SEBA Class 10 Social Science Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Social Science Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Social Science Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Social Science Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা Solutions We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Social Science Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Social Science Solutions For Class 10 SEBA. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা 

অনুশীলনী

১। পরিবেশ বলতে কী বোঝায় নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তরঃ ব্যাপক অর্থে পরিবেশ (Environment) শব্দটি কোনো জীব বা জীব-সম্প্রদায়ের চারপাশের অবস্থাকে বোঝায়। পারিপার্শ্বিক অবস্থা জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত উপাদানের সমষ্টিতে গঠিত হয়। এই উপাদানগুলি জৈব (biotic) এবং অজৈব (abiotic) দুই প্রকারের হতে পারে। এই জৈব ও অজৈব উপাদানগুলি পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে জীবের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে। প্রতিটি জীব তার চারপাশের অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। ভৌগোলিক দিক থেকে, পৃথিবীর প্রাকৃতিক অবস্থার চারটি প্রধান উপাদান, যেমন- স্থলমণ্ডল, জলমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল এবং জীবমণ্ডল, একত্রে মিলে পরিবেশের সৃষ্টি করে।

২। পরিবেশের কয়েকটি জৈব এবং অজৈব উপাদানের কথা উল্লেখ করো।

উত্তরঃ পরিবেশের জৈব উপাদানগুলো মূলত জীবমণ্ডলের অংশ। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, অণুজীব এবং বৃহৎ আকারের প্রাণী অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, অজৈব বা জড় উপাদানগুলোর মধ্যে মাটি, জল, বায়ু, শিলা এবং খনিজ পদার্থ ইত্যাদি প্রধান। এই উপাদানগুলো প্রাণহীন হলেও জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩। স্থলমণ্ডল বলতে কী বোঝায় লেখো।

উত্তরঃ শিলা, বালি, মাটি এবং খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত পৃথিবীর কঠিন স্থলভাগকে স্থলমণ্ডল (Lithosphere) বলা হয়। এই মণ্ডল পৃথিবীর মহাদেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৯ শতাংশ জায়গা জুড়ে রয়েছে। স্থলমণ্ডলে পাহাড়-পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, নদী-উপত্যকা এবং উপকূল ইত্যাদি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। স্থলমণ্ডলের গুণাগুণ এবং পরিবর্তন পরিবেশের অন্যান্য তিন মণ্ডল (জলমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল এবং জীবমণ্ডল) দ্বারা প্রভাবিত হয়।

৪। জলমণ্ডলের মধ্যে অন্য কী কী অন্তর্ভুক্ত লেখো।

উত্তরঃ পৃথিবীর সাগর-মহাসাগরগুলো মিলে জলমণ্ডল (Hydrosphere) গঠিত হয়েছে, যা ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৭১ শতাংশ আবৃত করে রেখেছে। স্থলমণ্ডলের অন্তর্গত নদ-নদী, হ্রদ, এবং অন্যান্য সকল জলাশয়ও জলমণ্ডলের অংশ। জলমণ্ডলের স্থিতি এবং পরিবর্তন স্থলমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল এবং জীবমণ্ডলের ওপর নির্ভরশীল।

৫। বায়ুমণ্ডল কী দিয়ে গঠিত লেখো।

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) হল ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তর। এটি অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং আর্গন ইত্যাদি গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত। বিস্তৃত অর্থে, বায়ুমণ্ডল ১০,০০০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বলে মনে করা হয়। বায়ুমণ্ডলের গুণাগুণ এবং পরিবর্তন পরিবেশের অন্যান্য তিন মণ্ডল দ্বারা প্রভাবিত হয়।

