SEBA Class 9 Bengali Chapter 3 ধুলামন্দির

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 9 Bengali Chapter 3 ধুলামন্দিরন্দির Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 3 ধুলামন্দির Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 3 ধুলামন্দির Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 9 Bengali Chapter 3 ধুলামন্দির

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

TEXTUAL QUESTION ANSWER

শুদ্ধ উত্তরটি বেছে বের করো

(ক) প্রকৃতপক্ষে দেবতার আবাস কোথায়?

১। দেবালয়।

২। মন্দির। 

৩। সর্বত্র।

৪। কর্মের মধ্যে।

উত্তরঃ ৩। সর্বত্র।

(খ) ঈশ্বর কার কাছে বাঁধা থাকেন?

১। জীবের কাছে। 

২। সৃষ্টির কাছে। 

৩। পূজারির কাছে।

৪।পূজার কাছে।

উত্তরঃ ২। সৃষ্টির কাছে।

(গ) কবির মতে প্রকৃত ধর্ম কী?

১। সাধনা।

২। পূজার্চনা। 

৩। কর্ম।

৪। মন্ত্রপাঠ।

উত্তরঃ ৩। কর্ম।

৪। ঈশ্বরের দু’হাতে কী লেগে থাকে বলে কবি বলেছেন?

১। ধূলা। 

২। চন্দন। 

৩। ফুল। 

৪। মাটি।

উত্তরঃ ১। ধূলা।

(ঙ) কবি পূজারিকে কী ছেড়ে ধুলার পরে আসতে বলেছেন?

১। ফুলের ডালি। 

২। বস্ত্র। 

৩। ধ্যান। 

৪। শুচিবান।

উত্তরঃ ৪। শুচিবান।

২। বাক্য রচনা করাে:

আরাধনা, সৃষ্টিবাঁধন, ফুলের ডালি, ধুলাবালি। 

যেমন— রুদ্ধ দ্বার: পূজারী রুদ্ধদ্বার মন্দিরে পূজা-আরাধনায় মগ্ন।

কর্মযােগ: গীতায় বলা হয়েছে কর্মযােগই শ্রেষ্ঠ যােগ।

সংগােপনে: ভক্তের ঈশ্বর আরাধনা সংগােপনে সমাধা।

উত্তরঃ আরাধনা: ভজন, পূজন, সাধন এবং আরাধনার মূল উদ্দেশ্য হলো ভগবানের সান্নিধ্য লাভ করা।

সৃষ্টিবাঁধন: কবিগুরু বলেছেন, আপনি প্রভু সৃষ্টিবাঁধন প’রে বাঁধা সবার কাছে।

ফুলের ডালি: ঈশ্বরকে পেতে হলে ধ্যান ছেড়ে, ফুলের ডালি সরিয়ে কর্মে যুক্ত হতে হবে।

ধুলাবালি: কর্মের পথে নেমে এলে ছিঁডুক বস্ত্র, লাগুক ধুলাবালি— তাতে কোনো ক্ষতি নেই।

৩। শূন্যস্থান পূর্ণ করাে ।

(ক) ___________ দেবালয়ের কোণে কেন আছিস ওরে।

উত্তরঃ রুদ্ধদ্বারে দেবালয়ের কোণে কেন আছিস ওরে।

(খ) কাহারে তুই পূজিস ___________।

উত্তরঃ কাহারে তুই পূজিস সংগােপনে।

(খ) ___________ তার সাথে এক হয়ে ঘর্ম পড়ুক ঝরে।

উত্তরঃ কর্মযােগে তার সাথে এক হয়ে ঘর্ম পড়ুক ঝরে।

(ঘ) আপনি প্রভু ___________ পরে বাঁধা সবার কাছে।

উত্তরঃ আপনি প্রভু সৃষ্টিবাঁধন পরে বাঁধা সবার কাছে।

৪। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য প্রশ্ন:

(ক) ‘ধুলামন্দির’ কবিতার কবি কে?

উত্তরঃ ‘ধুলামন্দির’ কবিতার কবি হলেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

(খ) কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ কবিতাটি কবির ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

(গ) প্রকৃতপক্ষে দেবতার বা ঈশ্বরের বাস কোথায়?

উত্তরঃ প্রকৃতপক্ষে দেবতা বা ঈশ্বর সর্বত্রই বিরাজমান। তিনি খেটে খাওয়া মানুষ ও তাদের কাজের মধ্যে লীন হয়ে আছেন।

(ঘ) ভক্তরা ভজনা বা পূজার্চনা করেন কেন?

উত্তরঃ ভক্তরা ভজনা বা পূজার্চনা করেন ঈশ্বর লাভের উদ্দেশ্যে।

(ঙ) প্রকৃত ধর্ম কী?

উত্তরঃ কবির মতে কর্মই প্রকৃত ধর্ম।

(চ) কবির মতে দেবতা আসলে কোথায় থাকেন?

