SEBA Class 9 Bengali Chapter 4 কবর Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 4 কবর Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 4 কবর Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 9 Bengali Chapter 4 কবর
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
কবর
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
১। শুদ্ধ উত্তরটি লেখো:
(ক) দাদীর কবর কোন গাছের নীচে?
(i) আমগাছ।
(ii) জামগাছ।
(iii) ডালিম গাছ।
(iv) কমলা গাছ।
উত্তরঃ (iii) ডালিম গাছ।
(খ) দাদুর বিপত্নীক জীবন কত বছরের?
(i) ২০ বছর।
(ii) ৩০ বছর।
(iii) ৪০ বছর।
(iv) ৫০ বছর।
উত্তরঃ (ii) ৩০ বছর।
(গ) শাপলার হাটে দাদু কী বিক্রি করতেন?
(i) তরমুজ।
(ii) নারকেল।
(iii) কলা।
(iv) আম।
উত্তরঃ (i) তরমুজ।
(ঘ) দাদু শ্বশুর বাড়িতে কোন সময় যেতেন?
(i) সকাল।
(ii) বিকেল।
(iii) সন্ধ্যা।
(iv) রাতে।
উত্তরঃ (iii) সন্ধ্যা।
(ঙ) শূন্যস্থান পূর্ণ করো। (কবিতা অবলম্বনে)
১। এইখানে তাের __________ কবর ডামিল গাছের তলে।
উত্তরঃ এইখানে তাের দাবি কবর ডামিল গাছের তলে।
২। __________ বিয়ে ভেঙ্গে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত কুল।
উত্তরঃ পুতুলের বিয়ে ভেঙ্গে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত কুল।
৩। সােনালি __________ সােনামুখ তার আমার নয়নে ভরি।
উত্তরঃ সােনালি ঊষাব সােনামুখ তার আমার নয়নে ভরি।
৪। দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া __________।
উত্তরঃ দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে।
২। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
(ক) ‘কবর’ কবিতার কবি কে?
উত্তরঃ ‘কবর’ কবিতার কবি হলেন জসীমউদ্দীন।
(খ) কোন্ গাছের নীচে দাদীর কবর?
উত্তরঃ ডালিম গাছের নীচে দাদীর কবর।
(গ) দাদু কোন্ হাটে তরমুজ বিক্রি করতেন?
উত্তরঃ দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করতেন।
(ঘ) দাদীকে দেবার জন্য দাদু কীসের মালা কিনতেন?
উত্তরঃ দাদীকে দেবার জন্য দাদু পুঁতির মালার এক ছড়া কিনতেন।
(ঙ) তামাক এবং মাজনের দাম কত?
উত্তরঃ তামাক এবং মাজনের দাম দেড় পয়সা।
৩। ৩/৪ টি বাক্যে উত্তর দাও:
(ক) ছোটো বয়সের স্ত্রীকে বিয়ে করার পর দাদুর মনোভাব কেমন ছিল?
উত্তরঃ দাদু ছোটো বয়সের স্ত্রীকে ঘরে এনেছিলেন, যার মুখ ছিল সোনার মতন। সেই ছোট্ট বধূর রূপে দাদু মুগ্ধ হয়ে ভাবতেন, সারা বাড়ি ভরে যেন সোনা ছড়াইয়া দিল কারা। ছোটোখাটো হাসি-ব্যথা মাঝে দাদু কখন যে স্ত্রীর জীবনের সাথে মিশে গিয়ে দিশেহারা হলেন, তা তিনি জানতেও পারেননি।
(খ) শ্বশুরবাড়িতে যাবার সময় দাদু স্ত্রীর জন্য যে সব জিনিস নিতেন তা উল্লেখ করো।
উত্তরঃ শ্বশুরবাড়িতে যাবার সময় দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বেচে কিছু পয়সা জমাতেন। সেই উপার্জিত অর্থে তিনি পুঁতির মালার এক ছড়া, দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন নিতেন সঙ্গে নিয়ে যেতে তার কখনােই ভুল হতাে না।
(গ) উপহার পেয়ে দাদীর খুশি কবি কীভাবে প্রকাশ করেছেন?