৬। জীবমণ্ডলের বিস্তৃতি সম্বন্ধে লেখো।

উত্তরঃ জীবমণ্ডল (Biosphere) পৃথিবীর সেই অংশ, যা জীব অর্থাৎ উদ্ভিদ এবং প্রাণী দ্বারা অধ্যুষিত। এর মধ্যে স্থলপৃষ্ঠ, সাগর-মহাসাগর এবং বায়ুমণ্ডলের পশুপাখি ও কীটপতঙ্গের চারণভূমি অন্তর্ভুক্ত। এখন পর্যন্ত, জীবমণ্ডলে প্রায় ১.৭৫ মিলিয়ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে মানুষও একটি প্রজাতি।

৭। পৃথিবীর পরিবেশের প্রধান মণ্ডল চারটির মধ্যে যে সম্বন্ধ বিদ্যমান তা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ পৃথিবীর পরিবেশের প্রধান চারটি মণ্ডল—স্থলমণ্ডল, জলমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল এবং জীবমণ্ডল—পরস্পর নির্ভরশীল এবং এদের মধ্যে জটিল মিথষ্ক্রিয়া ঘটে। এই মিথষ্ক্রিয়াগুলোই পৃথিবীর বর্তমান পরিবেশের রূপ নির্ধারণ করে। এই পরিবেশ পরিবর্তনশীল এবং স্থান ও কাল ভেদে পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, উপকূলীয় এবং নদী-উপত্যকার পরিবেশের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

৮। পরিবেশের পরিবর্তনের প্রধান কারকগুলো উল্লেখ করো।

উত্তরঃ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, নগরায়ন এবং যাতায়াত ও পরিবহনের বিস্তারের কারণে পৃথিবীর পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বনাঞ্চল এবং জলাশয় ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে, যা জীবমণ্ডল এবং বায়ুমণ্ডলে খারাপ প্রভাব ফেলছে। পার্বত্য এবং মরুভূমি অঞ্চলে মানুষের কার্যকলাপের বিস্তারের কারণেও সেখানকার পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।

৯। পরিবেশের সমস্যা কী ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে যখন ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন যে সমস্যাগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে পরিবেশের সমস্যা বলা হয়। মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপ, যেমন জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, নগরায়ন এবং যাতায়াত ব্যবস্থার প্রসারের কারণে এই ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

ভৌগোলিক দিক থেকে, পরিবেশের সমস্যা তিন প্রকার:

(i) স্থানীয় সমস্যা (Local problem): একটি ছোট এলাকায় সীমাবদ্ধ, যেমন কোনো কারখানার সীমিত দূষণ বা স্থানীয় জলাশয় শুকিয়ে যাওয়া।

(ii) আঞ্চলিক সমস্যা (Regional problem): একটি বড় অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, যেমন ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বন্যা বা শিল্পাঞ্চলের ব্যাপক দূষণ।

(iii) বিশ্বব্যাপী সমস্যা (Global problem): সমগ্র পৃথিবীকে প্রভাবিত করে, যেমন বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং মরুময়তা।বর্তমানে প্রধান পরিবেশগত সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের দূষণ, যেমন জল, মাটি ও বায়ু দূষণ, যা মানুষের বর্জ্য এবং রাসায়নিক পদার্থের কারণে ঘটে। মরুময়তা হলো উৎপাদনশীল ভূমির মরুভূমিতে রূপান্তর। খরা, বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং মানুষের কর্মকাণ্ড যেমন অতিরিক্ত পশুপালন ও বন ধ্বংস এর প্রধান কারণ।

বিশ্ব উষ্ণায়ন হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং জীবজগতের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই সমস্যাগুলো ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি এবং এগুলো সমাধানের জন্য মানুষের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।

১০। ভৌগোলিক দিক থেকে পরিবেশের সমস্যাকে কী কী ভাগে ভাগ করা যায় লেখো।

উত্তরঃ ভৌগোলিক দিক থেকে পরিবেশের সমস্যাকে তিন প্রকারে ভাগ করা যায়:

(i) স্থানীয় সমস্যা (Local problem)

(ii) আঞ্চলিক সমস্যা (Regional problem)

(iii) বিশ্বব্যাপী সমস্যা (Global problem)

