SEBA Class 10 Social Science Chapter 3 অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Social Science Chapter 3 অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Social Science Chapter 3 অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ Solutions We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Social Science Chapter 3 অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Social Science Solutions For Class 10 SEBA. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
১। ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে অসমের রাজস্ব সংগ্রহ পদ্ধতির কী পরিবর্তন হয়েছিল?
উত্তরঃ ব্রিটিশ প্রবর্তিত টাকার মাধ্যমে মাটির খাজনা এবং অন্যান্য কর সংগ্রহ ব্যবস্থা অসমিয়া প্রজার অবস্থা শোচনীয় করে তুলেছিল।
২। কোন সালে মোফট মিলস অসমে এসেছিলেন?
উত্তরঃ ১৮৫৩ সালে মোফট মিলস অসমে এসেছিলেন।
৩। কেঞা কারা ছিল?
উত্তরঃ বহিরাগত মাড়োয়ারি ব্যবসায়ী এবং বাঙালি মহাজনেরাই কেঞা নামে পরিচিত ছিল।
৪। অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে কে নেতৃত্ব দিয়েছিল?
উত্তরঃ অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে মণিরাম বরভাণ্ডার বরুয়া, যিনি মণিরাম দেওয়ান নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
৫। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে অসমের বিদ্রোহীরা কোন আহোম রাজকোঁঅরকে পুনরায় সিংহাসনে বসাতে চেয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে অসমের বিদ্রোহীরা প্রাক্তন আহোম রাজা পুরন্দর সিংহের নাতি কন্দপেশ্বর সিংহকে পুনরায় সিংহাসনে বসাতে চেয়েছিল।
৬। মণিরাম দেওয়ানকে কোন বাঙালি মোক্তার সাহায্য করেছিল?
উত্তরঃ মণিরাম দেওয়ানকে মধুমল্লিক নামক একজন বাঙালি মোক্তার সাহায্য করেছিল।
৭। মণিরাম দেওয়ানের সঙ্গে আর কাকে ফাঁসিকাঠে ঝুলতে হয়েছিল?
উত্তরঃ মণিরাম দেওয়ানের সঙ্গে পিয়লি বরুয়াকে ফাঁসিকাঠে ঝুলতে হয়েছিল।
৮। মণিরাম দেওয়ানের বিচার কে করেছিল?
উত্তরঃ ক্যাপ্টেইন হলরয়ড বিশেষভাবে গঠিত বিচারপীঠের দ্বারা মণিরাম দেওয়ানের বিচার করেছিলেন।
৯। অসমের ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের বিফলতার দুটো কারণ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ অসমের ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের বিফলতার দুটো কারণ হলো:
(a) বিদ্রোহের সংখ্যা অতি নগণ্য ছিল এবং তা যোরহাট ও শিবসাগরে সীমাবদ্ধ ছিল।
(b) বিদ্রোহের নেতাদের সময় জ্ঞান ছিল না এবং তারা প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেও সময়মতো কার্য সম্পন্ন করেনি।
১০। কোন কোন সালে টিকিট কর আর আয়কর প্রবর্তন করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৫৮ সালে টিকিট কর এবং ১৮৬০ সালে আয়কর প্রবর্তন করা হয়েছিল।
১১। ব্রিটিশ শাসন কালে অসমের কৃষকদের দুরবস্থার দুটো কারণ লেখো।
উত্তরঃ ব্রিটিশ শাসন কালে অসমের কৃষকদের দুরবস্থার দুটো কারণ হলো:
(a) ব্রিটিশদের নতুন ভূমি রাজস্ব বৃদ্ধির নীতি এবং মুদ্রা অর্থনীতি অসমিয়া জনগণের মনে তীব্র অসন্তুষ্টি সৃষ্টি করেছিল।
(b) ব্রিটিশ সরকার কৃষিকার্যের উন্নয়নে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এবং আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটলে প্রজাদের দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে হয়েছিল।
১২। লেফটেনান্ট সিঙ্গার কে ছিলেন?
উত্তরঃ লেফটেনান্ট সিঙ্গার ছিলেন নগাঁওয়ের উপায়ুক্ত লেফটেনান্ট হার্বার্ট স্কন্স-এর সহকারি উপায়ুক্ত।
১৩। ফুলগুরির ধাওয়া কখন সংঘটিত হয়েছিল?
