SEBA Class 10 Science Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Science Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
| প্রশ্নাবলী 1.1 |
1. প্রতীপ ক্রিয়া এবং হাঁটার মধ্যে কি পার্থক্য?
উত্তরঃ প্রতীপ ক্রিয়া এবং হাঁটার মধ্যে পার্থক্য:
(i) প্রতীপ ক্রিয়া হলো পরিবেশের কোনো পরিবর্তনের ফলে কোনো চিন্তা ভাবনা ছাড়াই হঠাৎ ঘটা একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। অন্যদিকে, হাঁটা হলো একটি ঐচ্ছিক কাজ, যা আমাদের চিন্তা করে করতে হয়।
(ii) প্রতীপ ক্রিয়া স্নায়ুরজ্জুর (Spinal cord) মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু হাঁটার মতো ঐচ্ছিক কাজগুলি মস্তিষ্কের সেরেবেলাম (Cerebellum) অংশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা দেহের ভঙ্গি এবং সমতা রক্ষার জন্য দায়ী।
(iii) প্রতীপ ক্রিয়া খুব দ্রুত ঘটে যাতে শরীরকে কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করা যায়। কিন্তু হাঁটা একটি ধীর ও নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া যা আমাদের ইচ্ছানুসারে ঘটে।
2. দুইটি স্নায়ুকোষের মধ্যবর্তী সিন্যান্স (Synapse) এ কি ঘটে?
উত্তরঃ স্নায়ুপ্রেরণা বা বৈদ্যুতিক প্রবাহ যখন একটি স্নায়ুকোষের অ্যাক্সনের শেষ ভাগে পৌঁছায়, তখন সেটি কিছু রাসায়নিক দ্রব্য ছেড়ে দেয়। এই রাসায়নিক দ্রব্যগুলি দুটি কাছাকাছি থাকা স্নায়ুকোষের মধ্যবর্তী ক্ষুদ্র ফাঁক বা সিন্যান্স (Synapse) পার হয়। সিন্যান্স পার হওয়ার পর এই রাসায়নিক দ্রব্যগুলি পরবর্তী স্নায়ুকোষের ডেনড্রাইটে পৌঁছায় এবং সেখানে আবার নতুন করে একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ বা স্নায়ুপ্রেরণার সৃষ্টি করে। এভাবেই স্নায়ুপ্রেরণা সিন্যান্সের মাধ্যমে একটি স্নায়ুকোষ থেকে অন্য স্নায়ুকোষে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
3. মস্তিষ্কের কোন্ অংশ অঙ্গ ভঙ্গি এবং দেহের সমতার জন্য দায়ী।
উত্তরঃ মস্তিষ্কের সেরেবেলাম (Cerebellum) নামক অংশটি অঙ্গ ভঙ্গি এবং দেহের সমতা রক্ষার জন্য দায়ী। এই অংশটি আমাদের ঐচ্ছিক কাজগুলোর যথাযথতা বজায় রাখতে এবং শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4. আমরা ধূপকাঠির (incense stick) সন্দুর গন্ধ কিভাবে পাই?
উত্তরঃ আমরা যখন ধূপকাঠির গন্ধ পাই, তখন আমাদের নাকের ভেতরে থাকা বিশেষ ধরণের ঘ্রাণগ্রাহক (Olfactory receptors) সংবেদী কোষগুলি সেই গন্ধ গ্রহণ করে। এই সংকেত স্নায়ুপ্রেরণার মাধ্যমে মস্তিষ্কের প্রধান চিন্তাশীল অংশ অর্থাৎ প্রমস্তিষ্কে (Forebrain) পৌঁছায়। প্রমস্তিষ্কে ঘ্রাণ বা গন্ধ গ্রহণের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল রয়েছে, যা এই তথ্যটি বিশ্লেষণ করে আমাদের ধূপকাঠির সুন্দর গন্ধ অনুভব করতে এবং তা চিনতে সাহায্য করে।
5. প্রতীপ ক্রিয়াতে মস্তিষ্কের কি কাজ?
উত্তরঃ প্রতীপ ক্রিয়ায় প্রধান কাজটি মেরুদণ্ডস্থ স্নায়ুকেন্দ্র বা স্নায়ুরজ্জু দ্বারা সম্পন্ন হয়। প্রতীপ ধনু স্নায়ুরজ্জুতেই গঠিত হয় এবং তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদান করে, যদিও এই সংবাদ পরে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। মস্তিষ্ক প্রতীপ ক্রিয়ার সময় সরাসরি কাজটি সম্পন্ন করে না, তবে ঘটনার সংবাদ গ্রহণ করে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে।
| প্রশ্নাবলী 1.2 |
1. উদ্ভিদ সঞ্জীবনী পদার্থ কি?
উত্তরঃ উদ্ভিদ সঞ্জীবনী পদার্থ বা হরমোন হলো এক ধরণের রাসায়নিক দ্রব্য যা বহুকোষী উদ্ভিদের দেহে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে। এই সঞ্জীবনী পদার্থগুলি উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং পরিবেশের বিভিন্ন পরিবর্তনের সাথে সমন্বয় রক্ষা করতে সাহায্য করে। সাধারণত উদ্ভিদের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে এই সঞ্জীবনী পদার্থগুলো সংশ্লেষিত হয় এবং সেখান থেকে সহজ ব্যাপন (diffusion) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহের দূরবর্তী অন্য কোনো অঙ্গে পরিবাহিত হয়ে নিজের কাজ সম্পাদন করে।
2. লজ্জাবতী লতার পাতার নড়াচড়া এবং অন্য উদ্ভিদের আলোর দিকে বেঁকে যাওয়ার মধ্যে কি পার্থক্য?
