SEBA Class 10 Social Science Chapter 5 ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Social Science Chapter 5 ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Social Science Chapter 5 ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য Solutions We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Social Science Chapter 5 ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Chapter 5 ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Social Science Solutions For Class 10 SEBA. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
১। সিন্ধু সভ্যতার পূর্ব সীমা গাঙ্গেয় উপত্যকার কোন স্থান অবধি বিস্তৃত ছিল?
উত্তরঃ মিরাট পর্যন্ত।
২। সিন্ধু সভ্যতায় নাগরিক সংস্কৃতির বিকাশ কখন হয়েছিল?
উত্তরঃ খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ সহস্রাব্দে।
৩। ঋকবেদের আনুমানিক রচনা কাল কত?
উত্তরঃ খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সাল থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ সাল পর্যন্ত।
৪। ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ‘সত্যমেব জয়তে’ এই বাক্যটি মূলত কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ মুণ্ডক উপনিষদ।
৫। প্রাচীন ভারতে রচিত রাজনীতি বিজ্ঞান বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তরঃ কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র।
৬। ‘বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য’ (Unity in Diversity) এই বাক্যাংশ কোন গ্রন্থের মাধ্যমে স্থায়িত্ব লাভ করেছে?
উত্তরঃ নেহেরুর ‘Discovery of India’ (ভারত সম্ভেদ)।
৭। ভারতের ভাস্কর্য শিল্পকলার কোন শৈলীতে গ্রিক-রোমান কলা-কৌশলের প্রয়োগ হয়েছিল?
উত্তরঃ গান্ধার শিল্পকলা।
৮। ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্র কখন রচিত হয়েছিল?
উত্তরঃ খ্রিস্টপূর্ব ২০০ (দ্বিতীয় শতক) থেকে খ্রিস্টীয় ২০০ অব্দের মধ্যে।
৯। ভরতের নাট্যশাস্ত্রে কতটি শ্লোক আছে?
উত্তরঃ ৬০০০টি।
১০। হেরাকা আন্দোলন কী?
উত্তরঃ নাগাল্যান্ডের পরম্পরাগত ধর্মবিশ্বাস ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং পুনরায় প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামী রানি গাইডালুর গড়া একটি আন্দোলন।
১১। নাগাল্যান্ডের ‘হর্নবিল’ উৎসব কোন প্রাণীর নামে উৎসর্গিত?
উত্তরঃ ধনেশ পাখি।
১২। ‘চপচর কূট’ কোন রাজ্যের পরম্পরাগত উৎসব?
উত্তরঃ মিজোরাম।
১৩। মিজো শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ পাহাড়ের বাসিন্দা।
১৪। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোন রাজ্যে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা প্রচলিত?
উত্তরঃ মেঘালয়।
১৫। মণিপুরি নৃত্যের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তরঃ চৈতন্য মহাপ্রভুর শৈশব কৃষ্ণলীলা।
১৬। অসমের প্রাচীন নাম কী?
উত্তরঃ প্রাগজ্যোতিষ এবং কামরূপ।
১৭। কোন বড়োমূলীয় শব্দ থেকে অসম নামটির উৎপত্তি হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়?
উত্তরঃ ‘আ-চা-ম’ বা ‘হা-চোম’ শব্দ থেকে।
১৮। চর্যাপদ মানে কী?
উত্তরঃ সহজযান-পন্থী গীত।
১৯। চর্যাপদ কখন রচিত হয়েছিল?
উত্তরঃ খ্রিস্টীয় দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যে।
২০। মাধব কন্দলি কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে সপ্তকাণ্ড রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন?
উত্তরঃ বরাহি রাজা মহামাণিক্য।
২১। অসমের গদ্য সাহিত্যের সূচনা কে করেছিলেন?
উত্তরঃ ভট্টদেব।
২২। জিকির ও জারি কে রচনা করেছিলেন?
উত্তরঃ আজান পীর।
২৩। আজান পীর কে?