উত্তরঃ ফুলগুরির ধাওয়া ১৮৬১ সালে সংঘটিত হয়েছিল।
১৪। রঙিয়ার কৃষক বিদ্রোহ কখন সংঘটিত হয়েছিল?
উত্তরঃ রঙিয়ার কৃষক বিদ্রোহ ১৮৯৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর রঙিয়া বাজার লুট-পাটের মাধ্যমে সূচনা হয়েছিল।
১৫। লচিমা কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ লচিমা কামরূপ জেলার বজালি অঞ্চলে অবস্থিত।
১৬। লচিমার কৃষক বিদ্রোহ কখন সংঘটিত হয়েছিল?
উত্তরঃ লচিমার কৃষক বিদ্রোহ ১৮৯৪ সালের ২১ জানুয়ারি সংঘটিত হয়েছিল।
১৭। পথরুঘাটের কৃষক বিদ্রোহ কখন হয়েছিল?
উত্তরঃ পথরুঘাটের কৃষক বিদ্রোহ ১৮৯৪ সালে হয়েছিল।
১৮। ১৮৬১ সালে জয়ন্তীয়া বিদ্রোহের নেতৃত্ব কে দিয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৬১ সালে জয়ন্তীয়া বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিল ওকিয়াং নংবাহ।
১৯। ১৮৮১ সালে উত্তর কাছাড়ের জনজাতীয় বিদ্রোহের নেতৃত্ব কে দিয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৮১ সালে উত্তর কাছাড়ের জনজাতীয় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিল শম্ভুধন ফংলোছা।
২০। টিকেন্দ্রজিতকে কে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল?
উত্তরঃ ব্রিটিশ সরকার টিকেন্দ্রজিতকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল।
২১। জে. ডব্লিউ. কুইণ্টনকে কোন সালে হত্যা করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৯১ সালে জে. ডব্লিউ. কুইণ্টনকে হত্যা করা হয়েছিল।
দীর্ঘ উত্তর লেখো:
১। ১৮৫৭-৫৮ সালের বিদ্রোহের কারণ সম্পর্কে সংক্ষেপে অলোচনা করো।
উত্তরঃ ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ ছিল ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অসন্তোষের ফল।
অসমে এর প্রধান কারণগুলি ছিল:
অর্থনৈতিক শোষণ: ব্রিটিশদের নতুন রাজস্ব ব্যবস্থা, টাকার মাধ্যমে খাজনা সংগ্রহ এবং কর বৃদ্ধির কারণে অসমের কৃষকদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছিল।
মুদ্রা অর্থনীতির প্রচলন: ব্রিটিশরা মুদ্রা অর্থনীতির প্রচলন করলে অসমের সমাজে সুদখোর মহাজন শ্রেণির সৃষ্টি হয়, যাদের কাছ থেকে সাধারণ মানুষ ধার নিতে বাধ্য হতো।
কুটির শিল্পের অবনতি: ব্রিটিশদের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া বিলাতি বস্ত্রের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় অসমের দেশীয় বস্ত্রশিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
অভিজাত শ্রেণির অসন্তোষ: আহোম রাজতন্ত্রের অভিজাত শ্রেণি ব্রিটিশ শাসনে কর্মসংস্থান এবং সামাজিক মর্যাদা হারিয়েছিল, ফলে তারাও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অসন্তুষ্ট হয়েছিল।
সর্বভারতীয় প্রভাব: ১৮৫৭ সালের সর্বভারতীয় সিপাহি বিদ্রোহ এবং লর্ড ডালহৌসির স্বত্ববিলোপ নীতির মতো ব্রিটিশদের সাম্রাজ্যবাদী নীতিও এই বিদ্রোহের অন্যতম কারণ ছিল।
২। অসমে ১৮৫৭-৫৮ সালের বিদ্রোহে মণিরাম দেওয়ানের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ মণিরাম দেওয়ান ছিলেন অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের মূল নায়ক এবং নেতা।
তাঁর ভূমিকাগুলি ছিল:
ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা: তিনি ব্রিটিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনা করেন এবং কলকাতায় বসে মধুমল্লিক নামক একজন বাঙালি মোক্তারের সঙ্গে মিলিত হয়ে অসম থেকে ইংরাজকে বিতাড়িত করার ছক কষেন।
যোগাযোগ স্থাপন: তিনি কলকাতায় অবস্থান করেও গোপনে যোরহাটে কন্দর্পেশ্বর সিংহ এবং অন্যান্য সহযোগীদের কাছে চিঠি পাঠাতেন এবং অসমের সিপাহিদের বিদ্রোহে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
