Class 10 Home Science Chapter 5 উদ্যোমিতার গুরুত্ব

Join Roy Library Telegram Groups

Class 10 Home Science Chapter 5 উদ্যোমিতার গুরুত্ব Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. Class 10 Home Science Chapter 5 উদ্যোমিতার গুরুত্ব Solutions is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Elective Home Science Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Home Science Chapter 5 উদ্যোমিতার গুরুত্ব Notes. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

Class 10 Home Science Chapter 5 উদ্যোমিতার গুরুত্ব

Today’s We have Shared in This Post Class 10 Elective Home Science Chapter 4 গৃহ পরিচালনা. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Home Science Question Answer in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Elective Home Science Notes in Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

উদ্যোমিতার গুরুত্ব

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। উদ্যমিতা বলতে কি বোঝ লেখো।

উত্তরঃ উদ্যমিতা বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায় যাতে একজন ব্যক্তি উপভোক্তার প্রয়োজন পূরণ করার পাশাপাশি লাভ করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ের পরিকল্পনা গ্রহণ, উন্মোচন এবং অভিনবত্বের সাথে পরিচালনা করে। উৎপাদন ও সেবার ঘাটতি বা শূন্যতাকে উপলব্ধি করে যে ব্যক্তি নিজের ঝুঁকি নিয়ে তা পূরণের প্রত্যাহ্বান গ্রহণ করে এবং স্বনিয়োজিতভাবে একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করে তাকেই উদ্যমী বা উদ্যোক্তা বলা হয়।

২। রাষ্ট্র নির্মাণের ক্ষেত্রে উদ্যমিতা কি ধরণের ভুমিকা গ্রহণ করে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ ৰাষ্ট্র নির্মাণের উদ্দেশ্য উদ্যমিতা বা উদ্যোগ মুখিতার ভূমিকা যে অতি গুরুত্বপূর্ণ সেই দিকগুলির বিষয়ে নীচে আলোচনা করা হ’ল।

(i) নিয়োগ সৃষ্টিঃ একজন প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা অন্য একজন ব্যক্তিকে উদ্যোগমুখী করা ছাড়াও দেশের মানুষের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়োগের উৎস হিসাবে কাজ করে। সেইজন্য উদ্যোগমুখী উন্নয়নকে ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়কে উৎসাহিত করে নিয়োগ সৃষ্টির মাধ্যম হিসাবে গণ্য করা হয়। যেহেতু ভারতবর্ষ অন্যান্য উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলি থেকে এগিয়ে আছে, তাই উদ্যোগমুখী উন্নয়নমূলক কাজগুলির নেতৃত্ব নিতে পারে। সেইজন্য নতুন উদ্যোগসমূহকে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করার জন্য স্টার্ট আপ ইণ্ডিয়া প্রকল্প ইতিমধ্যে উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে।

(ii) সম্পদ সৃষ্টি এবং ভাগীদারঃ উদ্যোগী ব্যক্তিরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করে নিজের মূলধন বিনিয়োগ করার সাথে অন্য বিনিয়োগের সুবিধা সৃষ্টি করে। এইভাবে যে সম্পদগুলি জনসাধারণ দ্বারা অবহেলিত সেই সম্পদ গুলি গতিশীল করে উদ্যোক্তার সফলতা লাভকরে এবং এগুলি জনগণকে উপকৃত করে। এই ধরণের সংগৃহীত মূলধন সম্পদ সৃষ্টি এবং বিতরণের পথ প্রশস্ত করে অর্থনৈতিক উন্নয়ণের এটি একটি মৌলিক উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য।

(iii) সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ণঃ উদ্যোগী ব্যক্তির পিছিয়ে থাকা বা গ্রাম্য অঞ্চলে ব্যবসা করতে আগ্রহী থাকে। তারা স্থানীয় সম্পদের সৎব্যবহার করার উপরিও পরিকাঠামোমূলক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে। এই পরিকাঠামো মূলক উন্নয়নের ফলে এই অঞ্চলগুলির রাস্তা-ঘাট, রেলপথ, বিমান-বন্দর, বিদ্যুৎ, জলসরবরাহ, স্কুল, চিকিৎসালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সার্বজনীন এবং ব্যক্তিগত সেবা ইত্যাদির উন্নয়ন সম্ভব হয়। পিছিয়ে পরা এই অঞ্চলে এই ধরণের কর্ম সৃষ্টির ফলে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করে। এই জন্য সরকারও কিছু পঞ্জীয়নভুক্ত লাভজনক ব্যবসা, সুলভ মূল্যে এই পিছিয়ে পরা অঞ্চল গুলিতে খোলার ব্যবস্থা করেছে।

