SEBA Class 10 Science Chapter 5 মৌলসমূহের পর্যায়গত শ্রেণিবিভাজন

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Science Chapter 5 মৌলসমূহের পর্যায়গত শ্রেণিবিভাজন Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 5 মৌলসমূহের পর্যায়গত শ্রেণিবিভাজন Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Science Chapter 5 মৌলসমূহের পর্যায়গত শ্রেণিবিভাজন

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

মৌলসমূহের পর্যায়গত শ্রেণিবিভাজন

TEXTUAL QUESTION ANSWER
প্রশ্নাবলী 1.1

1. নিউল্যান্ডের অষ্টকস্তম্ভে কি ডোবেরিনারের ট্রায়াডও বর্তমান? তুলনা কর এবং নির্ণয় কর।

উত্তরঃ ডোবেরিনার সদৃশ ধর্মযুক্ত তিনটি করে মৌল নিয়ে এক একটি ট্রায়াড বা ত্রয়ী গঠন করেছিলেন। যেমন— লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na) এবং পটাশিয়াম (K) একটি ট্রায়াড গঠন করে। অন্যদিকে, নিউল্যান্ড মৌলগুলোকে তাদের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজিয়ে দেখেছিলেন যে, কোনো একটি মৌল থেকে শুরু করলে অষ্টম মৌলটির ধর্ম প্রথম মৌলটির ধর্মের সঙ্গে মিলে যায়। নিউল্যান্ডের অষ্টকস্তম্ভ (তালিকা ৫.৩) লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ডোবেরিনারের ট্রায়াডের মৌলগুলো নিউল্যান্ডের তালিকারও একই স্তম্ভে স্থান পেয়েছে। যেমন— নিউল্যান্ডের তালিকার ‘রে’ সুরের স্তম্ভে Li, Na ও K পরপর অবস্থান করছে এবং একইভাবে Be, Mg ও Ca একই স্তম্ভে রয়েছে। সুতরাং নির্ণয় করা যায় যে, নিউল্যান্ডের অষ্টকস্তম্ভে ডোবেরিনারের ট্রায়াডগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

2. ডোবেরিনারের শ্রেণিবিভাজনের সীমাবদ্ধতাগুলো কি কি?

উত্তরঃ ডোবেরিনারের শ্রেণিবিভাজনের প্রধান সীমাবদ্ধতা ছিল যে, সেই সময় পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলগুলোর মধ্যে তিনি মাত্র তিনটি ট্রায়াড নির্ণয় করতে পেরেছিলেন। অর্থাৎ অধিকাংশ মৌলকে এই পদ্ধতিতে শ্রেণিবদ্ধ করা সম্ভব হয়নি। ফলে সব মৌলের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রযোজ্য ছিল না এবং শ্রেণিবিভাজনের এই পদ্ধতিটি কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।

3. নিউল্যান্ডের অষ্টকসূত্রের সীমাবদ্ধতা কি কি?

উত্তরঃ নিউল্যান্ডের অষ্টকসূত্রের সীমাবদ্ধতাগুলো হলো—

(i) এই সূত্রটি কেবল ক্যালসিয়াম পর্যন্ত মৌলগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল; ক্যালসিয়ামের পর অষ্টম মৌলের ধর্ম প্রথম মৌলের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি।

(ii) নিউল্যান্ড ধারণা করেছিলেন যে, প্রকৃতিতে মাত্র ৫৬টি মৌল আছে এবং ভবিষ্যতে আর কোনো নতুন মৌল আবিষ্কৃত হবে না— যা পরবর্তীকালে ভুল প্রমাণিত হয়।

(iii) অষ্টক বজায় রাখার জন্য তিনি কখনো কখনো দুটি মৌলকে একই স্থানে বসিয়েছিলেন।

(iv) অসমধর্মী মৌলকেও একই স্তম্ভে স্থান দিয়েছিলেন; যেমন— কোবাল্ট ও নিকেলকে ক্লোরিন ও ব্রোমিনের সঙ্গে একই স্তম্ভে রাখা হয়েছিল। ফলে নিউল্যান্ডের অষ্টকসূত্র সব মৌলের ক্ষেত্রে কার্যকর ছিল না।

প্রশ্নাবলী 1.2

1. মেন্ডেলিভের পর্যাবৃত্ত তালিকার সাহায্যে নিম্নলিখিত মৌলগুলোর অক্সাইডের সংকেতগুলো কি হবে লেখ-K, C, Al, Si, Ba.

