SEBA Class 9 Bengali Chapter 6 প্রত্যুপকার

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 9 Bengali Chapter 6 প্রত্যুপকার Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 6 প্রত্যুপকার Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 6 প্রত্যুপকার Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 9 Bengali Chapter 6 প্রত্যুপকার

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। (ক) সঠিক উত্তর নির্বাচন করো:

(ক) প্রত্যুপকার গল্পটি কোন পুরুষে লেখা?

(i) প্রথম পুরুষ।

(ii) মধ্যম পুরুষ।

(iii) উত্তম পুরুষ।

(iv) তৃতীয় পুরুষ।

উত্তরঃ (iii) উত্তম পুরুষ।

(খ) হস্তপদবদ্ধ ব্যক্তির নিবাস কোথায়?

(i) বাগদাদ।

(ii) ডেমাস্কস।

(iii) গ্রিস।

(iv) প্যারিস।

উত্তরঃ (ii) ডেমাস্কস।

(গ) আলি ইবন্ আবুস কোন দেশের লোক?

(i) বাগদাদ।

(ii) লাহাের।

(iii) আফগানিস্থান।

(iv) ডেমাস্কস।

উত্তরঃ (i) বাগদাদ।

(ঘ) খলিফার নাম কী?

(i) জসীম উদ্দিন।

(ii) আলি ইবন আব্বস।

(iii) শহীদুল্লাহ।

(iv) মামুন।

উত্তরঃ (iv) মামুন।

(খ) সত্য ও অসত্য বেছে নাও:

১। আবুস খলিফার বিরাগ ভাজন ছিলেন।

উত্তরঃ অসত্য।

২। খলিফা মহামতি ও অতি উন্নতচিত্ত পুরুষ ছিলেন।

উত্তরঃ সত্য।

৩। পরদিন অপরাহ্নে আবুস খলিফার নিকট উপস্থিত হইলেন।

উত্তরঃ অসত্য।

৪। এই পৃথিবীতে যত স্থান আছে ডেমাস্কস্ আমার সর্বাপেক্ষা প্রিয়।

উত্তরঃ সত্য।

(গ) পাঠ অবলম্বনে শূন্যস্থান পূর্ণ করো:

১। তিনি বলিলেন __________ আমার জন্মস্থান।

উত্তরঃ তিনি বলিলেন ডেমাস্কস আমার জন্মস্থান।

২। আপনি কৃপা করিয়া আমার __________ করুন।

উত্তরঃ আপনি কৃপা করিয়া আমার প্রাণরক্ষা করুন।

৩। সদাশয় আশ্রয়দাতা আমার হস্তে একটি __________ থলি দিলেন।

উত্তরঃ সদাশয় আশ্রয়দাতা আমার হস্তে একটি স্বর্ণমুদ্রার থলি দিলেন।

৪। তিনি __________ ডাকাইয়া প্রস্তুত হইতে আদেশ দিলেন।

উত্তরঃ তিনি ঘাতককে ডাকাইয়া প্রস্তুত হইতে আদেশ দিলেন।

৫। এক্ষণে আপনার যেরূপ __________ হয় করুন।

উত্তরঃ এক্ষণে আপনার যেরূপ অভিরুচি হয় করুন।

২। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:

(ক) বাংলা গদ্যের জনক কাকে বলা হয়?

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

(খ) আবুস প্রাণরক্ষা করার জন্য আশ্রয়দাতার বাড়িতে কতদিন ছিলেন?

উত্তরঃ আবুস প্রাণরক্ষা করার জন্য আশ্রয়দাতার বাড়িতে এক মাস কাল ছিলেন।

(গ) ‘তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল’— বক্তা কে?

উত্তরঃ ‘তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল’— এই উক্তিটির বক্তা হলেন খলিফা মামুন।

(ঘ) “আপনকার নিবাস কোথায়?”— আপনকার বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ এখানে ‘আপনকার’ বলতে খলিফার আদেশে হস্তপদবদ্ধ অবস্থায় আবুর আলয়ে আনা সেই বন্দীকে বোঝানো হয়েছে।

(ঙ) ‘প্রত্যুপকার’ পাঠের লেখক কে?

