Class 10 Home Science Chapter 2 শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. Class 10 Home Science Chapter 2 শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Elective Home Science Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Bengali Medium Home Science Solutions For Class 10 SEBA. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
Class 10 Home Science Chapter 2 শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন
Today’s We have Shared in This Post Elective Home Science For Class 10 Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Home Science Question Answer in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Elective Home Science Notes in Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
১। মানব জীবন কিভাবে আরম্ভ হয়?
উত্তরঃ ‘গর্ভধারণ’, ডিম্বাণু এবং শুক্রানুর মিলনের ফলে যৌগকোষ (Zygote) সৃষ্টি হওয়া একটি প্রক্রিয়া। এই যৌগকোষ বিভাজনের ফলে একটি কোষ পুঞ্জে রূপান্তরিত হয়ে মানব শিশুতে পরিণত হয়, এবং এইভাবেই মানব জীবনের অঙ্কুরণ হতে পারে।
২। গর্ভধারণ মানে কি বুঝ?
উত্তরঃ গর্ভধারণ হলো ডিম্বাণু এবং শুক্রানুর মিলনের ফলে যৌগকোষ সৃষ্টি হওয়া একটি প্রক্রিয়া। একজন মহিলা গর্ভধারণ করলে তার গর্ভস্থ সন্তানের প্রসবের সময় পর্যন্ত মাসিক ঋতুস্রাব বন্ধ থাকে।
৩। প্রাক্-প্রসুতি কালের অর্থ কি?
উত্তরঃ মাতৃগর্ভে অঙ্কুরণ হওয়ার সময় থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় পর্যন্ত এই সময়টুকুকে প্রাক্-প্রসুতি কাল বলে। এটি হলো জন্মের আগের সময়কাল অথবা মাতৃগর্ভে বিকাশ হওয়া সময়।
৪। প্রাক্-প্রসুতি কালের স্তরগুলি বর্ণনা কর।
উত্তরঃ প্রাক্-প্রসুতি কালকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
ডিম্বের কাল: অঙ্কুরিত মানব জীবনের প্রথম দুটি সপ্তাহ অর্থাৎ যৌগকোষ হয়ে সৃষ্ট হওয়া থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত এই কাল স্থায়ী হয়। এই সময়ে কোষ বিভাজন হয় এবং কোষ পুঞ্জের ভিতরে থাকা কুসুমের পরিপোষকের সাহায্যে জীবন ধারণ করে।
ভ্রূণের কাল (প্রথম পর্যায়): এই কাল আট সপ্তাহ মতো থাকে। এই সময়ে কোষ পুঞ্জ জরায়ুতে স্থায়িত্ব নেয় এবং ক্রমান্বয়ে মানবদেহের আকৃতি গঠন হতে শুরু করে। হৃদপিণ্ডের স্পন্দন আরম্ভ হয়, অভ্যন্তরের অঙ্গসমূহ এবং বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যসমূহ যেমন- নাক, চোখের কোটর আদির গঠন আরম্ভ হয়।
ভ্রূণের কাল (দ্বিতীয় পর্যায়): অষ্টম সপ্তাহ থেকে জন্মপর্যন্ত এই স্তর থাকে। এই স্তরে গঠন হতে আরম্ভ করা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ বিকাশ হতে আরম্ভ করে। হাড়ের যথাযথ বৃদ্ধি হওয়ার সঙ্গে মাংসপেশীর বিকাশ হয় এবং দাঁতের গঠনও মাড়ির মধ্য দিয়ে আরম্ভ হয়। গর্ভের সন্তানের চালনা মাতৃ এই স্তরেই অনুভব করে।
৫। গর্ভাবস্থায় কি কি বিপদ হতে পারে?
