Class 10 Home Science Chapter 4 গৃহ পরিচালনা Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. Class 10 Home Science Chapter 4 গৃহ পরিচালনা Solutions is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Elective Home Science Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Home Science Chapter 4 গৃহ পরিচালনা Notes. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
Class 10 Home Science Chapter 4 গৃহ পরিচালনা
Today’s We have Shared in This Post Class 10 Elective Home Science Chapter 4 গৃহ পরিচালনা. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Home Science Question Answer in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Elective Home Science Notes in Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
গৃহ পরিচালনা
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
| প্রশ্নমালাঃ ১.১ |
(১) ডিজাইনের মূলনীতিসমূহের বিষয়ে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ ডিজাইনকে আকর্ষণীয় ও কার্যক্ষম করে তোলার জন্য কিছু মৌলিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়, এগুলিকেই ডিজাইনের মূলনীতি বলা হয়।
এই মূলনীতিগুলি হলো—
(i) সমানুপাত।
(ii) সমতা।
(iii) ছন্দ।
(iv) প্রাধান্য। এবং
(v) সমন্বয়।
(i) সমানুপাত (Proportion): সমানুপাত হলো দুটি বা ততোধিক বস্তুর আকার, আকৃতি, রঙ, আলো কিংবা নকশার মধ্যে সঠিক সম্পর্ক ও সামঞ্জস্য বজায় রাখার নীতি। গৃহসজ্জায় সমানুপাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে কক্ষে থাকা সামগ্রী ও কক্ষের আকার-আয়তনের মধ্যে ভারসাম্য সৃষ্টি হয়। ছোট ঘরে বড় আসবাব রাখা বা ছোট ফুলদানিতে অতিরিক্ত ফুল সাজালে সমানুপাত নষ্ট হয় এবং সজ্জায় অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। তাই কক্ষের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা ও নকশার সঙ্গে মিল রেখে উপযুক্ত আকারের সামগ্রী ব্যবহার করাই সমানুপাতের মূল উদ্দেশ্য।
(ii) সমতা (Balance): সমতা হলো একটি কক্ষ বা কোঠায় থাকা বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি। গৃহসজ্জায় যদি সামগ্রীর মধ্যে সমতা না থাকে, তবে সামগ্রী যতই আকর্ষণীয় হোক—সজ্জার সৌন্দর্য ফুটে ওঠে না। সাধারণত একটি কেন্দ্রবিন্দুর দুই পাশে সামগ্রী এমনভাবে সাজানো হয় যাতে পুরো কক্ষে সমন্বয় ও ভারসাম্য বজায় থাকে। সমতা স্থাপনের ক্ষেত্রে একই আকার বা ওজনের সামগ্রী ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক নয়; কেন্দ্রের একদিকে ভারী সামগ্রী এবং অন্যদিকে হালকা সামগ্রী দিয়েও সুন্দর ভারসাম্য সৃষ্টি করা যায়। কোঠার আকার, আয়তন ও উচ্চতা অনুযায়ী সামগ্রী সাজানোই সমতা রক্ষার মূল কৌশল।
