SEBA Class 10 Bengali Chapter 6 সাগর-সঙ্গমে

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Bengali Chapter 6 সাগর-সঙ্গমে Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Bengali Chapter 6 সাগর-সঙ্গমে Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Bengali Chapter 6 সাগর-সঙ্গমে Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Bengali Chapter 6 সাগর-সঙ্গমে

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 10 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

সাগর-সঙ্গমে

১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

(ক) নবকুমার কে?

উত্তরঃ নবকুমার সপ্তগ্রামের অধিবাসী এক ব্রাহ্মণ সন্তান। তিনি ছিলেন একজন কর্মঠ, সুদর্শন ও বলিষ্ঠ যুবক।

(খ) নবকুমার সঙ্গীগণ কর্তৃক পরিত্যক্ত হওয়ার প্রধান কারণ কী ছিল?

উত্তরঃ রান্নার কাঠ সংগ্রহ করার জন্য তিনি একা জঙ্গলে গিয়েছিলেন। এই সুযোগে জোয়ারের বেগে নৌকা ভেসে যায় এবং নবকুমার তার সঙ্গীদের দ্বারা পরিত্যক্ত হন।

(গ) নবকুমার নির্জন সমুদ্রতীরে পরিত্যক্ত হল কেন?

উত্তরঃ রান্নার কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে জোয়ারের টানে তার সঙ্গীদের নৌকা ভেসে যায়, যার ফলে তিনি নির্জন সমুদ্রতীরে পরিত্যক্ত হন।

(ঘ) ঘুম ভাঙার পর নবকুমার বহুদূরে কী দেখেছিল?

উত্তরঃ ঘুম ভাঙার পর নবকুমার বহু দূরে একটি আলোকবিন্দু দেখতে পেয়েছিলেন।

(ঙ) কখন কাপালিকের সঙ্গে নবকুমারের সাক্ষাৎ হয়েছিল?

উত্তরঃ গভীর রাতে ঘুম ভাঙার পর নবকুমারের সঙ্গে কাপালিকের সাক্ষাৎ হয়েছিল।

(চ) ‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?’ উক্তিটি কার?

উত্তরঃ উক্তিটি বনবালা কপালকুণ্ডলার।

(ছ) ‘কত্ত্বং’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘কত্ত্বং’ শব্দের অর্থ হলো ‘কে তুমি?’।

(জ) নবকুমার জাতিতে ছিল ________ (শূন্যস্থান পূর্ণ করো)।

উত্তরঃ নবকুমার জাতিতে ব্রাহ্মণ ছিল।

(ঝ) নবকুমার পর্ণকুটিরে কী খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছিল?

উত্তরঃ নবকুমার পর্ণকুটিরে কাপালিকের দেওয়া ফলমূল ও সামান্য তিক্ত জল খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছিল।

(ঞ) অস্পষ্ট সন্ধ্যালোকে কে নবকুমারকে পর্ণকুটিরের পথ দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল?

উত্তরঃ অস্পষ্ট সন্ধ্যালোকে কপালকুণ্ডলা নবকুমারকে পর্ণকুটিরের পথ দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।

(ট) “কাপালিক মনুষ্য, আমিও মনুষ্য” উক্তিটি কার?

উত্তরঃ উক্তিটি নবকুমারের।

(ঠ) কাপালিকের পর্ণকুটিরে নবকুমার কী দেখেছিল?

উত্তরঃ কাপালিকের পর্ণকুটিরটি কিয়া পাতায় তৈরি ছিল এবং তার মধ্যে কয়েকটি বাঘের চামড়া, একটি জলের কলস ও কিছু ফলমূল ছিল।

(ড) কাপালিকের বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ কাপালিকের বয়স প্রায় পঞ্চাশ বছর ছিল।

(ঢ) প্রাতে উঠে নবকুমার কী করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল?

উত্তরঃ সকালে উঠে নবকুমার নিজের বাড়ি ফেরার উপায় খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।

২। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

(ক) ‘সাগর সংগ্রমে নবকুমার’ পাঠটি কার লিখিত কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ ‘সাগর সংগমে নবকুমার’ পাঠটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের একটি অংশ।

(খ) নবকুমার কোথায়, কীভাবে পরিত্যক্ত হয়েছিল?

উত্তরঃ নবকুমারকে তার সঙ্গীরা দৌলতপুর ও দরিয়াপুর গ্রামের কাছে, সমুদ্র ও নদীর সঙ্গমস্থলে ছেড়ে চলে যায়। তিনি যখন রান্নার জন্য কাঠ সংগ্রহ করতে যান, তখন জোয়ারের টানে নৌকা ভেসে যাওয়ায় তিনি সেখানে পরিত্যক্ত হন।

(গ) কী রূপ পরিস্থিতিতে কী কারণে নবকুমার বিজন বনে পরিত্যক্ত হয়েছিল?

