SEBA Class 9 Bengali Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 9 Bengali Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
(ক) সঠিক উত্তর নির্বাচন করো।
১। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ পদটি কার রচনা?
(i) গোবিন্দদাসের।
(ii) বলরামদাসের।
(iii) চণ্ডীদাসের।
(iv) মুরারি গুপ্তের।
উত্তরঃ (iv) মুরারি গুপ্তের।
২। গৌরাঙ্গের গলে দোলে—
(i) বাঘনখ।
(ii) সিংহের নখ।
(iii) কুকুরের দাঁত।
(iv) ময়ুরের পাখা।
উত্তরঃ (i) বাঘনখ।
৩। গোরাচাঁদ কার নাম?
(i) শ্রীচৈতন্যের।
(ii). শচীর।
(iii) মুরারি গুপ্তের।
(iv). শ্রীকৃষ্ণের।
উত্তরঃ (i) শ্রীচৈতন্যের।
৪। গৌরাঙ্গের মায়ের নাম-
(i) মীরা।
(ii) রাধা।
(iii) শচী।
(iv) সারদা।
উত্তরঃ (iii) শচী।
(খ) প্রশ্নগুলোর অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।
১। শ্রীচৈতন্যের পিতার নাম কী?
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যের পিতার নাম জগন্নাথ মিশ্র।
২। শ্রীচৈতন্যের জন্ম কোথায় এবং কত সালে হয়েছিল?
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যের জন্ম ১৪৮৬ সালে, নবদ্বীপে হয়েছিল।
৩। শ্রীচৈতন্যের আসল নাম কী?
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যের আসল নাম বিশ্বম্ভর।
৪। শ্রীচৈতন্যের অন্য একটি নাম বলো।
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যের অন্য একটি নাম হল গৌরাঙ্গ।
৫। শ্রীচৈতন্যের মায়ের নাম কী?
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যের মায়ের নাম শচী দেবী।
(গ) প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।
(ক) শ্রীচৈতন্যকে গোরাচাঁদ কেন বলা হয়?
উত্তরঃ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর গাত্রবর্ণ ফর্সা (উজ্জ্বল কান্তি) ছিল। এই ফর্সা গায়ের রঙের জন্য তাঁকে ‘গোরা’ বা ‘গোরাচাঁদ’ বলা হয়। ‘গোরাচাঁদ’ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আরেকটি নাম।
(খ) গৌরাঙ্গের সাজসজ্জার বিবরণ দাও।
উত্তরঃ শিশু গৌরাঙ্গ শচীর আঙিনাতে ভুবনমোহন সাজে হামাগুড়ি দেন। তাঁর গলায় বাঘনখ দোল খায়। তাঁর বুক লালায় ভেসে যায় এবং চাঁদমুখে হাসির বিজুলি অর্থাৎ বিদ্যুৎ চমকের মতো হাসি দেখা যায়। তাঁর সর্ব গায়ে ধুলা মাখা থাকে।
(গ) গৌরহরি কে?
উত্তরঃ গৌরহরি হলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। কবি মুরারি গুপ্ত বিশ্বাস করতেন যে এই শিশু কোলের ছেলে নয়, ইনি সন্ন্যাসী হবেন। তাই এই ভাবনার থেকে তাঁকে ‘গৌরহরি’ বলা হয়েছে।
(ঘ) ‘সহিতে কি পারে মায়’- এখানে মা কে?
