Hello Viewers Today’s We are going to Share SEBA Class 6 Science Chapter 14 জল Textbook Question Answer. Are you a Student of SEBA (Secondary Education Board of Assam). SEBA Class 6 Science Chapter 14 জল Which you Can Download PDF SEBA Class 6 Science Chapter 14 জল for free using direct Download Link Given Below in This Post.
SEBA Class 6 Science Chapter 14 জল
Today’s We have Shared in This Post, Class 6 Science Textbook Question Answer in Bengali Chapter 14 জল for Free with you. Class vi Science Question Answer in Bengali I Hope, you Liked The information About The Class 6th Science Textbook Solutions in Bengali. if you liked SEBA Solutions for Class Six Science in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
জল
অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। শূন্যস্থান পূর্ণ করো:
(ক) জল বাষ্পে পরীণত হওয়াকে _________ বলে ?
উত্তরঃবাষ্পীভবন ।
(খ) জলীয় বাষ্প জলে পরিবর্তিত হওয়াব প্রক্রিয়াকে _________ বলে ।
উত্তরঃ ঘনীভবন ।
(গ) এক বছর বা তার অধিক সময় ধরে বৃষ্টি না
হলে একটি অঞ্চলে _________ হতে পারে ।
উত্তরঃ খরা ।
(ঘ) অত্যধিক বৃষ্টি _________ র সৃষ্টি করতে পারে ।
উত্তরঃ বন্যা ।
প্রশ্ন ২। নীচে দেওয়া ফলাফলগুলো কোনটি বাষ্পীভবন এবং কোনটি ঘনীভবনের জন্য হয়েছে বলো ।
(ক) ঠাণ্ডা জল থাকা গ্লাসের বহিপৃষ্ঠে জলের বিন্দু জমা হওয়া।
উত্তরঃ ঘনীভবন ।
S.L. No. | সূচীপত্র |
অধ্যায় -১ | খাদ্য: কোথা থেকে আসে? |
অধ্যায় -২ | খাদ্যর উপাদানসমূহ |
অধ্যায় -৩ | তন্তু থেকে কাপড় |
অধ্যায় -৪ | পদার্থের শ্রেণিবিভাগ |
অধ্যায়-৫ | পদার্থের পৃথকীকরণ |
অধ্যায় -৬ | আমাদের চারপাশের পরিবর্তনসমূহ |
অধ্যায় -৭ | উদ্ভিদের বিষয়ে জানা |
অধ্যায় -৮ | দেহের চলন |
অধ্যায় -৯ | জীব ও তার পরিমন্ডল |
অধ্যায় -১০ | গতি ও দূরত্বের পরিমাপন |
অধ্যায়-১১ | আলো, ছায়া ও প্রতিফলন |
অধ্যায় -১২ | বিদ্যুত ও বর্তনী |
অধ্যায় -১৩ | চুম্বকের সাথে খেলি এসো |
অধ্যায় -১৪ | জল |
অধ্যায় -১৫ | আমাদের চারপাশের বায়ু |
অধ্যায় –১৬ | আবর্জনা সৃষ্টি ও নিষ্কাশন |
(খ) ভেজা কাপড় ইস্ত্রি করার সময় বের হওয়া ভাপ ।
উত্তরঃ বাষ্পীভবন ।
(গ) শীতকালের সকালবেলায় সৃষ্টি হওয়া কুয়াশা ।
উত্তরঃ ঘনীভবন ।
(ঘ) মোছার পর ব্ল্যাকবোর্ডেটি শুকিয়ে যাওয়া ।
উত্তরঃ বাষ্পীভবন ।
(ঙ) জল ছেটালে উত্তপ্ত তাওয়া থেকে বেরোনো ভাপ ।
উত্তরঃ বাষ্পীভবন ।
প্রশ্ন ৩। নীচে দেওয়া কোন উক্তিগুলো শুদ্ধ ?
