত্যাদির মতো ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোতে আক্রমণ চালিয়েছিল এবং কিছু স্থানে নিজস্ব স্বাধীন সরকারও প্রতিষ্ঠা করেছিল, যা ব্রিটিশদের শাসনের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।

SEBA Class 10 Social Science Textual New Edition Updated

Sl. No.সূচিপত্র
Chapter – 1বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন
Chapter – 2মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম
Chapter – 3অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Chapter – 4স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ
Chapter – 5ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Chapter – 6অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ
Chapter – 7পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা
Chapter – 8পৃথিবীর ভূগোল
Chapter – 9অসমের ভূগোল
Chapter – 10ভারতীয় গণতন্ত্র
Chapter – 11আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Chapter – 12মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা
Chapter – 13অর্থনৈতিক উন্নয়ন

1 thought on “SEBA Class 10 Social Science Chapter 2 মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম ”

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top