উত্তরঃ এখানে ‘মা’ হলেন মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যের জননী শচী দেবী। শিশু গৌরাঙ্গ ধুলামাখা সর্ব গায়ে যখন মাটিতে গড়াগড়ি দেন, তখন স্নেহকাতর মা তা সহ্য করতে না পেরে তাঁকে কোলে তুলে নেন।
(ঘ) দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও।
(ক) গৌরহরি কে? তিনি কেন সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ গৌরহরি হলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। কবি মুরারি গুপ্ত তাঁর পদটিতে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি ভবিষ্যতে সন্ন্যাসী হবেন (“সন্ন্যাসী হইবে গৌরহরি”)। তিনি সমাজে যারা পতিত ও অস্পৃশ্য, সেই অবহেলিত ও অনাদৃত হতভাগ্য মানুষদের উদ্ধারের জন্য সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন।
(খ) ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ অবলম্বনে শিশু গৌরাঙ্গের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ শিশু গৌরাঙ্গ তাঁর মা শচী দেবীর উঠোনে হামাগুড়ি দেন এবং কখনও মায়ের আঙুল ধরে গুড়ি গুড়ি হাঁটতে গিয়ে আছাড় খেয়ে পড়ে যান। তাঁর গলায় বাঘনখ ঝোলে, বুক লালায় ভেসে যায় এবং চাঁদমুখে বিজুলির মতো হাসি দেখা যায়।
(গ) ‘কাঁদিয়া আকুল’- এখানে কে এবং কেন কেঁদে আকুল হয়েছেন?
উত্তরঃ এখানে শিশু গৌরাঙ্গ কেঁদে আকুল হয়েছেন। মা যখন তাঁকে কোলে তুলে নেন, তখন তিনি কোল থেকে নেমে এসে আবার মাটিতে গড়াগড়ি দেওয়ার জন্য কেঁদে আকুল হন।
(ঘ) ‘এ নহে কোলের ছেলে’- ভাষ্যটি কার? তাঁর এমন ভাষণের যুক্তি দর্শাও।
উত্তরঃ এই ভাষ্যটি মুরারি গুপ্তের। তিনি জানেন যে শিশু গৌরাঙ্গ সাধারণ মানব শিশু নন, ইনি শ্রীকৃষ্ণের অবতার। মুরারি গুপ্তের ধারণা ছিল যে ইনি ভবিষ্যতে সন্ন্যাসী হয়ে জগৎকে মোহিত করবেন। তাই তিনি এই শিশুটির ভবিষ্যৎ সন্ন্যাস জীবনের ইঙ্গিত দিতে এই কথাটি বলেছিলেন।
(ঙ) দশটি বাক্যে উত্তর দাও।
১। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ অবলম্বনে শিশু গৌরাঙ্গের বাল্যলীলার বিবরণ দাও।
উত্তরঃ (i) কবি মুরারি গুপ্ত তাঁর ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ পদে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যের শৈশবের মনোজ্ঞ বর্ণনা দিয়েছেন।
(ii) শচী মাতার আঙিনায় শিশু গৌরাঙ্গ ভুবনমোহন রূপে হামাগুড়ি দেন।
(iii) তিনি মায়ের আঙুল ধরে হাঁটতে গিয়ে মাঝে মাঝে আছাড় খেয়ে মাটিতে পড়ে যান।
(iv) তাঁর গলায় বাঘনখ দোল খায় এবং লালায় তাঁর বুক ভেসে যায়।
(v) ধূলিমাখা সর্ব গায়ে তাঁর চাঁদমুখে বিদ্যুতের মতো হাসি ঝিলিক দিয়ে ওঠে।
(vi) সন্তানের এই অবস্থা দেখে স্নেহময়ী শচী দেবী তাঁকে বুকে তুলে নেন।
(vii) কিন্তু শিশু গৌরাঙ্গ কোলে থাকতে চান না।
(viii) তিনি কেঁদে আকুল হয়ে আবার কোল থেকে নেমে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে থাকেন।