উত্তরঃ মেন্ডেলিভের পর্যাবৃত্ত তালিকা অনুযায়ী—

K এর অক্সাইডের সংকেত → K₂O

C এর অক্সাইডের সংকেত → CO₂

Al এর অক্সাইডের সংকেত → Al₂O₃

Si এর অক্সাইডের সংকেত → SiO₂

Ba এর অক্সাইডের সংকেত → BaO

2. মেন্ডেলিভ তাঁর পর্যাবৃত্ত তালিকায় যে মৌলগুলোর স্থান শূন্য রেখেছিলেন এবং পরে যেগুলো আবিষ্কৃত হয়েছিল তাদের মধ্যে গ্যালিয়াম ছাড়া আর কোন কোন মৌল ছিল? (যে কোন দুটির নাম লিখ)

উত্তরঃ মেন্ডেলিভ তাঁর পর্যাবৃত্ত তালিকায় যে মৌলগুলোর স্থান শূন্য রেখেছিলেন এবং পরে আবিষ্কৃত হয়েছিল, গ্যালিয়াম ছাড়া তাদের মধ্যে ছিল—

(i) স্ক্যান্ডিয়াম (Scandium)

(ii) জার্মেনিয়াম (Germanium)

3. মেন্ডেলিভ তাঁর পর্যাবৃত্ত তালিকা তৈরী করার সময় কি কি নির্ণায়ক (Criteria) ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তরঃমেন্ডেলিভ তাঁর পর্যাবৃত্ত তালিকা তৈরী করার সময় নিম্নলিখিত নির্ণায়ক (Criteria) ব্যবহার করেছিলে—

(i) মৌলগুলিকে তাদের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজিয়েছিলেন।

(ii) মৌলগুলোর ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের সাদৃশ্য বিবেচনা করেছিলেন।

(iii) বিশেষভাবে মৌলগুলোর অক্সাইড ও হাইড্রাইডের সংকেত ও ধর্মকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

4. সম্ভ্রান্ত গ্যাসগুলো পৃথক বর্গে (গ্রুপে) রাখা হয় কেন?

উত্তরঃ সম্ভ্রান্ত গ্যাস বা নোবল গ্যাসগুলো (যেমন— হিলিয়াম, নিয়ন এবং আর্গন) রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় এবং এগুলো আমাদের বায়ুমণ্ডলে খুবই কম পরিমাণে থাকে। এই গ্যাসগুলো আবিষ্কৃত হওয়ার পর মেন্ডেলিভের পর্যাবৃত্ত তালিকার মূল ছক বা মৌলগুলোর সজ্জাক্রম কোনোভাবে অপরিবর্তিত রেখেই এদের একটি পৃথক বর্গে বা গ্রুপে স্থান দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। মূলত বিদ্যমান তালিকার কোনো ক্ষতি না করে সহজেই এদের অন্তর্ভুক্ত করা গিয়েছিল বলেই এদের আলাদা বর্গে রাখা হয়।

প্রশ্নাবলী 1.3

1. আধুনিক পর্যাবৃত্ত তালিকা কিভাবে মেন্ডেলিভের পর্যাবৃত্ত তালিকার অসংগতি বা ব্যতিক্রমগুলো (anomalies) দূর করতে পেরেছিল?