আহোম রাজতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্ন: মণিরাম দেওয়ান বিশ্বাস করতেন যে আহোম রাজতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হলেই তাঁর এবং অন্যান্য অভিজাত শ্রেণির অবস্থার উন্নতি ঘটবে। এই উদ্দেশ্যে তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে কন্দর্পেশ্বর সিংহকে রাজা হিসাবে অধিষ্ঠিত করার জন্য আবেদন করেন।
গ্রেপ্তার ও ফাঁসি: তিনি ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক হিসাবে ব্রিটিশ সরকারের কাছে ধরা পড়ে যান এবং ১৮৫৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর সহযোগী পিয়লি বরুয়ার সঙ্গে তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়।
৩। কী কী কারণে অসমে ১৮৫৭-৫৮ সালের বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল আলোচনা করো।
উত্তরঃ অসমে ১৮৫৭-৫৮ সালের বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ হলো:
বিদ্রোহীর সংখ্যা নগণ্য: অসমে বিদ্রোহীদের সংখ্যা খুবই কম ছিল এবং বিদ্রোহ যোরহাট ও শিবসাগরে সীমাবদ্ধ ছিল।
সময়জ্ঞানের অভাব: বিদ্রোহের নেতারা সঠিক সময় বুঝে কাজ করতে পারেননি, যার ফলে ব্রিটিশ সরকার যথেষ্ট সময় পেয়েছিল প্রতিরক্ষার প্রস্তুতি নিতে।
নেতার অবস্থান: বিদ্রোহের প্রধান সংগঠক মণিরাম দেওয়ান কলকাতা থেকে বিদ্রোহ পরিচালনা করার চেষ্টা করেছিলেন, যা বাস্তবসম্মত ছিল না।
সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন না পাওয়া: মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকেরা এই বিদ্রোহকে সমর্থন করেনি, কারণ তারা পুরনো আহোম রাজতন্ত্রে ফিরে যেতে চায়নি।
গোপনীয়তার অভাব: বিদ্রোহের কার্যপন্থার গোপনীয়তা বজায় রাখতে বিদ্রোহীরা ব্যর্থ হয়েছিল।
অস্ত্রশস্ত্রের অভাব: বিদ্রোহীদের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র ছিল না।
সেনাবাহিনীর অসহযোগিতা: অসমের ব্রিটিশ বাহিনীতে কর্মরত ভারতীয় সৈন্যরা মিরাট, দিল্লি বা লক্ষ্ণৌ-এর মতো এই বিদ্রোহে যোগ দেয়নি।
৪। অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ অসমে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ ব্রিটিশ সরকার কঠোর হাতে দমন করলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম।
সর্বভারতীয় সংযোগ: এই প্রথম অসমের জনগণ একটি সর্বভারতীয় ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল।
ভবিষ্যৎ অনুপ্রেরণা: এই বিদ্রোহ পরবর্তী সময়ে, বিশেষ করে ১৮৬১ সাল থেকে শুরু হওয়া কৃষক বিদ্রোহগুলিতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
জাতীয়তাবোধের বিকাশ: এই বিদ্রোহে হিন্দু এবং মুসলমান উভয় সম্প্রদায় একত্রে অংশগ্রহণ করেছিল, যা অসমে জাতীয়তাবোধের বিকাশে সহায়তা করেছিল।
স্বাধীনতার সংগ্রামে প্রেরণা: এই বিদ্রোহের সংগ্রামীরা, যেমন মণিরাম দেওয়ান, পরবর্তীকালের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য প্রেরণার উৎস ছিলেন।
৫। ফুলগুরি ধাওয়ার ওপর একটি টীকা লেখো।
উত্তরঃ ব্রিটিশের অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে শোষিত কৃষক জনতার প্রথম বিদ্রোহ ছিল ফুলগুরির ধাওয়া। ফুলগুরি ছিল নগাঁওয়ের কাছে তিওয়া জনজাতি অধ্যুষিত একটি গ্রাম, যেখানে মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রধানত আফিম চাষ করত। ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার আফিম চাষ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিলে তিওয়া জনজাতির লোকেরা অত্যন্ত বিক্ষুব্ধ হয়। কারণ, সরকার আফিমের প্রচলন বন্ধ করেনি, কেবল চাষ বন্ধ করেছিল, যা এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছিল। এই সময় পান-সুপারির ওপরও কর আরোপের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে ১৮৬১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রায় ১৫০০ কৃষক ফুলগুরিতে এক গণসভা (রাইজমেল) আহ্বান করে। সভায় আফিম চাষ বন্ধের নির্দেশ বাতিল করা এবং পান-সুপারির ওপর কর আরোপ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তা নগাঁওয়ের উপায়ুক্ত লেফটেনান্ট হার্বার্ট স্কন্সকে জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু স্কন্স তাদের আবেদনের প্রতি সমর্থন না জানিয়ে দুর্ব্যবহার করেন।