উত্তরঃ রান্নার কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে জোয়ারের প্রভাবে নৌকা ভেসে গেলে নবকুমার বিজন বনে পরিত্যক্ত হন।

(ঘ) কাপালিককে নবকুমার কোথায় কী অবস্থায় দেখতে পায় তা লেখো।

উত্তরঃ নবকুমার কাপালিককে একটি উঁচু বালিয়াড়ির চূড়ায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় দেখতে পান। তিনি একটি ছিন্ন মস্তক এবং গলিত শবের উপর বসেছিলেন।

(ঙ) নবকুমার কার সহায়তায় কেমন করে পুনরায় পর্ণকুটিরে পৌঁছতে পেরেছিল?

উত্তরঃ সন্ধ্যাবেলা পর্ণকুটিরের পথ হারিয়ে ফেলার পর নবকুমার এক অপরিচিত সুন্দরী রমণীর দেখা পান। সেই রমণী তাকে পথ চিনিয়ে পুনরায় পর্ণকুটিরে পৌঁছে দেয় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়।

(চ) কাপালিকের পর্ণকুটিরের যথাযথ বিবরণ দাও।

উত্তরঃ কাপালিকের পর্ণকুটিরটি সম্পূর্ণভাবে কিয়া পাতা দিয়ে তৈরি ছিল। ঘরের ভেতরে কয়েকটি বাঘের চামড়া, একটি জলের কলস এবং কিছু ফলমূল ছিল।

(ছ) কাপালিকের পর্ণকুটিরে নবকুমার কী করে প্রাপ্ত তণ্ডুল আত্মসাৎ করেছিল?

উত্তরঃ নবকুমার পর্ণকুটিরে পাওয়া চালগুলি একটি মাটির পাত্রে সিদ্ধ করে খেয়েছিল।

(জ) “কোথা যাইতেছ? যাইও না। ফিরিয়া যাও-পলায়ন কর।” – উক্তিটি কার? কে, কাকে, কখন, কেন এ উক্তি করেছিল? নবকুমার পরে কী করল?

উত্তরঃ উক্তি: এই উক্তিটি কপালকুণ্ডলার।

কে, কাকে, কখন এবং কেন: সন্ধ্যায় যখন নবকুমার কাপালিকের পিছু পিছু যাচ্ছিলেন, তখন কপালকুণ্ডলা এসে তাকে এই কথাগুলো বলেন। কপালকুণ্ডলা বুঝতে পেরেছিলেন যে নবকুমারের জীবন বিপন্ন, তাই তাকে সতর্ক করতে তিনি এই কথাগুলো বলেছিলেন।

নবকুমার পরে কী করল: প্রথমে নবকুমার হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। পরে তিনি যুক্তি দিয়ে ভাবেন, “কাপালিক মনুষ্য, আমিও মনুষ্য,” এবং পালিয়ে না গিয়ে কাপালিকের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

৩। শূন্যস্থান পূর্ণ করো।

(ক) সে তো আশঙ্কাসূচক, কিন্তু কিসের আশঙ্কা? তান্ত্রিকেরা সকলই করিতে পারে। তবে কি পলাইব? পলাইব বা কেন?

(খ) নবকুমার কহিলেন, “এ পর্যন্ত প্রভু দর্শনে কি জন্য বঞ্চিত ছিলাম?” “কাপালিক কহিল নিজ ব্রতে নিযুক্ত ছিলাম।”

(গ) ভ্রমণ করিতে করিতে নবকুমারের শ্রম জন্মিল। সমস্ত দিন অনাহার; এজন্য অধিক অবসন্ন হইলেন।

(ঘ) কটিদেশ হইতে জানু পর্যন্ত শাদুলচৰ্ম্মে আবৃত।

(ঙ) পরে ব্যাঘ্রচর্মে শয়ন করিলেন, সমস্ত দিবসজনিত ক্লেশহেতু শীঘ্রই নিদ্রাভিভূত হইলেন।

৪। রচনাধর্মী উত্তর দাও।

(ক) “পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” —উক্তিটির আলোকে ঘটনার পূর্বাপর আলোচনা করো।

উত্তরঃ পূর্বের ঘটনা: নবকুমার তার সঙ্গীদের দ্বারা পরিত্যক্ত হয়ে নির্জন সমুদ্রতীরে একা ঘুরছিলেন। তিনি ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত এবং ক্লান্ত ছিলেন এবং রাত হয়ে আসায় তিনি পর্ণকুটিরের পথও হারিয়ে ফেলেন।

পরের ঘটনা: এই পরিস্থিতিতে, এক অতি রূপসী নারী (কপালকুণ্ডলা) এসে তাকে পথ হারিয়েছেন কিনা জিজ্ঞাসা করেন। নবকুমার তার রূপ দেখে এতটাই অভিভূত হন যে তিনি কিছু বলতে পারেন না। তখন কপালকুণ্ডলা তাকে তাদের কুটিরে পৌঁছে দিয়ে চলে যান।

