SEBA Class 10 Bengali Chapter 5 আবার আসিব ফিরে Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Bengali Chapter 5 আবার আসিব ফিরে Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Bengali Chapter 5 আবার আসিব ফিরে Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Bengali Chapter 5 আবার আসিব ফিরে
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 10 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
আবার আসিব ফিরে
১। টীকা লেখো।
উত্তরঃ সুদর্শন: দেখতে খুব সুন্দর এক প্রকার পাখি অথবা আকাশে উড়ন্ত ঘুড়ি, ফড়িং বা কাঁচপোকা জাতীয় এক প্রকার পতঙ্গ।
নবান্ন উৎসব: বাংলাদেশের এক প্রকার কৃষি-উৎসব। গ্রামের মানুষ এই উৎসব পালন করে। হেমন্তকালে বাংলার কৃষকরা আমন ধান কাটার পর এই উৎসবের আয়োজন করে। তাতে আত্মীয়পরিজন ও প্রতিবেশীরা অংশ গ্রহণ করে। সাধারণত অঘ্রান মাসে এই উৎসব পালিত হয়। উৎসবে সমাগত আত্মীয়বর্গকে নতুন চালের ভাত ও নতুন গুড়ের মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়।
নিজে টীকা লেখো।
(ক) জীবনানন্দ দাশ।
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবিতার একজন শ্রেষ্ঠ কবি। তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। প্রকৃতির অন্তর্লোক, নিসর্গচেতনা ও মানব-নিঃসঙ্গতার মিশ্রণে তিনি কবিতার নতুন রূপ নির্মাণ করেছেন। তাঁকে “রূপসী বাংলার কবি” বলা হয়।
(খ) জলাঙ্গী।
উত্তরঃ বাংলাদেশের একটি নদীর নাম। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় এ নদী প্রকৃতির মায়াবী সৌন্দর্য ও কবির স্মৃতিমণ্ডিত নিসর্গের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
(গ) ধানসিড়ি।
উত্তরঃ বাংলার একটি নদীর নাম। কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় ধানসিড়ি নদী বারবার এসেছে। এটি কবির স্মৃতিবিজড়িত শৈশব ও বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতির প্রতীক।
(ঘ) লক্ষ্মীপেঁচা।
উত্তরঃ এক প্রকার নিশাচর পাখি। এরা সাধারণত রাতের অন্ধকারে ডাকতে শোনা যায়। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় লক্ষ্মীপেঁচা রহস্যময়তা, নিঃসঙ্গতা ও গাঢ় অন্ধকারের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।
(ক) ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটির কবি কে?
উত্তরঃ ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটির কবি হলেন জীবনানন্দ দাশ।
(খ) কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
উত্তরঃ এই কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের অন্তর্গত।
(গ) ‘কবি জীবনানন্দ দাশ’ রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থটির নাম কী?
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থটির নাম হলো ‘বনলতা সেন’।
(ঘ) কবি জীবনানন্দ দাশ কর্মজীবনে কী করতেন?
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ জীবিকার জন্য বিভিন্ন কলেজে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন।
(ঙ) ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটিতে কবি কোথায় ফিরে আসতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ কবি ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটিতে বাংলার ধানসিড়ি নদীর তীরে ফিরে আসতে চেয়েছেন।
(চ) কবি মৃত্যুর পর কীভাবে জন্মভূমিতে ফিরে আসতে চান?
উত্তরঃ কবি মৃত্যুর পর শঙ্খচিল, শালিক, ভোরের কাক, হাঁস, অথবা ধবল বক হয়ে তাঁর জন্মভূমিতে ফিরে আসতে চান।
(ছ) কবিতাটিতে কোন নদীর কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতাটিতে ধানসিড়ি এবং রূপসা নদীর কথা বলা হয়েছে।
(জ) কবি কোন জন্মে তাঁর পায়ে ঘুঙুর থাকবে বলে বলেছেন?
উত্তরঃ কবি হাঁস হয়ে জন্মগ্রহণ করলে তাঁর পায়ে ঘুঙুর থাকবে বলে বলেছেন।
(ঝ) লক্ষ্মীপেঁচা কোন গাছের ডালে ডাকে?
উত্তরঃ লক্ষ্মীপেঁচা শিমূল গাছের ডালে ডাকে।
(ঞ) কবি কীভাবে কাঁঠাল ছায়ায় আসবেন বলে আশা করেন?