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ পাঠের লেখক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

(চ) ‘প্রত্যুপকার’ পাঠে কে, কার প্রত্যুপকার করেছেন?

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ পাঠে আলি ইবন্ আবুস তাঁর পুরোনো আশ্রয়দাতা ডেমাস্কসবাসী বন্ধুর প্রাণরক্ষা করে প্রত্যুপকার করেছেন।

৩। ৩/৪ টি বাক্যে উত্তর দাও:

(ক) “পৃথিবীতে যত স্থান আছে ঐ স্থান আমার সর্বাপেক্ষা প্রিয়।”— উক্তিটির যাথার্থ্য বুঝিয়ে বলো।

উত্তরঃ এই উক্তিটি করেছেন আলি ইবন্ আবুস। বহুবছর আগে ডেমাস্কসের শাসনকর্তার আক্রমণের ফলে তিনি যখন প্রাণভয়ে পালিয়ে ডেমাস্কসের এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেন, তখন সেই গৃহস্বামী তাঁকে কেবল অভয় দেননি, বরং এক মাসকাল নির্ভয়ে ও নিরাপদে রেখে তাঁর স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য উত্তম অশ্ব, খাদ্যসামগ্রী, ভৃত্য ও স্বর্ণমুদ্রার থলি দিয়ে সসম্মানে বিদায় করেছিলেন। গৃহস্বামীর এই অপার করুণা ও উপকার প্রাপ্তির জন্যই ডেমাস্কস আবুসের কাছে পৃথিবীর সবথেকে প্রিয় স্থান।

(খ) ‘আপনার মনস্কাম পূর্ণ হইয়াছে।’— কে, কাকে কোন প্রসঙ্গে এই কথা বলেছিলেন?

উত্তরঃ এই উক্তিটি করেছিলেন হস্তপদবদ্ধ অবস্থায় খলিফার আদেশে আনা সেই বন্দী আলি ইবন্ আবুসকে। আবুস তাঁর আশ্রয়দাতার কাহিনি বর্ণনা করে আক্ষেপ করেন যে তিনি এ পর্যন্ত সেই দয়াময় আশ্রয়দাতার কখনও কোনও খোঁজ পাননি এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনের সুযোগ খুঁজছেন। এই কথা শুনিবামাত্র বন্দী আহ্লাদিত হইয়া জানান যে তিনি নিজেই সেই আশ্রয়দাতা। এই প্রসঙ্গে তিনি উক্তিটি করেছিলেন।

(গ) লৌহশৃঙ্খল থেকে মুক্ত হবার পর বন্দী কীরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন?

উত্তরঃ আবুস যখন বন্ধুত্বের খাতিরে তাঁকে লৌহশৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে পাথেয়স্বরূপ সহস্র স্বর্ণমুদ্রার থলি দিয়ে অবিলম্বে প্রস্থান করার অনুরোধ জানান, তখন বন্দী তাতে সম্মত হননি। তিনি অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণভাবে জানান যে, তিনি এত নীচাশয় ও স্বার্থপর নহি যে, আপন প্রাণরক্ষার্থে, যে প্রাণের রক্ষা করিয়াছেন, এক্ষণে সেই প্রাণের বিনাশের কারণ হইবেন। বরং তিনি আবূসকে দয়া করে তাঁর নির্দোষিতার প্রমাণ খলিফাকে জানাতে অনুরোধ করেন।

(ঘ) বন্দীকে মুক্ত করার পর আবুস তাঁকে কী বলেছিলেন?

উত্তরঃ বন্দীকে মুক্ত করে এবং পাথেয়স্বরূপ সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাঁর হাতে দিয়ে আবুস বলেছিলেন, “না, না; আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; এই মুহূর্ত হইতে স্বাধীন হইলেন”। তিনি তাঁকে অবিলম্বে প্রস্থান করে স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সহিত মিলিত হইয়া, সংসারযাত্রা সম্পন্ন করার অনুরোধ জানান। আবূস এ-ও বলেছিলেন যে, তাঁকে ছাড়িয়া দেওয়ায় খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ জন্মাবে, কিন্তু যদি তাঁর প্রাণরক্ষা করতে পারেন, তবে সে জন্য তিনি অণুমাত্র দুঃখিত হইবেন না।

(ঙ) আবুসের প্রস্তাবে তিনি সম্মত হননি কেন?

