Class 10 Home Science Chapter 1 খাদ্য এবং পরিপুষ্টি

Join Roy Library Telegram Groups

Class 10 Home Science Chapter 1 খাদ্য এবং পরিপুষ্টি Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. Class 10 Home Science Chapter 1 খাদ্য এবং পরিপুষ্টি Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Elective Home Science Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Bengali Medium Home Science Solutions For Class 10 SEBA. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

Class 10 Home Science Chapter 1 খাদ্য এবং পরিপুষ্টি

Today’s We have Shared in This Post Elective Home Science For Class 10 Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Home Science Question Answer in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Elective Home Science Notes in Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

খাদ্য এবং পরিপুষ্টি

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। খাদ্য কাকে বলে?

উত্তরঃ খাদ্য হলো খাওয়ার উপযোগী গোটা বা তরল দ্রব্য, যেটি খাওয়ার পর হজম এবং শোষণ হয়ে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে। এটি শরীরে তাপ এবং শক্তির যোগান ধরে, কোষ গঠন এবং মেরামতি করে, শরীরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেওয়ার সঙ্গে এর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াসমূহ সুচারুরূপে চলে থাকতে সাহায্য করে।

২। পরিপুষ্টি মানে কী? শরীরে পরিপুষ্টির তাৎপর্য সম্পর্কে লেখো।

উত্তরঃ খাদ্যে থাকা পরিপোষকসমূহ আমাদের শরীরে যে প্রক্রিয়ার দ্বারা ব্যবহার হয়ে শরীরকে সুস্থ হয়ে থাকতে সাহায্য করে, তাকে পরিপুষ্টি বা পুষ্টিসাধন (Nutrition) বলা হয়।

তাৎপর্য/গুরুত্ব: পরিপুষ্টির মাধ্যমে শরীর তাপ এবং শক্তির যোগান ধরে , কোষ গঠন এবং মেরামতি করে , দেহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াসমূহ নিয়ন্ত্রণ করে , এবং রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা দেয়।

৩। পরিপোষক মানে কী?

উত্তরঃ খাদ্যে যে বিভিন্ন প্রকারের পুষ্টিকর উপাদান থাকে, সেই উপাদানগুলিকে পরিপোষক (Nutrient) বলা হয়। এই পরিপোষকসমূহ হলো যথাক্রমে কার্বহাইড্রেট, চর্বি, প্র’টিন, ভিটামিন, খনিজ লবন এবং জল।

৪। অপুষ্টি মানে কী? এই অপুষ্টি কত ধরণের হতে পারে?

উত্তরঃ একজন ব্যক্তির দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সবগুলি পরিপোষক সঠিক পরিমাণে লাভ না করলে বা অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে অপুষ্টি (Malnutrition) বলা হয়।

এই অপুষ্টি প্রধানত দুই ধরণের হতে পারে:

অতিরিক্ত পুষ্টি যেমন: অতিমাত্রা চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে সৃষ্টি হওয়া মেদবহুলতা বা Obesity)।

কম পুষ্টি বা পুষ্টিহীনতা: কম পরিমানের পরিপোষক গ্রহণের ফলে সৃষ্ট।

৫। সুষম আহার মানে কী?

উত্তরঃ যে আহার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পরিপোষক উচিত পরিমাণে যোগান ধরে , শরীরের তাপ এবং শক্তির যোগান ধরে , কোষ গঠন এবং মেরামতি করে , দেহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াসমূহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেয় , সেই আহারকে সুষম আহার (Balanced Diet) বলে।

৬। সুষম আহার রচনাতে সহায় করা খাদ্যের ইউনিটগুলো কী কী?

উত্তরঃ সুষম আহারের পরিকল্পনা করার সুবিধার্থে খাদ্যসমূহ কয়েকটি এককে ভাগ করা হয়েছে। 

সেই এককগুলি হলো:

১। খাদ্যের চারটি একক।

২। খাদ্যের পাঁচটি একক।

৩। খাদ্যের সাতটি একক।

৭। ‘খাদ্যের পাঁচটি একক’ মানে কী বোঝো?

