SEBA Class 10 Social Science Chapter 1 বঙ্গ বিভাজন ও স্বদেশী আন্দোলন

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Social Science Chapter 1 বঙ্গ বিভাজন ও স্বদেশী আন্দোলন Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Social Science Chapter 1 বঙ্গ বিভাজন ও স্বদেশী আন্দোলন Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Social Science Chapter 1 বঙ্গ বিভাজন ও স্বদেশী আন্দোলন Solutions We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Social Science Chapter 1 বঙ্গ বিভাজন ও স্বদেশী আন্দোলন

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Social Science Solutions For Class 10 SEBA. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

বঙ্গ বিভাজন ও স্বদেশী আন্দোলন

অতি সংক্ষেপে উত্তর দাও:

১। বঙ্গ বিভাজন কোন ভাইসরয়ের শাসনকালে সংঘটিত হয়েছিল?

উত্তরঃ লর্ড নাথানিয়েল কার্জনের শাসনকালে।

২। ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের কোন তারিখে বঙ্গ বিভাজন কার্য সংঘটিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১৬ অক্টোবর।

৩। বিদেশী পণ্য বর্জনের প্রস্তাব কোন সভায় গৃহীত হয়েছিল?

উত্তরঃ কলকাতার কাসিম বাজারের টাউন হলে অনুষ্ঠিত জনসভায়।

৪। স্বদেশী আন্দোলনের সময় ‘যুগান্তর’ নামক সংবাদপত্র কে সম্পাদনা করেছিলেন?

উত্তরঃ ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।

৫। বঙ্গদেশে ‘জাতীয় শিক্ষা পরিষদ’ নামক অনুষ্ঠান কখন গঠিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৯০৬ সালের ১১ মার্চ।

৬। ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’ নামক শিল্প-প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?

উত্তরঃ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।

৭। কার পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে ভারতীয়দের জন্য ‘স্বরাজ’ দাবি করে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল?

উত্তরঃ দাদাভাই নৌরজি।

৮। বঙ্গদেশকে কখন একীকৃত করা হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর।

সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:

১। বঙ্গ বিভাজনের ফলে সৃষ্টি হওয়া ‘পূর্ববঙ্গ ও অসম’ নামক প্রদেশটির সঙ্গে সংলগ্ন বঙ্গদেশের প্রধান তিনটি ভৌগোলিক অঞ্চলের নাম উল্লেখ করো।

উত্তরঃ বঙ্গ বিভাজনের ফলে ‘পূর্ববঙ্গ ও অসম’ নামক নতুন প্রদেশের সঙ্গে সংলগ্ন বঙ্গদেশের তিনটি প্রধান ভৌগোলিক অঞ্চল হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী।

২। বঙ্গ বিভাজনের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গ বিভাজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ঐক্যবদ্ধ বাঙালি জাতিকে বিভক্ত করে জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করা। লর্ড কার্জন হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে হিন্দু বাঙালিদেরকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করতে চেয়েছিলেন এবং মুসলমানদেরকে নিজেদের প্রতি অনুগত করতে চেয়েছিলেন।

৩। বঙ্গ বিভাজন বিরোধী আন্দোলন কেন ‘স্বদেশী আন্দোলন’ নামে পরিচিত হল?

উত্তরঃ বঙ্গভঙ্গের প্রতিক্রিয়ায় জনগণ বিদেশী পণ্য বর্জন এবং নিজেদের দেশে উৎপাদিত স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। জনসভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর থেকেই এই আন্দোলন ‘স্বদেশী আন্দোলন’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

৪। স্বদেশী আন্দোলন জাতীয় শিক্ষা ক্ষেত্রে যে অবদান রেখেছে সে-বিষয়ে আলোচনা করো।

উত্তরঃ স্বদেশী আন্দোলন ভারতের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। সরকার যখন ছাত্রদেরকে আন্দোলন থেকে বিরত রাখার জন্য কার্লাইল নোটিস জারি করে, তখন এর প্রতিবাদে ছাত্ররা শ্রেণি বর্জন করে। এরপর বিপিনচন্দ্র পাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও আব্দুল রসুলের মতো নেতারা ছাত্রদেরকে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছেড়ে জাতীয় শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। এর ফলস্বরূপ ‘অ্যান্টি-সার্কুলার সোসাইটি’ গঠিত হয়। এই সময়ে সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ‘ডন সোসাইটি’ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে ‘বঙ্গ জাতীয় বিদ্যালয়’ (Bengal National School) প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ‘জাতীয় শিক্ষা পরিষদ’ এবং ‘বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট’ (যা পরবর্তীকালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত হয়) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় পাটন্যায় ‘বিহার বিদ্যাপীঠ’, মহারাষ্ট্রে ‘সমর্থ বিদ্যালয়’ এবং গুজরাটে ‘গুজরাট বিদ্যালয়’ এর মতো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও গড়ে ওঠে।