গৃহসজ্জায় সমতা দু’ধরনের হয়—
(ক) প্রত্যক্ষ সমতা (Formal Balance)
(খ) অপ্রত্যক্ষ সমতা (Informal Balance)
(ক) প্রত্যক্ষ সমতা (Formal Balance): প্রত্যক্ষ সমতা হলো কেন্দ্রবিন্দুর দু’দিকে সমদূরত্বে একই ধরনের বা সমান গুরুত্বের সামগ্রী রেখে ভারসাম্য তৈরি করা। এই সমতা সহজে করা যায়। যেমন—একটি টেবিলের দুই পাশে একই ধরনের দুটি ফুলের টব বা দুটি চেয়ার রাখা।
(খ) অপ্রত্যক্ষ সমতা (Informal Balance): অপ্রত্যক্ষ সমতা হলো এমন সমতা, যেখানে কেন্দ্রের কাছে ভারী সামগ্রী এবং দূরে হালকা বা ছোট সামগ্রী রেখে ভারসাম্য তৈরি করা হয়। এখানে একই ধরনের বা সমদূরত্বে সামগ্রী রাখা জরুরি নয়। এই সমতা বজায় রাখতে সৃজনশীলতা, কৌশল ও কলাত্মক অনুভূতি প্রয়োজন।
(iii) ছন্দ (Rhythm): ছন্দ হলো গৃহসজ্জায় বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে গতি ও প্রবাহ সৃষ্টি করার নীতি। সঙ্গীতের মতো এখানে তাল–মান নেই, তবে রেখা, রঙ, আকৃতি ও আকারের পুনরাবৃত্তি এবং ক্রমোন্নতির মাধ্যমে ছন্দ অনুভব করা যায়। আসবাবপত্রের বিন্যাস, রঙের ব্যবহার এবং দেয়ালে ছবি ঝোলানোর মধ্যেও এই ছন্দের সমন্বয় বজায় রাখতে হয়।
(iv) প্রাধান্য (Emphasis): প্রাধান্য হলো গৃহসজ্জায় এমন একটি নীতি, যার মাধ্যমে কক্ষের সাজানো সামগ্রীর মধ্যে বিশেষ কোনো বস্তুকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণের কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। প্রাধান্য না থাকলে সজ্জায় প্রাণহীনতা দেখা দেয়। এজন্য ঘরে একটি আকর্ষণকেন্দ্র (focal point) তৈরি করা প্রয়োজন।
প্রাধান্য স্থাপনের উপায়ঃ
(ক) আগে থেকেই পরিকল্পনা করে কোন বস্তুটিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করা।
(খ) উপযুক্ত স্থানে সেই বস্তুটি এমনভাবে রাখা যাতে সহজে নজরে আসে।
(গ) ছোট ছোট বস্তু একসাথে সাজিয়ে আকর্ষণ তৈরি করা।
(ঘ) বৈসাদৃশ্য বা বিপরীত রঙ ব্যবহার করা।
(ঙ) শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বস্তু সাজানো।
(চ) রেখা, আকার বা কোনো বিশেষ অংশকে তুলে ধরে গুরুত্ব দেওয়া।
(v) সমন্বয় (Harmony): সমন্বয় হলো গৃহসজ্জায় বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে ঐক্য বা মিল বজায় রাখা। এর মাধ্যমে কোঠা সুন্দর ও আকর্ষণীয় দেখায়। সমন্বয় স্থাপন হয় বস্তুর আকার, রেখা, রঙ, টেক্সচার এবং ভাব-ভাবনার মাধ্যমে। কোঠার আকার, আয়তন ও রঙ অনুযায়ী আসবাব, কার্পেট, পর্দা ইত্যাদির মধ্যে সমন্বয় রাখতে হয়।
সমন্বয়ের প্রধান দিকঃ
(১) রেখা এবং আকৃতি।
(২) আকার।
(৩) টেক্সার।
(৪) রঙ। এবং
(৫) চিন্তা-ভাব ধারণা (idea) ইত্যাদি।
(২) প্রত্যক্ষ সমতা এবং অপ্রত্যক্ষ সমতার মাঝে থাকা পার্থক্যসমূহ কী কী?
