SEBA Class 10 Science Chapter 3 ধাতু এবং অধাতু Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 3 ধাতু এবং অধাতু Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Science Chapter 3 ধাতু এবং অধাতু
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
ধাতু এবং অধাতু
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
| প্রশ্নাবলী 1.1 |
1. একটি ধাতুর উদাহরণ দাও যা-
(i) সাধারণ উষ্ণতায় তরল।
(ii) সহজেই ছুরি দিয়ে কাটা যায়।
(ⅲ) তাপের সবচেয়ে সুপরিবাহী।
(iv) তাপের কুপরিবাহী।
উত্তরঃ (i) সাধারণ উষ্ণতায় তরল — পারদ (Mercury)।
(ii) সহজেই ছুরি দিয়ে কাটা যায় — সোডিয়াম।
(iii) তাপের সবচেয়ে সুপরিবাহী — রূপা (এবং তামা)।
(iv) তাপের কুপরিবাহী — সীসা (এবং পারদ)।
2. ঘাতসহনীয়তা এবং নমনীয়তা বলতে কি বোঝ?
উত্তরঃ ঘাতসহনীয়তা (Malleability): কোনো কোনো ধাতুকে পিটিয়ে চেপ্টা পাতলা পাতে পরিণত করা যায়। ধাতুর এই ধর্মটিকে ঘাতসহনীয়তা বলে। যেমন— সোনা এবং রূপা সবচেয়ে বেশি ঘাতসহনীয় ধাতু।
নমনীয়তা (Ductility): ধাতুর যে ধর্মের ফলে তাকে টেনে সরু তারে পরিণত করা যায়, তাকে নমনীয়তা বলে। সোনা সবচেয়ে বেশি নমনীয় ধাতু; উদাহরণস্বরূপ, মাত্র এক গ্রাম সোনা থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ তার তৈরি করা সম্ভব।
| প্রশ্নাবলী 1.2 |
1. সোডিয়ামকে কেন কেরোসিন তেলে ডুবিয়ে রাখা হয়?
উত্তরঃ সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো ধাতুগুলো অত্যন্ত সক্রিয়। এগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে এত তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে যে খোলা অবস্থায় রাখলে সহজেই আগুন ধরে যায়। তাই এই ধাতুগুলোকে রক্ষা করতে এবং দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ড এড়াতে এদের কেরোসিন তেলে ডুবিয়ে রাখা হয়।
2. নিম্নোক্ত বিক্রিয়াগুলোর জন্য সমীকরণ লিখ-
(i) স্টীমের বা ভাপের সঙ্গে আয়রন।
উত্তরঃ স্টীমের বা ভাপের সঙ্গে আয়রন- 3Fe (s) + 4H2O(g) → Fe3O4(s) + 2H2(g)
(ii) জলের সঙ্গে কেলসিয়াম এবং পটাশিয়াম।
উত্তরঃ জলের সঙ্গে কেলসিয়াম – Ca(s) + 2H2O(l) → Ca(OH)2(aq) + H2(g)
এবং পটাশিয়াম- 2K(s) + 2H2O(l) → 2KOH(aq) + H2(g) + তাপশক্তি
3. A, B, C, D এই চারটি ধাতুর নমুনা নিয়ে এগুলোকে নিম্নোক্ত দ্রবণে একে একে যোগ করে পর্যবেক্ষণগুলো নিম্নে তালিকাবদ্ধ করা হলো।
| ধাতু | আয়রন (11) সালফেট | কপার (11) সালফেট | জিংক সালফেট | সিলভার সালফেট |
| A | বিক্রিয়া নাই | প্রতিস্থাপন | ||
| B | প্রতিস্থাপন | বিক্রিয়া নাই | ||
| C | বিক্রিয়া নাই | বিক্রিয়া নাই | বিক্রিয়া নাই | প্রতিস্থাপন |
| D | বিক্রিয়া নাই | বিক্রিয়া নাই | বিক্রিয়া নাই | বিক্রিয়া নাই |
A, B, C, D এই ধাতুগুলো সম্বন্ধে নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে উপরোক্ত তালিকাটি ব্যবহার করো।
(i) কোন্টি সবচেয়ে বেশী সক্রিয় ধাতু?
উত্তরঃ এই ধাতুগুলোর মধ্যে B হলো সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ধাতু। কারণ, তালিকায় দেখা যাচ্ছে যে একমাত্র B ধাতুই আয়রন (II) সালফেট থেকে আয়রনকে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে B ধাতু আয়রনের চেয়েও বেশি সক্রিয়।
(ⅱ) B কে কপার (II) সালফেটের দ্রবণে যোগ করা হলে কি লক্ষ্য করতে?
উত্তরঃ B কে কপার (II) সালফেটের দ্রবণে যোগ করা হলে এটি কপারকে প্রতিস্থাপন (Displacement) করবে। আয়রন কপারের চেয়ে বেশি সক্রিয়। যেহেতু B ধাতু আয়রনকে প্রতিস্থাপন করতে পারে, তাই এটি কপারের চেয়েও নিশ্চিতভাবে বেশি সক্রিয় এবং কপারকে তার দ্রবণ থেকে অপসারিত করবে।
(ⅲ) A, B, C, D এই চারটি ধাতুকে তাদের সক্রিয়তার অধঃক্রম অনুযায়ী সাজাও।
উত্তরঃ ধাতুগুলোকে তাদের সক্রিয়তার অধঃক্রম (বেশি থেকে কম) অনুযায়ী সাজালে হবে: B > A > C > D
4. কোনো সক্রিয় ধাতুর সঙ্গে লঘু হাইড্র’ক্লোরিক অ্যাসিড যোগ করলে কি গ্যাস উৎপন্ন হয়? আয়রনের সঙ্গে লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক বিক্রিয়াটি লিখ।
উত্তরঃ কোনো সক্রিয় ধাতুর সঙ্গে লঘু হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড যোগ করলে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।
আয়রনের সঙ্গে লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের রাসায়নিক বিক্রিয়া —