উত্তরঃ আধুনিক পর্যাবৃত্ত তালিকায় মৌলগুলোকে ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। এর ফলে মেন্ডেলিভের তালিকার অসংগতিগুলো দূর হয়েছে। মেন্ডেলিভের তালিকায় আইসোটোপগুলোর পারমাণবিক ভর ভিন্ন হওয়ায় তাদের অবস্থান নিয়ে সমস্যা ছিল, কিন্তু আধুনিক তালিকায় একই পারমাণবিক সংখ্যার জন্য আইসোটোপগুলো একই স্থানে স্থান পায়। কোবাল্ট–নিকেল সমস্যাও দূর হয়েছে, কারণ পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী সাজালে কোবাল্ট (২৭) স্বাভাবিকভাবেই নিকেল (২৮)-এর আগে থাকে। এছাড়া পারমাণবিক সংখ্যা এক একক করে বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন মৌলগুলোর অবস্থান নির্ধারণ সহজ হয়েছে এবং হাইড্রোজেনের অবস্থান সম্পর্কিত অসংগতিও ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছে। মূলত পারমাণবিক সংখ্যার ভিত্তিতে বিন্যাসের কারণেই আধুনিক পর্যাবৃত্ত তালিকা মেন্ডেলিভের তালিকার সীমাবদ্ধতাগুলো সংশোধন করতে পেরেছে।

2. এমন দুটো মৌলের নাম কর যেগুলো ম্যাগনেসিয়ামের ধর্মের মত রাসায়নিক ধর্ম দেখাবে বলে আশা করা যায়। তোমার নির্বাচনের ভিত্তি কি?

উত্তরঃ ম্যাগনেসিয়ামের মতো রাসায়নিক ধর্ম দেখাবে বলে আশা করা যায়— বেরিলিয়াম (Be) এবং ক্যালসিয়াম (Ca)।

নির্বাচনের ভিত্তি: পর্যাবৃত্ত তালিকায় একই বর্গে (Group) অবস্থিত মৌলগুলোর যোজক ইলেকট্রন সংখ্যা সমান হয় এবং এই যোজক ইলেকট্রনই মৌলের রাসায়নিক ধর্ম নির্ধারণ করে। আধুনিক পর্যাবৃত্ত তালিকায় ম্যাগনেসিয়াম ২ নম্বর বর্গে অবস্থিত এবং এর সর্ববহিঃস্থ কক্ষে দুটি যোজক ইলেকট্রন থাকে। বেরিলিয়াম এবং ক্যালসিয়ামও একই বর্গের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এদেরও যোজক ইলেকট্রন সংখ্যা দুই, যার ফলে এরা ম্যাগনেসিয়ামের মতোই সদৃশ রাসায়নিক ধর্ম প্রদর্শন করে।

3. নাম লিখ:

(a) তিনটি মৌল যাদের বহির্তম কক্ষে একটি ইলেকট্রন থাকে।

উত্তরঃ লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K)।

(b) দুটো মৌল যাদের বহির্তম কক্ষে দুটো ইলেকট্রন থাকে।

উত্তরঃ ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca)।

(c) তিনটি মৌল যাদের বহির্তম কক্ষ সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ।

উত্তরঃ হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar)।

4. (a) লিথিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম- এই তিনটি ধাতু জলের সাথে-বিক্রিয়া করে হাইড্রজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। এই মৌলগুলোর পরমাণুগুলোর মধ্যে কোনো সাদৃশ্য আছে কি?

উত্তরঃ হ্যাঁ, লিথিয়াম, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের পরমাণুগুলোর মধ্যে সাদৃশ্য আছে। এরা সকলেই একই গ্রুপের (গ্রুপ ১) মৌল এবং প্রত্যেকটির বহির্তম কক্ষে একটি করে ইলেকট্রন থাকে। বহির্তম কক্ষে একটি ইলেকট্রন থাকার কারণে এদের যোজ্যতা ১ এবং রাসায়নিক ধর্মের মধ্যে সাদৃশ্য দেখা যায়। তাই এরা জলের সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে।

(b) হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং নিয়ন একটি গ্যাস যার সক্রিয়তা খুবই কম। যদি এদের পরমাণুর সাধারণ কোনো বৈশিষ্ট্য থাকে তবে তা কি?