উত্তরঃ সুফি সাধক শাহ মিলন, যিনি আজান পীর নামে পরিচিত।
২৪। আজান পীর কখন অসমে এসেছিলেন?
উত্তরঃ স্বর্গদেব গদাধর সিংহের আমলে।
২৫। দ-পর্বতীয়ার শিলার তোরণ কখন নির্মিত হয়েছিল?
উত্তরঃ গুপ্ত যুগের প্রভাবে খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে (৫০১-৬০০ খ্রি.)।
২৬। চাংরুং ফুকন কোন দায়িত্বে ন্যস্ত ছিলেন?
উত্তরঃ মঠ-মন্দির, রাস্তা-ঘাট, প্রাসাদ, ঘর-দুয়ার ইত্যাদির নির্মাণ কার্য ও মাপ-জোখ দেখাশোনার দায়িত্বে।
২৭। লোকসংগীতে অবদানের জন্য অসমের কোন শিল্পীকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করা হয়েছিল?
উত্তরঃ প্রতিমা পাণ্ডে বরুয়া।
২৮। অসমের প্রথম সংবাদপত্রটির নাম কী?
উত্তরঃ ‘অরুণোদয়’।
২৯। অস্ট্রিক নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জনজাতিটির নাম কী?
উত্তরঃ খাসিয়া।
৩০। রচয়িতাদের নাম লেখো:
(ক) অর্থশাস্ত্র।
উত্তরঃ কৌটিল্য।
(খ) হস্তিবিদ্যার্ণব।
উত্তরঃ সুকুমার বরকাইত।
(গ) কীর্তন।
উত্তরঃ শংকরদেব।
(ঘ) নামঘোষা।
উত্তরঃ মাধবদেব।
(ঙ) চোরধরা পিম্পরা গুচোয়া।
উত্তরঃ মাধবদেব।
(চ) কালীয়দমন।
উত্তরঃ শংকরদেব।
(ছ) রামবিজয়।
উত্তরঃ শংকরদেব।
(জ) কথাগীতা।
উত্তরঃ ভট্টদেব।
(ঝ) রাজতরঙ্গিণী।
উত্তরঃ কল্হণ।
(ঞ) ভারত সম্ভেদ।
উত্তরঃ নেহেরু।
সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
১। খ্রিস্টিয় ষষ্ঠ শতকের পর ভারতে এসেছে এমন দুটি বিদেশী জাতির নাম লেখো।
উত্তরঃ খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকের পর ভারতে যেসব বিদেশী জাতি এসেছে তাদের মধ্যে গ্রিক এবং শক জাতি উল্লেখযোগ্য।
২। সিন্ধু উপত্যকায় আবিষ্কৃত এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত দুটি মূর্তির নাম লেখো।
উত্তরঃ সিন্ধু উপত্যকায় আবিষ্কৃত এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত দুটি মূর্তি হলো পশুপতি সদৃশ মূর্তি এবং মাতৃদেবীর মূর্তি।
৩। অস্ট্রিকরা ভারতীয় সংস্কৃতি জগতে যে-অবদান রেখেছে তার মধ্যে থেকে যে-কোনো দুটি অবদানের উল্লেখ করো।
উত্তরঃ অস্ট্রিকদের ভারতীয় সংস্কৃতিতে দুটি অবদান হলো:
(a) ধান চাষ ও ইক্ষু থেকে গুড় তৈরির কৌশল উদ্ভাবন।
(b) ধর্মীয় রীতিতে সিঁদুর ও হলুদ ব্যবহার এবং হাতি পোষ মানানোর প্রচলন।
৪। ভারতীয় সংস্কৃতি জগতের বর্ণাঢ্যতায় ভৌগোলিক পরিবেশের ভূমিকা বর্ণনা করো?
