SEBA Class 10 Science Chapter 4 কার্বন এবং ইহার যৌগ

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Science Chapter 4 কার্বন এবং ইহার যৌগ Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 4 কার্বন এবং ইহার যৌগ Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Science Chapter 4 কার্বন এবং ইহার যৌগ

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

কার্বন এবং ইহার যৌগ

TEXTUAL QUESTION ANSWER
প্রশ্নাবলী 1.1

1. কার্বন ডাই অক্সাইডের সংকেত CO₂। এটার ইলেকট্রন বিন্দু গঠন কি হবে?

উত্তরঃ কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) অণুতে কার্বন পরমাণুর যোজ্যতা ৪ এবং প্রতিটি অক্সিজেন পরমাণুর যোজ্যতা ২। তাই কার্বন পরমাণু দুটি অক্সিজেন পরমাণুর সাথে দুটি করে ইলেকট্রন যুগল ভাগ করে নিয়ে দ্বিবন্ধন গঠন করে।

ইলেকট্রন বিন্দু গঠনঃ

2. সালফারের একটি অণুর ইলেকট্রন বিন্দু গঠন কী হবে? সালফারের একটি অণু সালফারের ৪ টি পরমাণু দিয়ে গঠিত। (ইঙ্গিত: সালফারের পরমাণুগুলো বৃত্তাকারে একটি অন্যটির সঙ্গে যুক্ত)

উত্তরঃ সালফারের একটি অণু (S₄) চারটি সালফার পরমাণু দিয়ে গঠিত। পরমাণুগুলি বৃত্তাকারে একে অপরের সঙ্গে একক সমযোজী বন্ধনে যুক্ত থাকে।

ইলেকট্রন বিন্দু গঠনঃ

প্রশ্নাবলী 1.2

1. পেন্টেনের কতগুলো গঠন সমযোগী (structural isomer) আঁকতে পার?

উত্তরঃ পেন্টেন (C₅H₁₂)-এর ৩টি গঠন সমযোজী (structural isomer) আছে।

সেগুলি হলঃ

1. N-পেন্টেন: CH3–CH2–CH2–CH2–CH3

2. আইসো পেন্টেন (2-মিথাইল বিউটেন):

3. নিও পেন্টেন (2,2-ডাইমিথাইল প্রোপেন): 

2. কার্বনের কোন দুটো ধর্মের জন্যে আমরা অসংখ্য কার্বন যৌগ দেখতে পাই?

উত্তরঃ কার্বনের যে দুটি ধর্মের জন্য আমরা অসংখ্য কার্বন যৌগ দেখতে পাই, সেগুলি হল—

(i) ক্যাটিনেশন (Catenation): কার্বনের অন্য কার্বন পরমাণুর সঙ্গে বন্ধন সৃষ্টি করার এক অনন্য ক্ষমতা আছে, যার ফলে এটি বৃহৎ অণু গঠন করতে পারে । এই ধর্মকে ক্যাটিনেশন বলা হয়। এই ধর্মের কারণেই কার্বন পরমাণুগুলো নিজেদের মধ্যে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ সরল শৃঙ্খল, শাখা যুক্ত শৃঙ্খল অথবা বলয়াকৃতি বা বৃত্তাকার শৃঙ্খল গঠন করতে পারে।

(ii) কার্বনের চতুর্যোজ্যতা (Tetravalency): কার্বনের যোজ্যতা হলো ৪। এই ধর্মের কারণে কার্বন পরমাণু অন্য চারটি কার্বন পরমাণু অথবা অন্য কোনো একযোজী (monovalent) মৌলের (যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার বা ক্লোরিন) পরমাণুর সঙ্গে বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে।

মূলত এই ক্যাটিনেশন ধর্ম এবং চতুর্যোজ্যতার কারণেই প্রকৃতিতে অসংখ্য কার্বন যৌগ দেখা যায়।

3. সাইক্লোপেন্টেনের সংকেত এবং ইলেকট্রন বিন্দু গঠন কী হবে?

উত্তরঃ সংকেতঃ C₅H₁₀ 

সাইক্লোপেন্টেন অণুতে পাঁচটি কার্বন পরমাণু বৃত্তাকারে একক সমযোজী বন্ধনে যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি কার্বন পরমাণু দুটি করে হাইড্রোজেন পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত থাকে।

ইলেকট্রন বিন্দু গঠনঃ

4. নিম্নোক্ত যৌগগুলোর গঠন আঁকো-

(i) ইথানয়িক অ্যাসিড। 

উত্তরঃ সংকেতঃ CH3COOH

(ii) ব্রোমোপেন্টেন।

উত্তরঃ সংকেতঃ C5H11Br

(iii) বিউটানোন। 

উত্তরঃ সংকেতঃ C4H8O

(iv) হেক্সানল। 

উত্তরঃ সংকেতঃ C6H13OH

ব্রোমোপেপ্টেনের গঠন সমযোগী আছে কি?

ব্রোমোপেন্টেনের গঠন সমযোগী (Structural Isomers): হ্যাঁ, ব্রোমোপেন্টেনের গঠন সমযোগী আছে।

5. নিম্নোক্ত যৌগগুলাের নাম লেখ।

(i) CH₃-CH₂-Br

উত্তরঃ (i) ব্রোমইথেন। 

(ii) মিথানল। 

(iii) হেক্সেন।

প্রশ্নাবলী 1.3

1. ইথানলকে ইথানয়িক অ্যাসিডে পরিবর্তনকে জারণ-প্রক্রিয়া বলা হয় কেন?