উত্তরঃ প্রত্যক্ষ সমতা এবং অপ্রত্যক্ষ সমতার পার্থক্যগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো―
| বিষয় | প্রত্যক্ষ সমতা (Formal Balance) | অপ্রত্যক্ষ সমতা (Informal Balance) |
| সংজ্ঞা | কেন্দ্রবিন্দুর দু’দিকে সমদূরত্বে একই ধরনের বা সমান গুরুত্বের সামগ্রী রেখে ভারসাম্য তৈরি করা। | কেন্দ্রের কাছে ভারী সামগ্রী ও দূরে হালকা বা ছোট সামগ্রী রেখে ভারসাম্য তৈরি করা। |
| সামগ্রীর ধরন | একই ধরনের বা সমান গুরুত্বের সামগ্রী ব্যবহার। | একই ধরনের বা সমদূরত্বে সামগ্রী থাকা বাধ্যতামূলক নয়। |
| সমতা বজায় রাখার কৌশল | সহজ এবং সরল, বিশেষ কৌশল প্রয়োজন হয় না। | সৃজনশীলতা, কৌশল ও কলাত্মক অনুভূতি প্রয়োজন। |
| উদাহরণ | টেবিলের দু’পাশে সমান ধরনের ফুলের টব বা দুটি চেয়ার রাখা। | ভারী বই বা আলংকারিক বস্তু কেন্দ্রের কাছে ও হালকা সামগ্রী দূরে রাখা। |
(৩) গৃহসজ্জাতে প্রাধান্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয় কেন? প্রাধান্য স্ব করতে হলে কী কী বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন?
উত্তরঃ গৃহসজ্জায় প্রাধান্য (Emphasis) দেওয়া হয় যাতে কক্ষে সাজানো বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে বিশেষ কোনো বস্তু সহজে দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং কোঠার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। প্রাধান্য না থাকলে সজ্জা নিস্তেজ এবং অমনোগ্রাহী হয়ে যায়।
প্রাধান্য স্থাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
(ক) আগে পরিকল্পনা করে কোন বস্তুতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করা।
(খ) বস্তুটি এমন স্থানে রাখা যাতে সহজে নজরে আসে।
(গ) ছোট সামগ্রী একত্রে সাজিয়ে আকর্ষণ তৈরি করা।
(ঘ) বৈসাদৃশ্য বা বিপরীত রঙ ব্যবহার করা।
(ঙ) শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বস্তু সাজানো।
(চ) রেখা, আকার বা বস্তুটির বিশেষ অংশকে গুরুত্ব দেওয়া।
(৪) সমন্বয়ের দিকগুলি কী কী? সেগুলির নাম উল্লেখ করো।
উত্তরঃ সমন্বয় বা সঙ্গতি (Harmony) হলো ডিজাইনের মূলনীতিগুলির মধ্যে অন্যতম, যা নকশার বিভিন্ন উপাদানকে এমনভাবে একত্রিত করে যাতে তারা একে অপরের সঙ্গে মিশে গিয়ে একটি অখণ্ড, যুক্তিসঙ্গত এবং নান্দনিকভাবে আনন্দদায়ক সম্পূর্ণতা তৈরি করে। এটি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি উপাদানই সম্পূর্ণ সজ্জার উদ্দেশ্য পূরণে সহায়তা করে।
সমন্বয়ে পাঁচটি দিক হলো―
(১) রেখা এবং আকৃতি।
(২) আকার।
(৩) টেক্সার।
(৪) রঙ। এবং
(৫) চিন্তা-ভাব ধারণা (idea) ইত্যাদি।
এই দিকগুলির মাঝে ঐক্য স্থাপন করে সমন্বয় ঘটানো যায়।
(৫) একটি অতি ছোট এবং সংকীর্ণ কোঠাতে যদি বড় আসবাব-পত্র বিন্যাস করা হয় তাহলে কোঠার সঙ্গে সঙ্গতি স্থাপন হবে কি? ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ একটি অতি ছোট এবং সংকীর্ণ কোঠাতে বড় আকারের আসবাব-পত্র বসালে কোঠার সঙ্গে সঙ্গতি স্থাপন করা সম্ভব নয়। গৃহসজ্জায় সমানুপাত (Proportion) একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এর মানে হলো কক্ষের আকার, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতার সঙ্গে কক্ষে রাখা আসবাব বা অন্যান্য সামগ্রীর আকার ও আয়তনের সঠিক সম্পর্ক রাখা।
