SEBA Class 10 Science Chapter 6 জীবন প্রক্রিয়া

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Science Chapter 6 জীবন প্রক্রিয়া Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 6 জীবন প্রক্রিয়া Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Science Chapter 6 জীবন প্রক্রিয়া

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

জীবন প্রক্রিয়া

TEXTUAL QUESTION ANSWER
প্রশ্নাবলী 1.1

1. মানুষের মত বহুকোষী প্রাণীর শরীরে সরল ব্যপন প্রক্রিয়ার দ্বারা অক্সিজেনের প্রবেশ অপর্যাপ্ত হয় কেন?

উত্তরঃ মানুষের মতো বহুকোষী প্রাণীর দেহের আকার বিশাল এবং এদের শরীরের সকল কোষ চারদিকের পরিবেশের সরাসরি সংস্পর্শে থাকে না, তাই শুধুমাত্র সরল ব্যাপন প্রক্রিয়া শরীরের প্রতিটি অংশে অক্সিজেন পৌঁছানোর জন্য বা সকল কোষের প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথেষ্ট হয় না। যদি মানুষের শরীরে কেবলমাত্র ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাস বিনিময় হতো, তবে ফুসফুস থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত একটি অক্সিজেন অণু পৌঁছাতে প্রায় তিন বছর সময় লেগে যেত। এইসব কারণেই উন্নত ও জটিল বহুকোষী প্রাণীদের শরীরে সরল ব্যাপন প্রক্রিয়ার দ্বারা অক্সিজেনের প্রবেশ অপর্যাপ্ত হয়।

2. কোনও বস্তু জীবিত কি না বোঝার জন্যে কি বৈশিষ্ট থাকতে হবে?

উত্তরঃ সাধারণত দৃশ্যমান নড়াচড়া যেমন দৌড়ানো, জাবর কাটা বা চিৎকার করা এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়ার মতো বৈশিষ্ট্যগুলি দেখে আমরা বুঝি যে কোনো বস্তু জীবিত। তবে কেবল দৃশ্যমান নড়াচড়া বা বৃদ্ধি জীবিত থাকার যথেষ্ট লক্ষণ নয় কারণ অনেক সময় আণবিক চলনের মতো সূক্ষ্ম পরিবর্তন খালি চোখে দেখা যায় না, যা জীবদেহের সুসংগঠিত গঠন রক্ষা এবং মেরামতির জন্য অপরিহার্য। তাই জীবন ধারণের জন্য অদৃশ্য আণবিক চলন এবং পুষ্টি, শ্বসন, সংবহন ও রেচনের মতো জীবন প্রক্রিয়াগুলি (life processes) সচল থাকা কোনো বস্তু জীবিত কি না তা বোঝার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

3. কোনও জীবদেহে প্রয়োজনীয় কি কি উপাদান বাইরের পরিবেশ থেকে প্রয়োজন হয়?

উত্তরঃ জীবদেহের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং বিভিন্ন জীবন প্রক্রিয়া সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির প্রধান উৎস হলো খাদ্য, যা বাইরের পরিবেশ থেকে সংগৃহীত হয়। যেহেতু পৃথিবীর অধিকাংশ খাদ্যই কার্বন যুক্ত অণুর ওপর নির্ভরশীল, তাই কার্বন একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়া কোষীয় প্রয়োজনে খাদ্য ভেঙে শক্তি ব্যবহারের জন্য অধিকাংশ জীব পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে খাদ্য তৈরির জন্য বাইরের পরিবেশ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও জল প্রয়োজন এবং দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন, ফসফরাস, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদানগুলি তারা মাটি থেকে গ্রহণ করে।

4. জীবন ধারণ করার জন্য কোন কোন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে কর?

উত্তরঃ জীবন ধারণ করার জন্য পুষ্টি, শ্বসন, শরীরের ভিতরে বিভিন্ন পদার্থের পরিবহন এবং বর্জ্য পদার্থের রেচন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন আছে। জীবদেহের শারীরিক ভাঙন এবং ক্ষয়-ক্ষতি প্রতিরোধের মাধ্যমে জীবন ধারণের জন্য শক্তির প্রয়োজন হয় এবং যে প্রক্রিয়ার দ্বারা শক্তির উৎস খাদ্য ভেতরে প্রবেশ করে তাকে পুষ্টি বলা হয়। কোষীয় প্রয়োজনে খাদ্য ভেঙে শক্তি ব্যবহারের জন্য পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে শ্বসন বলে। সংগৃহীত খাদ্য এবং অক্সিজেন দেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পরিবহন এবং ক্ষতিকর উপজাত বা বর্জ্য পদার্থগুলো শরীর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য রেচন প্রক্রিয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্রশ্নাবলী 1.2

1. স্বপোষিত এবং পরপোষিত পুষ্টির মধ্যে কি পার্থক্য আছে?