উত্তরঃ আবুসের প্রস্তাবে বন্দী সম্মত হননি, কারণ আবুস তাঁকে শৃঙ্খলমুক্ত করে পালিয়ে যেতে বললেও, বন্দী ছিলেন অতিশয় ন্যায়পরায়ণ এবং উচ্চ প্রকৃতির লোক। তিনি মনে করতেন, যিনি কিছুকাল পূর্বে তাঁর প্রাণ রক্ষা করেছেন, আজ যদি নিজের প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে তাঁর প্রাণনাশের কারণ হন, তবে তা হবে অত্যন্ত নীচাশয় ও স্বার্থপরের কাজ। তাই তিনি বন্ধুর (আবুসের) বিপদের কারণ হতে চাননি।

(চ) খলিফা যে উন্নতচিত্তের পুরুষ কীভাবে তার প্রমাণ পাওয়া যায়?

উত্তরঃ খলিফা মামুন যে উন্নতচিত্তের পুরুষ, তার প্রমাণ পাওয়া যায় যখন তিনি আবূসের সমস্ত নিবেদন শোনার পর মৌনাবলম্বন করে প্রসন্নবদনে রায় দেন। আবুসের যুক্তিতে তিনি স্বীকার করেন যে এমন দয়াশীল, পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ ও সদ্বিবেচক ব্যক্তি কখনোই দুরাচার হতে পারেন না। তিনি বন্দীকে কেবল প্রাণদণ্ড থেকে অব্যাহতিই দেননি, বরং তাঁর প্রকৃত পরিচয় জেনে তাঁকে মহামূল্য পরিচ্ছদ, দশ অশ্ব, দশ খচ্চর, দশ উষ্ট্র উপহার দেন এবং বহুসংখ্যক অর্থ ও অনুরোধপত্র দিয়ে সসম্মানে বিদায় করেন। এতেই তাঁর উন্নতচিত্তের পরিচয় পাওয়া যায়।

৪। নীচের প্রশ্নগুলির রচনামূলক উত্তর লেখো:

(ক) প্রত্যুপকার পাঠে কে, কীভাবে, প্রত্যুপকার করেছে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘প্রত্যুপকার’ নামক এই নীতিমূলক আখ্যানে আলি ইবন্ আবুস নামক ব্যক্তিটি ডেমাস্কসের এক সম্ভ্রান্ত গৃহস্বামীর প্রত্যুপকার করেছেন। উপকারের বদলে উপকার করার এই কাহিনিতে আলি ইবন্ আবুসের কৃতজ্ঞতা ও সাহস মহত্ত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বহু বছর পূর্বে, আলি ইবন্ আবুস ডেমাস্কসের নতুন শাসনকর্তার সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলেন। সে সময় পদচ্যুত শাসনকর্তা সৈন্য নিয়ে আক্রমণ করলে আবুস প্রাণভয়ে পালিয়ে যান এবং এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় চান। গৃহস্বামী কেবল অভয় দেননি, প্রায় এক মাস ধরে সযত্নে ও নিরাপদে তাঁকে নিজের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিলেন। বিপদ কেটে গেলে, গৃহস্বামী বাগদাদগামী যাত্রীদের সঙ্গে আবুসকে স্বদেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। সেইসঙ্গে তিনি নিঃশব্দে তাঁর যাত্রার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করে দেন— একটি উৎকৃষ্ট সুসজ্জিত অশ্ব, খাদ্যসামগ্রীসহ আর একটি অশ্ব, পথে পরিচর্যার জন্য একজন ভৃত্য, এবং পাথেয় স্বরূপ সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি আবুসের হাতে তুলে দেন। এই অসামান্য দয়া ও নিঃস্বার্থ উপকারের কারণে ডেমাস্কস আবুসের কাছে পৃথিবীর সবথেকে প্রিয় স্থানে পরিণত হয়, কিন্তু আক্ষেপের বিষয় ছিল যে তিনি কখনও সেই দয়াময় আশ্রয়দাতার কোনও উদ্দেশ পাননি।