(iv) রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রতি অবদানঃ নতুন ব্যবসায়, উন্নত প্রযুক্তি সৃষ্টির দ্বারা নতুন বাজার এবং নতুন সম্পদ সৃষ্টি হয়। এর ফলে নিযুক্তি বৃদ্ধি পায় এবং উপার্জনও বৃদ্ধি পায়। এটি রাষ্ট্রীয় আয় বৃদ্ধি করে এবং রাজস্ব বৃদ্ধি করে- সরকারকে উন্নয়নমূলক কাজে খরচ বাড়াতে সাহায্য করে, এই ধরনের রাজস্ব বৃদ্ধি অন্য দুর্বল ক্ষেত্রের উন্নতি এবং মানব মূলধন সৃষ্টিতে অবদান যোগায়।

(v) আত্মনির্ভরশীলতাঃ উদ্যোগী ব্যক্তি সকল জাতির আত্মনির্ভরশীলতার মেরুদণ্ড স্বরূপ। তারা স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার এবং স্থানীয় উৎপাদনের দ্বারা আমদানীকৃত সামগ্রীর বিকল্প গড়ে তোলে। এইভাবে বিদেশী রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীলতাও হ্রাস পায়। কখনও এই ধরণের সামগ্রী এবং সেবা রপ্তানি করা যায় এবং সেইভাবে দেশে বিদেশী মুদ্রালাভ করা যায়। গতিকে আমদানির বিকল্প সৃষ্টি করা এবং রপ্তানির উৎকর্ষ, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং নির্ভরশীলতা নিশ্চিত করে।

(vi) জীবন ধরণের মানদণ্ডঃ একটি সমাজে জীবন ধারণের মান উন্নত করতে উদ্যোগী ব্যক্তিরা মুখ্য ভূমিকা পালন করে। উদ্যোক্তারা কেবল নিয়োগই সৃষ্টি করে না, তারা কিছু অভিনব পদ্ধতির দ্বারা বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে, তাদের কর্মচারী, উপভোক্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের জীবন ধারণের মান উন্নত করে। ভারতবর্ষে বহু সামাজিক সমস্যা এবং গোড়ামী আছে, যা প্রগতির পথে বাধার সৃষ্টি করে। অতএব দারিদ্রতা, স্ত্রী সবলীকরণ আদি সমস্যাগুলি সমাধানের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা কিছু উদ্ভাবনী কৌশল অবলম্বন করা উচিত।

(vii) প্রতিষ্ঠানের বিকাশঃ উদ্যোগী ব্যক্তিরা পরিবর্তনের বাহক। নতুন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার দ্বারা উদ্যোগীকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। একটি সামগ্রী উৎপাদনের জন্য আনুসাংগিক অন্যান্য উৎপাদনের প্রয়োজন হয়, এর ফলে অনেক উৎপাদন ভিত্তিক ব্যবসা গড়ে উঠে এবং একটি স্থানের সামগ্রিক উন্নয়নে এই পরিঘটনাই সাহায্য করে। অত এব উদ্যোক্তার উদ্যমমূলক কাজ-কর্মের পরিবেশ গড়ে তোলেও এই ধরণের উৎসাহের ফলে অঞ্চলটিতে সামগ্রিক উন্নয়ন বৃদ্ধি হয়।

(viii) প্রতিষ্ঠানের নতুনত্বঃ যে কোন ব্যবসা সফল হতে হলে, সেখানে কিছু নতুনত্ব থাকা দরকার। প্রচলিত প্রযুক্তি ব্যবস্থাই বৃহৎ বিনিয়োগের ফলে ছোট ছোট শিল্পের বিকাশের ক্ষেত্রে অসুবিধার সৃষ্টি হয় না, সেইজন্য ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির প্রযুক্তি ব্যবস্থার পৃথক বা নতুন নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকে না। বাণিজ্যিক বিকাশের ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ তরান্বিত হয় এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগ যতই বৃদ্ধি পাবে ততই উৎপাদনের ক্ষেত্রে নতুনত্ব আসবে। এইভাবে ভারতীয় উদ্যোগ আন্তঃরাষ্ট্রীয় বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম হবে। সফল উদ্যোক্তারা মানুষের জীবন ধারণের মান বৃদ্ধি করে সমাজের প্রতি অনেক অবদান জোগায়। উদ্যোগিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারা তারা যখন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা সমাজ উন্নয়নে সাহায্য করে।

৩। উদ্যমিতা কিভাবে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন/রাষ্ট্রীয় আয় বৃদ্ধি/জীবন ধারণের মান বৃদ্ধি/ আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে সংক্ষিপ্তভাবে লেখো।