উত্তরঃ স্বপোষিত পুষ্টিতে জীব পরিবেশ থেকে অজৈব উৎস যেমন কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও জল সংগ্রহ করে এবং সূর্যালোকের মতো বাইরের শক্তি ও ক্লোরোফিল ব্যবহার করে নিজের খাদ্য বা জটিল উচ্চ-শক্তি সম্পন্ন জৈব পদার্থ নিজেই তৈরি করে। অন্যদিকে, পরপোষিত পুষ্টিতে জীব নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না এবং জীবন ধারণের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে স্বপোষিত জীবের দ্বারা উৎপাদিত জটিল পদার্থের ওপর নির্ভর করে। স্বপোষিত পুষ্টির উদাহরণ হলো সবুজ উদ্ভিদ ও কিছু ব্যাকটেরিয়া, আর পরপোষিত পুষ্টির উদাহরণ হলো সমস্ত প্রাণী এবং ছত্রাক।

2. সালোক সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রী উদ্ভিদ কোথায় পায়?

উত্তরঃ সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রধান কাঁচা সামগ্রী কার্বন-ডাই-অক্সাইড উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে পত্ররন্ধ্রের (stomata) মাধ্যমে পায়। এছাড়া স্থলজ উদ্ভিদ সালোক সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় জল তার শিকড়ের সাহায্যে মাটি থেকে টেনে নেয়। প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাঁচা সামগ্রী যেমন নাইট্রোজেন, ফসফরাস, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়ামও উদ্ভিদ মাটি থেকেই সংগ্রহ করে। সালোকসংশ্লেষণের জন্য শক্তির উৎস হিসেবে উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে এবং ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে উপস্থিত থাকে।

3. আমাদের পাকস্থলীতে এ্যাসিডের কি কাজ?

উত্তরঃ আমাদের পাকস্থলীতে উপস্থিত পাকস্থলী গ্রন্থি হাইড্রোক্লোরিক এ্যাসিড নিঃসরণ করে। এই হাইড্রোক্লোরিক এ্যাসিড পাকস্থলীতে একটি অম্লধর্মী মাধ্যম সৃষ্টি করে, যার ফলে প্রোটিন পাচনকারী এনজাইম পেপসিনের (pepsin) কাজ করা সহজ হয়। এছাড়া এই এ্যাসিড পাকস্থলীতে আসা খাদ্যের বিভিন্ন জীবাণু ধ্বংস করতেও সাহায্য করে।

4. পাচক উৎসেচকের কাজ কি?

উত্তরঃ পাচক উৎসেচকগুলি জৈব অনুঘটক (biological catalysts) হিসেবে কাজ করে যা জটিল খাদ্যবস্তুকে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুতে পরিণত করে যাতে শরীর তা সহজে শোষণ করতে পারে। যেমন— লালারসে উপস্থিত স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক শ্বেতসারের জটিল অণুকে ভেঙে শর্করায় পরিণত করে এবং পাকস্থলীতে নিঃসৃত পেপসিন এনজাইম প্রোটিন পরিপাকে সহায়তা করে। এছাড়া ক্ষুদ্রান্ত্রে অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের বিভিন্ন উৎসেচক প্রোটিন, শর্করা এবং ফ্যাটকে সরল উপাদানে ভেঙে ফেলে সম্পূর্ণ পরিপাকে সাহায্য করে।

5 ক্ষুদ্রান্ত্র পাচিত খাদ্য শোষণ করার জন্য কী ভাবে তৈরী?

উত্তরঃ ক্ষুদ্রান্ত্রের অভ্যন্তরীণ দেয়ালে অসংখ্য আঙুলের আকৃতির প্রক্ষেপণ (projections) থাকে যাদেরকে ‘ভিলাই’ (villi) বলা হয়। এই ভিলাইগুলি পাচিত খাদ্য শোষণের জন্য প্রয়োজনীয় তল বা অঞ্চল বর্ধিত করে। ভিলাইগুলোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে রক্তবাহী নালী থাকে যারা শোষিত হওয়া খাদ্য গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে এই খাদ্য শক্তি আহরণে, নতুন কলা তৈরিতে এবং পুরনো কলার মেরামতির কাজে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্নাবলী 1.3

1. শ্বসনের জন্য অক্সিজেন পাওয়ার ব্যাপারে জলজ প্রাণীর থেকে স্থলচর প্রাণীর সুবিধা অনেক বেশী কেন?

