SEBA Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়?
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
জীবের প্রজনন কিভাবে হয়?
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
| প্রশ্নাবলী 1.1 |
1. প্রজননে DNA কপিং পদ্ধতির কি প্রয়োজনীয়তা আছে?
উত্তরঃ প্রজননের সময় DNA-র প্রতিলিপি (কপিং) হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কারণ DNA-তেই জীবের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের সমস্ত তথ্য সঞ্চিত থাকে। প্রজননের সময় এই DNA-র প্রতিলিপি নতুন কোষে স্থানান্তরিত হয়, ফলে সন্তান জীব তার পিতামাতার বৈশিষ্ট্য লাভ করে। তবে DNA কপিং সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়, ফলে সামান্য পরিবর্তন বা প্রকারণ সৃষ্টি হয়। এই প্রকারণ জীবের বিবর্তনে সহায়তা করে এবং পরিবর্তিত পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।
2. প্রজাতির জন্য প্রকারণ প্রয়োজন কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট জীবের জন্য নয় কেন?
উত্তরঃ প্রকারণ একটি নির্দিষ্ট জীবের জন্য অপরিহার্য নয়, কারণ একটি জীব তার স্বাভাবিক পরিবেশে প্রকারণ ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু প্রজাতির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। পরিবেশের তাপমাত্রা, জলের স্তর বা অন্যান্য পরিবেশগত অবস্থার আকস্মিক পরিবর্তন ঘটলে, যদি কোনও প্রজাতির সকল জীব একই রকম হয় তবে তারা একসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কিন্তু যদি সেই প্রজাতির মধ্যে প্রকারণ থাকে, তবে কিছু জীব পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয় এবং বেঁচে থাকে। এর ফলে সম্পূর্ণ প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়। তাই প্রকারণ কোনও নির্দিষ্ট জীবের জন্য নয়, বরং প্রজাতির টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয়।
| প্রশ্নাবলী 1.2 |
1. দ্বিবিভাজন বহুবিভাজন থেকে কিভাবে আলাদা?
উত্তরঃ দ্বিবিভাজন পদ্ধতিতে ব্যাকটেরিয়া বা অ্যামিবার মতো এককোষী জীবদের কোষ বিভাজনের সময় মাতৃকোষটি সহজভাবে দুইটি সমান অপত্য কোষে বিভক্ত হয়ে নতুন জীবের সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, বহুবিভাজন পদ্ধতিতে প্লাসমোডিয়ামের (ম্যালেরিয়ার অণুজীব) মতো এককোষী জীবের ক্ষেত্রে একটি মাত্র কোষ থেকে একই সময়ে অনেকগুলো অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়। মূলত একটি বিভাজন প্রক্রিয়ায় কয়টি অপত্য কোষ উৎপন্ন হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই দুই পদ্ধতি একে অপরের থেকে আলাদা।
2. রেণু গঠন দিয়ে প্রজনন হলে জীব কি ভাবে উপকৃত হয়?
উত্তরঃ রেণু গঠন পদ্ধতিতে প্রজনন হলে জীব বিশেষভাবে উপকৃত হয় কারণ এই রেণুগুলি একটি মোটা আবরণে আবৃত থাকে যা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাদের সুরক্ষিত রাখে। এই বিশেষ আবরণটি রেণুগুলোকে ততক্ষণ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারে যতদিন না পর্যন্ত তারা পুনরায় কোনো ভেজা জায়গার স্পর্শ পায়। অনুকূল পরিবেশে এই ভেজা জায়গার সংস্পর্শে আসার পরেই ওই রেণুগুলি থেকে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়।
3. বেশী জটিল জীব পুনরোৎপত্তি পদ্ধতিতে নতুন জীবের জন্ম দিতে পারে না তার কারণ কি?
উত্তরঃ বেশি জটিল জীব পুনরোৎপত্তি পদ্ধতিতে নতুন জীবের জন্ম দিতে পারে না কারণ তাদের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুসংগঠিতভাবে শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে থাকে। পাঠ্যবই অনুযায়ী, এসকল জীব কেবলমাত্র অনেক কোষের সমষ্টি নয়; এখানে বিশেষ বিশেষ কোষ মিলে কলা (Tissue) এবং কলা থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরি হয়। জীবের গঠন যত জটিল হয়, কলার বিশেষত্ব বা বিশেষীকরণ (Specialisation) তত বেড়ে যায়। শরীরের এই ধরনের সুসংগঠিত অবস্থায় কোনো একটি সাধারণ কোষ থেকে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে পুনরায় নতুন জীব সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। এই কারণেই বহুঘোষী বা জটিল জীবেরা প্রজননের জন্য পুনরোৎপত্তির বদলে আরও জটিল পদ্ধতি গ্রহণ করে।
4. অঙ্গজ জনন পদ্ধতি শুধুমাত্র কয়েকটি উদ্ভিদের প্রজননের জন্য ব্যবহৃত হয় কেন?