উত্তরঃ কবির মতে দেবতা আসলে মাটি ভেঙে চাষ করা চাষার কাছে, পাথর ভেঙে পথ কাটা শ্রমজীবী মানুষের কাছে, রৌদ্রে-জলে সবার সাথে ধুলার মধ্যে থাকেন।

(ছ) ঈশ্বর বা প্রভু কাহার নিকট বাঁধা থাকেন?

উত্তরঃ ঈশ্বর বা প্রভু নিজেই সৃষ্টিবাঁধন পরে সবার কাছে বাঁধা থাকেন।

৫। সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য প্রশ্ন:

(ক) কবিতায় কবি ভগবান বা দেবতাকে কোথায় পাওয়া যেতে পারে বলে প্রকাশ করেছেন?

উত্তরঃ কবি কবিতায় প্রকাশ করেছেন যে, ভগবান বা দেবতাকে রুদ্ধদ্বারের দেবালয়ে বা অন্ধকার কোঠায় খুঁজে পাওয়া নিষ্ফল। তাঁকে পাওয়া যেতে পারে সেই স্থানে যেখানে চাষা মাটি ভেঙে চাষ করছে, যেখানে শ্রমিক পাথর ভেঙে পথ কাটছে। ঈশ্বর আপামর খেটে-খাওয়া মানুষের কর্মের মধ্যে লীন হয়ে আছেন।

(খ) কবির মতে মুক্তির উপায় কী বর্ণনা করো?

উত্তরঃ কবির মতে মুক্তি কোথাও নেই, কারণ ঈশ্বর নিজেই সৃষ্টিবাঁধন পরে সবার কাছে বাঁধা আছেন। রুদ্ধদ্বার দেবালয়ে ধ্যান করে বা ফুলমালা দিয়ে পূজা করে মুক্তি মেলে না। মুক্তি বা ঈশ্বর প্রাপ্তির উপায় হলো কর্মযোগ। ধুলিমাখা হাতে কর্মে যুক্ত হয়ে ঘর্ম ঝরানোর মাধ্যমেই ঈশ্বরকে পাওয়া সম্ভব।

(গ) কর্মযোগ বলতে কী বুঝায়? কর্মের প্রকৃত অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘কর্মযোগ’ বলতে বোঝানো হয় ঈশ্বরের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করে যাওয়া। গীতায় বলা হয়েছে কর্মযোগই শ্রেষ্ঠ যোগ। কবির মতে কর্মের প্রকৃত অর্থ হলো খেটে-খাওয়া মানুষের মতো রৌদ্রে-জলে ধুলিকণায় ইট-কাঠ পাথরে গড়া বাস্তব পৃথিবীতে শ্রমের মাধ্যমে ঘর্ম ঝরানো।

(ঘ) রুদ্ধ দেবালয়ে দেবতা থাকেন কী? কেন?

উত্তরঃ না, রুদ্ধ দেবালয়ে দেবতা থাকেন না। কারণ ঈশ্বর সর্বত্র বিরাজমান এবং তিনি প্রকৃত অর্থে ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে বা মন্দিরের চার দেওয়ালের মধ্যে বদ্ধ হয়ে থাকেন না। তাঁর ব্যাপ্তি অনল-অনিলে, নভোনীলে, জলদের গায়ে, শশী-তারকায় এবং শ্রমজীবী মানুষের কর্মের মধ্যে।

(ঙ) কবির মতে দেবতা প্রাপ্তির প্রকৃত উপায় কী?

উত্তরঃ কবির মতে দেবতা প্রাপ্তির প্রকৃত উপায় হলো ভজন, পূজন ও সাধনা ত্যাগ করে শুচি বসন ছেড়ে ধুলার পরে নেমে আসা। ধুলিমাখা হাতে শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে এক হয়ে কর্মযোগে ঘর্ম ঝরানোর মাধ্যমেই ঈশ্বর প্রাপ্তি সম্ভব।

৬। রচনাধর্মী উত্তর লেখো:

(ক) ‘ধুলামন্দির’ কবিতার সারাংশ লেখো।

উত্তরঃ ভজন, পূজন এবং সাধনার মূল উদ্দেশ্য হলাে ভগবানের সান্নিধ্য লাভ। অধ্যাত্ম পিপাসু মানুষের মনে এটাই বদ্ধমূল ধারণা যে দেবতা বা ঈশ্বর দেবালয় বা মন্দিরে বাস করেন। কিন্তু ঈশ্বর সর্বত্রই বিরাজমান। সব কিছুতেই বর্তমান। তিনি প্রকৃত অর্থে ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে, মন্দিরের চার দেয়ালের মধ্যে বদ্ধ হয়ে থাকেন না। তার ব্যাপ্তি তানল-অনিলে, চির- নভােনীলে, জলদের গায়ে, শশী -তারকায় তপনে। তিনি আপামর খেটে খাওয়া মানুষের কর্মের মধ্যেও আছেন। দুহাতে তার কর্মের চিহ্ন বর্তমান। সেজন্য পূজারিদের রুদ্ধদ্বার দেবালয়ে ফুলমালা চন্দন দিয়ে ভগবানের পূজা করার কোনাে যৌক্তিকতা নেই। কবির মতে দেবালয়ের অন্ধকার কোঠায় দেবতার সন্ধান করা নিষ্ফল।

