SEBA Class 9 Bengali Chapter 7 ছুটি

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 9 Bengali Chapter 7 ছুটি Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 7 ছুটি Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 7 ছুটি Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 9 Bengali Chapter 7 ছুটি

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। শুদ্ধ উত্তরটি খুঁজে বের করো:

(ক) ‘ছুটি’ গল্পের লেখক হলেন—

১। বনফুল।

২। শরৎ চন্দ্র।

৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৪। সত্যজিৎ রায়।

উত্তরঃ ৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

(খ) বালকদের সর্দার ছিল-

১। মাখনলাল।

২। ফটিক।

৩। সুশান্ত।

৪। রমেশ।

উত্তরঃ ২। ফটিক।

(গ) মাখনলাল ফটিক চক্রবর্তীর কে ছিল?

১। কাকা।

২। বড়ভাই।

৩। মেজভাই।

৪। ছােটভাই।

উত্তরঃ ৪। ছােটভাই।

(ঘ) ফটিকের মা, ফটিককে কোথায় চড় মেরেছিল?

১। পিঠে।

২। কপালে।

৩। গালে।

৪। গণ্ডদেশে।

উত্তরঃ ১। পিঠে।

(ঙ) ফটিকের মামার নাম ছিল-

১। রায়বাবু।

২। কমলবাবু।

৩। বিশ্বম্ভরবাবু।

৪। আবীরবাবু।

উত্তরঃ ৩। বিশ্বম্ভরবাবু।

২। শূন্যস্থান পূর্ণ করো:

(ক) নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড __________ মাস্তুলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়াছিল।

উত্তরঃ নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ মাস্তুলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়াছিল।

(খ) বিশেষত __________ বৎসরের ছেলের মতাে পৃথিবীতে এমন বালাই আর নাই।

উত্তরঃ বিশেষত তেরাে-চৌদ্দ বৎসরের ছেলের মতাে পৃথিবীতে এমন বালাই আর নাই।

(গ) মামির স্নেহহীন চক্ষে সে যে একটা দূরগ্রহের মতাে __________ হইতেছে।

উত্তরঃ মামির স্নেহহীন চক্ষে সে যে একটা দূরগ্রহের মতাে প্রতিভাত হইতেছে।

(ঘ) স্কুলে এত বড়াে নির্বোধ এবং __________ বালক আর ছিল না।

উত্তরঃ স্কুলে এত বড়াে নির্বোধ এবং অমনােযােগী বালক আর ছিল না।

৩। শুদ্ধ ও অশুদ্ধ বাক্য খুঁজে বের করো:

(ক) কার্তিক মাসে পূজার ছুটি, সে এখনো ঢের দেরি।

উত্তরঃ শুদ্ধ।

(খ) “একদিন ফটিক তাহার মামির কাছে নিতান্ত সাহসী হইয়া গিয়া কহিল, “বই হারিয়ে ফেলেছি।”

উত্তরঃ অশুদ্ধ।

(গ) “এরূপ প্রত্যাশা করিতে তাহার লজ্জাবোধ হইতে লাগিল”।

উত্তরঃ শুদ্ধ।

(ঘ) ডাক্তারবাবু আনন্দমনে জানাইলেন, অবস্থা বড়োই খারাপ।

উত্তরঃ অশুদ্ধ।

৪। ভাববিষয়ক অনুশীলন:

(ক) অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য প্রশ্ন:

১। ‘ছুটি’ গল্পের লেখক কে?

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পের লেখক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২। ‘ছুটি গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম উল্লেখ করো।

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম ফটিক চক্রবর্তী।

৩। ‘ছুটি’ গল্পটি লেখকের কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পটি লেখকের ‘গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থের অন্তর্গত।

৪। ফটিকের মামার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ ফটিকের মামার নাম ছিল বিশ্বম্ভরবাবু।

৫। বালকদের সর্দার কে ছিল?