(ক) মৌসুমী ঋতুর সময় বায়ুতে জলীয় বাষ্প থাকে ।
উত্তরঃ শুদ্ধ ।
(খ) জল মহাসাগর, নদী এবং হ্রদ থেকে বাষ্পীভবন হয় কিন্তু মাটি থেকে নয় ।
উত্তরঃ উক্তিটি শুদ্ধ ।
(গ) জল জলীয় বাষ্পে পরিবর্তন হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে ।
উত্তরঃ শুদ্ধ ।
(ঘ) কেবল সূর্যের আলোকে বাষ্পীভবন হয় ।
উত্তরঃ অশুদ্ধ ।
(ঙ) বায়ুর উপরের অংশে যেখানে খুব ঠাণ্ডা সেখানে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ক্ষদ্র ক্ষদ্র জলকণার সৃষ্টি করে।
উত্তরঃ শুদ্ধ ।
প্রশ্ন ৪। ধরা যাক, তুমি তোমার স্কুলের ইউনিফর্ম খুব তাড়াতাড়ি শুকোতে চাইছ । কয়লার চুলো বা হিটারের উপর তোমার ইউনিফর্মটি মেলে দিলে এতে কাজ হবে কি ? যদি হয় কীভাবে ?
উত্তরঃ স্কুলের ইউনিফর্ম কয়লার চুলো বা হিটারের ওপর মেলে দিলে সেটি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। আমরা জানি উত্তাপ বৃদ্ধি পেলে বাষ্পীভবনের হার বৃদ্ধি পায় । কয়লার চুলো বা হিটারের অধিক তাপে ইউনিফর্মে থাকা জলের বাষ্পীভবন দ্রুত হওয়ার ফলে ইউনিফর্মটি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় ।
প্রশ্ন ৫। ফ্রিজ থেকে একটি ঠাণ্ডা জলের বোতল বের করে এবং টেবিলের উপর রাখো । কিছুক্ষণ পর তার চারপাশে কিছু জলের বিন্দু দেখতে পাবে । সেটি কিসের জন্য ?
উত্তরঃ ফ্রিজ থেকে বের করে আনা একটি ঠাণ্ডা জলের বোতলের পৃষ্ঠভাগ তার সংস্পর্শে থাকা চারপাশের বায়ুকে শীতল করে । এতে বায়ুতে থাকা জলীয় বাষ্প পৃষ্ঠভাগে ঘনীভূত হতে থাকে। সেজন্য ফ্রিজ থেকে বের করে আনা
ঠাণ্ডা জলের বোতলে কিছু জলবিন্দু দেখতে পাওয়া যায় ।
প্রশ্ন ৬। চশমা পরিষ্কার করতে একজন মানুষ প্রায়ই তার চশমার কাঁচ ভেজানোর জন্য কাঁচের উপর শ্বাস ছেড়ে দেয় । কাঁচ দুটো কেন ভিজে ওঠে ? ব্যাখ্য করো ।
উত্তরঃ চশমা পরিষ্কার করতে একজন মানুষ প্রায়ই তার চশমার কাঁচ ভেজানোর জন্য কাঁচের উপর প্রশ্বাস ছেড়ে দেয়। প্রশ্বাসের সঙ্গে বেরিয়ে আসা গরম বায়ুতে জলীয় বাষ্প থাকে এবং এই জলীয় বাষ্প শীতল । বাইরের স্বাভাবিক উষ্ণতায় শীতল ও ঘনীভূত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয় । সেজন্য কাঁচ দুটি ভিজে উঠে ।
প্রশ্ন ৭। মেঘ কীভাবে সৃষ্টি হয় ?
উত্তরঃ পৃথিবী থেকে যতই উপরের দিকে উঠা যায় ততই ঠাণ্ডা লাগে । যখন বায়ু উপরের দিকে উঠে তখন সেটি ঠাণ্ডা হতে থাকে । অধিক উচ্চতার বায়ু এত বেশি ঠাণ্ডা হয় যে সেটিতে থাকা জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয়। এই ক্ষুদ্র জলকণাগুলি আকাশে ভাসতে থাকে। এভাবে আকাশে মেঘের সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ৮। কখন খরা হয় ?
উত্তরঃ কোনো অঞ্চলে যখন অনেক বছর বা দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত হয় না তখন খরার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে মাটি অনবরতভাবে বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার দ্বারা জল হারাতে থাকে। বৃষ্টির দ্বারা যেহেতু এই জল পুনরায় ফিরে আসে না, তাই মাটি শুকিয়ে যায়। তাছাড়া সেই অঞ্চলের কুয়ো বা পুকুরের জলপৃষ্ঠ নীচে নেমে যায়। এমনকি সেগুলির কয়েকটি শুকিয়েও যেতে পারে। এতে ভূগর্ভস্থ জলের অভাব ঘটে। এভাবে খরার সৃষ্টি হয়।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। পৃথিবীর জলের উৎসগুলি কী কী ?
