SEBA Class 9 Bengali Chapter 5 মনসামঙ্গল Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 5 মনসামঙ্গল Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 5 মনসামঙ্গল Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 9 Bengali Chapter 5 মনসামঙ্গল
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
মনসামঙ্গল
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
১। শূন্যস্থান পূরণ করো:
(ক) সপ্তডিঙা __________ চারিদিকে জল।
উত্তরঃ সপ্তডিঙা মধুকর চারিদিকে জল।
(খ) শ্রাবণের অবিশ্রাম __________।
উত্তরঃ শ্রাবণের অবিশ্রাম মনসামঙ্গল।
(গ) এখনো বুকের __________ কহে।
উত্তরঃ এখনো বুকের দ্বিজ বংশীদাস কহে।
(ঘ) কুপিলম্পে রাতকানা নিরক্ষরা __________।
উত্তরঃ কুপিলম্পে রাতকানা নিরক্ষরা বুড়ি।
২। ‘মনসামঙ্গল’ কবিতার বিশেষ্য পদগুলো বাছাই করে সাজিয়ে লেখো। (যেমন— মধুকর)
উত্তরঃ মনসামঙ্গল, সপ্তডিঙা, মধুকর, জল, শ্রাবণ, পাট, ডোবা, ফণা, কাঁথা-কানি, বেহুলা-যন্ত্রণা, কালসন্ধ্যা, গান, সায়ের, ঝিয়ারি, ভাসান, চম্পকনগর, শিকা, ঘর, কুপিলম্প, বুড়ি, লখা, ছেলে, মনসা, গাঙ, গন্ধ, দ্বিজ বংশীদাস, কালীদহ।
৩। ‘মনসামঙ্গল’ কবিতার বিশেষণ পদগুলো বাছাই করে লেখো। (যেমন- নিরক্ষরা)
উত্তরঃ অবিশ্রাম, পচা, এঁদো, বিষধর, ছেঁড়া, হু হু-করা, কাল, সাতনরী, রাতকানা, নিরক্ষরা, জাল-টানা, গর্ভিণী, দিগম্বরা, দখিনা, ঘোর, গহন।
৪। পদ পরিবর্তন করে।
যেমন—শ্রাবণ-শ্রাবণী। অবিশ্রাম- অবিশ্রান্ত।
জল, বিল, যন্ত্রণা, গীত, ঘর, জাল, রাত, গাঙ, দখিনা।
উত্তরঃ
| প্রদত্ত শব্দ | পদ পরিবর্তন |
| জল | জলীয় |
| বিল | বিলীয়মান |
| যন্ত্রণা | যন্ত্রণাময় |
| গান | গীত |
| ঘর | ঘরোয়া |
| জাল | জালি / জাল-টানা |
| রাত | রাতকানা |
| গাঙ | গাঙুলি |
| দখিনা | দক্ষিণ |
৫। আট-দশটি বাক্যে উত্তর দাও:
(ক) ‘মনসামঙ্গল’ কবিতা অবলম্বনে শ্রাবণের রূপসৌন্দর্যের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর কবিতায় শ্রাবণ মাস তার স্বাভাবিক রূপসৌন্দর্যের পরিবর্তে এক বিষাদময়, বিপদসংকুল ও জীবনহানি-সঙ্কুল রূপ নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। শ্রাবণ এখানে অবিরাম (বিরতিহীন) বর্ষণের কাল। চারিদিকে শুধু জল আর পচা পাট, পঙ্কিল ‘এঁদো ডোবা’র পরিবেশ। এই শ্রাবণ মাসে ‘বিষধর ফণা’ দেখা যায়, যা বিপদকে নির্দেশ করে। বৃষ্টিস্নাত সর্বনাশী ‘কালসন্ধ্যা’ হু হু করে আসে। বর্ষার ফলে নদী বা ‘গাঙ’ জলে পরিপূর্ণ হয়ে ‘গর্ভিণী’র রূপ নেয়। দক্ষিণ দিক থেকে আসা বাতাসকে কবি ‘শ্রাবণীর দিগম্বরা’ বলে অভিহিত করেছেন, যা প্রকৃতির উন্মুক্ত ও প্লাবিত অবস্থাকে বোঝায়। এই বাতাস জলে ভেসে আসা গন্ধ বহন করে আনে। সবমিলিয়ে, এই কবিতায় শ্রাবণ প্রকৃতিতে এক আনন্দময় নয়, বরং এক বিষাদ ও যন্ত্রণাময় আবহ তৈরি করেছে।