উত্তরঃ বালকদের সর্দার ছিল ফটিক চক্রবর্তী।

৬। ফটিকের মামা ফটিককে কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ফটিকের মামা ফটিককে কলকাতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।

৭। ফটিকের বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ ফটিকের বয়স মাত্র তেরো কি চৌদ্দ ছিল।

৮। ফটিকের মামা ফটিককে কখন ওর মায়ের কাছে নিয়ে যাবেন বলে কথা দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ফটিকের মামা ফটিককে স্কুলের পূজার ছুটি হলে (কার্তিক মাসে) ওর মায়ের কাছে নিয়ে যাবেন বলে কথা দিয়েছিলেন।

৯। মাখনলাল এবং ফটিকের মধ্যে কী সম্পর্ক ছিল?

উত্তরঃ মাখনলাল ছিল ফটিকের কনিষ্ঠ বা ছোটভাই।

১০। ফটিক মাখনলালকে চড় মেরেছিল কেন?

উত্তরঃ মাখনলাল মায়ের কাছে মিথ্যা করে বলেছিল যে ফটিক তাকে মেরেছে। এই মিথ্যা কথা বলার জন্য ফটিক মাখনলালকে চড় মেরেছিল।

১১। বিশ্বম্ভরবাবুর কয়টি সন্তান ছিল?

উত্তরঃ বিশ্বম্ভরবাবুর তিনটি ছেলে ছিল।

(খ) সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য প্রশ্ন:

১। “মামা, মার কাছে কবে যাব?” উক্তিটি কার? কখন, কাকে এই উক্তি করা হয়েছে?

উত্তরঃ উক্তিটি ফটিক চক্রবর্তীর। কলকাতায় মামার বাড়িতে মামির স্নেহশূন্য আচরণে এবং ঘরের মধ্যে আটকা পড়ে যখন সে গ্রামের স্বাধীনতার জন্য হাঁফিয়ে উঠেছিল, তখন একদিন অনেক সাহস করে সে তার মামা বিশ্বম্ভরবাবুকে এই উক্তিটি করেছিল।

২। ফটিকের মামা কোথায় কী করতেন?

উত্তরঃ ফটিকের মামা বিশ্বম্ভরবাবু বহুদিন ধরে পশ্চিমে (কলকাতার বাইরে) কাজ করতেন।

৩। ফটিকের প্রতি ওর মামির ব্যবহার কীরূপ ছিল?

উত্তরঃ ফটিকের প্রতি ওর মামির ব্যবহার ছিল স্নেহশূন্য, বিরাগপূর্ণ ও তাচ্ছিল্যের। তিনি ফটিকের আগমনকে ‘অনাবশ্যক পরিবার বৃদ্ধি’ এবং ফটিককে একটা ‘দুরগ্রহের’ মতো মনে করতেন। ফটিক কোনো কাজ করতে চাইলেও তিনি তাকে নিরুৎসাহিত করে দূরে সরিয়ে দিতেন।

৪। মা, ফটিককে কেন ওর মামার সঙ্গে কলকাতায় পাঠিয়ে দিলেন, তা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ ফটিক ছিল অত্যন্ত অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খল এবং পড়ালেখায় অমনোযোগী। তার মা তার এই উচ্ছৃঙ্খলতায় জ্বালাতন হয়ে গিয়েছিলেন এবং সব সময় ভয় পেতেন যে সে তার ছোট ভাই মাখনকে কোনো গুরুতর ক্ষতি করবে। তাই যখন দাদা বিশ্বম্ভরবাবু ফটিককে কলকাতায় নিয়ে গিয়ে শিক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব করেন, তখন ফটিকের মা সহজেই এই প্রস্তাবে সম্মত হন।

৫। ফটিক মাখনলালকে সশব্দে চড় মেরেছিল কেন—বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ বালকদের খেলার পর মাখন কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে মায়ের কাছে নালিশ করে যে ফটিক তাকে মেরেছে। ফটিক যখন তার মাকে বলল যে সে মারেনি, তখন মা মাখনকে জিজ্ঞেস করলে মাখন মিথ্যা করে তার পূর্বের নালিশের সমর্থন করে। ফটিকের কাছে মিথ্যা কথা বলাটা অসহ্য বোধ হওয়ায় সে ক্রোধে দ্রুত গিয়ে মাখনকে সশব্দে এক চড় কষিয়ে দেয়।

৬। নদীতীরে বালকদের খেলা বন্ধ হয়ে গেল কেন?