উত্তরঃ ইথানলকে ইথানয়িক অ্যাসিডে পরিবর্তনের সময় ইথানল অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এই প্রক্রিয়ায় ইথানল অণুতে অক্সিজেন যুক্ত হয় এবং হাইড্রোজেন অপসারিত হয়। কোনো পদার্থে অক্সিজেনের সংযোজন বা হাইড্রোজেনের অপসারণ ঘটলে তাকে জারণ বলা হয়। তাই ইথানলকে ইথানয়িক অ্যাসিডে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে জারণ-প্রক্রিয়া বলা হয়।

2. ওয়েল্ডিং কার্য্যে বা ধাতু জোড়া দেওয়ার কাজে অক্সিজেন এবং ইথাইনের মিশ্রনের দহন করা হয় কিন্তু ইথাইন এবং বায়ুর মিশ্রন কেন ব্যবহার করা হয় না?

উত্তরঃ ইথাইন একটি অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন এবং অসম্পৃক্ত যৌগগুলো বাতাসের উপস্থিতিতে দহন করলে অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে প্রচুর পরিমাণে কালো ধোঁয়াযুক্ত হলুদ শিখা উৎপন্ন করে। বায়ুতে অক্সিজেনের পরিমাণ সীমিত থাকায় ইথাইনের অসম্পূর্ণ দহন ঘটে এবং এর ফলে পর্যাপ্ত তাপ উৎপন্ন হয় না। কিন্তু ইথাইনকে যখন বিশুদ্ধ অক্সিজেনের সঙ্গে মেশানো হয়, তখন তার সম্পূর্ণ দহন ঘটে এবং অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার একটি স্বচ্ছ নীল শিখা উৎপন্ন হয়। ধাতু গলিয়ে জোড়া দেওয়ার জন্য এই উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় বলেই ওয়েল্ডিংয়ের কাজে বায়ুর পরিবর্তে অক্সিজেন ও ইথাইনের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নাবলী 1.4

1. পরীক্ষাদ্বারা কীভাবে এলকোহল এবং কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের মধ্যে পার্থক্য দেখাবে?

উত্তরঃ পরীক্ষাদ্বারা অ্যালকোহল এবং কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের মধ্যে পার্থক্য:

বিষয়এলকোহলকার্বক্সিলিক অ্যাসিড
ব্যবহৃত পদার্থসোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বোনেট (NaHCO₃)সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বোনেট (NaHCO₃)
বিক্রিয়াকোনো বিক্রিয়া হয় নাবিক্রিয়া ঘটে
পর্যবেক্ষণবুদবুদ দেখা যায় নাবুদবুদ দেখা যায়
উৎপন্ন গ্যাসগ্যাস উৎপন্ন হয় নাকার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) উৎপন্ন হয়
সিদ্ধান্তএলকোহলকার্বক্সিলিক অ্যাসিড

2. জারক দ্রব্য কাকে বলে?

উত্তরঃ যে পদার্থ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থে অক্সিজেন যোগ করে বা হাইড্রোজেন অপসারণ করে এবং নিজে বিজারিত হয়, তাকে জারক দ্রব্য বলে।

প্রশ্নাবলী 1.5

1. ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে তুমি কি পরীক্ষা করতে পারবে যে জল খর কি না?

উত্তরঃ না, ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে জল খর কি না তা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। ডিটারজেন্টের আয়নযুক্ত প্রান্তগুলো খরজলে উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম লবণের আয়নের সঙ্গে কোনো অদ্রবণীয় অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে না। ডিটারজেন্ট খর জল এবং মৃদু জল—উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে ফেনা উৎপন্ন করে এবং কোনো ‘ঘি’ বা ‘দই’-এর মতো গাদ (scum) তৈরি করে না। যেহেতু উভয় প্রকার জলেই ডিটারজেন্ট একই রকম বিক্রিয়া দেখায়, তাই এটি ব্যবহার করে জলের খরতা নির্ণয় করা যায় না।

2. জামাকাপড় ধোওয়ার জন্য লোকে নানা প্রকার পদ্ধতি ব্যবহার করে। সাবান লাগানোর পর তারা ওগুলোকে পাথরের উপর আঁছড়ে দেয়, কাঠের টুকরা দিয়ে পেটায়, ব্রাশ দিয়ে ঘষে বা ওয়াশিং মেশিনে (কাপড় ধোয়া যন্ত্রে) মিশ্রণটিকে সজোরে নাড়ায়। জামাকাপড় পরিষ্কার করতে এরূপ কার্য্যের প্রয়োজন কী?

উত্তরঃ জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহারের সময় এই ধরণের যান্ত্রিক কার্য্যের প্রয়োজন হয় কারণ অধিকাংশ ময়লাই সাধারণত তৈলাক্ত হয় এবং তেল জলে অদ্রবণীয়। সাবানের অণুগুলো তৈলাক্ত ময়লার চারদিকে ‘মাইছেল’ (micelles) নামক কণা পুঞ্জ বা গুচ্ছ গঠন করে। এই মাইছেলের হাইড্রোকার্বন প্রান্তটি তৈলাক্ত ময়লার দিকে থাকে এবং আয়নীয় প্রান্তটি জলের দিকে থাকে। এর ফলে তৈলাক্ত ময়লা একটি অবদ্রব (emulsion) তৈরি করে। জামাকাপড়ের তন্তু বা সুতোর সঙ্গে লেগে থাকা এই তৈলাক্ত ময়লাসহ মাইছেলগুলোকে পুরোপুরি আলগা করে সরিয়ে দেওয়ার জন্য এবং জলের সাহায্যে ধুয়ে ফেলার জন্য সজোরে নাড়ানো, ব্রাশ দিয়ে ঘষা বা পেটনোর মতো যান্ত্রিক বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয়।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top