(ix). কবি এই দৃশ্য দেখে হাসতে হাসতে মন্তব্য করেন যে এ ছেলে সাধারণ কোলের ছেলে নয়, ইনি সন্ন্যাসী হবেন।
(x) এই পদটিতে শিশু গৌরাঙ্গের চাঞ্চল্য এবং তার প্রতি জননী শচীর চিরন্তন স্নেহ-বাৎসল্যের রূপটি হৃদয়গ্রাহীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতাটির সার-সংক্ষেপ করো।
উত্তরঃ বৈষ্ণব কবি মুরারি গুপ্ত রচিত এই পদে (কবিতা) শ্রীমহাপ্রভু চৈতন্য দেবের বাল্যকালের সুন্দর বর্ণনা করা হয়েছে। এটি একটি বাল্যলীলার পদ, যেখানে শ্রী চৈতন্য দেবের শৈশবের চঞ্চলতা ও মাতৃস্নেহের চিরন্তন রূপ ফুটে উঠেছে। পদের এই বর্ণনাগুলি সম্পূর্ণরূপে কাল্পনিক, যা বৈষ্ণব মহাকবিদের দ্বারা রচিত গৌরাঙ্গ লীলাবলীর একটি অংশ।
কবিতাটিতে কবি বর্ণনা করেছেন যে, শিশু গৌরাঙ্গ, যাঁকে ‘গোরাচাঁদ’ নামেও ডাকা হয়, তিনি তাঁর ভূবনমোহন (পৃথিবীকে মুগ্ধ করা) সাজসজ্জা নিয়ে মা শচী দেবীর উঠোনের (আঙিনার) মাঝখানে ঘুরছেন। শিশু গৌরাঙ্গ কখনও কখনও হাঁটু ও হাতের তালুর সাহায্যে হামাগুড়ি দিচ্ছেন।
যখন তিনি মায়ের হাত ধরে বা আঙুল ধরে ধীরে ধীরে চলার চেষ্টা করেন, তখনই তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছাড় খাইয়ে (হঠাৎ পড়ে গিয়ে) মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁর গলায় বাঘ-নখ (বাঘের নখের মালা) ঝুলছে। শিশুটির বুক লালে (লালা বা মুখের রস) ভিজে যায়। যখন তিনি হাসেন, তখন তাঁর চাঁদ-সদৃশ মুখে বিদ্যুতের মতো হাসি ঝলকে ওঠে। তাঁর সারা শরীর ধুলায় মাখা।
নিজের সন্তানের এমন চঞ্চল অবস্থা এবং ধুলায় মাখা শরীর দেখে স্নেহপরায়ণ মা শচী দেবী স্থির থাকতে পারেন না। তিনি সাথে সাথে তাঁকে তুলে নিয়ে নিজের বুকের ওপরে (বুকে/কোলে) তুলে নেন। কিন্তু চঞ্চল শিশু গৌরাঙ্গ কাঁদতে কাঁদতে অস্থির হয়ে যান, এবং মায়ের কোল হইতে (কোল থেকে) নেমে এসে আবার মাটিতে গড়াগড়ি (লুটিয়ে পড়া) করতে শুরু করেন।
এই দৃশ্য দেখে কবি মুরারি গুপ্ত হেসে মন্তব্য করেছেন যে, “ইনি তো কোলের ছেলে নন; গৌরহরি (শ্রীচৈতন্য দেব) সন্ন্যাসী হবেন।”
শিশু গৌরাঙ্গের এই চঞ্চলতা তাঁর মা শচীর উৎকণ্ঠা (চিন্তা) বৃদ্ধি করে। যখনই তিনি পড়ে যান, তখনই স্নেহকাতর মা তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে কোলে তুলে নেন। কবি মুরারি গুপ্তের এই পদে মায়ের স্নেহ-বুভুক্ষা (মমতার ক্ষুধা/স্নেহ) এক চিরন্তন রূপে অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী (মনোমুগ্ধকর) ভঙ্গিতে উপস্থাপিত হয়েছে। কবি জানতেন যে এই শিশু কোনো কোলের ছেলে (সাধারণ শিশু) নয়, তাই তিনি এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। এই বর্ণনার মাধ্যমে, গ্রামীণ বাংলার উঠোন এবং মমতাময়ী মায়ের স্নেহ-বাৎসল্যের (মমতা ভরা প্রেম) শাশ্বত রূপটি পাঠকের মনে আনন্দ সঞ্চার করে।