যদি ছোট কোঠায় বড় আসবাব রাখা হয়—
(ক) কোঠা ছোট এবং সংকীর্ণ হওয়ায় আসবাব অতিরিক্ত স্থান দখল করে।
(খ) সমানুপাত নষ্ট হয়, অর্থাৎ কক্ষ ও আসবাবের মধ্যে ভারসাম্য থাকে না।
(গ) কক্ষটি অস্বাভাবিক, অসুবিধাজনক এবং অকমফোর্টেবল মনে হয়।
(ঘ) সমন্বয় ও সমতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে যায়, ফলে কোঠার সৌন্দর্য কমে যায়।
উদাহরণ: ছোট ফুলদানি বা টেবিলে খুব বেশি বড় ফুল সাজালে ফুল ও ফুলদানির মধ্যে সঠিক সমানুপাত থাকে না। ঠিক একইভাবে ছোট কক্ষে বড় আসবাব-পত্র রাখলে কক্ষের আকার ও আসবাবের মধ্যে সম্পর্ক বিঘ্নিত হয়।
সুতরাং, গৃহসজ্জায় কোঠার আকার অনুযায়ী উপযুক্ত আকারের আসবাব-পত্র নির্বাচন করাই সঠিক সমানুপাত, সমতা এবং সমন্বয় রক্ষার মূল চাবিকাঠি।
| প্রশ্নমালাঃ ১.২ |
১। প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক রঙগুলির নাম লেখো।
উত্তরঃ প্রাথমিক বা মূল রঙঃ লাল, নীল এবং হলুদ এই তিনটি রঙকে মূল বা প্রাথমিক রঙ বলা হয়। কারণ এই তিনটি রঙ অন্য কোন রঙের সংমিশ্রণে উৎপত্তি হয়নি। এই রঙগুলি বিভিন্ন অনুপাতে সংমিশ্রণের ফলে অন্য কয়েকটি রঙের সৃষ্টি হয়েছে।

মাধ্যমিক বা গৌণ রঙঃ যখন দুটি প্রাথমিক বা মূল রঙ একই পরিমাণে মিশ্রিত করা হয়, তখনই মাধ্যমিক বা গৌণরঙের উৎপত্তি হয়। প্রাথমিক রঙের পরস্পরের সংমিশ্রণের ফলে কেবল তিনটি মাধ্যমিক রঙের উৎপত্তি হতে পারে।
যেমন- কমলা, সবুজ এবং বেগুনী।

২। ঘরের বিভিন্ন কোঠার জন্য পরিকল্পনা করার সময় কোন কোন দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত?
উত্তরঃ ঘরের বিভিন্ন কোঠা পরিকল্পনা করার সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।
প্রথমত, প্রতিটি কোঠার ব্যবহার ও উদ্দেশ্য আলাদা—বসার কোঠা আলো–আলোচনা ও অতিথি গ্রহণের জন্য, শোওয়ার কোঠা বিশ্রামের জন্য, আর খাওয়ার কোঠা পারিবারিক আহারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই প্রতিটি কোঠার পরিকল্পনা তার ব্যবহার অনুযায়ী করতে হয়।
দ্বিতীয়ত, রঙ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। শান্ত ও হালকা রং যেমন সাদা, ফিকে নীল, সবুজ, মাখন রং ইত্যাদি ঘরকে প্রশান্ত করে, আর বসার ঘরের মতো স্থানে সবুজ, নীল, বাদামি বা কমলা রঙ ব্যবহার করা ঘরকে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
এছাড়া আলোর ব্যবস্থা ও বায়ু চলাচলও গুরুত্বপূর্ণ দিক। পর্যাপ্ত আলো–বাতাস ঘরকে আরামদায়ক, স্বাস্থ্যকর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ প্রদান করে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উপযুক্ত আসবাব ও সজ্জা নির্বাচন। ঘরের আকার অনুযায়ী পরিমিত আসবাব, পর্দা, কার্পেট, ছবি ও শোপিস ব্যবহার করলে ঘর সুশৃঙ্খল ও সুন্দর দেখায়। সবশেষে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। পরিচ্ছন্নতা ঘরের সৌন্দর্য, আরাম ও বাসযোগ্যতা বজায় রাখে।
সুতরাং, কোঠার ব্যবহার, রঙ নির্বাচন, আলো–বাতাস, আসবাব–সজ্জা, ঘরের আকার এবং পরিচ্ছন্নতা—এই দিকগুলো বিবেচনা করেই ঘরের সঠিক পরিকল্পনা করা উচিত।
৩। রঙ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোঠার আকার এবং আকৃতির উপরে কেন গুরুত্ব দেওয়া হয়?