উত্তরঃ ভারতীয় চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (Indian Council of Medical Research) দ্বারা অনুমোদিত তালিকামতে ‘খাদ্যের পাঁচটি একক’ পরিপোষক লাভ করতে সবথেকে বেশি সাহায্য করে। 

এই পাঁচটি একক হলো:

১। শস্য জাতীয় খাদ্য এবং তার থেকে প্রস্তুত করা খাদ্যসমূহ।

২। ডাল এবং দানাশস্যজাতীয় খাদ্য। 

৩। দুধ এবং মাছ-মাংস জাতীয় খাদ্য।

৪। ফলমূল এবং শাক সবজি।

৫। তেল, চর্বি, চিনি এবং গুড়।

৮। সুষম আহার রচনাতে লক্ষ্যণীয় দিকসমূহ কী কী?

উত্তরঃ সুষম আহার রচনা করার সময় লক্ষ্যণীয় দিকসমূহ বা কারকসমূহ হলো:

১। বয়স (Age) 

২। লিঙ্গ (Sex) 

৩। বৃত্তি বা জীবিকা (Occupation) 

৪। উপার্জন বা আয় (Income) 

৫। পরিবারের আকার (Family Size) 

৬। জলবায়ু (Climate) 

৭। কাজ বা পরিশ্রম (Activity) 

৮। শরীরের বিশেষ অবস্থা (Special Condition) – যেমন গর্ভবতী মহিলা, প্রসূতি মা এবং অসুস্থ লোক।

৯। আহার পরিকল্পনা মানে কী?

উত্তরঃ পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির যাতে দৈনিক প্রয়োজনীয় পরিপোষকের পরিমাণ পূর্ণ হয় তার জন্য আহারের যে প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হয়, তাকে আহারের পরিকল্পনা বলা হয়। সহজ অর্থে বলতে গেলে, দিনটির প্রতিবারের আহারে কি কি খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, তার খসাই হলো আহার পরিকল্পনা।

১০। আহার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যসমূহ কী কী?

উত্তরঃ আহার পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ হলো:

১। পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির বয়স এবং বৃত্তি অনুযায়ী পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা পূর্ণ করা।

২। পরিবারের বাজেটে খাদ্যের শিরোনামে ধার্য করা ধনের ঘাটতি না হওয়া।

৩। স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত খাদ্যের উপরে গুরুত্ব দেওয়া।

৪। পরিপোষকের অপচয় না করে উপযুক্ত রন্ধন প্রণালী দ্বারা এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো।

৫। সময় এবং শক্তির সদ্ব্যবহার করে হাতে পাওয়া খাদ্য সামগ্রী দ্বারা পরিবারের সদস্যদের পরিপোষকের প্রয়োজনীয়তা পূর্ণ করা।

১১। আহার পরিকল্পনার নীতিসমূহ কী কী?

উত্তরঃ আহার পরিকল্পনার নীতিসমূহ হলো:

১। পরিপোষকের প্রয়োজনীয়তা পূর্ণ করা।

২। আহারের তালিকাটি পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের প্রয়োজন পূর্ণ করতে পারা হতে হবে।

৩। আহারের পরিকল্পনায় সময় এবং শক্তির লাঘব হতে হবে।

৪। আর্থিকদিকের উপরে গুরুত্ব দিতে হবে।

৫। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।

৬। আহার পরিকল্পনার তালিকায় থাকা খাদ্যে বিভিন্নতা থাকতে হবে।

৭। খাদ্যদ্রব্যের সহজলভ্যতা।

১২। পুষ্টিহীনতা রোগ বলতে কী বোঝো? আমাদের দেহে সচরাচর হওয়া পুষ্টিহীনতা রোগের একটি তালিকা প্রস্তুত করো।

উত্তরঃ আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য যদি সুষম এবং পর্যাপ্ত পরিমাণের না হয়, তাহলে বিভিন্ন পরিপোষকের অভাবের ফলে আমাদের শরীরে রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। এই রোগসমূহকে পুষ্টিহীনতা রোগ (Deficiency diseases) বলা হয়।

সচরাচর হওয়া পুষ্টিহীনতা রোগের তালিকা:

১। রক্তহীনতা (Anaemia) 

২। গয়টার (Goitre) 

৩। স্কার্ভি (Scurvy) 

৪। রিকেট (Rickets) 

৫। বেরি বেরি (Beri-Beri) 

৬। পেলাগ্রা (Pellagra) 