(চ) রচনাধর্মী উত্তর লেখো।
১। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতার ভাবার্থ তোমার নিজের ভাষায় বর্ণনা করো।
উত্তরঃ ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ পদটিতে বৈষ্ণবকবি মুরারি গুপ্ত মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের শৈশবের মনোহর লীলা বর্ণনা করেছেন। শচী মাতার উঠোনে শিশু গৌরাঙ্গ কখনও হামাগুড়ি দিচ্ছেন, আবার কখনও মায়ের হাত ধরে হাঁটতে গিয়ে আছাড় খেয়ে পড়ে যাচ্ছেন। তাঁর গলায় বাঘনখ এবং সর্বাঙ্গে ধুলো মাখা। এই দৃশ্য দেখে মা শচী দেবী স্নেহ-উৎকণ্ঠায় তাঁকে বুকে তুলে নেন। কিন্তু শিশু শান্ত থাকে না, সে কোল থেকে নেমে এসে আবার মাটিতে গড়াগড়ি দিতে থাকে। এই চিরন্তন শিশু-চাঞ্চল্য দেখে কবি মুরারি গুপ্ত হেসে মন্তব্য করেন যে, ইনি সাধারণ শিশু নন, ইনি সন্ন্যাসী হয়ে জগৎকে মোহিত করবেন। এই পদটির মাধ্যমে কবি একদিকে যেমন শ্রীচৈতন্যের দেবত্বকে প্রতিষ্ঠা করেছেন, তেমনি অন্যদিকে গ্রামবাংলার গৃহকোণে মমতাময়ী মায়ের স্নেহ-বাৎসল্যের চিরন্তন রূপকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতা অবলম্বনে শিশু শ্রীচৈতন্যের বাল্যলীলার অনুপুঙ্খ বিবরণ দাও।
উত্তরঃ কবি মুরারি গুপ্তের পদ অনুযায়ী, শিশু শ্রীচৈতন্য বা গোরাচাঁদ শচী দেবীর আঙিনাতে ভুবনমোহন সাজে হামাগুড়ি দেন। তিনি হাঁটতে শেখার প্রক্রিয়ায় কখনও মায়ের আঙুল ধরে গুড়ি গুড়ি চলেন, আবার কখনও ভারসাম্য হারিয়ে আছাড় খেয়ে পড়ে যান। তাঁর গলায় বাঘনখ ঝোলে, আর চাঁদমুখে হাসির ঝলক বা বিজুলি দেখা যায়। ধুলায় সর্বাঙ্গ মাখা থাকাতে তাঁর বুক লালায় ভেসে যায়। বাৎসল্যময়ী মা এই ধুলিমাখা দৃশ্য সহ্য করতে পারেন না, তাই তাঁকে কোলে তুলে নেন। কিন্তু কোলে উঠেই শিশু গৌরাঙ্গ কাঁদতে শুরু করেন এবং মায়ের কোল থেকে নেমে আবার মাটিতে গড়াগড়ি দেন। এই বাল্যলীলা দেখে কবি বুঝতে পারেন, ইনি সাধারণ কোলের ছেলে নন, ইনি সন্ন্যাসী হবেন।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy লিঙ্কে ক্লিক করুন
Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]
| S.L. No. | Group – A সূচীপত্র |
| পাঠ – ১ | গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা |
| পাঠ – ২ | খাই খাই |
| পাঠ – ৩ | ধূলামন্দির |
| পাঠ – ৪ | কবর |
| পাঠ – ৫ | মনসামঙ্গল |
| পাঠ – ৬ | প্রত্যুপকার |
| পাঠ – ৭ | ছুটি |
| পাঠ – ৮ | ডাইনী |
| পাঠ – ৯ | পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম |
| পাঠ – ১০ | অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা |
| পাঠ – ১১ | লড়াই |
| পাঠ – ১২ | আমরা |
| পাঠ – ১৩ | আগামী |
| পাঠ – ১৪ | আত্মকথা |
| পাঠ – ১৫ | ভারতবর্ষ |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