উত্তরঃ হিলিয়াম এবং নিয়নের পরমাণুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো— এদের বহির্ভম কক্ষ (সর্ববহিঃস্থ কক্ষ) ইলেকট্রন দ্বারা সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ থাকে।

হিলিয়ামের একটিমাত্র কক্ষ (K কক্ষ) ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ এবং নিয়নের ক্ষেত্রে দুটি কক্ষই (K এবং L কক্ষ) ইলেকট্রন দ্বারা সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ থাকে। এই বিশেষ ইলেকট্রনীয় সজ্জার কারণেই এরা রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় বা অত্যন্ত কম সক্রিয়তা প্রদর্শন করে।

5. আধুনিক পর্যাবৃত্ত তালিকাভুক্ত থাকা প্রথম দশটি মৌলের মধ্যে কোনগুলো ধাতু?

উত্তরঃ আধুনিক পর্যাবৃত্ত তালিকায় থাকা প্রথম দশটি মৌল হলো— হাইড্রোজেন (H), হিলিয়াম (He), লিথিয়াম (Li), বেরিলিয়াম (Be), বোরন (B), কার্বন (C), নাইট্রোজেন (N), অক্সিজেন (O), ফ্লোরিন (F) এবং নিয়ন (Ne)। এদের মধ্যে কেবল লিথিয়াম (Li) এবং বেরিলিয়াম (Be) হলো ধাতু। 

6. পর্যাবৃত্ত তালিকায় অবস্থান লক্ষ্য রেখে নিম্নলিখিত মৌলগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশী ধাতব গুণবিশিষ্ট বলে আশা করা যায়। Ga, Ge, As, Se, Be

উত্তরঃ পর্যাবৃত্ত তালিকায় ধাতব গুণ বাম থেকে ডানে কমে এবং উপর থেকে নিচে বাড়ে। প্রদত্ত মৌলগুলোর মধ্যে Be দ্বিতীয় পর্যায় ও দ্বিতীয় গোষ্ঠীতে অবস্থান করে, আর Ga, Ge, As ও Se চতুর্থ পর্যায়ে অবস্থান করে। যদিও Ga নিচের পর্যায়ে আছে, কিন্তু Be পর্যাবৃত্ত তালিকার অনেক বেশি বাম দিকে অবস্থিত (গ্রুপ ২), যেখানে Ga গ্রুপ ১৩-তে। যেহেতু ধাতব গুণ বাম দিকে বেশি হয়, তাই প্রদত্ত মৌলগুলোর মধ্যে বেরিলিয়াম (Be) সবচেয়ে বেশি ধাতব গুণবিশিষ্ট বলে আশা করা যায়। 

অনুশীলনী Textbook Exercise

1. পর্যাবৃত্ত তালিকার কোনো পর্যায়ের বাঁদিক থেকে ডানদিকে গেলে পরিবর্তনের ধারা সম্পর্কে নিম্নোক্ত কোন উক্তিটি সত্য নয়?

(a) মৌলগুলির ধাতবীয় ধর্ম কমতে থাকে।

(b) যোজক ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

(c) পরমাণুগুলো সহজেই ইলেকট্রন হারায়।

(d) অক্সাইডগুলোর আম্লিকতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।

উত্তরঃ (c) পরমাণুগুলো সহজেই ইলেকট্রন হারায়।

2. X মৌলটি XCI, সংকেত বিশিষ্ট একটি ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। এটি একটি উচ্চ গলনাংক বিশিষ্ট কঠিন ধাতু। X সম্ভবতঃ পর্যাবৃত্ত তালিকার ঐ বর্গে থাকবে যে বর্গে আছে-

(a) Na

(b) Mg

(c) Al

(d) Si

উত্তরঃ (b) Mg

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top