5. জিংক আয়রন (II) সালফেটের দ্রবণে যোগ করলে কি লক্ষ্য করবে? সংঘটিত রাসায়নিক বিক্রিয়াটি লিখ।
উত্তরঃ জিংক আয়রন (II) সালফেটের দ্রবণে যোগ করলে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া ঘটে। জিংক আয়রনকে তার লবণ থেকে প্রতিস্থাপিত করে।
রাসায়নিক বিক্রিয়া —

| প্রশ্নাবলী 1.3 |
1. (ⅰ) সেডিয়াম, অক্সিজেন এবং ম্যাগনেসিয়ামের ইলেক্ট্রন ডট্ গঠন আঁকো।
উত্তরঃ (i) সোডিয়াম (Na) – ইলেক্ট্রন ডট্ গঠন: Na-এর বহিঃস্থ স্তরে ১টি ইলেক্ট্রন থাকে।

অক্সিজেন (O) – ইলেক্ট্রন ডট্ গঠন: O-এর বহিঃস্থ স্তরে ৬টি ইলেক্ট্রন থাকে।

ম্যাগনেসিয়াম (Mg) – ইলেক্ট্রন ডট্ গঠন: Mg-এর বহিঃস্থ স্তরে ২টি ইলেক্ট্রন থাকে।

(ii) ইলেক্ট্রন স্থানান্তরের দ্বারা Na₂O এবং MgO কীভাবে গঠিত হয় দেখাও।
উত্তরঃ

(iii) এই যৌগগুলোতে কি কি আয়ন আছে?
উত্তরঃ Na₂O যৌগে উপস্থিত আয়নগুলো হলো — Na⁺ এবং O²⁻
MgO যৌগে উপস্থিত আয়নগুলো হলো — Mg²⁺ এবং O²⁻
2. আয়নীয় যৌগের গলনাংক কেন বেশী?
উত্তরঃ আয়নীয় যৌগগুলোর গলনাংক এবং স্ফুটনাংক খুবই বেশি হয়। এর কারণ হলো, এই যৌগগুলোতে বিপরীত আধানযুক্ত ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক আয়নগুলোর মধ্যে প্রবল আন্তঃ-আয়নীয় আকর্ষণ বল বিদ্যমান থাকে। এই প্রবল আকর্ষণ বল ভাঙতে যথেষ্ট তাপশক্তির প্রয়োজন হয়, তাই আয়নীয় যৌগের গলনাংক অনেক বেশি হয়।
| প্রশ্নাবলী 1.4 |
1. নিম্নোক্ত শব্দগুলোর সংজ্ঞা লিখ।
(i) খনিজ।
উত্তরঃ যেসব মৌল বা যৌগসমূহ প্রাকৃতিকভাবে ভূত্বকে পাওয়া যায়, সেগুলোকে খনিজ বলে।
(ii) আকরিক।
উত্তরঃ কোনো কোনো স্থানে খনিজগুলোতে কোনো একটি বিশেষ ধাতু অধিক শতাংশ পরিমাণে থাকে এবং ধাতুটিকে ওই খনিজ থেকে লাভজনকভাবে নিষ্কাশন করা যায়; এই সব খনিজকে ধাতুটির আকরিক বলে।
(iii) খনিজ মল।
উত্তরঃ খনিজ আকরিকগুলোতে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে অশুদ্ধি যেমন— মাটি, বালি ইত্যাদি মিশ্রিত হয়ে থাকে; এই অশুদ্ধিগুলোকে খনিজ মল বলা হয়।
2. প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এমন দুটো ধাতুর নাম লিখ।