এই অপমানের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ জনতা ১৫ অক্টোবর থেকে পাঁচ দিন ধরে ফুলগুরিতে রাইজমেল অনুষ্ঠিত করে। প্রথম দিনে প্রায় ১০০০ কৃষকের অর্ধেকই লাঠিসোঁটা নিয়ে এসেছিল। ১৮ অক্টোবর এই সভায় প্রায় ৪০০০ মানুষ সমবেত হয়। উপায়ুক্ত হার্বার্ট স্কন্স তখন সহকারী উপায়ুক্ত লেফটেনান্ট সিঙ্গারকে সভাস্থলে পাঠান। সিঙ্গার সভার উদ্দেশ্য জানতে চাইলে জাতি কলিতা নামের এক ব্যক্তি তাকে জানান যে কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি না মানায় তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়। এতে সিঙ্গার উত্তেজিত হয়ে জনতাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন এবং তার পুলিশ বাহিনীকে জনতার হাত থেকে লাঠি কেড়ে নিতে নির্দেশ দেন। লাঠি নিয়ে টানাটানি শুরু হলে কাঁহিঘর মৌজার বাবু কৈবর্ত নামের এক কৃষক সিঙ্গারের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাকে মাটিতে ফেলে দেয় এবং অন্যান্য কৃষকরা তাকে আক্রমণ করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। তার মৃতদেহ কলং নদীতে ছুঁড়ে ফেলা হয়। এই ঘটনাটিই ইতিহাসে ‘ফুলগুরি ধাওয়া’ নামে পরিচিত।
এই ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ বহু কৃষককে গ্রেপ্তার করে এবং বিচারে লক্ষ্মণ ডেকা, সংবর লালুং এবং রংবর ডেকাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিছু কৃষককে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কালাপানি কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এই বিদ্রোহকে আফিম সেবনকারী চাষীদের সামান্য বিদ্রোহ বললেও, অসমের ইতিহাসে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ছিল। এটি ছিল তিওয়া জনজাতি এবং মাছুয়া সম্প্রদায়ের আন্তরিক সহযোগিতায় একটি গণভিত্তিক বিদ্রোহ, যা অন্যান্য শ্রেণীর মানুষেরও পরোক্ষ সমর্থন পেয়েছিল। এই বিদ্রোহের পরই সরকার আর কখনো পান-সুপারির ওপর কর আরোপ করেনি। ফুলগুরির এই বিদ্রোহ জনগণের ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ থেকে মুক্ত হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত ছিল।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
SEBA Class 10 Social Science Textual New Edition Updated
| Sl. No. | সূচিপত্র |
| Chapter – 1 | বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন |
| Chapter – 2 | মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম |
| Chapter – 3 | অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ |
| Chapter – 4 | স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ |
| Chapter – 5 | ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য |
| Chapter – 6 | অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ |
| Chapter – 7 | পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা |
| Chapter – 8 | পৃথিবীর ভূগোল |
| Chapter – 9 | অসমের ভূগোল |
| Chapter – 10 | ভারতীয় গণতন্ত্র |
| Chapter – 11 | আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য |
| Chapter – 12 | মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা |
| Chapter – 13 | অর্থনৈতিক উন্নয়ন |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