৭। রাতকানা (Nightblindness) 

৮। কেরাট’ম্যালেশিয়া (Keratomalacia) 

৯। কোয়শিয়রকর (Kwashiorkor) 

১০। মারাসমাস (Marasmus) 

১৩। আমাদের দেশে দেখা দেওয়া পুষ্টিহীনতা রোগসমূহের লক্ষণ এবং প্রতিরোধের বিষয়ে লেখো।

উত্তরঃ কয়েকটি প্রধান পুষ্টিহীনতা রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধ নিচে আলোচনা করা হলো:

রক্তহীনতা (Anaemia): 

লক্ষণ: রোগীর ক্লান্ত লাগা, শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট হওয়া, ঘুম ঘুম ভাব আসা, নখের উপরিভাগ চামচের আকৃতি নেওয়া, এবং শরীরের চামড়ায় মলিনতা দেখা দেওয়া।

প্রতিরোধ: খাদ্যে আয়রণ, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি-যুক্ত খাদ্য (যেমন সবুজ শাক, লিভার, ডিম, মাছ-মাংস, আমলকী) অন্তর্ভুক্ত করা।

গয়টার রোগ (Goitre): 

লক্ষণ: গলায় থাকা থাইরয়ড গ্রন্থি ফুলে ওঠা।

প্রতিরোধ: আয়ডিনযুক্ত লবন সেবনের মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

স্কার্ভি (Scurvy): 

লক্ষণ: দাঁতের মাড়ি ফুলে উঠে এবং দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বের হওয়া, শরীরের ওজন হ্রাস পাওয়া, এবং রক্তহীনতা দেখা দেওয়া।

প্রতিরোধ: ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাদ্য, যেমন- টক ফল-মূল (কমলা, লেবু, আঙুর), আমলকী, পেয়ারা ইত্যাদি আহারে অন্তর্ভুক্ত করা।

রিকেট (Rickets): 

লক্ষণ: বুকের পাঁজর সন্মুখের দিকে বেরিয়ে আসা, পাদুটো ধনুকের মতো বেঁকে যাওয়া, দাঁত নির্দিষ্ট সময় থেকে দেরী করে গজানো।

প্রতিরোধ: দুধ, ডিম, লিভার এবং সুষম আহারের যোগান ধরা উচিত, এবং শিশুকে রোদে শুইয়ে রাখলেও শরীরের ভিটামিন ‘ডি’-র গঠনে সহায় করে।

১৪। প্র’টিন ক্যালরি পুষ্টিহীনতা রোগের বিষয়ে আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্র’টিন-ক্যালরির অপুষ্টি আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যারূপে দেখা দিয়েছে। ১-৫ বছর বয়সের শিশুর মাঝে প্র’টিন এবং ক্যালরির অভাব হলে প্রধানতঃ দুই ধরণের রোগ হয়: কোয়াশিয়রকর এবং মারাসমাস।

কোয়াশিয়রকর: মায়ের দুধ ছাড়ানোর পর সঠিক পুষ্টিকর ভারী আহার খেতে না পেলে এই রোগ দেখা দেয়। লক্ষণগুলি হলো: শিশুর বেড়ে না উঠা, হাত-পা, মুখ, পেট ফুলে ওঠা, চুল বিবর্ণ হয়ে ঝড়ে পড়া, এবং চামড়া শুষ্ক ও মলিন হওয়া।

মারাসমাস: এটি সাধারণতঃ একবছর বয়সের ভিতরে দরিদ্র শিশুদের হয়। শিশু ক্রমশঃ প্র’টিন ও ক্যালরির অভাবে ভোগে। প্রধান লক্ষণগুলি হলো: শিশু অতি ক্ষীণ হয়ে হাড়ে-চামড়ায় লাগানো রূপ হয়, চোখ কোটরে ঢুকে যায়, এবং খিটখিটে স্বভাবের হয়।

Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Home Science Bengali Medium Solutions. Click on the required chapter title to start your preparation today:

Sl. No.Contents
Chapter – 1খাদ্য এবং পরিপুষ্টি
Chapter – 2শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন
Chapter – 3পোশাক পরিচ্ছদ এবং বস্ত্র
Chapter – 4গৃহ পরিচালনা
Chapter – 5উদ্যোমিতার গুরুত্ব

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top