বহু বছর পর, বাগদাদের খলিফা মামুনের দরবারে আলি ইবন্ আবুসের প্রিয়পাত্র থাকাকালীন এক দিন হস্তপদবদ্ধ এক ব্যক্তিকে তাঁর সম্মুখে আনা হলো। খলিফা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে আবুসকে নির্দেশ দিলেন সেই ব্যক্তিকে তাঁর বাড়িতে রুদ্ধ করে রেখে পরদিন যেন উপস্থিত করেন। বন্দীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আবুস জানতে পারলেন যে তার নিবাস ডেমাস্কস। ডেমাস্কসের প্রসঙ্গ আসতেই আবুস তাঁর পুরনো আশ্রয়দাতার করুণ কাহিনিটি বর্ণনা করে প্রত্যুপকার করতে না-পারার জন্য গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তখন বন্দী ব্যক্তিটিই নিজেকে সেই আশ্রয়দাতা বলে পরিচয় দেন। নিজের বিপদ ভোলার পর আবুস আনন্দে পুলকিত হয়ে প্রথমত সেই ব্যক্তির হাত ও পায়ের লৌহশৃঙ্খল খুলে দেন। তিনি পাথেয় স্বরূপ সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাঁর হাতে দিয়ে তাঁকে অবিলম্বে পালিয়ে যেতে অনুরোধ করেন। কিন্তু মহৎপ্রাণ আশ্রয়দাতা আবুসের প্রস্তাবে সম্মত হননি। তিনি বলেন, যাঁর প্রাণ এক দিন রক্ষা করেছেন, আজ নিজের প্রাণ বাঁচাতে তাঁকে খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধের মুখে ফেলে দেওয়া তাঁর মতো ব্যক্তির পক্ষে অসম্ভব। তিনি অনুরোধ করেন, আবুস যেন তাঁর মুক্তির জন্য যথোপযুক্ত চেষ্টা করেন।

আবুস তখন সেই মহৎ বন্ধুর প্রাণরক্ষার জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতেও পিছপা হননি। পরদিন প্রাতঃকালে খলিফার সম্মুখে উপস্থিত হয়ে তিনি তাঁর চরণে পতিত হন। খলিফার প্রাণদণ্ডের হুমকির মুখেও তিনি বিনীত ও কাতর বচনে তাঁর আশ্রয়দাতার মহৎ স্বভাবের সমস্ত কথা সবিস্তারে বর্ণনা করেন। তিনি নির্ভয়ে খলিফাকে বলেন যে যে ব্যক্তি এমন দয়াশীল, পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ ও সদ্বিবেচক, তিনি কখনই দুরাচার হতে পারেন না। তিনি যুক্তি দেখান যে কিছু নীচ প্রকৃতি পরহিংসক দুরাত্মা ঈর্ষাবশত অমূলক দোষারোপ করে তাঁর সর্বনাশ করতে উদ্যত হয়েছে। আলি ইবন্ আবুসের এই অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা ও দৃঢ় যুক্তিতে মহামতি খলিফা সন্তুষ্ট হন এবং বন্দীকে প্রাণদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেন। খলিফা ওই ব্যক্তিকে মহামূল্য পরিচ্ছদ, দশ অশ্ব, দশ খচ্চর, দশ উষ্ট্র উপহার দেন এবং বহুসংখ্যক অর্থ দিয়ে সসম্মানে বিদায় করেন। এভাবে আলি ইবন্ আবুস চরম বিপদের দিনে নিজের প্রাণ বিপন্ন করেও তাঁর পুরনো আশ্রয়দাতার প্রাণ রক্ষা করে প্রত্যুপকার করেন।