উত্তরঃ ভারতের ভৌগোলিক পরিস্থিতি সংস্কৃতির বৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কৃষি উপযোগী উর্বর ভূমি এবং যাতায়াতের সুব্যবস্থা আর্থিক স্বচ্ছলতা এনেছে, যা বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে আসতে সাহায্য করেছে। এর বিপরীতে, বিচ্ছিন্ন অঞ্চলের লোকেরা কষ্টসাধ্য জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছে।
৫। বেদের চারটি সংহিতার নাম লেখো।
উত্তরঃ চারটি বেদ সংহিতার নাম হলো: ঋক, যজুঃ, সাম এবং অথর্ব।
৬। সম্রাট অশোকের দ্বাদশ মুখ্য শিলালিপিতে ধর্মীয় উদারতা বিষয়ে কী কথা লেখা আছে?
উত্তরঃ সম্রাট অশোকের দ্বাদশ মুখ্য শিলালিপিতে বলা হয়েছে যে, কেউ একমাত্র নিজের ধর্মকে প্রশংসা এবং অপরের ধর্মকে হীন বলে চিহ্নিত করা উচিত নয়। বরং সকল ধর্মের সার গ্রহণ করে সমন্বয়ের পথ অবলম্বন করা উচিত।
৭। সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ মানে কী?
উত্তরঃ সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ হলো কোনো একটি সমাজের সাংস্কৃতিক বিভিন্নতা এবং তার প্রতি শ্রদ্ধার ভাব।
৮। ভারতের প্রাচীন যুগের দুজন বিজ্ঞানীর নাম লেখো।
উত্তরঃ ভারতের প্রাচীন যুগের দুজন বিজ্ঞানী হলেন – আর্যভট্ট এবং বরাহমিহির।
৯। প্রাচীন ভারতের দুটি চিকিৎসা-শাস্ত্রের নাম লেখো।
উত্তরঃ প্রাচীন ভারতের দুটি চিকিৎসা-শাস্ত্র হলো চরক সংহিতা ও সুশ্রুত সংহিতা।
১০। ভারতীয় চিত্রকলাকে কী কী ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ ভারতীয় চিত্রকলাকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়: বৃহদাকার দেয়ালচিত্র এবং ক্ষুদ্রাকার চিত্র।
১১। চিত্রকলার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এমন দুজন মোগল বাদশাহের নাম লেখো।
উত্তরঃ মোগল যুগে চিত্রকলার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এমন দুজন বাদশাহ হলেন আকবর এবং জাহাঙ্গীর।
১২। ক্ষুদ্রাকার চিত্রযুক্ত অসমের দুখানি সাঁচিপাতার পুথির নাম লেখো।
উত্তরঃ ক্ষুদ্রাকার চিত্রযুক্ত অসমের দুটি সাঁচিপাতার পুথি হলো হস্তীবিদ্যার্ণব এবং চিত্র ভাগবত।
১৩। হস্তিবিদ্যার্ণব গ্রন্থটির দুজন চিত্রকরের নাম লেখো।
উত্তরঃ হস্তিবিদ্যার্ণব গ্রন্থটির দুজন চিত্রকর হলেন দিলওয়ার এবং দোসাই।
১৪। জুম চাষ বলতে কী বোঝ ?
উত্তরঃ পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের দ্বারা এক স্থানে নির্দিষ্ট সময় ধরে চাষ করে সেই স্থান পরিবর্তন করে অন্য স্থানে চাষ করাকে জুম চাষ বলা হয়।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
SEBA Class 10 Social Science Textual New Edition Updated
| Sl. No. | সূচিপত্র |
| Chapter – 1 | বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন |
| Chapter – 2 | মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম |
| Chapter – 3 | অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ |
| Chapter – 4 | স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ |
| Chapter – 5 | ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য |
| Chapter – 6 | অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ |
| Chapter – 7 | পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা |
| Chapter – 8 | পৃথিবীর ভূগোল |
| Chapter – 9 | অসমের ভূগোল |
| Chapter – 10 | ভারতীয় গণতন্ত্র |
| Chapter – 11 | আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য |
| Chapter – 12 | মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা |
| Chapter – 13 | অর্থনৈতিক উন্নয়ন |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