উত্তরঃ দাদু যখন সামান্য উপহার সামগ্রী নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যেতেন, তখন দাদী ভীষণ খুশি হতেন। তিনি নথ নেড়ে নেড়ে হাসিয়া দাদুকে বলতেন, এতদিন পরে আসার জন্য পথ চেয়ে তিনি কেঁদে মরেছেন।
৪। রচনাধর্মী উত্তর লেখো:
(ক) ‘কবর’ কবিতার সারমর্ম লেখো।
উত্তরঃ প্রিয়তমা পত্নীর মৃত্যুর পটভূমিতে সাংসারিক স্নেহ-প্রেমের এক আশ্চর্য করুণাঘন রূপ এই কবিতায় ফুটে উঠেছে। ত্রিশ বছরের বিপত্নীক বৃদ্ধ দাদু তার একমাত্র নাতির কাছে দাঁড়িয়ে অতীত জীবনের সুখের স্মৃতিগুলি রোমন্থন করছেন। তিনি তার রূপবতী স্ত্রীর প্রতি প্রেম, তার জন্য শাপলার হাট থেকে তামাক-মাজন কেনার স্মৃতি এবং তাদের গভীর ভালোবাসার কথা স্মরণ করেছেন। কবিতাটি সরল সুন্দর গ্রামবাংলার ঘরোয়া জীবনচিত্র এবং বিশ্বজনীন আবেদনের প্রেক্ষিতে রচিত জীবনবোধের এক অপূর্ব ফসল। এই পটভূমিতেই কবি জসীমউদ্দীন কবিতাটির শিরোনাম হিসেবে একটিমাত্র শব্দকে বেছে নিয়েছেন—’কবর’, যা কেবলমাত্র একটি স্থানের নাম নয়, বরং সমগ্র কাব্যিক ভাব এবং করুণ রসের কেন্দ্রবিন্দু। নামকরণ হিসেবে ‘কবর’ শব্দটির সার্থকতা অনস্বীকার্য, কারণ কবিতাটির মূল আখ্যান, অর্থাৎ জীবনের সুখ-দুঃখের স্মৃতিচারণ এবং স্নেহ-প্রেমের করুণাঘন রূপটি, এই কবরগুলিকেই কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
আক্ষরিক অর্থে, ‘এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম-গাছের তলে’—এই লাইনটির মাধ্যমে ‘কবর’ হলো দাদুর হৃদয়ের ভালোবাসার মানুষের অন্তিম আশ্রয়স্থল। কিন্তু প্রতীকী অর্থে, ‘কবর’ শব্দটি দাদুর জীবনের সমস্ত স্বপ্ন, সুখ ও শান্তির সমাধির প্রতীক। এটি দাদুর জীবনে কেবল স্ত্রীর বিরহ নয়, বরং একে একে পুত্র, কন্যা এবং মায়ের মৃত্যুর কারণে সৃষ্ট বহুবিধ শোকের চরম শূন্যতাকে নির্দেশ করে। ত্রিশ বছর ধরে বিধবা জীবন কাটানো দাদুর কাছে এই ডালিম-গাছের তলার মাটি কেবল মাটির ঢিবি নয়, বরং তাঁর ‘শূন্য জীবনের’ একমাত্র অবলম্বন, যেখানে তিনি ‘দুই নয়নের জলে’ ভিজিয়ে তাঁর অতীত জীবনকে জীবন্ত অনুভব করেন। দাদুর হাহাকার, ‘শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি’—এই পঙক্তিটির মাধ্যমে ‘কবর’ শব্দটি এক চিরন্তন বিরহের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে। এইভাবেই, কবিতাটির মূল ভাব, আবেগ, এবং করুণ রসকে সরাসরি ও সার্থকভাবে প্রতিফলিত করার জন্য কবি এই নামটিকে বেছে নিয়েছেন, যা কবিতাটিকে একটি গভীর ব্যঞ্জনাময় ও যথাযথ শিরোনাম প্রদান করেছে।
(খ) ‘কবর’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘কবর’ কবিতাটির নামকরণ যথার্থ এবং সার্থক হয়েছে। কবিতাটির শুরুই হয়েছে ডালিম গাছের তলে দাদীর কবরের কথা দিয়ে এবং দাদুর সমস্ত স্মৃতি, দুঃখ ও প্রেম এই কবরকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। বৃদ্ধ দাদুর তিরিশ বছরের বিপত্নীক জীবনের শোক ও শূন্যতা এই কবর-এর মাধ্যমেই প্রকাশিত। এটি কেবল একটি স্থান নয়, বরং হারানো প্রেম, বেদনা ও শোকের প্রতীক। দাদু তার স্ত্রী, ছেলে এবং আরও অনেকের কবর কঠিন মাটির তলে দিয়েছেন। তাই এই ‘কবর’ শব্দটিই কবিতার মূল বিষয়বস্তু, করুণরস এবং আবেগকে ধারণ করে, ফলে নামকরণটি সার্থক হয়েছে। এই নামকরণের সার্থকতাকে আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, কবি জসীমউদ্দীন একটি মাত্র শব্দকে সমগ্র কাব্যগাথার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। দাদু তাঁর নাতির কাছে দাদীর লাবণ্য, তাঁর জন্য শাপলার হাট থেকে তামাক-মাজন কেনার স্মৃতি এবং তাঁদের অকৃত্রিম ভালোবাসার যে বর্ণনা দেন—তার সবই এই কবরের পাশে দাঁড়িয়ে।