উত্তরঃ পৃথিবীর জলের উৎসগুলি হল পুকুর, খাল, বিল, হ্রদ নদ-নদী, কূপ, নল-কূপ সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২। জল কোন কোন কাজে ব্যবহৃত হয় ?
উত্তরঃ নিম্নলিখিত কাজে আমরা জল ব্যবহার করে থাকি। যেমন-
(১) রান্নার কার্যে, কাপড় কাচা, বাসনপত্র পরিষ্কার করা, ঘর ধোয়া-মোছা, স্নান করা কৃষির কাজে ইত্যাদি কাজে জল ব্যবহার করা হয়।
(২) জলসিঞ্চনের কাজে জল ব্যবহার করা হয়।
(৩) আগুন নেভানোর কাজে জল ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন ৩। জলচক্র কাকে বলে ?
উত্তরঃ নদ-নদী, খাল, বিল, ঝরণা, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদির জলের একাংশ সূর্যের তাপে অনবরত বাষ্প হয়ে ওপরে উঠে এবং আকাশে মেঘ হিসাবে জমা হয়। মেঘ শীতল হলে সেই জলীয়বাষ্প বৃষ্টির ফোঁটায় পরিণত হয়ে পৃথিবীর বুকে পড়ে। এই বৃষ্টির জল পুনরায় খাল-বিল, নদী, সাগর ইত্যাদিতে এসে মিশে যায়। এভাবে জলের চক্রটি অনবরত চলতে থাকে। এটিকে বলা হয় জলচক্র।
প্রশ্ন ৪। অনেকদিন ধরে মাটির নিচের জল বা ভূপৃষ্ঠের জল ব্যবহার করার পরও তা নিঃশেষ না হবার কারণ কী ?
উত্তরঃ পৃথিবীতে অনবরত জলচক্র প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে বলে বৃষ্টির জল মাটির নিচে এবং ভূপৃষ্ঠের উপরের অংশে সঞ্চিত হয়ে থাকে। তাই অনেকদিন ধরে মাটির নিচের জল বা ভূপৃষ্ঠের জল ব্যবহার করার পরও তা নিঃশেষ হয়ে যায় না।
প্রশ্ন ৫। পৃথিবীতে জল কী কী আকারে দেখতে পাওয়া যায় ?
উত্তরঃ পৃথিবীতে জলকে বরফ, তরল জল এবং জলীয় বাষ্প এই তিনটি আকারে দেখতে পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৬। জলের বাষ্পীভবন কাকে বলে ?
উত্তরঃ সূর্যের উত্তাপে জল গরম হয়ে বাষ্পে পরিণত হয় এবং ওপরে উঠে। জলের এরূপ বাষ্পে পরিণতিকে জলের বাষ্পীভবন বলা হয়।
প্রশ্ন ৭। জল শুধু গরম করলেই বাষ্পে পরিণত হয় কি ?
উত্তরঃ জল গরম করলে বাষ্পে পরিণত হয়। কিন্তু তাছাড়া শুষ্ক আবহাওয়ায় রোদের প্রখর তাপে এবং বাতাসে জল বাষ্পে পরিণত হয়।
প্রশ্ন ৮। বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প কীভাবে গঠিত হয় এবং এটি ঘনীভূত হলে কী হয় ?
উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের বৃহৎ জলভাগই বায়ুতে থাকা জলীয় বাষ্পের প্রধান উৎস। সূর্যের তাপে সাগর, মহাসাগর, নদ-নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে জল বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুতে মিশে ৷ এভাবে ভূপৃষ্ঠের জল বাষ্পীভবনের ফলে বায়ুতে জলীয়বাষ্পের সৃষ্টি হয়। বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হলে মেঘ, বৃষ্টি, শিশির, কুয়াশা প্রভৃতির সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন 9। নিম্নলিখিতগুলি কীভাবে সৃষ্টি হয় ?
