SEBA Class 9 Bengali Chapter 14 আত্মকথা

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 9 Bengali Chapter 14 আত্মকথা Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 14 আত্মকথা Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 14 আত্মকথা Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 9 Bengali Chapter 14 আত্মকথা

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দিদিমার নাম কী ছিল? (সঠিক উত্তর নির্বাচন করো)

(ক) মেনকাসুন্দরী।।

(খ) অলকাসুন্দরী।

(গ) সারদাসুন্দরী।

(ঘ) দিগম্বরী।

উত্তরঃ (খ) অলকাসুন্দরী।

২। ব্রজবাবু কে?

উত্তরঃ ব্রজবাবু ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যাঠতুতো ভাই (জ্যেষ্ঠতাত-পুত্র)।

৩। দেবেন্দ্রনাথের প্রথম গানটি কী ছিল লেখো।

উত্তরঃ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম গানটি হলো— “হবে, কি হবে দিবা-আলোকে, জ্ঞান বিনা সব অন্ধকার”।

8। তোমার জ্ঞাত একটি চাণক্য শ্লোক উল্লেখ করো।

যেমন- বৃত্তেন রক্ষ্যতে ধর্মো বিদ্যা যোগেন রক্ষ্যতে। সুনীত্যা রক্ষ্যতে রাজা সগৃহীণ্যা তথা কুলম্।।

উত্তরঃ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর বাল্যকাল থেকেই চাণক্যের শ্লোকগুলোর প্রতি অত্যন্ত অনুরাগী ছিলেন এবং তিনি সেগুলো অত্যন্ত যত্ন সহকারে মুখস্থ করতেন। 

একটি প্রসিদ্ধ চাণক্য শ্লোক নিচে দেওয়া হলো:

“উৎসবে ব্যসনে চৈব দুর্ভিক্ষে রাষ্ট্রবিপ্লবে। রাজদ্বারে শ্মশানে চ য তিষ্ঠতি স বান্ধবঃ।।”

৫। দেবেন্দ্রনাথের বাড়িতে যে সভাপণ্ডিত ছিলেন তাঁর নাম কী? (সঠিক উত্তর নির্বাচন করো)

(ক) দেবকান্ত চূড়ামণি।

(খ) শ্যামাচরণ।

(গ) ব্রজবাবু।

(ঘ) কমলাকান্ত চূড়ামণি।

উত্তরঃ (ঘ) কমলাকান্ত চূড়ামণি।

৬। কমলাকান্ত চূড়ামণির বাড়ি কোথায় ছিল?

উত্তরঃ কমলাকান্ত চূড়ামণির বাড়ি ছিল বাঁশবেড়িয়াতে।

৭। চূড়ামণির পুত্রের নাম ছিল- (সঠিক উত্তর নির্বাচন করো)

(ক) শ্যামাচরণ।

(খ) বরদাচরণ।

(গ) কালীচরণ।

(ঘ) ব্রজগোপাল।

উত্তরঃ (ক) শ্যামাচরণ।

৮। দশটি বাক্যে লেখো।

ধৌম্য ঋষি কে? তাঁর সম্পর্কে যা জান লেখো।

উত্তরঃ ধৌম্য ঋষি সম্পর্কে দশটি বাক্যে বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:

১। ধৌম্য ঋষি ছিলেন মহর্ষি দেবলের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

২। উৎকোচক তীর্থে পাণ্ডুপুত্র অর্জুনের সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল।

৩। অর্জুনের বিশেষ প্রার্থনায় তিনি পাণ্ডবদের পৌরোহিত্যে ব্রতী হয়েছিলেন।

৪। যুধিষ্ঠিরের জন্য ময়দানব নির্মিত রাজসভায় উপস্থিত ঋষিদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

৫। লঙ্কা-সমর বিজয়ী রামচন্দ্রকে আশীর্বাদ করার জন্য তিনি অযোধ্যায় গমন করেছিলেন।

৬। তাঁর অপর নাম ছিল আয়োদধৌম্য।

৭। তিনি ছিলেন একজন আদর্শ ও কঠোর গুরু, যাঁর অন্যতম শিষ্য ছিলেন উপমন্যু।

৮। ধৌম্য ঋষি তাঁর শিষ্য উপমন্যুকে গোধন রক্ষার কাজে নিয়োগ করেছিলেন।

৯। শিষ্যের ভক্তি ও নিষ্ঠা যাচাই করার জন্য তিনি নানাভাবে উপমন্যুর পরীক্ষা নিয়েছিলেন।

১০। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আত্মকথা’ পাঠে ধৌম্য ঋষির উপাখ্যানে উপমন্যুর গভীর গুরুভক্তির কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।

৯। সঠিক উত্তর নির্বাচন করো।

(i) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম বলো।

(ক) মেঘনাথ।

(খ) রবীন্দ্রনাথ।

(গ) দ্বারকানাথ।

(ঘ) গগনেন্দ্রনাথ।

উত্তরঃ (গ) দ্বারকানাথ।

২। শ্যামাচরণ দেবেন্দ্রনাথকে পড়তে বলেছিলেন-

(ক) রামায়ণ।

(খ) মহাভারত।

(গ) ভাগবত।

(ঘ) পুরাণ।

উত্তরঃ (খ) মহাভারত।

৩। ‘তোমাদের ধর্মে মতি হউক’- এই কথাটি কোন গ্রন্থে আছে।

(ক) রামায়ণে।

(খ) ভাগবতে।

(গ) মহাভারতে।

(ঘ) গীতাঞ্জলিতে।

উত্তরঃ (গ) মহাভারতে।

১০। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

(ক) ‘ভালোই তো আমি তোমাকে পড়াইব’- উক্তটি কার?