(খ) ‘বেহুলা-যন্ত্রণার’ পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘বেহুলা-যন্ত্রণা’ বলতে মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম নারী চরিত্র বেহুলার চরম দুঃখ, কষ্ট ও সংগ্রামের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উজানী নগরের সায়বেনের কন্যা বেহুলার সাথে চাঁদ সদাগরের পুত্র লখিন্দরের বিবাহ হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের রাতেই দেবী মনসার কোপে লখিন্দর সাপের কামড়ে মারা যান। সদ্য বিবাহিত স্বামীর মৃত্যুতে বেহুলা যে অসহনীয় কষ্ট ভোগ করেছিলেন, তা-ই ‘বেহুলা-যন্ত্রণা’। তিনি মৃত স্বামীকে ভেলায় নিয়ে দেবলোকে পাড়ি দেন স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে। দেবলোকে নৃত্যগীতে তিনি দেবতাদের তুষ্ট করে শিবের বর লাভে স্বামীর প্রাণ ফিরে পান। শুধু তাই নয়, শ্বশুর চাঁদ সদাগরের হারানো সম্পত্তিও তিনি উদ্ধার করেন। কবিতাটিতে ‘ছেঁড়া কাঁথা-কানি আর বেহুলা-যন্ত্রণা’ পংক্তিটি বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনের দারিদ্র্য ও লোকায়ত গাথার গভীর দুঃখকে একীভূত করেছে।
(গ) ‘সায়ের ঝিয়ারি’ কে? তাঁর অনন্ত ভাসানে যাত্রার বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ সায়ের ঝিয়ারী হলাে উজানী নগরের সায়বেনের কন্যা বেহুলা এবং চাদ সদাগরের সপ্তম পুত্র লখীন্দরের স্ত্রী। মনসার ইচ্ছায় বিয়ের রাত্রেই সর্পদংশনে লখীন্দরের মৃত্যু হয়। বেহুলা তখন তার স্বামীর প্রাণ ফিরে পাওয়ার জন্য কৃতসংকল্প হয়ে স্বামীর শব ভেলার উপরে চাপিয়ে স্বর্গলােক অভিমুখে যাত্রা করে, পথে নানারকম বিপদ-আপদ দেখা দেয় এবং বহু প্রলােভনও উপস্থিত হয়। কিন্তু সতী বেহুলা সব কিছু অগ্রাহ্য করে এগিয়ে চলে, এইরূপে যেতে যেতে একদিন সে উপস্থিত হয়,স্বর্গরাজ্যের রজকিনী ও দেবী মনসার সহচরী ‘নেতা’র ঘাটে। তারপর বেহুলা সেই নেতার সাহায্যে স্বর্গলােকে উপস্থিত হয় এবং তার পরামর্শেই নিজের অপরূপ নৃত্য পরিবেশন করে দেবতাদের মনােরঞ্জন করে। দেবতারা খুশি হলে তাকে বর প্রার্থনা করতে বলেন; বেহুলা তখন ‘চিরকাল সধবা হয়ে থাকা’র বর প্রার্থনা করে। দেবতারা তার সেই মনােবাঞ্ছা পূর্ণ করেন। শিবের আদেশে মনসা লখীন্দরকে পুনর্জীবিত করেন।
৬। রচনাধর্মী উত্তর লেখো:
(ক) ‘মনসামঙ্গল’ কবিতাটির ভাবার্থ লেখো।
উত্তরঃ শক্তিপদ ব্রহ্মচারী রচিত ‘মনসামঙ্গল’ কবিতাটি লোকপুরাণের উপাদান ব্যবহার করে এক অসাধারণ সাহিত্যিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে। এই কবিতাটি তাঁর ‘অনন্ত ভাসানে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কবি বাংলার জনজীবনে প্রচলিত মনসাগাথার চিরায়ত প্রভাবকে আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করেছেন। লোকায়ত জীবন এবং নাগরিক মানসের জটিলতা—এই দুইয়ের মিশ্রণে কবিতাটি বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করেছে।