উত্তরঃ কবি কুয়াশার বুকে ভেসে কাঁঠাল ছায়ায় আসবেন বলে আশা করেন।
৩। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।
(ক) কবি ‘জীবনানন্দ দাশ’ রচিত চারটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত চারটি কাব্যগ্রন্থ হলো: ‘ঝরাপালক’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘রূপসী বাংলা’ এবং ‘সাতটি তারার তিমির’।
(খ) কবির কাব্যগুলোতে বিশেষত কী কী ভাবের আকর্ষণ বেশি দেখা যায়?
উত্তরঃ কবির কাব্যগুলোতে ইতিহাসচেতনা, বিপন্ন মানবতার বেদনায় বিষণ্ণতা ও নিঃসঙ্গতার পাশাপাশি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শের উপলব্ধি এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ দেখা যায়।
(গ) কবির জন্মভূমি বাংলার বিষয়ে লেখো।
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর জন্মভূমি বাংলাদেশের নিসর্গ সৌন্দর্যে বিভোর ছিলেন। তাঁর কবিতার পৃথিবী এই জন্মভূমি বাংলাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে। তিনি তাঁর সমগ্র সত্তা দিয়ে এই বাংলার সঙ্গে একাত্মতা খুঁজেছেন।
(ঘ) কবি পুনঃজন্মে বিশ্বাস করেন কী? এ বিষয়ে যা জান বর্ণনা করো।
উত্তরঃ কবি পুনঃজন্মে বিশ্বাস করতেন। তিনি জানেন যে মৃত্যুর পরেও জীবন আছে। তাই তিনি মৃত্যুর পর শঙ্খচিল, শালিক, কিংবা অন্যান্য প্রাণীরূপে বাংলায় ফিরে আসার আশা প্রকাশ করেছেন।
(ঙ) কবি হাঁস হয়ে পুনরায় জন্মগ্রহণ করতে চান কেন?
উত্তরঃ কবি হাঁস হয়ে পুনরায় জন্মগ্রহণ করতে চান কারণ তিনি কিশোরীর ঘুঙুর পরা হাঁস হয়ে কল্ল্মীর গন্ধভরা জলে ভেসে সারাদিন কাটাতে চান।
(চ) নবান্ন উৎসব কী? এ বিষয়ে কী জান লেখো।
উত্তরঃ নবান্ন হলো হেমন্তকালে বাংলার কৃষকদের শালি ধান কাটার পর পালিত একটি কৃষি-উৎসব। এই উৎসব সাধারণত অঘ্রান মাসে অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে নতুন ধানের চাল থেকে ভাত ও নতুন গুড়ের মিষ্টি তৈরি করে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের পরিবেশন করা হয়।
(ছ) ‘আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে’ কথাটির সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দাও।
উত্তরঃ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে মৃত্যুর পর তিনি যদি অন্য কোনো রূপে বাংলার প্রকৃতিতে ফিরেও আসেন, তবুও তিনি তার সত্তাকে হারাবেন না। মানুষ তাকে ঠিকই সেই শঙ্খচিল, শালিক, কাক বা হাঁসের ভিড়ের মধ্যেই খুঁজে পাবে। তিনি বাংলার প্রকৃতি ও জীবনের সঙ্গে এক হয়ে যাবেন।
৪। শূন্যস্থান পূর্ণ করো।
(ক) রূপসার _________ জলে হয়তো _________ এক শাদা ছেঁড়া পালে _________বায়।
উত্তরঃ ঘোলা, কিশোর, ডিঙা।
(খ) শুনিবে এক ________ ডাকিতেছে _________ ডালে, হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে।
উত্তরঃ লক্ষ্মীপেঁচা, শিমূলের।
(গ) আবার আসিব আমি _______ নদী মাঠ খেত ________, _______ ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ ________ করুণ।
উত্তরঃ বাংলার, ভালোবেসে, জলাঙ্গীর, সবুজ
৫। রচনাধর্মী উত্তর লেখো।
(ক) “এই কার্তিকের নবান্নের দেশে”- কথাটির অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ করো।
উত্তরঃ ‘এই কার্তিকের নবান্নের দেশে’ – এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি বাংলার সেই বিশেষ রূপটিকে ফুটিয়ে তুলেছেন যখন কৃষকের ঘরে নতুন ধান ওঠে এবং সারা বাংলায় এক আনন্দের আবহ তৈরি হয়। এটি শুধু একটি মাস নয়, বরং বাংলার সমৃদ্ধি, প্রাচুর্য এবং গ্রাম্য সংস্কৃতির প্রতীক। কবি সেই চিরন্তন, সমৃদ্ধ বাংলায় ফিরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
(খ) ‘আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে’—কবি পুনরায় জন্মগ্রহণ করে কাদের ভিড়ে ফিরে আসতে চান, বর্ণনা করো?
