SEBA Class 10 Social Science Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Social Science Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Social Science Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Social Science Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল Solutions We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Social Science Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Social Science Solutions For Class 10 SEBA. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

পৃথিবীর ভূগোল 

অনুশীলনী

১। পৃথিবীর স্থলমণ্ডল আর জলমণ্ডল বিষয়ে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ পৃথিবীর পৃষ্ঠকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায় – স্থলমণ্ডল ও জলমণ্ডল। পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের প্রায় ২৯ শতাংশ স্থলভাগ এবং বাকি ৭১ শতাংশ জলভাগ। স্থলভাগ ১৪৯ নিযুত বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, যেখানে জলভাগের আয়তন ৩৬১ নিযুত বর্গ কিলোমিটার।

পৃথিবীর স্থলমণ্ডল মূলত সাতটি বিশাল মহাদেশ নিয়ে গঠিত: এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, ওশেনিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা। এই মহাদেশগুলোর ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু এবং জীববৈচিত্র্য ভিন্ন ভিন্ন। অন্যদিকে, পৃথিবীর জলমণ্ডল গঠিত পাঁচটি প্রধান মহাসাগর নিয়ে: প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর। এই বিশাল জলভাগ পৃথিবীর জলচক্র ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে স্থলভাগ এবং জলভাগ কোনো বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়, বরং তারা একে অপরের সাথে সংযুক্ত এবং পারস্পরিকভাবে একে অপরকে প্রভাবিত করে। মজার বিষয় হলো, স্থলভাগের বৃহৎ অংশ (প্রায় ৬৭%) উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত, যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশের বেশি মানুষের বাসস্থান। এর বিপরীতে, জলমণ্ডলের বিশাল অংশ (প্রায় ৫৭%) দক্ষিণ গোলার্ধে রয়েছে। এই অসম বণ্টন পৃথিবীর জলবায়ু, সমুদ্রস্রোত এবং জীববৈচিত্র্যের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

২। মহাদেশীয় সংস্থান সূত্র অনুসারে পৃথিবীর অবস্থা আদিতে কেমন ছিল?

উত্তরঃ মহাদেশীয় সঞ্চারণ বা সংস্থান সূত্র (Continental Drift Theory) অনুযায়ী, প্রায় ৩০০ নিযুত বছর পূর্বে (পুরাজীবীয় কল্পের পারমিয়ান যুগে) পৃথিবীর সমস্ত স্থলভাগ একত্রিত ছিল। এই বিশাল ভূখণ্ডটিকে পেঞ্জিয়া (Pangaea) বলা হয়, যার চারপাশে একটি একক বিশাল মহাসাগর ছিল, যাকে পান্থালাসা (Panthalassa) বলা হতো।

দীর্ঘ সময় ধরে মহাদেশীয় পাতগুলোর নড়াচড়ার ফলে এই বিশাল ভূখণ্ডটি বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। প্রথমত, পেঞ্জিয়ার মাঝ বরাবর একটি দীর্ঘ ও সংকীর্ণ সমুদ্রের সৃষ্টি হয়, যাকে টেথিস সাগর বলা হয়। এই সাগর পেঞ্জিয়াকে দুটি বৃহৎ অংশে বিভক্ত করে দেয়। উত্তরের অংশটিকে আঙ্গারাল্যান্ড বা লরেসিয়া বলা হয়, যা বর্তমান উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। দক্ষিণের বিশাল ভূখণ্ডটি গন্ডোয়ানাল্যান্ড নামে পরিচিত ছিল, যা থেকে বর্তমান দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সৃষ্টি হয়।

এই পাতগুলোর ধারাবাহিক সঞ্চারণের ফলে মহাদেশগুলো আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে এবং মহাসাগরগুলোও তাদের বর্তমান রূপ ধারণ করেছে। বিজ্ঞানীরা আজও এই পাতগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন, যা প্রমাণ করে যে পৃথিবী পৃষ্ঠের এই পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া।