১১। পরিবেশের স্থানীয় সমস্যা কী? উদাহরণ সহ লেখো।

উত্তরঃ পরিবেশের যে সকল সমস্যাগুলো উৎপত্তি ও বিস্তৃতির দিক থেকে একটি নির্দিষ্ট ছোট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে, সেগুলোকে পরিবেশের স্থানীয় সমস্যা বলা হয়। এই সমস্যাগুলো সাধারণত সীমিত পরিসরে ঘটে এবং এর প্রভাব সরাসরি কেবল সেই অঞ্চলের জীব ও জড় পদার্থের ওপর পড়ে।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে স্থানীয় সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়, যার প্রধান কারণ হলো মানুষের কার্যকলাপ। যেমন, একটি ছোট জনবসতির অপরিকল্পিত বিকাশ অথবা কোনো ক্ষুদ্র শিল্প-কারখানার কার্যক্রমের ফলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যাগুলো আঞ্চলিক বা বিশ্বব্যাপী সমস্যার মতো বিশাল আকার ধারণ করে না, বরং একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে প্রভাবিত করে।

স্থানীয় সমস্যার কয়েকটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

সীমিত ভূমি প্রদূষণ: একটি ক্ষুদ্র কারখানার কার্যক্রমের ফলে শুধুমাত্র তার আশেপাশের ভূমি দূষিত হতে পারে । কারখানার বর্জ্য পদার্থ বা রাসায়নিক উপাদানগুলো স্থানীয় মাটিতে মিশে মাটির গুণাগুণ নষ্ট করে দেয়, যা ওই ক্ষুদ্র অঞ্চলের কৃষিকাজ বা বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

জলের অভাব: একটি বিল বা জলাশয় যদি ধীরে ধীরে পলি বা আবর্জনা দিয়ে ভরে যায়, তাহলে হেমন্তকালে তাতে জলের অভাব দেখা দেয় । এই সমস্যাটি কেবল সেই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি সংকটের কারণ হয়, কারণ তারা সেই জলের ওপর নির্ভরশীল থাকে।

ভূমির অবক্ষয়: কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে নদীর ভাঙনের কারণে ভূমিস্খলনের সমস্যা দেখা দিতে পারে । এটি একটি স্থানীয় সমস্যা, যা শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট নদী তীরবর্তী এলাকাকে প্রভাবিত করে এবং তার আশেপাশে জনজীবনকে ব্যাহত করে।

১২। পরিবেশের আঞ্চলিক সমস্যার দুটো উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ পরিবেশের আঞ্চলিক সমস্যার দুটি উদাহরণ হলো:

(i) আসামের ব্রহ্মপুত্র বা বরাক উপত্যকার জলপ্লাবনের সমস্যা।

(ii) একটি বিশাল শিল্পাঞ্চলের জল প্রদূষণের সমস্যা।

১৩। কোন সকল সমস্যাকে বিশ্ব পরিবেশ সমস্যা বলে তা লেখো।

উত্তরঃ যে পরিবেশ সংক্রান্ত সমস্যা সমগ্র পৃথিবীকে প্রভাবিত করে এবং যার বিস্তৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমা থাকে না, তাকে বিশ্ব পরিবেশ সমস্যা বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global warming) এর মতো সমস্যাকে উল্লেখ করা যায়। এই সমস্যার প্রভাব বায়ুমণ্ডল, জলভাগ, স্থলভাগ এবং জীবজগতের ওপর পড়ে।

SEBA Class 10 Social Science Textual New Edition Updated

Sl. No.সূচিপত্র
Chapter – 1বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন
Chapter – 2মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম
Chapter – 3অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Chapter – 4স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ
Chapter – 5ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Chapter – 6অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ
Chapter – 7পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা
Chapter – 8পৃথিবীর ভূগোল
Chapter – 9অসমের ভূগোল
Chapter – 10ভারতীয় গণতন্ত্র
Chapter – 11আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Chapter – 12মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা
Chapter – 13অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top