উত্তরঃ এই উক্তিটি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ির সভাপণ্ডিত কমলাকান্ত চূড়ামণির।

(খ) ‘আমার পিতার মৃত্যু হইয়াছে,’- উক্তিটি কার?

উত্তরঃ এই উক্তিটি শ্যামাচরণের।

(গ) দেবেন্দ্রনাথ কীভাবে ঈশ্বরকে লাভ করতে চেয়েছেন?

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর অন্ধবিশ্বাসে নয়, বরং জ্ঞানের আলোকে ঈশ্বরকে লাভ করতে চেয়েছিলেন।

১১। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

(ক) ঈশ্বর লাভের জন্য দেবেন্দ্রনাথ কী কী করলেন?

উত্তরঃ ১৮১৭ সালে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ও দিগম্বরী দেবীর ঘরে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়। ১৮৩৮ সালে তাঁর দিদিমার মৃত্যু তাঁর মনে এক গভীর বৈরাগ্য ও বিষাদের জন্ম দেয়, যা তাঁকে জাগতিক সুখ ও ধন-সম্পদের প্রতি উদাসীন করে তোলে। শান্তি লাভের আশায় তিনি নির্জন বোটানিক্যাল গার্ডেনে সময় কাটাতেন এবং অন্ধবিশ্বাসের বদলে জ্ঞানের আলোয় ঈশ্বরকে খোঁজার পথ বেছে নেন। তিনি তাঁর বাড়ির পণ্ডিত কমলাকান্ত চূড়ামণির কাছে সংস্কৃত ব্যাকরণ শেখা শুরু করেন এবং পরে শ্যামাচরণের পরামর্শে মহাভারত পাঠে মনোনিবেশ করেন। মহাভারতের একটি শ্লোক— “তোমাদের ধর্মে মতি হউক”— তাঁকে সত্যের পথে চলতে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। ঈশ্বরতত্ত্ব আলোচনার জন্য ১৮৩৯ সালে তিনি ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং উপনিষদ ও বিভিন্ন দর্শনশাস্ত্র অধ্যয়নের মাধ্যমে নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত করেন। তাঁর এই গভীর ধর্মনিষ্টা ও জ্ঞানসাধনার জন্য ব্রাহ্মসমাজ তাঁকে ‘মহর্ষি’ উপাধিতে ভূষিত করে।

(খ) কমলাকান্ত চূড়ামণির সঙ্গে দেবেন্দ্রনাথের সম্পর্ক কেমন ছিল?

উত্তরঃ কমলাকান্ত চূড়ামণি এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত নিবিড়, শ্রদ্ধাপূর্ণ এবং স্নেহময়। কমলাকান্ত চূড়ামণি ছিলেন দেবেন্দ্রনাথদের বাড়ির একজন সুপণ্ডিত ও তেজস্বী সভাপণ্ডিত, যিনি বালক দেবেন্দ্রনাথকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং দেবেন্দ্রনাথও তাঁকে পরম ভক্তি করতেন। তাঁদের এই শিক্ষক-ছাত্রের সম্পর্ক কেবল ব্যাকরণ বা শাস্ত্র শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা গভীর বিশ্বাস ও নির্ভরতায় রূপ নিয়েছিল। চূড়ামণি মহাশয় তাঁর মৃত্যুর আগে নিঃসঙ্কোচে নিজের পুত্র শ্যামাচরণের প্রতিপালনের ভার দেবেন্দ্রনাথের ওপর ন্যস্ত করেছিলেন এবং দেবেন্দ্রনাথও তাঁর শিক্ষকের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণে কোনো প্রশ্ন না করেই সেই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। মূলত, তাঁদের এই সম্পর্কটি ছিল পারস্পরিক সম্মান এবং স্নেহের এক অনন্য উদাহরণ যা দেবেন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক ও শিক্ষাজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]

S.L. No.Group – A সূচীপত্র
পাঠ – ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ – ২খাই খাই
পাঠ – ৩ধূলামন্দির
পাঠ – ৪কবর
পাঠ – ৫মনসামঙ্গল
পাঠ – ৬প্রত্যুপকার
পাঠ – ৭ছুটি
পাঠ – ৮ডাইনী
পাঠ – ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ – ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ – ১১লড়াই
পাঠ – ১২আমরা
পাঠ – ১৩আগামী
পাঠ – ১৪আত্মকথা
পাঠ – ১৫ভারতবর্ষ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top