৩। মহাসাগরের তলদেশের ভূ-অবয়ব সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ মহাসাগরের তলদেশ আমাদের মনে হতে পারে যে এটি কেবল একটি বিশাল সমতল ভূমি, কিন্তু বাস্তবে এটি স্থলভাগের মতোই অসমতল এবং জটিল ভূ-প্রকৃতি দ্বারা গঠিত। মহাসাগরের তলদেশেও পর্বতমালা, মালভূমি, উপত্যকা এবং গভীর খাদ রয়েছে।

সাধারণত উপকূল থেকে মহাসাগরের তলদেশ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-অবয়ব দেখা যায়:

(i) মহীসোপান (Continental Shelf): এটি উপকূলের নিকটবর্তী অগভীর অংশ, যা প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত গভীর। এটি সামুদ্রিক জীবের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। মহীঢাল (Continental Slope): এটি মহীসোপানের পরবর্তী ঢালু অংশ, যা ২০০০ মিটার পর্যন্ত গভীর হতে পারে। এই অংশে ঢাল খুব বেশি থাকে।

(ii) গভীর সমুদ্রতল (Deep Sea Plain): এটি বিশাল এবং সমতল অংশ, যা ৪০০০ থেকে ৬০০০ মিটার পর্যন্ত গভীর।

(iii) সামুদ্রিক শৈলশিরা (Oceanic Ridge): এটি সমুদ্রের তলদেশের মধ্যে দিয়ে বিস্তৃত বিশাল পর্বতমালা। উদাহরণস্বরূপ, মধ্য-আটলান্টিক শৈলশিরা একটি প্রধান সামুদ্রিক পর্বতমালা।

(iv) গভীর সমুদ্রখাত (Deep Sea Trench): এটি মহাসাগরের সবচেয়ে গভীরতম অংশ। পৃথিবীর গভীরতম খাত, মারিয়ানা বা চ্যালেঞ্জার খাত (প্রায় ১১,০২২ মিটার গভীর), প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে অবস্থিত।

এই বিভিন্ন ভূ-অবয়বগুলো মহাসাগরের বাস্তুতন্ত্র এবং জলের গতিবিধিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।

৪। মহাসাগর এবং মহাদেশগুলোর বিতরণ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ সাতটি মহাদেশ এবং পাঁচটি মহাসাগরে বিভক্ত। এই মহাদেশ এবং মহাসাগরগুলির অবস্থান ও বিতরণে একটি লক্ষণীয় অসমতা রয়েছে। পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া এবং বৃহত্তম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।

বিতরণের এই অসমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। উদাহরণস্বরূপ, পৃথিবীর প্রায় সমস্ত স্থলভাগ উত্তর গোলার্ধে কেন্দ্রীভূত, যেখানে দক্ষিণ গোলার্ধের বেশিরভাগই জলভাগ। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশ সম্পূর্ণরূপে উত্তর গোলার্ধের মধ্যে পড়ে। এই অসম বিন্যাসের কারণে উত্তর গোলার্ধকে “স্থল গোলার্ধ” এবং দক্ষিণ গোলার্ধকে “জল গোলার্ধ” বলা হয়।

এই অসম বিতরণ জলবায়ু, সমুদ্রস্রোত এবং মানুষের বসবাসের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। উত্তর গোলার্ধে যেহেতু স্থলভাগ বেশি, এখানে ঋতু পরিবর্তন এবং জলবায়ুর বৈচিত্র্য বেশি দেখা যায়। এর বিপরীতে, দক্ষিণ গোলার্ধে বিশাল জলভাগের কারণে তাপমাত্রার স্থিতিশীলতা তুলনামূলকভাবে বেশি।

৫। পৃথিবীর স্থলভাগের উপরে বিদ্যমান ভূ-অবয়বগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ পৃথিবীর স্থলভাগের উপরিভাগ একটি অসমতল এবং বৈচিত্র্যময় ভূ-অবয়ব নিয়ে গঠিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

(i) পর্বত (Mountains): সুউচ্চ পর্বতশ্রেণিগুলো পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এশিয়াতে অবস্থিত হিমালয় পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকায় আন্দিজ পর্বতমালা, এবং উত্তর আমেরিকায় রকি পর্বতমালা এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