উত্তরঃ ঘরের মাপ ছোট হলে হালকা রঙ ব্যবহার করলে ঘরটি বড় এবং প্রশস্ত দেখায়, আর ঘর বড় হলে গাঢ় রঙ ব্যবহার করলে ঘরটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সুন্দর দেখায়।
হালকা রঙ যেমন সাদা, ফিকে নীল, ফিকে সবুজ ইত্যাদি আলো প্রতিফলিত করে ঘরকে উজ্জ্বল ও প্রশস্ত করে। অন্যদিকে গাঢ় রঙ আলো শোষণ করে ঘরকে তুলনামূলক ছোট ও সংহত দেখায়। কোঠার আকৃতিও রঙের প্রয়োগে প্রভাব ফেলে—লম্বা কোঠা বা অনিয়মিত আকারের ঘরে উপযুক্ত রঙ ব্যবহার করলে আকৃতি দেখায় সুষম ও মনোরম হয়।
এছাড়া রঙ ঘরের পরিবেশ তৈরি করে। সঠিক রঙ–প্রয়োগ কোঠার ব্যবহার অনুযায়ী শান্ত, আরামদায়ক বা প্রাণবন্ত পরিবেশও সৃষ্টি করতে পারে। তাই ঘরের আকার–আকৃতি অনুযায়ী রঙের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪। একরঙ বা এক বর্ণ পরিকল্পনা মানে কি?
উত্তরঃ একরঙ বা এক বর্ণ পরিকল্পনা বলতে বোঝায়— ঘর সাজানোর সময় একটি মাত্র রঙকেই ভিত্তি হিসেবে নেওয়া এবং সেই একই রঙের হালকা–গাঢ়, উজ্জ্বল–মলিন, অথবা বিভিন্ন শেড ও টিন্ট ব্যবহার করে পুরো ঘরের সজ্জা তৈরি করা। এই পরিকল্পনায় দেওয়াল, পর্দা, বিছানার চাদর, কুশন, কার্পেট এবং আসবাবের রঙ—সবকিছুর মধ্যে একটি রঙের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। ফলে ঘরের মধ্যে চমৎকার সামঞ্জস্য, একতা, ও শান্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। একই রঙের বিভিন্ন মাত্রা ব্যবহার করলে ঘর দেখতে সুশৃঙ্খল, পরিপাটি, এবং অভিজাত লাগে। যেমন—নীলের বিভিন্ন শেড (ফিকে নীল, আকাশী নীল, গাঢ় নীল) বা সবুজের বিভিন্ন শেড (ফিকে সবুজ, পাতাল সবুজ, গাঢ় সবুজ) ব্যবহার করে সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা যায়। সংক্ষেপে, একটি রঙকে কেন্দ্র করে তার বিভিন্ন রূপ দিয়ে ঘর সাজানোই হলো একরঙ বা এক বর্ণ পরিকল্পনার মূল ধারণা।
যদি আপনি এর থেকে বেশি প্রশ্নের উত্তর চান তাহলে নীচের Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Home Science Bengali Medium Solutions. Click on the required chapter title to start your preparation today:
| Sl. No. | Contents |
| Chapter – 1 | খাদ্য এবং পরিপুষ্টি |
| Chapter – 2 | শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন |
| Chapter – 3 | পোশাক পরিচ্ছদ এবং বস্ত্র |
| Chapter – 4 | গৃহ পরিচালনা |
| Chapter – 5 | উদ্যোমিতার গুরুত্ব |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