উত্তরঃ প্রাক্-প্রসুতি কালের প্রতিটি সময়েই বিপদ হতে পারে:
ডিম্বের পর্যায়কালে: খাদ্যের অভাবে ডিম্বটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। প্রজনন অঙ্গের দোষ থাকলে যৌগ কোষটি জরায়ুর বেড়া ধরে রাখতে না পারার ফলে পিছলে গিয়ে ডিম্বের বিনাশ হতে পারে। মহিলা মানসিক আঘাতে ভুগলে এরূপ বিপদ হতে পারে।
ভ্রূণের ১ম পর্যায়ে: মায়ের শরীরে ভিটামিন, প্র’টিন আদি গুণের অভাবে ডিম্বের বিনাশ হয়। এই সময়ে মাসিক ঋতুস্রাব বন্ধ না হলে ডিম্বটি জরায়ু থেকে পিছলে এসে নষ্ট হতে পারে।
ভ্রূণের দ্বিতীয় পর্যায়ে: অত্যন্ত রাগ উঠলে, বেশি আঘাত পেলে, মানসিক অশান্তিতে ভুগলে শিশুর হৃদপিণ্ডের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হতে পারে। মায়ের রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলেও গর্ভস্থ শিশুর বিপদ হতে পারে। এনিমিয়া হলে রক্তের অভাবে শিশুর মৃত্যু হয়। বহুমূত্র রোগ থাকলে শিশুর ওজন বাড়ে এবং নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু হতে পারে।
৬। শিশুর জন্মের আগে কি ধরণের প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়?
উত্তরঃ শিশু নিরাপদে ভূমিষ্ঠ হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রস্তুতিগুলি নেওয়া প্রয়োজন:
মানসিক প্রস্তুতি: সন্তানের পিতা-মাতাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।
সরঞ্জাম প্রস্তুতি: কয়েক জোড়া তুলার কাপড়, কাঁথা, নেপকিন, তোয়ালে, কোমল কাপড়, ঠাণ্ডাদিন হলে গরম কাপড়, সোয়েটার ইত্যাদি আগে থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই সকল জিনিসগুলি আগে থেকে গরম জলে বিশোধিত ও ইস্ত্রি করে রাখতে পারলে ভাল হয়।
খাবারের পাত্র: এলুমিনিয়ামের গামলা, মগ, চামচ, গ্লাস, বাটি ইত্যাদি ব্যবহারের আগে গরম জলে ধুয়ে শুকিয়ে রাখতে হয়।
প্রসবের ব্যবস্থা: অভিজ্ঞ ধাই বা নার্সের দ্বারা ডাক্তারের সাহায্যে সন্তান ভূমিষ্ঠ করতে হয়। যদি শিশুর অবস্থান জটিল হয়, তাহলে পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা থাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রই এর জন্য উপযুক্ত।
ঘরে প্রসবের প্রস্তুতি (যদি করা হয়): বিশোধন করা সুতা, ব্লেড এবং কেঁচী এবং গরম জল প্রস্তুত রাখতে হবে।
৭। শিশুর যত্ন কিভাবে নিতে হয়?
উত্তরঃ শিশুর প্রতি প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন যত্নের মধ্যে রয়েছে:
আহার: জন্মের পর মায়ের দুধই শিশুর উত্তম আহার। ছয় মাসের পর থেকে শিশুকে ফলের রস, সবজির সুপ এবং কোমল চাউল গুড়ো লেই করে খাওয়াতে পারে। ডিম ৮ মাস বয়সের পর থেকে খাওয়ানো আরম্ভ করতে পারে। শিশুকে যথেষ্ট জল এবং ফলের রস পর্যাপ্ত পরিমাণে দিতে হয়।
স্নান: সকালে ১০টার আগে শিশুকে স্নান করাতে হয়, কখনও খাওয়ানোর পর স্নান করাতে হয় না। স্নানের ঘর গরম থাকা দরকার এবং জল উষ্ণ গরম হওয়া দরকার ও কোমল সাবান ব্যবহার করতে হয়। স্নান করানোর আগে বা পরে তেল মালিশ করতে পারেন।
নিদ্রা এবং বিশ্রাম: আহারের পর ঘুমানো এবং সময়মত বিছানায় ওঠা অভ্যাস করার জন্য শিশুর প্রতি যত্ন নিতে হবে। কারও সঙ্গ ছাড়াই একা বিছানায় উঠে শোওয়ার অভ্যাস করতে হয়।
মল-মূত্র ত্যাগ করার অভ্যাস: সাধারণতঃ শিশুর অভ্যাস গঠনের জন্য সাত মাস থেকে ন মাস উপযুক্ত সময়। পিতা-মাতার দায়িত্ব তাকে ভালভাবে নিয়ম শিখিয়ে দেওয়া।