(ii) মালভূমি (Plateaus): মালভূমি হলো উঁচু, সমতল ভূখণ্ড। এশিয়ার তিব্বত মালভূমি পৃথিবীর সর্বোচ্চ মালভূমি। আফ্রিকায়ও বিশাল মালভূমি অঞ্চল রয়েছে।

(iii) সমভূমি (Plains): সমভূমি হলো সমতল বা মৃদু ঢালযুক্ত বিশাল এলাকা, যা সাধারণত নদী দ্বারা গঠিত। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সমভূমি এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

(iv) মরুভূমি (Deserts): মরুভূমি হলো শুষ্ক এবং অনুর্বর অঞ্চল। সাহারা মরুভূমি (আফ্রিকা) পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি এবং গোবি মরুভূমি (এশিয়া) একটি গুরুত্বপূর্ণ মরুভূমি। এই ভূ-অবয়বগুলো জলবায়ু, নদী ব্যবস্থা এবং মানুষের জীবনধারণের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

৬। এশিয়া মহাদেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ এশিয়া মহাদেশ আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলো অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়:

(i) পর্বত ও মালভূমি: এশিয়ার মধ্যভাগে হিমালয়, কারাকোরাম, এবং কুনলুন-এর মতো বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতমালা রয়েছে। এখানে পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গ এভারেস্ট এবং দ্বিতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ গডউইন অস্টিন অবস্থিত। পৃথিবীর বৃহত্তম ও সর্বোচ্চ মালভূমি তিব্বত মালভূমি এবং পামির মালভূমিও এখানেই রয়েছে।

(ii) নদনদী: এশিয়া মহাদেশে অসংখ্য বৃহৎ নদী রয়েছে যা উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়েছে। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, সিন্ধু নদীগুলো দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে উর্বর ব-দ্বীপ সৃষ্টি করেছে। ইয়েনিসি, ওবি, লেনা নদীগুলো উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে উত্তর মহাসাগরে পড়েছে। হোয়াংহো এবং ইয়াংজে-কিয়াং নদীগুলো পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে মিশেছে।

(iii) মরুভূমি: এশিয়াতে অনেক বড় মরুভূমি রয়েছে, যেমন গোবি মরুভূমি, থর মরুভূমি এবং আরব মরুভূমি। এই মরুভূমিগুলো মহাদেশের জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।

এই প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এশিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ মহাদেশে পরিণত করেছে।

কারণ দর্শিয়ে উত্তর লেখো।

(ক) পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশই উত্তর গোলার্ধে অবস্থান করছে কেন?

উত্তরঃ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ উত্তর গোলার্ধে বাস করার প্রধান কারণ হলো স্থলভাগের অসম বণ্টন। পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ৬৭ শতাংশই উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। এর ফলে এই অঞ্চলে মানুষের বসবাসের জন্য অধিক ভূমি, বৈচিত্র্যময় জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যায়।

এছাড়াও, ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক কারণও এর জন্য দায়ী। প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বেশিরভাগই উত্তর গোলার্ধে গড়ে উঠেছিল। জলবায়ু এবং ভৌগোলিক সুবিধার কারণে কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্যের বিকাশ এই অঞ্চলে দ্রুত হয়েছে। এখানকার জলবায়ু, বিশেষ করে মধ্যম অক্ষাংশে, কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। অন্যদিকে, দক্ষিণ গোলার্ধের বেশিরভাগই জলভাগ এবং অ্যান্টার্কটিকার মতো প্রতিকূল জলবায়ুযুক্ত অঞ্চল। তাই, অনুকূল পরিবেশ, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং বৃহৎ ভূখণ্ডের কারণে উত্তর গোলার্ধে জনসংখ্যা কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

(খ) এন্টার্কটিকা মহাদেশে মানুষের স্থায়ী বসতি নেই কেন?