উত্তরঃ একজন উদ্যোক্তার উদ্যোগিতা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। নতুন ব্যবসা, উন্নত প্রযুক্তি সৃষ্টির ফলে নতুন বাজার এবং নতুন সম্পদের সৃষ্টি হয়। এর ফলস্বরূপ কর্মসংস্থান বাড়ে এবং উপার্জন বৃদ্ধি পায়। এই জাতীয় আয় বৃদ্ধি বাজার বিস্তারের উন্নয়নমূলক কাজগুলোতে বিনিয়োগ বাড়াতেও সহায়তা করে। এর ফলে বাজার বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্যান্য দুর্বল খাতের উন্নতি এবং মানব সম্পদ সৃষ্টিতেও অবদান রাখে।

(i) জীবনধারণের মান বৃদ্ধিঃ এখন সমাজের জীবনধারণের মান উন্নত করতে উদ্যোক্তা বা উদ্যোগী ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উদ্যোক্তারা শুধু নিয়োগই সৃষ্টি করেন না, বরং সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে কর্মচারী, উপভোক্তা এবং ব্যবসার সকলের জীবনমান উন্নত করেন। ভারতবর্ষে বহু সামাজিক সমস্যা এবং সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে। দারিদ্র্য, নারী–সমাজের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উদ্যোক্তাদের কখনো উদ্ভাবনী কৌশল প্রয়োগ করতে হয়।

(ii) আত্মনির্ভরশীলতাঃ উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা (entrepreneurs) জাতীয় আত্মনির্ভরশীলতার প্রধান ভিত্তি। তারা স্থানীয় সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন করে আমদানিকৃত সামগ্রীর বিকল্প তৈরি করেন। এর ফলে বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরশীলতা কমে যায়। কিছুসময় নিজের সামগ্রী ও সম্পদ রপ্তানি করাও সম্ভব হয় এবং এর মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা লাভ হয়। এর ফলে আমদানির বিকল্প সৃষ্টি এবং রপ্তানির উন্নতিকেই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করে।

৪। একজন সফল উদ্যোগী/উদ্যমী হওয়ার জন্য কি কি গুণাবলী বা চরিত্র অর্জন করতে হবে লেখো।

উত্তরঃ একজন সফল উদ্যোগী হতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুণ বা চরিত্র অর্জন করতে হয়। 

এগুলো হলো—

(i) স্বপ্নদ্রষ্টা (Dreamer): বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য স্থির করতে হবে এবং সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সঠিক পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। অজানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে দৃষ্টি রাখতে হবে।

(ii) সৃষ্টিশীলতা (Creative): উপভোক্তার প্রয়োজন বুঝে নতুন ধারণা তৈরি করা, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে চলা এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য সৃষ্টিশীল চিন্তা রাখা জরুরি।

(iii) আশাবাদ (Optimistic): আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। সন্দেহ বা ভয় দূর করে চ্যালেঞ্জকে সাফল্যের সিঁড়ি হিসেবে দেখতে হবে।

(iv) নেশা/অত্যুৎসাহ (Passionate): কাজকে ভালোবাসতে হবে। কাজের আনন্দই তাকে কঠিন সময়েও এগিয়ে নিয়ে যায়, এবং উন্নতির নতুন পথ খুঁজতে উৎসাহ দেয়।

(v) সংকল্পবদ্ধতা (Determined): কঠিন পরিস্থিতিতেও লক্ষ্যে অবিচল থাকা, প্রতিযোগিতা সামলানো এবং প্রয়োজনীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৃঢ়তা থাকতে হবে।

(vi) সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী (Decisive): বাজারের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হয়, তাই সঠিক সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা জরুরি।

(vii) দৃষ্টি নিবদ্ধতা (Focused): লক্ষ্য স্থির করার পর সেই লক্ষ্যেই মনোনিবেশ রাখতে হবে; বিভিন্ন দিকে ধন বা মনোযোগ ছড়ালে ক্ষতি হতে পারে।

(viii) সুসংগঠিত (Organised): পরিকল্পিতভাবে কাজ করা, কর্মীদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা এবং প্রতিদিন শৃঙ্খলার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

(ix) দক্ষতাপূর্ণ (Resourceful): সময়, ধন ও অন্যান্য সম্পদের সঠিক ব্যবহার করতে জানতে হবে এবং সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন দক্ষতা বা সম্পদ গ্রহণে প্রস্তুত থাকতে হবে।

(x) মানুষের গুণ (People’s person): গ্রাহক, কর্মী, সহযোগীদের সঙ্গে বিশ্বাস ও সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। ভালো আন্তর্ব্যক্তিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠানকে উন্নতির দিকে নিয়ে যায়।

Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Home Science Bengali Medium Solutions. Click on the required chapter title to start your preparation today:

Sl. No.Contents
Chapter – 1খাদ্য এবং পরিপুষ্টি
Chapter – 2শিশুর বিকাশ এবং পারিবারিক অধ্যয়ন
Chapter – 3পোশাক পরিচ্ছদ এবং বস্ত্র
Chapter – 4গৃহ পরিচালনা
Chapter – 5উদ্যোমিতার গুরুত্ব

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top