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলের মুক্ত অক্সিজেনের তুলনায় জলে মিশে থাকা অক্সিজেনের পরিমাণ অনেক কম। জলজ প্রাণীরা জলের সঙ্গে যুক্ত থাকা অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে তাদের শ্বসনের হার স্থলচর প্রাণীর তুলনায় অনেক দ্রুত হয়। অন্যদিকে, স্থলচর প্রাণীরা সরাসরি বায়ুমণ্ডল বা পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে যেখানে অক্সিজেনের সহজলভ্যতা এবং ঘনত্ব অনেক বেশি। মূলত বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের এই অধিক পরিমাণের কারণেই শ্বসনের জন্য অক্সিজেন পাওয়ার ব্যাপারে জলজ প্রাণীর থেকে স্থলচর প্রাণীর সুবিধা অনেক বেশি।

2. বিভিন্ন জীবের দেহে শক্তি পাওয়ার জন্য কি কি উপায়ে গ্লুকোজ বিজারিত হয়?

উত্তরঃ সব জীবের ক্ষেত্রে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি পাওয়ার প্রথম ধাপে সাইটোপ্লাজমে ৬-কার্বন যুক্ত গ্লুকোজ অণু ভেঙে ৩-কার্বন যুক্ত পাইরুভেট অণুতে পরিণত হয়। এরপর বিভিন্ন জীবের দেহে তিনটি উপায়ে এই পাইরুভেট ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়। প্রথমত, অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ইস্ট কোষে পাইরুভেট ভেঙে ইথানল ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, একে অবাধ শ্বসন বলে। দ্বিতীয়ত, অক্সিজেনের উপস্থিতিতে মাইটোকন্ড্রিয়াতে পাইরুভেট ভেঙে তিন অণু কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং জল উৎপন্ন হয়, একে সবাত শ্বসন বলা হয়। তৃতীয়ত, অনেক সময় অক্সিজেনের অভাবে আমাদের পেশী কোষে পাইরুভেট ভেঙে ৩-কার্বন যুক্ত ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয় এবং এর ফলেই অনেক সময় পেশীতে খিল ধরে। এই প্রক্রিয়াগুলোতে উৎপন্ন শক্তি ATP অণু তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় যা কোষের সকল কাজের শক্তির উৎস।

3. মানব দেহে অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড কি কি ভাবে পরিবাহিত হয়?

উত্তরঃ মানব দেহে অক্সিজেনের প্রধান বাহক হলো লোহিত রক্ত কণিকায় উপস্থিত শ্বসন-রঞ্জক হিমোগ্লোবিন, যার অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার তীব্র প্রবণতা আছে। এই হিমোগ্লোবিন ফুসফুসের বায়ুথলি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং শরীরের অক্সিজেনের অভাব থাকা বিভিন্ন কলা ও কোষে পৌঁছে দেয়। অন্যদিকে, কার্বন-ডাই-অক্সাইড অক্সিজেনের তুলনায় জলে অনেক বেশি দ্রবণীয়, তাই এটি প্রধানত রক্তের প্লাজমায় দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহিত হয়।

4. মানব দেহে গ্যাসের বিনিময়ের প্রয়োজনীয় স্থান বাড়ানোর জন্য ফুসফুস কি ভাবে গঠিত?

উত্তরঃ ফুসফুসের ভিতরে বায়ু প্রবেশের নালী অনেক ছোট ছোট নালিকাতে বিভক্ত হয় এবং এই নালিকাগুলি অবশেষে ছোট ছোট বেলুনাকৃতির আকার নেয়, যাদের বায়ুস্থলী (Alveolus) বলা হয়। এই বায়ুস্থলীগুলি গ্যাসের বিনিময়ের জন্য প্রয়োজনীয় স্থান বা তল তৈরি করে। যদি ফুসফুসের এই বায়ুস্থলীর আবরণকে প্রসারিত করা যেত, তবে এটি প্রায় ৮০ বর্গ মিটার (80m2) স্থান আবৃত করত। বায়ুস্থলীর প্রাচীরে প্রচুর পরিমাণে রক্ত জালিকা থাকে। যখন আমরা শ্বাস গ্রহণ করি, তখন বক্ষ গহ্বর আয়তনে বৃদ্ধি পায় এবং ফুসফুসে বায়ু প্রবেশ করে প্রসারিত বায়ুস্থলীগুলিকে বাতাসে ভরিয়ে দেয়, যা গ্যাসের বিনিময়ে সাহায্য করে।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top