মানস চক্ষু দিয়ে দেখলে ঈশ্বরের অস্তিত্ব মেলে। ঈশ্বর, খেটে খাওয়া মানুষ ও তাদের কাজের মধ্যে লীন হয়ে আছেন। রৌদ্রে-জলে ধুলিকণায় ইট-কাঠ পাথরে গড়া বাস্তব পৃথিবীতে শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে ঈশ্বরের বাস। তাই কবি ভক্তদের দেবালয়ে পরিহিত শুচি বসন ছেড়ে ধুলার পরে নেমে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন। কবি অন্তদৃষ্টি দিয়ে অনুভব করে বলেছেন যে মুক্তি কোথাও নেই। কারণ ঈশ্বর নিজেই তার সৃষ্টির নিকট বাঁধা আছেন। কর্মই ধর্ম। সেইহেতু কবি আলােচ্য কবিতায় বলেছেন ধুলিমাখা হাতে কর্মযােগে ঘর্ম ঝরানাের মাধ্যমেই ঈশ্বর প্রাপ্তি সম্ভব।

(খ) কর্মের মধ্যে দিয়ে দেবতার সান্নিধ্য পাওয়া যায়- কথাটির মূল বক্তব্য আলোচনা করো।

উত্তরঃ ঈশ্বর আপামর খেটে খাওয়া মানুষের কর্মের মধ্যে আছেন। দুহাতে তার কর্মের চিহ্ন বর্তমান। সেইহেতু পূজারিদের রুদ্ধদ্বার পূজা ও আরাধনা যুক্তি নেই।

প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বর শ্রমজীবী মানুষ ও তাদের কাজের মধ্যে লীন হয়ে আছেন। রৌদ্রে-জলে ধুলিকণায় ইট-কাঠ পাথরে গড়া বাস্তব পৃথিবীতে কর্মরত মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের অধিষ্ঠান। সেইহেতু কবি ভক্তদের দেবালয়ে পরিহিত তথাকথিত শুচিবসন পরিত্যাগ করে ধুলিশয্যায় নেমে আসতে উপদেশ দিয়েছেন। কবি তার অন্তদৃষ্টি দিয়ে অনুভব করেছেন “This poor body is the temple of living soul.” আর সেই living soul- কে উপেক্ষা করার অর্থ ঈশ্বরকে উপেক্ষা। বেদে বলছে ‘সর্বং খল্লিদং ব্রহ্ম”। স্রষ্টা তার সৃষ্টির মধ্যে অবস্থান করেন। তাই বেশির ভাগ শ্রমজীবী মানুষের কঠোর পরিশ্রমে, কৃচ্ছ সাধনাই সাধনা। আর সেই সাধনায় সেই আরাধনায় ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা যায়- উপরােক্ত কথাটির এইটিই বক্তব্য।

(গ) ‘ধুলামন্দির’ কবিতার মূল ভাব ব্যক্ত করো।

উত্তরঃ ধুলামন্দির কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ নীরবে নির্জনে চিরাচরিত ঈশ্বরের অনুষ্ঠানে ঈশ্বর লাভ করা যায় না বলে ঘােষণা করেছেন। বরং শ্রমজীবী মানুষের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে রােদে পুড়ে জলে ভিজে মাটি আর সংস্পর্শে যেতে বলেছেন। ধুলিধূসা রিত বস্ত্রই কর্মক্ষেত্রের বস্ত্র। সেটাই পরিধান করে নিতে হবে, কেননা কবির ধারণায় সেই কর্মযুক্ত বস্ত্রই শুচিবস্ত্র।

মানুষ মুমুক্ষু। কিন্তু তার ধারণা নেই যে, ঈশ্বর স্বয়ং নিজের সৃজিত বন্ধনে, সৃষ্টি বাঁধনে বাঁধা পড়ে আছেন। সেইহেতু প্রচলিত পূজা পদ্ধতি পরিহার করতে হবে। হয়তাে তাতে পরিধেয় বস্ত্র ছিন্ন হবে, ধুলিধুসরিত হবে ; তাতে কোনাে ক্ষতি নেই। কর্মযােগে যুক্ত হয়ে ঘাম ঝরিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেই ঈশ্বরের পদধুলি লাভ করতে হবে।

Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]

S.L. No.Group – A সূচীপত্র
পাঠ – ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ – ২খাই খাই
পাঠ – ৩ধূলামন্দির
পাঠ – ৪কবর
পাঠ – ৫মনসামঙ্গল
পাঠ – ৬প্রত্যুপকার
পাঠ – ৭ছুটি
পাঠ – ৮ডাইনী
পাঠ – ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ – ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ – ১১লড়াই
পাঠ – ১২আমরা
পাঠ – ১৩আগামী
পাঠ – ১৪আত্মকথা
পাঠ – ১৫ভারতবর্ষ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top