উত্তরঃ প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এমন দুটি ধাতু হলো — সোনা এবং রূপা।
3. কোনো ধাতুকে তার অক্সাইড থেকে নিষ্কাশন করতে হলে কোন রাসায়নিক পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ কোনো ধাতুকে তার অক্সাইড থেকে নিষ্কাশন করতে হলে মূলত বিজারণ (Reduction) রাসায়নিক পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়।
| প্রশ্নাবলী 1.5 |
1. জিংক, মেগনেসিয়াম এবং কপারের অক্সাইডগুলোকে নিম্নোক্ত ধাতুর সাথে উত্তপ্ত করা হয়।
| ধাতব অক্সাইড | জিংক | ম্যাগনেসিয়াম | কপার |
| জিংক অক্সাইড | |||
| মেগনেসিয়াম অক্সাইড | |||
| কপার অক্সাইড |
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া হবে?
উত্তরঃ ধাতব অক্সাইড এবং ধাতুর বিক্রিয়ার তালিকা:
| ধাতব অক্সাইড | জিংক (Zn) | ম্যাগনেসিয়াম (Mg) | কপার (Cu) |
| জিংক অক্সাইড | বিক্রিয়া নেই | প্রতিস্থাপন ঘটবে | বিক্রিয়া নেই |
| ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড | বিক্রিয়া নেই | বিক্রিয়া নেই | বিক্রিয়া নেই |
| কপার অক্সাইড | প্রতিস্থাপন ঘটবে | প্রতিস্থাপন ঘটবে | বিক্রিয়া নেই |
2. কোন ধাতুগুলোতে সহজে মরচে ধরে না?
উত্তরঃ যে ধাতুগুলো বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে সহজে বিক্রিয়া করে না, সেগুলোতে সহজে মরচে ধরে না। যেমন — সোনা ও রূপা।
3. সংকর ধাতু কাকে বলে?
উত্তরঃ দুটি বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুকে নির্দিষ্ট অনুপাতে গলিয়ে মিশিয়ে যে সমসত্ত্ব মিশ্রণ প্রস্তুত করা হয়, তাকে সংকর ধাতু বলে।
| অনুশীলনী Textbook Exercise |
1. নিম্নোক্ত জোড়াগুলোর কোনটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া দেখাবে?
(a) NaCl দ্রবণ এবং কপার ধাতু।
(b) MgCl2 দ্রবণ এবং এলুমিনিয়াম ধাতু।
(c) FeSO4 দ্রবণ এবং সিলভার ধাতু।
(d) AgNO3 দ্রবণ এবং কপার ধাতু।
উত্তরঃ (d) AgNO3 দ্রবণ এবং কপার ধাতু।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.