উত্তরঃ নদীর তীরে শালকাঠ গড়ানোর খেলায় ফটিকের ছোটভাই মাখনলাল কাঠের গুঁড়ির উপর বসেছিল। ফটিকের দল গুঁড়িসমেত কাঠ গড়াতে শুরু করলে মাখন ভূমিসাৎ হয়ে যায়। এরপর মাখন রেগে গিয়ে ফটিকের উপর অন্ধভাবে মারামারি করে এবং কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে যায়। ফলে বালকদের সেই খেলাটি ভেঙে গেল।

৭। ফটিকের মামা এতদিন কোথায় ছিলেন?

উত্তরঃ ফটিকের মামা বিশ্বম্ভরবাবু দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমে কাজ করতে গিয়েছিলেন।

৮। কোন অবস্থায় ফটিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থতার কারণ লেখো।

উত্তরঃ মামার বাড়িতে চূড়ান্ত অনাদর, স্কুলে বই হারিয়ে মাস্টারের অপমান এবং মামির তাচ্ছিল্যের কারণে ফটিক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। একদিন তার মাথা ব্যথা ও গা সির্ সির্ করার মধ্য দিয়ে জ্বরের শুরু হয়। পরদিন ভোরে সে মায়ের কাছে যাওয়ার জন্য কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে এবং সারাদিন ধরে শ্রাবণের অবিশ্রান্ত মূষলধারে বৃষ্টিতে ভিজে যায়। এর ফলেই তার প্রবল জ্বর ও গুরুতর ব্যামো বা রোগ হয়।

৯। ফটিকের মাকে কেন বিশ্বম্ভরবাবু কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন? মা এসে কী করলেন?

উত্তরঃ ফটিকের জ্বর চরম আকার ধারণ করলে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে ডাক্তার চিন্তিত হন। মৃত্যুশয্যায় ফটিক যখন ফ্যাল ফ্যাল করে মায়ের প্রত্যাশায় ঘরের দিকে তাকাচ্ছিল, তখন বিশ্বম্ভরবাবু তার মনের ভাব বুঝতে পেরে তার মাকে শেষবারের মতো তাকে দেখতে আসার জন্য কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন। মা এসে ঝড়ের মতো ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে উচ্চ কলরবে শোক করতে লাগলেন। বিশ্বম্ভরবাবুর অনুরোধে শোকোচ্ছ্বাস নিবৃত্ত হলে তিনি শয্যার ওপর আছাড় খেয়ে পড়েন এবং উচ্চৈঃস্বরে ‘ফটিক, সোনা, মানিক আমার’ বলে তাকে ডাকতে থাকেন।

১০। “ফটিক তোর মাকে আনতে পাঠিয়েছি।” উক্তিটি কার? কখন কেন এই উক্তির অবতারণা?

উত্তরঃ উক্তিটি বিশ্বম্ভরবাবুর।

ফটিকের জ্বর ভীষণ বেড়ে গেলে ফটিক সারারাত প্রলাপ বকতে থাকে। বিশ্বম্ভরবাবু রুমালে চোখ মুছে সস্নেহে ফটিকের শীর্ণ তপ্ত হাতখানি তার নিজের হাতের উপর তুলে নিয়ে তার কাছে এসে বসেন। পরদিন বিশ্বম্ভরবাবু তার মনের ভাব বুঝতে পেরে তার কানের কাছে মুখ নত করে মৃদুস্বরে বললেন, “ফটিক তাের মাকে আনতে পাঠিয়েছি।

Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]

S.L. No.Group – A সূচীপত্র
পাঠ – ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ – ২খাই খাই
পাঠ – ৩ধূলামন্দির
পাঠ – ৪কবর
পাঠ – ৫মনসামঙ্গল
পাঠ – ৬প্রত্যুপকার
পাঠ – ৭ছুটি
পাঠ – ৮ডাইনী
পাঠ – ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ – ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ – ১১লড়াই
পাঠ – ১২আমরা
পাঠ – ১৩আগামী
পাঠ – ১৪আত্মকথা
পাঠ – ১৫ভারতবর্ষ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top