উত্তরঃ লজ্জাবতী লতার পাতার নড়াচড়া স্পর্শজনিত উদ্দীপনার ফলে ঘটে এবং এটি বৃদ্ধি-জনিত নয়; এই নড়াচড়া কোষের তুরগর চাপের পরিবর্তনের কারণে হয় এবং সাময়িক। অন্যদিকে অন্য উদ্ভিদের আলোর দিকে বেঁকে যাওয়া একটি বৃদ্ধি-নির্ভর গতি, যা আলোর প্রভাবে উদ্ভিদের নির্দিষ্ট অংশে অসম বৃদ্ধি ঘটার ফলে হয়। তাই লজ্জাবতীর পাতার নড়াচড়া বৃদ্ধি-নিরপেক্ষ গতি, আর আলোর দিকে বেঁকে যাওয়া বৃদ্ধি-নির্ভর গতি।
3. বৃদ্ধি পেতে সাহায্যে করা উদ্ভিদ সঞ্জীবনী পদার্থের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ বৃদ্ধি পেতে সাহায্যকারী কয়েকটি উদ্ভিদ সঞ্জীবনী পদার্থ বা হরমোনের উদাহরণ হলো – অক্সিন (Auxin), জিব্বারেলিন (Gibberellin) এবং সাইটোকাইনিন (Cytokinin)। অক্সিন উদ্ভিদের কাণ্ডের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং জিব্বারেলিনও অক্সিনের মতো কাণ্ডের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাইটোকাইনিন উদ্ভিদ দেহের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং এটি ফল ও বীজের মতো দ্রুত কোষ বিভাজন হওয়া অঞ্চলগুলোতে বেশি পরিমাণে থাকে। এই সঞ্জীবনী পদার্থগুলো সামগ্রিকভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে থাকে।
4. অক্সিন কিভাবে লতানো উদ্ভিদের গুঁড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে?
উত্তরঃ অক্সিন উদ্ভিদের অগ্রভাগে উৎপন্ন হয় এবং আলোর প্রভাবে কাণ্ডের ছায়াযুক্ত পাশে বেশি সঞ্চিত হয়। অক্সিন কোষপ্রসারণে সাহায্য করে, ফলে ছায়াযুক্ত পাশের কোষগুলি অধিক বৃদ্ধি পায়। এর ফলে সেই পাশটি তুলনামূলকভাবে বেশি লম্বা হয় এবং কাণ্ড আলোর দিকে বেঁকে যায়। এইভাবেই অক্সিন লতানো উদ্ভিদের গুঁড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
5. জলাবর্তন (Hydrotropism) বোঝাতে কোনও পরীক্ষা দেখাও।
উত্তরঃ

জলাবর্তন বোঝানোর জন্য একটি টবের মধ্যে মাটি ভর্তি করে তাতে একটি অঙ্কুরিত বীজ রোপণ করা হয়। টবের একপাশে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্রে জল রাখা হয় যাতে টবের ওই নির্দিষ্ট পাশে মাটি সিক্ত থাকে এবং অন্য পাশ শুকনো থাকে। কিছুদিন পরে দেখা যায় যে উদ্ভিদের মূল জলযুক্ত সিক্ত মাটির দিকে বৃদ্ধি পায়। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে উদ্ভিদের মূল জলের দিকে বেঁকে বৃদ্ধি পায়, একে জলাবর্তন (Hydrotropism) বলে।
| প্রশ্নাবলী 1.2 |
1. প্রাণীর শরীরে রাসায়নিক সমন্বয় কিভাবে ঘটে?
উত্তরঃ প্রাণীর শরীরে রাসায়নিক সমন্বয় অন্তঃস্রাবী তন্ত্রের মাধ্যমে ঘটে। অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি থেকে হরমোন নামক বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়। এই হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অঙ্গে কাজ করে। হরমোন দেহের বৃদ্ধি, বিকাশ, বিপাকক্রিয়া, প্রজনন, আচরণ প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কার্য নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে। এইভাবে হরমোনের মাধ্যমে দেহে রাসায়নিক সমন্বয় সম্পন্ন হয়।
2. আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়ার প্রয়োজন হয় কেন?
উত্তরঃ আমাদের শরীরের থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই হরমোনটি শরীরের কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাটের বিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং বৃদ্ধির সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। খাদ্যে আয়োডিনের অভাব হলে থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে, যার ফলে গয়টার (Goiter) নামক রোগ হতে পারে এবং গলা ফুলে যেতে পারে।
3. রক্তে এ্যাড্রিনালিন নিঃসৃত হলে আমাদের দেহ কিভাবে সাড়া দেয়?
উত্তরঃ রক্তে এ্যাড্রিনালিন নিঃসৃত হলে এটি সরাসরি হৃৎপিণ্ডে পৌঁছে হৃৎস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে পেশীগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি পায়। একই সময়ে ধমনীর সংকোচনের ফলে পাচনতন্ত্র ও ত্বকে রক্তপ্রবাহ কমে যায় এবং কঙ্কাল পেশীতে রক্ত চলাচলের পরিমাণ বেড়ে যায়। এছাড়া মধ্যচ্ছদা (diaphragm) ও পঞ্জরাস্থির পেশীর সংকোচনের ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের হারও বৃদ্ধি পায়, যা শরীরকে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত করে তোলে।
4. ডায়াবেটিস রোগীকে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় কেন?
উত্তরঃ নসুলিন হলো একটি হরমোন যা শরীরের অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তে শর্করার (sugar) পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে যখন এই হরমোনটি পর্যাপ্ত পরিমাণে নিঃসৃত হয় না, তখন তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেড়ে যায়, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই রক্তে শর্করার এই মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডায়াবেটিস রোগীকে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.