(ক) বৃষ্টি ।
(খ) শিশির ।
উত্তরঃ (ক) বৃষ্টি : আকাশে ভাসমান মেঘগুলি আরও ঘনীভূত হয়ে বড় বড় জলবিন্দুতে পরিণত হলে সেগুলি পৃথিবীতে নেমে আসে। এটিকে আমরা বৃষ্টি বলে থাকি।
(খ) শিশির : রাত্রিবেলা ভূপৃষ্ঠে শীতল হলে এর সংস্পর্শে থাকা বায়ুগুলিও শীতল হয়ে যায়। তখন জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে গাছের পাতা ও ঘাসের ওপর জলবিন্দুর আকারে জমা হয়। একে শিশির বলা হয়।
প্রশ্ন ১০। ভিজে কাপড় রোদে মেলে দিলে শুকিয়ে যায় কেন ?
উত্তরঃ ভিজে কাপড় রোদে মেলে দিলে কাপড়টির মধ্যে থাকা জলকণাগুলি রৌদ্রতাপে জলীয়বাষ্প হয়ে ওপরে উড়েযায়। তাই ভিজে কাপড় রৌদ্রে মেলে দিলে শুকায়।
প্রশ্ন ১১। প্রবল বৃষ্টিপাত হলে কী হয় ?
উত্তরঃ প্রবল বৃষ্টিপাত অনেকগুলি সমস্যার সৃষ্টি করে। প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে নদী, হ্রদ, পুকুর ইত্যাদির জল বেড়ে গিয়ে সেই জল নানান অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে বন্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। বন্যার ফলে শস্যক্ষেত্র, অরণ্য, গ্রাম এবং শহর ডুবে যেতে পারে। আমাদের দেশে বন্যা শস্য, গৃহপালিত জন্তু, সম্পত্তি এবং মানুষের জীবনের অনেক ক্ষতিসাধন করে।
প্রশ্ন ১২। বৃষ্টির জল আহরণ করা বলতে কী বোঝ ? বৃষ্টির জল আহরণের দুটি কৌশল উল্লেখ করো।
উত্তরঃ জলের পর্যাপ্ত বৃদ্ধির একটি উপায় হল বৃষ্টির জল সংগ্রহ করা এবং ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য সংগ্রহকে বৃষ্টির জল আহরণ করা বলা হয়। বৃষ্টির জল আহরণ করার দুটি কৌশল নিচে দেওয়া হল—
(১) ঘরের ছাদ থেকে বৃষ্টির জল আহরণ : এই পদ্ধতিতে বৃষ্টির জল ঘরের ছাদ থেকে সংগ্রহ করে পাইপের মাধ্যমে সংরক্ষণ ট্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হয়। এই জলে ঘরের ছাদে থাকা ময়লা থাকতে পারে। ফলে ব্যবহারের আগে সেটিকে ছাঁকনি করা হয়। ট্যাঙ্কে সংগ্রহ করার পরিবর্তে এই জল সরাসরি মাটিতে থাকা গর্তে এনে ফেলে দেওয়া হয় । এই জল তখন চুইয়ে মাটির নিচে প্রবেশ করে এতে ভূ – জল পুনরায় ভর্তি হয়।
(২) বৃষ্টির জল আহরণের অপর একটি উপায় হল রাস্তার পাশের নর্দমায় জমা হওয়া বৃষ্টির জল সরাসরি মাটির নীচে প্রবেশ করতে দেওয়া।
প্রশ্ন ১৩। নিম্নলিখিত উক্তিগুলি শুদ্ধ না অশুদ্ধ উল্লেখ করো ।
(ক) সমুদ্রের জলে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় এই ধরনের জল ব্যবহারের অনুপযোগী।
উত্তরঃ উক্তিটি শুদ্ধ ।
(খ) বাষ্পের তরলে পরিণতিকে বাষ্পীভবন বলা হয় ।
উত্তরঃ উক্তিটি শুদ্ধ ।
(গ) পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে যতই ওপরের দিকে যাওয়া যায় ততই ঠাণ্ডা লাগে ।
উত্তরঃ উক্তিটি শুদ্ধ ।
(ঘ) বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হলে মেঘ, বৃষ্টি, শিশির, কুয়াশা প্রভৃতির সৃষ্টি হয়।
উত্তরঃ উক্তিটি শুদ্ধ ।
Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.