(খ) প্রত্যুপকার নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

উত্তরঃ আলি ইবন আব্বস নামে এক ব্যক্তি একদিন অপরাহ্নে মামুন। নামক খলিফার সঙ্গে আলাপে মগ্ন ছিলেন। সেই সময় বন্দী অবস্থায় এক ব্যক্তিকে তার কাছে আনা হলে তিনি আব্বসকে নির্দেশ দিলেন বন্দীকে তার বাড়িতে রুদ্ধ করে রাখতে এবং পরদিন এবং খলিফার নিকট উপস্থিত করতে। আব্বস যথাযথভাবে খলিফার নির্দেশ পালন করেন। বন্দীর পরিচয় জিজ্ঞাসা করায় তিনি জানতে পান ডেমাস্কসে বন্দীর বাসস্থান। আব্বসের মনে পড়ে যায় ডেমাস্কসের পদচ্যুত শাসনকর্তার আক্রমণে তিনি প্রাণরক্ষার আবেদন জানিয়ে এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির বাড়িতে উপস্থিত হলে গৃহস্বামী তাকে শুধুমাত্র আশ্রয় প্রদান করেননি বিপদের মেঘ না কাটা পর্যন্ত নির্ভয়ে ও নিরাপদে প্রায় মাসখানেক তাকে রেখেছিলেন। একদিন সুযােগ বুঝে বাগদাদে যাবার যাত্রীদের সঙ্গে তাকেও পাঠানাের ব্যবস্থা করেন। সঙ্গে সুসজ্জিত অশ্ব, খাদ্যসামগ্রী ও ভৃত্য ছিল। সেজন্য আব্বসের সবচেয়ে প্রিয়স্থান ডেমাস্কস।

ডেমাস্কসবাসী জানতে পেরে তিনি বন্দীকে সেই আশ্রয়দাতার কাহিনি বর্ণনা করে প্রত্যুপকার করতে না-পারার জন্য আক্ষেপ করেন। এরপর বন্দীই যে সেই আশ্রয়দাতা জেনে আব্বস পুলকিত হয়ে তাকে শৃঙ্খল মুক্ত করেন এবং সহস্র স্বর্ণমুদ্রার থলি প্রদান করে অবিলম্বে প্রস্থান করার অনুরােধ জানান। 

প্রত্যুত্তরে বন্দী জানান একদিন যাঁর প্রাণরক্ষা করেছিলেন আজ তার প্রাণ বিনাশের কারণ হওয়া তার পক্ষে অসম্ভব। উপরন্তু নীচপ্রকৃতি লােকের ঈর্ষাবশত শত্রুতার ফলেই যে তার বন্দীদশা, এই সত্য ঘটনা খলিফাকে জানালে তার প্রতি খলিফার মনােভাব ও সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে। পরদিন আব্বস ক্রুদ্ধ খলিফাকে কাতর অনুনয় করে ঘটনাটি সবিস্তারে বর্ণনা করেন। এবং একথাও বলেন- “যেব্যক্তি এমন দয়াশীল, পরােপকারী, ন্যায়পরায়ণ ও সদ্বিবেচক তিনি কখনই দুরাচার | নহেন।” বিবেচক ও অতি উন্নতচিত্তের খলিফা তার বন্দীর প্রকৃত পরিচয় জানতে পেরে যৎপরােনাস্তি সন্তুষ্ট হয়ে তাকে মহামূল্য উপহার সামগ্রী প্রদান করে সসম্মানে বিদায় করেন।

Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]

S.L. No.Group – A সূচীপত্র
পাঠ – ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ – ২খাই খাই
পাঠ – ৩ধূলামন্দির
পাঠ – ৪কবর
পাঠ – ৫মনসামঙ্গল
পাঠ – ৬প্রত্যুপকার
পাঠ – ৭ছুটি
পাঠ – ৮ডাইনী
পাঠ – ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ – ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ – ১১লড়াই
পাঠ – ১২আমরা
পাঠ – ১৩আগামী
পাঠ – ১৪আত্মকথা
পাঠ – ১৫ভারতবর্ষ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top