কবিতার সূচনাতেই মনসামঙ্গল কাব্যের পরিচিত আবহের সৃষ্টি হয়েছে—শ্রাবণ মাসের অবিরাম জলের মধ্যে ‘সপ্তডিঙা মধুকর’ ভেসে থাকার চিত্র। এই চিত্রটি তাৎক্ষণিক এক বিষাদময় পরিবেশ তৈরি করে। লোকপুরাণের মহাকাব্যিক দুঃখকে কবি অত্যন্ত সাদামাটা বাস্তবতার সঙ্গে মিশিয়ে দেন যখন ‘ছেঁড়া কাঁথা-কানি’র (ছেঁড়া কাঁথা ও ছেঁড়া কানি) পাশে ‘বেহুলা-যন্ত্রণা’র উল্লেখ করেন। এই বেহুলার যন্ত্রণা আসলে বাংলার সাধারণ মানুষের চিরন্তন দুঃখ ও কষ্টের প্রতীক হয়ে ওঠে। কবিতার মূল ভাবটি সংক্ষেপিত হয়ে আসে ‘হু হু-করা কালসন্ধ্যা ভেসে আসা গানে / সায়ের ঝিয়ারি যায় অনন্ত ভাসানে’—এই চরণ দুটিতে। এখানে ‘সায়ের ঝিয়ারি’ অর্থাৎ বেহুলা (সায়বেনের কন্যা), তাঁর মৃত স্বামীর (চাঁদ সদাগরের পুত্র লখিন্দরের) প্রাণ ফেরাতে যে ভাসান যাত্রায় বের হয়েছিলেন, তারই করুণ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই ভাসান-যাত্রা কেবল একটি পৌরাণিক ঘটনা নয়, বরং জীবনের দুঃখ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষের নিরন্তর বয়ে চলার প্রতীক।
এরপর কবি চাঁদ সদাগরের বিখ্যাত নগর ‘চম্পকনগর’ এবং বাংলার লোকায়ত আসবাব ‘সাতনরী শিকা’র কথা বললেও, সেই সঙ্গে এক নিরক্ষরা বুড়ির দৈনন্দিন জীবনের ছবিও তুলে ধরেন। কুপিলম্পের স্বল্প আলোয় বসে থাকা সেই ‘নিরক্ষরা বুড়ি’র পুত্রটি ছিল ‘জাল-টানা ছেলে’, যে জীবিকার সন্ধানে রাতে জলে গেছে। বুড়ি তখন সাপ-দেবী মনসার কাছে কাতর প্রার্থনা জানায়—‘রেখো মা মনসা তার সর্বাঙ্গ কুশলে’। এটি পৌরাণিক চাঁদ সদাগরের পুত্র হারানোর মহাদুঃখকে বাংলার সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষের সন্তানের নিরাপত্তার উদ্বেগের সঙ্গে একাত্ম করে দেয়। এর মাধ্যমে দেবী মনসা যেন সাধারণ মানুষের ভয় ও বিশ্বাসের কেন্দ্রে চিরকাল বর্তমান থাকেন।
কবিতার শেষ দিকে প্রকৃতি ও লোকজীবনের গন্ধ মিশে যায়। ‘গাঙের গর্ভিণী সেই গন্ধ’ শ্রাবণের দিগম্বরা দখিনা বাতাসে ভেসে আসে। এটি নদীর জীবন ও ধ্বংসের ক্ষমতা, দুইয়েরই দ্যোতনা সৃষ্টি করে। সবশেষে কবি মনসামঙ্গলের আরেক কবি দ্বিজ বংশীদাসের উক্তি ব্যবহার করে লেখেন—‘হেথা নয়, হেথা নয়, অন্য কালীদহে…’, যার অর্থ হলো বেহুলার এই যাত্রা হয়তো কোনো পার্থিব গন্তব্যে শেষ হবে না, বরং তা অন্য কোনো বৃহত্তর সত্য বা সাংস্কৃতিক চেতনার দিকে এগিয়ে চলবে। এইভাবেই বেহুলা অর্থাৎ ‘সায়ের ঝিয়ারি যায় অনন্ত ভাসানে’, যা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শেকড়ের সন্ধান দেয় এবং বাঙালি জীবনের চিরন্তন করুণ স্রোতকে ফুটিয়ে তোলে।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy লিঙ্কে ক্লিক করুন
Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]
| S.L. No. | Group – A সূচীপত্র |
| পাঠ – ১ | গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা |
| পাঠ – ২ | খাই খাই |
| পাঠ – ৩ | ধূলামন্দির |
| পাঠ – ৪ | কবর |
| পাঠ – ৫ | মনসামঙ্গল |
| পাঠ – ৬ | প্রত্যুপকার |
| পাঠ – ৭ | ছুটি |
| পাঠ – ৮ | ডাইনী |
| পাঠ – ৯ | পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম |
| পাঠ – ১০ | অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা |
| পাঠ – ১১ | লড়াই |
| পাঠ – ১২ | আমরা |
| পাঠ – ১৩ | আগামী |
| পাঠ – ১৪ | আত্মকথা |
| পাঠ – ১৫ | ভারতবর্ষ |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