উত্তরঃ অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে মানুষের স্থায়ী বসতি না থাকার মূল কারণ হলো এর চরম শীতল এবং প্রতিকূল জলবায়ু। এই মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুকে ঘিরে অবস্থিত এবং প্রায় পুরোটাই বরফের পুরু স্তরে ঢাকা থাকে। পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থানটি এখানে অবস্থিত, যেখানে তাপমাত্রা -৮৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে।

এই মহাদেশে কোনো কৃষিকাজ সম্ভব নয় এবং খাদ্য উৎপাদনও প্রায় অসম্ভব। তাছাড়া, তীব্র ঠান্ডা, প্রবল বাতাস এবং দীর্ঘ অন্ধকার রাত মানুষের বসবাসের জন্য অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে। যদিও বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা এখানে গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করেছেন, তারা সেখানে কেবল অস্থায়ীভাবে বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অবস্থান করেন, কিন্তু কোনো স্থায়ী জনবসতি গড়ে ওঠেনি।

নীচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষেপে উত্তর লেখো।

(ক) এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যেকার প্রাকৃতিক সীমা কীসে সৃষ্টি করেছে?

উত্তরঃ এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝের প্রাকৃতিক সীমা ইউরাল পর্বতমালা এবং ইউরাল নদী দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে।

(খ) পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা কোনটি এবং কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা হলো আন্দিজ পর্বতমালা, যা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম অংশে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।

(গ) আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীর বৃহত্তম আর ক্ষুদ্রতম মহাদেশের নাম লেখো।

উত্তরঃ আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ হলো এশিয়া এবং ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হলো ওশেনিয়া।

(ঘ) পৃথিবীর কোন দেশ, কোন দুটি মহাদেশে বিস্তৃত?

উত্তরঃ রাশিয়া এবং তুরস্ক এই দুটি দেশ এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশেই বিস্তৃত।

(ঙ) আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীর বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম দেশের নাম বলো।

উত্তরঃ আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ হলো রাশিয়া এবং ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

(চ) উত্তর আমেরিকা মহাদেশের প্রধান পর্বত শ্রেণিটির নাম কী? তা মহাদেশের কোন অংশে অবস্থিত?

উত্তরঃ উত্তর আমেরিকা মহাদেশের প্রধান পর্বতশ্রেণী হলো রকি পার্বত্য অঞ্চল, যা মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত।

(ছ) পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি কোনটি এবং তা কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ পৃথিবীর বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি হলো সাহারা মরুভূমি, যা আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।

(জ) এশিয়া মহাদেশের দুটি করে উত্তর ও পূর্বদিকে প্রবাহিত নদীর নাম লেখো।

উত্তরঃ এশিয়া মহাদেশের উত্তর দিকে প্রবাহিত দুটি নদী হলো ইয়েনিসি এবং ওবি। পূর্বদিকে প্রবাহিত দুটি নদী হলো আমুর এবং হোয়াংহো।

(ঝ) অস্ট্রেলিয়ার একটি করে প্রধান পর্বতশ্রেণি, নদী এবং মরুভূমির নাম লেখো।

উত্তরঃ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান পর্বতশ্রেণী হলো গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ, প্রধান নদী হলো মারে-ডার্লিং এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ মরুভূমি হলো গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি।

(ঞ) ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্গত তথা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত তিনটি দেশের নাম লেখো।

উত্তরঃ ইউরোপ মহাদেশের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত তিনটি দেশ হলো স্পেন, ফ্রান্স এবং ইতালি।

SEBA Class 10 Social Science Textual New Edition Updated

Sl. No.সূচিপত্র
Chapter – 1বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন
Chapter – 2মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম
Chapter – 3অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Chapter – 4স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ
Chapter – 5ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Chapter – 6অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ
Chapter – 7পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা
Chapter – 8পৃথিবীর ভূগোল
Chapter – 9অসমের ভূগোল
Chapter – 10ভারতীয় গণতন্ত্র
Chapter – 11আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Chapter – 12মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা
Chapter – 13অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top