(খ) ‘সাগর সংগমে নবকুমার’ পাঠটির সারাংশ লেখো।

উত্তরঃ গঙ্গাসাগরের তীর্থযাত্রায় গিয়ে নবকুমারকে তার সঙ্গীরা একটি জনমানবহীন স্থানে ফেলে চলে যায়। তিনি ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় কাতর হয়ে ঘুরতে থাকেন এবং একসময় একটি কাপালিকের দেখা পান। সেই কাপালিকের সঙ্গে তার কুটিরে আশ্রয় নিয়ে নবকুমার তার পালিতা কন্যা কপালকুণ্ডলার দেখা পান। কপালকুণ্ডলা বুঝতে পারেন যে কাপালিক নবকুমারের ক্ষতি করতে পারে। তাই তিনি নবকুমারকে পালিয়ে যেতে বলেন এবং তার প্রাণ রক্ষা করেন।

(গ) “এ কি দেবী-মানুষ-না কাপালিকের মায়া মাত্র।”-এই উক্তিটির আলোকে নবকুমারের মনোভাব ব্যক্ত করো।

উত্তরঃ জনহীন স্থানে হঠাৎ এক অপরূপা নারীর দেখা পেয়ে নবকুমার হতভম্ব হয়ে যান। তিনি বুঝতে পারছিলেন না যে, এই নারী একজন দেবী, মানুষ নাকি কাপালিকের কোনো মায়া। এটি তার মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। তিনি দিশাহীন এবং তার এই আঘাতজনিত পরিস্থিতিতে তিনি নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

(ঘ) ‘কাপালিক মনুষ্য আমিও মনুষ্য।” উক্তিটির বক্তা কে? সে এরূপ বলার যথাযথ কারণ উল্লেখ করো।

উত্তরঃ বক্তা: উক্তিটির বক্তা হলেন নবকুমার।

কারণ: কপালকুণ্ডলার সতর্কবার্তার পর নবকুমার দ্বিধায় পড়ে যান। তিনি তার জীবন নিয়ে ঝুঁকি থাকার কথা চিন্তা করেন এবং নিজেকে আশ্বস্ত করার জন্য যুক্তি দেখান। তিনি মনে করেন যে যদি তিনি আগের দিন বেঁচে থাকতে পারেন, তবে আজও পারবেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে কাপালিক কেবল একজন মানুষ, তিনিও একজন মানুষ। তাই তার ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

(ঙ) নবকুমারকে গল্পটির নায়ক বলা যায় কি? নবকুমারের চরিত্রের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ নায়ক: হ্যাঁ, নবকুমারকে গল্পটির নায়ক বলা যায়। কারণ তিনি একজন সাহসী, শক্তিশালী এবং দয়ালু যুবক। গল্পের সব ঘটনা তাকে ঘিরেই ঘটে।

চরিত্রের বর্ণনা: নবকুমার ছিলেন সপ্তগ্রামের একজন ব্রাহ্মণ যুবক। তিনি একজন সাহসী এবং শক্তিশালী মানুষ। সঙ্গীহীন হওয়ার পরেও তিনি আশা ছাড়েননি এবং বেঁচে থাকার জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তার চরিত্রে সাহসিকতা, দৃঢ়তা এবং মানবিকতা প্রকাশ পায়।

Class 10 Bengali Textual Question Answer [New Syllabus Updated]

S.L. No.সূচীপত্র
অধ্যায় -১প্রার্থনা
অধ্যায় -২বিজয়া দশমী
অধ্যায় -৩গ্রাম্যছবি
অধ্যায় -৪প্রতিনিধি
অধ্যায় -৫আবার আসিব ফিরে
অধ্যায় -৬সাগর-সঙ্গমে নবকুমার
অধ্যায় -৭বাংলার নবযুগ
অধ্যায় -৮বলাই
অধ্যায় -৯আদরিণী
অধ্যায় -১০তোতা কাহিনি
অধ্যায় -১১অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস ও সাহসের এক নাম
অধ্যায় -১২কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা
অধ্যায় -১৩এসো উদ্যোক্তা হই
অধ্যায় -১৪জীবন সংগীত
অধ্যায় -১৫কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
অধ্যায় –১৬পিতা ও পুত্ৰ
অধ্যায় -১৭অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি
অধ্যায় –১৮শ্ৰীকান্ত ও ইন্দ্ৰনাথ
অধ্যায় -১৯উজান গাঙ বাইয়া
বাংলা ব্যাকরণ
S.L. Noবৈচিত্রপূর্ণ আসাম
অধ্যায় -১তিওয়াগণ
অধ্যায় -২দেউরিগণ
অধ্যায়নেপালিভাষী গোর্খাগণ
অধ্যায়বোড়োগণ
অধ্যায়মটকগণ
অধ্যায়মরাণগণ
অধ্যায়মিসিংগণ
অধ্যায়মণিপুরিগণ
অধ্যায়রাভাগণ
অধ্যায়১০চুটিয়াগণ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top