উত্তরঃ অঙ্গজ জনন পদ্ধতিতে উদ্ভিদের শিকড়, কাণ্ড বা পাতা থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এই পদ্ধতি কেবলমাত্র সেইসব উদ্ভিদের ক্ষেত্রেই সম্ভব, যাদের দেহকোষে বিভাজনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন উদ্ভিদ গঠনের ক্ষমতা থাকে। অর্থাৎ, সব উদ্ভিদের কোষে এই পুনর্জন্ম বা পুনরুৎপাদনের ক্ষমতা সমানভাবে বিদ্যমান নয়।
তাই অঙ্গজ জনন পদ্ধতি শুধুমাত্র কয়েকটি নির্দিষ্ট উদ্ভিদের প্রজননের জন্য ব্যবহৃত হয়, সকল উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নয়।
5. DNA কপিং পদ্ধতি প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ কেন?
উত্তরঃ প্রজননের সময় DNA-র কপিং বা প্রতিলিপি হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ DNA-তেই জীবের দেহগঠন ও বৈশিষ্ট্যের সমস্ত তথ্য সঞ্চিত থাকে। প্রজননের সময় এই DNA-র প্রতিলিপি নতুন কোষে স্থানান্তরিত হয়, ফলে সন্তান জীব তার পিতামাতার বৈশিষ্ট্য অর্জন করে। এর মাধ্যমে এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে বৈশিষ্ট্যের সঞ্চারণ ঘটে।
তবে DNA কপিং সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়, ফলে সামান্য প্রকারণ সৃষ্টি হয়। এই প্রকারণ জীবের বিবর্তনে সহায়তা করে এবং পরিবর্তিত পরিবেশে প্রজাতির টিকে থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।
| প্রশ্নাবলী 1.3 |
1. পরাগযোগ পদ্ধতি নিষেচন থেকে কিভাবে পৃথক বলে মনে কর?
উত্তরঃ পরাগযোগ এবং নিষেচন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও দুটি ভিন্ন প্রক্রিয়া। পরাগযোগ হলো পুংকেশরের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি বায়ু, জল, পোকামাকড় বা অন্যান্য মাধ্যমের সাহায্যে সংঘটিত হয়।
অন্যদিকে, নিষেচন হলো পুংগ্যামেট (পুরুষ জনন কোষ) ও স্ত্রীগ্যামেট (স্ত্রী জনন কোষ)-এর মিলনের প্রক্রিয়া, যার ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়। অতএব, পরাগযোগ হলো পরাগরেণুর স্থানান্তর প্রক্রিয়া, আর নিষেচন হলো জনন কোষের মিলন প্রক্রিয়া— এই দিক থেকেই তারা একে অপরের থেকে পৃথক।
2. শুক্রাধার (Seminal vesicle) এবং প্রস্টেট গ্রন্থি (Prostate gland) এর ভূমিকা কি?
উত্তরঃ শুক্রবাহক নালীর পাশাপাশি প্রস্টেট গ্রন্থি (Prostate gland) এবং শুক্রাধার (Seminal vesicle) থাকে এবং এই গ্রন্থিগুলি বিশেষ এক ধরণের রস বা হরমোন নিঃসরণ করে। এই নিঃসৃত রসের কারণে শুক্রাণুর গতি সুবিধাজনক বা সহজ হয় এবং একই সাথে শুক্রাণুগুলি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পায়। মূলত শুক্রাণুর সাবলীল চলাচল নিশ্চিত করা এবং তাদের জীবনীশক্তি বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেওয়াই হলো এই গ্রন্থি দুটির প্রধান ভূমিকা।
3. পিউবারটি বা যৌবনারম্ভের সময়ে মেয়েদের শরীরে কি কি পরিবর্তন দেখা যায়?
উত্তরঃ পিউবারটি বা যৌবনারম্ভের সময় মেয়েদের দেহে বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। এই সময়ে দেহের উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং স্তন বিকাশ শুরু হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে বগল ও জননাঙ্গ অঞ্চলে লোম গজায়। ঋতুচক্র শুরু হয় এবং ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু পরিপক্ব হতে থাকে। শরীরের গঠনেও পরিবর্তন ঘটে, নিতম্ব চওড়া হয় এবং দেহে নারীত্বের বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এই পরিবর্তনগুলি মূলত জননগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের প্রভাবে ঘটে এবং এর মাধ্যমেই মেয়েদের দেহ প্রজননের জন্য উপযুক্ত হয়ে ওঠে।
4. মায়ের শরীরের ভিতরে থাকা অবস্থায় ভ্রূণ কি উপায়ে পুষ্টি ধারণ করে।
উত্তরঃ মায়ের শরীরের ভিতরে থাকা অবস্থায় ভ্রূণ প্ল্যাসেন্টা (Placenta) নামক একটি বিশেষ কলার সাহায্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। এটি জরায়ুর দেওয়ালে লেগে থাকা একটি চাকতির মতো গঠন। ভ্রূণের দিকে থাকা কলাতে ভিলাই (Villi) থাকে এবং মায়ের দিকে রক্ত গহ্বর থাকে যারা এই ভিলাইগুলিকে ঢেকে রাখে। এই ব্যবস্থাটি মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণের শরীরে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন সরবরাহ করার জন্য একটি বড় জায়গার জোগান দেয়। এছাড়া ভ্রূণের শরীর থেকে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলিও এই প্ল্যাসেন্টার সাহায্যে মায়ের শরীরের রক্তে প্রবেশ করে।
5. যদি কোনও মহিলা কপার-টি (Copper-T) ব্যবহার করে তবে সে কি যৌন সংস্পর্শে হওয়া রোগ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে?
উত্তরঃ না, যদি কোনো মহিলা কপার-টি (Copper-T) ব্যবহার করেন তবে তিনি যৌন সংস্পর্শে হওয়া রোগ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন না। যৌন সংসর্গের ফলে গণোরিয়া, সিফিলিস এবং এইচআইভি-এইডসের মতো রোগ সংক্রামিত হতে পারে। এই ধরনের রোগের সংক্রমণ রোধ করার জন্য কনডোম (Condom) ব্যবহারের মাধ্যমে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কপার-টি হলো একটি গর্ভনিরোধক পদ্ধতি যা জরায়ুতে স্থাপন করা হয় এবং এর ব্যবহারের ফলে জরায়ুতে প্রদাহজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.