৮। ‘সু-স্বাস্থ্যের জন্য সময়মত মলত্যাগ করতে হয়।’ এই উক্তি তুমি মেনে নিবে কি? যদি নাও, সময়মত মলমূত্র ত্যাগের অভ্যাস কিভাবে করতে হয় লেখ।
উত্তরঃ উক্তিটি মেনে নেওয়া: হ্যাঁ, এই উক্তিটি মেনে নেওয়া যায়। দৈনন্দিন যত্নের দ্বারা শিশুর সুঅভ্যাসও তৈরী হয়। সময়মত মলমূত্র ত্যাগ করার অভ্যাস গঠন শিশুকালে হ’লে নিয়মানুবর্তিতাও শিখতে পারে।
অভ্যাস করানোর পদ্ধতি:
উপযুক্ত সময়: সাধারণতঃ শিশুর অভ্যাস গঠনের জন্য সাত মাস থেকে ন মাস উপযুক্ত সময়।
স্থানের অভ্যাস: দেড় বছর বয়সের শিশু নিজের মল-মূত্রের প্রতি সজাগ হয়। তখন থেকে শিশুকে প্রকৃত স্থানে বসানোর অভ্যাস করতে হয়। প্রথম অভ্যাস করানোর সময় শিশুকে পাত্রর (পটি) উপরে বসানোই ভাল।
সময় নির্ধারণ: ঠিক সকালের আহার খাওয়ার পর মলত্যাগের অভ্যাস করাতে পারলে ভাল।
শাসনের পরিহার: কঠোরভাবে শাসন করে শিশুকে পাত্রতে (পটিতে) বসানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। ব্যর্থকার্য দেখা দিলে ভয় দেখালে তার দ্বারা শিশুর ব্যক্তিত্বের বিকাশে প্রভাব ফেলে।
লজ্জা না দেওয়া: অকস্মাৎ কাপড় চোপড় নোংরা করলে শিশুকে কখনও লজ্জা দিতে হয় না।
৯। অনাক্রম্যতা শিশুকে রোগ থেকে কিভাবে রক্ষা করে?
উত্তরঃ অনাক্রম্যতা হলো শরীরকে রোগ প্রতিরোধ করতে পারা এক বিশেষ শক্তি। সাধারণত, জন্মের সময় রোগ প্রতিরোধ করার মতো ক্ষমতা শিশুর শরীরে প্রায় থাকে না। এই দুর্বলতা দূর করার জন্য, শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে টীকা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। এটি অর্জিত অনাক্রম্যতার ক্ষেত্রে কার্যকর, যেখানে টীকার দ্বারা রোগের বীজাণু (নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল আকারে) দেহে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলস্বরূপ, শিশু নিজেকে রোগমুক্ত করে রাখার শক্তি লাভ করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগগুলি রোধ করে শিশু স্বাস্থ্য রক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারও বিভিন্ন বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
১০। মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা কি?
উত্তরঃ মাতৃদুগ্ধের উপকারিতাসমূহ হলো:
(i) মার দুধ বিশুদ্ধ এবং এটিতে প্রয়োজনীয় খাদ্যগুণসমূহ উপযুক্ত পরিমাণে থাকে।
(ii) এটি টাকা সঞ্চয় করায় এবং সময় বাঁচায়।
(iii) প্রথম দুধ কল’স্ট্রাম খাওয়ার ফলে শিশু রোগ প্রতিরোধ করার শক্তি পায়।
(iv) মাতৃ দুগ্ধ পান করা শিশু সর্বদা নিরাপত্তা অনুভব করে।
(v) স্তনপান করানোর সময় মা একটি মানসিক তৃপ্তি লাভ করে এবং জরায়ুর পেশীসমূহ সংকুচিত হওয়ায় জরায়ু পূর্বের আকারে আসে।
(vi) শিশুর সঙ্গে মার একটি নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে।
(vii) শিশুকে স্তনপাণ করালে মার স্তন বা জরায়ুর কেন্সার রোগের সম্ভাবনা কম থাকে।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Home Science Bengali Medium Solutions. Click on the required chapter title to start your preparation today:
| Sl. No. | Contents |
| Chapter – 1 | খাদ্য এবং পরিপুষ্টি |
| Chapter – 2 | শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন |
| Chapter – 3 | পোশাক পরিচ্ছদ এবং বস্ত্র |
| Chapter – 4 | গৃহ পরিচালনা |
| Chapter – 5 | উদ্যোমিতার গুরুত্ব |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