৫। স্বদেশী আন্দোলনের সময় বঙ্গদেশের জাতীয় শিল্পের বিকাশ কীভাবে সম্ভবপর হয়েছিল আলোচনা করো।

উত্তরঃ স্বদেশী আন্দোলনের ফলে জাতীয় শিল্পের বিকাশ সম্ভব হয়েছিল কারণ এই আন্দোলন আত্মশক্তির বিকাশের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল। স্বদেশী পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বিভিন্ন কুটির শিল্প এবং বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠা করেন ‘স্বদেশী ভাণ্ডার’ যা সেরা বস্ত্র প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। এই সময়েই যোগেশচন্দ্র চৌধুরী এবং কৃষ্ণবিহারী সেনের প্রচেষ্টায় ‘ইন্ডিয়ান স্টোরস’ এবং সরলা দেবীর উদ্যোগে ‘লক্ষ্মী ভাণ্ডার’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়াও, নীলরতন সরকারের প্রচেষ্টায় ‘বঙ্গলক্ষ্মী কটন মিল’ এবং আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’ এর মতো বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। এই সময়ে জামসেদজি টাটা একটি বিখ্যাত লৌহ শিল্প কারখানা স্থাপন করেছিলেন। এভাবে স্বদেশী আন্দোলন শিল্প ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।

৬। স্বদেশী আন্দোলন দমন করার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সরকার কী কী আন্দোলন-বিরোধী কার্যসূচি গ্রহণ করেছিল?

উত্তরঃ স্বদেশী আন্দোলন দমন করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন আন্দোলন-বিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। তারা কংগ্রেসের উদারপন্থী নেতাদেরকে বিভিন্ন উপাধি, পদক ও পদ প্রদান করে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করে এবং বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনায় তাদের সমর্থন আশা করে।

৭। স্বদেশী আন্দোলনের তিনটি ফলাফল উল্লেখ করো।

উত্তরঃ স্বদেশী আন্দোলনের তিনটি প্রধান ফলাফল হলো:

জাতীয় সাহিত্য ও শিল্পের বিকাশ: এই সময়ে রচিত বিভিন্ন সাহিত্য ও শিল্পকর্ম দেশাত্মবোধকে জাগিয়ে তোলে।

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্মেষ: সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বর্জনের প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল।

স্বদেশী শিল্পের বিকাশ: স্বদেশী পণ্যের চাহিদা বাড়ার ফলে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল এবং ভারতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছিল।

৮। স্বদেশী আন্দোলনের তিনটি অবদান উল্লেখ করো।

উত্তরঃ স্বদেশী আন্দোলনের তিনটি প্রধান অবদান হলো:

গণ-আন্দোলনের শিক্ষা: এই আন্দোলন জনগণকে রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত করে তুলেছিল এবং শিখিয়েছিল যে গণ-সংগ্রামের মাধ্যমেই জয়ী হওয়া সম্ভব।

জাতীয় কংগ্রেসের কর্মপন্থার পরিবর্তন: স্বদেশী আন্দোলন জাতীয় কংগ্রেসের চিন্তাধারায় পরিবর্তন এনেছিল। কংগ্রেসের মধ্যে এই ধারণা জন্ম নেয় যে একমাত্র গণ-সংগ্রামের মাধ্যমেই উন্নতি সম্ভব।

অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা: এই আন্দোলন বিদেশী পণ্য বর্জন এবং স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের অর্থনীতি ও শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো:

১। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উত্তরঃ বঙ্গ বিভাজন বিরোধী আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন । তিনি সমগ্র বঙ্গবাসীকে সাম্প্রদায়িক ঐক্য বজায় রাখার জন্য আহ্বান জানান এবং বাঙালির অখণ্ডতার প্রতীক হিসেবে রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপনের প্রস্তাব দেন। তিনি ‘বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, এক হোক হে ভগবান…’ গানটি রচনা করেন এবং হিন্দু-মুসলমান সকলের হাতে রাখি পরিয়ে ভ্রাতৃত্ববোধের মিলনসূত্র স্থাপন করেন। আন্দোলনের সময় তিনি প্রায় ২৩টি গান রচনা করেন, যার মধ্যে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতে পরিণত হয়। এছাড়াও, তিনি ‘ভাই ভাই এক ঠাঁই’ নামে একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ এবং ‘বঙ্গ জাতীয় বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন।

SEBA Class 10 Social Science Textual New Edition Updated

Sl. No.সূচিপত্র
Chapter – 1বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন
Chapter – 2মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম
Chapter – 3অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Chapter – 4স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ
Chapter – 5ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Chapter – 6অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ
Chapter – 7পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা
Chapter – 8পৃথিবীর ভূগোল
Chapter – 9অসমের ভূগোল
Chapter – 10ভারতীয় গণতন্ত্র
Chapter – 11আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Chapter – 12মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা
Chapter – 13অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top