কবর যেন অতীতের সুখময় দিনগুলির একমাত্র সাক্ষী। দাদু যখন বলেন, “এইখানে তোর বাপের কবর, এইখানে তোর মা”, তখন কবরের ধারণাটি একটি ব্যক্তিগত শোক থেকে বহুমাত্রিক পারিবারিক ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়। দাদুর হৃদয়ে ‘শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক’ আঁকা হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে তাঁর জীবনটাই যেন একের পর এক প্রিয়জনের সমাধিস্তম্ভের সমষ্টি। এই ‘কবর’ শব্দটিই জীবনবোধের এক অপূর্ব ফসলটির মূল সুর, অর্থাৎ মানুষের জীবনে স্নেহ-প্রেমের অনিবার্য করুণ পরিণতি ও মৃত্যুজনিত শূন্যতাকে সরাসরি পাঠকের সামনে তুলে ধরে। প্রতীকী দিক থেকে এটি কেবল মাটির ঢিবি নয়, বরং দাদুর হৃদয়ের সেই চিরস্থায়ী শূন্যতাকে প্রতিফলিত করে, যা তিনি ‘দুই নয়নের জলে’ ভিজিয়ে রেখেছেন। অর্থাৎ, ‘কবর’ নামটি কবিতাটির আখ্যানভাগকে যেমন সুনির্দিষ্ট করেছে, তেমনই এর গভীরতম দার্শনিক ও মানসিক যন্ত্রণাকেও নিখুঁতভাবে প্রকাশ করেছে, যা এর সার্থকতাকে প্রশ্নাতীত করে তোলে।
(গ) বালিকাবধূর রূপ লাবণ্যে বিমোহিত বৃদ্ধ দাদু তাঁর স্ত্রীর রূপের যে বর্ণনা দিয়েছেন সে বিষয়ে আলোকপাত করো।
উত্তরঃ বৃদ্ধ দাদু তাঁর স্ত্রীকে যখন ঘরে এনেছিলেন, তখন তাঁর মুখ ছিল যেন সোনার মতন ঝলমলে। ছোট্ট সুন্দরী বধূর সেই অনবদ্য রূপ লাবণ্যে সারা বাড়ি যেন সোনালি রঙে উজ্জ্বল হত। এই রূপের জাদুতে দাদু এতটাই মুগ্ধ হতেন যে, তিনি কল্পনা করতেন—সারা বাড়ি ভরে যেন কারা সোনা ছড়াইয়া দিল। তিনি তাঁর প্রিয়তমার মুখকে ভোরের সোনালি ঊষার সোনামুখের সঙ্গে তুলনা করতেন। লাঙল নিয়ে খেতে যাওয়ার সময়ও দাদু বারবার আড়চোখে স্ত্রীকে দেখে নিতেন—এই আচরণে তাঁদের পারস্পরিক গভীর আকর্ষণ এবং দাম্পত্য প্রেমের দিকটি পরিষ্কারভাবে প্রতিফলিত হয়। দাদু স্মৃতিচারণ করে নাতিকে আরও বলেন, তাঁর স্ত্রী ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত, হাসি খুশি এবং চঞ্চল প্রকৃতির। অল্প বয়সে সামান্য শাপলার হাট থেকে আনা তামাক-মাজন কিংবা একটি রঙীন কাঁচের চুড়ি পেয়েও তিনি যে সরল আনন্দ প্রকাশ করতেন, সেই খুশি দাদুর মনে আজও অমলিন। তাঁর স্ত্রী যখন পান খেয়ে ঠোঁট লাল করতেন, সেই সলজ্জ হাসি দাদুর মনে এক নির্মল ভালোবাসার জন্ম দিত। দাদু আরও স্মরণ করেন যে, তাঁর স্ত্রী ছিলেন দারুণ বুদ্ধিমতী এবং স্নেহশীলা। সাংসারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি স্বামীর খেয়াল রাখতেন। একবার অসুখে পড়ে দাদু যখন বিছানায় শুয়েছিলেন, তখন দাদী পাশে বসে তাঁর কপালে হাত বুলিয়ে কীভাবে রাত জেগে সেবা করেছিলেন, সেই দৃশ্য আজও দাদুর চোখে ভাসে। এই সকল স্মৃতিচারণেই বোঝা যায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন কতখানি সুখ, প্রেম ও সরলতায় ভরপুর ছিল। দাদুর তিরিশ বছরের শূন্য জীবনের বিপরীতে এই সোনালি স্মৃতিগুলিই একমাত্র সান্ত্বনা, যা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বারবার তাঁর মনে ভেসে ওঠে এবং তিনি নাতির কাছে সেই ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের গল্প শোনান।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy লিঙ্কে ক্লিক করুন
Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]
| S.L. No. | Group – A সূচীপত্র |
| পাঠ – ১ | গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা |
| পাঠ – ২ | খাই খাই |
| পাঠ – ৩ | ধূলামন্দির |
| পাঠ – ৪ | কবর |
| পাঠ – ৫ | মনসামঙ্গল |
| পাঠ – ৬ | প্রত্যুপকার |
| পাঠ – ৭ | ছুটি |
| পাঠ – ৮ | ডাইনী |
| পাঠ – ৯ | পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম |
| পাঠ – ১০ | অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা |
| পাঠ – ১১ | লড়াই |
| পাঠ – ১২ | আমরা |
| পাঠ – ১৩ | আগামী |
| পাঠ – ১৪ | আত্মকথা |
| পাঠ – ১৫ | ভারতবর্ষ |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