উত্তরঃ কবি পুনরায় জন্মগ্রহণ করে বাংলার শঙ্খচিল, শালিক, ভোরের কাক, লক্ষ্মীপেঁচা, হাঁস, ধবল বক এবং সেই কিশোর নাবিকের ভিড়ে ফিরে আসতে চান। তিনি মনে করেন, এই সমস্ত প্রাণী ও মানুষের মধ্যেই তিনি একাত্ম হয়ে মিশে থাকবেন।
(গ) কবিতাটির সারাংশ সংক্ষেপে ব্যক্ত করো।
উত্তরঃ ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতার সারাংশ হলো কবির জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং পুনর্জন্মের আকাঙ্ক্ষা। কবি বাংলার রূপ, নদী, মাঠ, ও প্রকৃতির প্রেমে এতটাই মুগ্ধ যে তিনি মৃত্যুর পরেও এই বাংলাতেই ফিরে আসতে চান, মানুষ হিসেবে নয়, বরং এখানকারই কোনো প্রাণী যেমন শালিক, কাক, বা হাঁস রূপে। এই কবিতাটি কবির আত্মিক যোগের পরিচয় দেয় এবং বাংলার এক চিত্ররূপময় ছবি তুলে ধরে।
(ঘ) ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ কবিতাটির নামকরণ ‘আবার আসিব ফিরে’ সম্পূর্ণ সার্থক। কারণ, কবিতার মূল বিষয়ই হলো কবির মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় জন্মভূমি বাংলায় ফিরে আসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। পুরো কবিতাটিতে এই ফিরে আসার ভাবনাই বার বার প্রকাশিত হয়েছে। কবি যেন তাঁর পাঠকদের কাছে এই ফিরে আসার প্রতিশ্রুতিই দিয়েছেন, তাই এই নামকরণই কবিতার বিষয়বস্তুর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy লিঙ্কে ক্লিক করুন
Class 10 Bengali Textual Question Answer [New Syllabus Updated]
| S.L. No. | সূচীপত্র |
| অধ্যায় -১ | প্রার্থনা |
| অধ্যায় -২ | বিজয়া দশমী |
| অধ্যায় -৩ | গ্রাম্যছবি |
| অধ্যায় -৪ | প্রতিনিধি |
| অধ্যায় -৫ | আবার আসিব ফিরে |
| অধ্যায় -৬ | সাগর-সঙ্গমে নবকুমার |
| অধ্যায় -৭ | বাংলার নবযুগ |
| অধ্যায় -৮ | বলাই |
| অধ্যায় -৯ | আদরিণী |
| অধ্যায় -১০ | তোতা কাহিনি |
| অধ্যায় -১১ | অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস ও সাহসের এক নাম |
| অধ্যায় -১২ | কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা |
| অধ্যায় -১৩ | এসো উদ্যোক্তা হই |
| অধ্যায় -১৪ | জীবন সংগীত |
| অধ্যায় -১৫ | কাণ্ডারী হুঁশিয়ার |
| অধ্যায় –১৬ | পিতা ও পুত্ৰ |
| অধ্যায় -১৭ | অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি |
| অধ্যায় –১৮ | শ্ৰীকান্ত ও ইন্দ্ৰনাথ |
| অধ্যায় -১৯ | উজান গাঙ বাইয়া |
| বাংলা ব্যাকরণ | |
| S.L. No | বৈচিত্রপূর্ণ আসাম |
| অধ্যায় -১ | তিওয়াগণ |
| অধ্যায় -২ | দেউরিগণ |
| অধ্যায় –৩ | নেপালিভাষী গোর্খাগণ |
| অধ্যায় –৪ | বোড়োগণ |
| অধ্যায় –৫ | মটকগণ |
| অধ্যায় –৬ | মরাণগণ |
| অধ্যায় –৭ | মিসিংগণ |
| অধ্যায় –৮ | মণিপুরিগণ |
| অধ্যায় –৯ | রাভাগণ |
| অধ্যায় –১০ | চুটিয়াগণ |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.


TQ,
ur mst wlcm