AHSEC Class 11 Bengali Chapter 9 জুবিন গাৰ্গঃ এক কিংবদন্তি Question Answer As Per AHSEC New Syllabus. AHSEC Class 11 Bengali Chapter 9 জুবিন গাৰ্গঃ এক কিংবদন্তি Notes. AHSEC Board Class 11 Bengali MIL Zubeen Garg Ek Kingbodonti Solutions. We ensure that You can completely trust this content. AHSEC Class 11 Bengali Chapter 9 জুবিন গাৰ্গঃ এক কিংবদন্তি Question Answer. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
AHSEC Class 11 Bengali Chapter 9 জুবিন গাৰ্গঃ এক কিংবদন্তি
Today’s We have Shared in This Post AHSEC Class 11 Bengali Zubeen Garg Ek Kingbodonti Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Science Important Notes in Bengali. If you liked Class 11 Bengali Zubeen Garg Ek Kingbodonti Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
জুবিন গাৰ্গঃ এক কিংবদন্তি
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
আদর্শ প্রশ্ন:
১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন (প্রতিটি প্রশ্নের মূল্যাঙক: ১)
(ক) জুবিন গার্গের জন্ম কোন স্থানে হয়েছিল?
উত্তরঃ জুবিন গার্গের জন্ম মেঘালয়ের তুরা-য় হয়েছিল।
(খ) কপিল ঠাকুর কে?
উত্তরঃ ‘কপিল ঠাকুর’ নামের এক কবি, যাঁর প্রকৃত নাম মোহিনী মোহন বরঠাকুর, হলেন জুবিন গার্গের পিতা।
(গ) জুবিন গার্গের প্রথম গানের অ্যালবামটির নাম কী ছিল?
উত্তরঃ জুবিন গার্গের প্রথম গানের অ্যালবামটির নাম ছিল ‘অনামিকা’।
(ঘ) জুবিন গার্গের কণ্ঠে গীত ‘য়া আলি’ গানটি কোন চলচ্চিত্রের গান?
উত্তরঃ জুবিন গার্গের কণ্ঠে গীত ‘ইয়া আলি’ গানটি ‘গ্যাংস্টার’ চলচ্চিত্রের গান।
(ঙ) ‘জোনাক গলা জারর নিশা’ শীর্ষক জনপ্রিয় গানটির গীতিকার কে?
উত্তরঃ ‘জোনাক গলা জাবর নিশা’ শীর্ষক জনপ্রিয় গানটির গীতিকার হলেন তাঁর পিতা কপিল বরঠাকুর।
২। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (প্রতিটি প্রশ্নের মূল্যাঙক: ২/৩)
(ক) জুবিন গার্গের পিতা কেন তাঁর পুত্রের নাম ‘জুবিন’ রেখেছিলেন?
উত্তরঃ জুবিন গার্গের পিতা প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক জুবিন মেহতার নামেই তাঁর পুত্রের নাম জুবিন বরঠাকুর রাখেন।
(খ) কোন গানটির জন্য এবং কোন সালে জুবিন গাৰ্গ সম্মানীয় Global Indian Film Award (GIFA) লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ ২০০৬ সালে ‘গ্যাংস্টার’ চলচ্চিত্রে কণ্ঠদান করা ‘ইয়া আলি’ গানটির জন্য জুবিন গার্গ সম্মানীয় Global Indian Film Award (GIFA) লাভ করেছিলেন।
(গ) ‘সপোন’ নামের গানের অ্যালবামটি কোন দুই গায়কের শিল্পী প্রাণের অভিব্যক্তি?
উত্তরঃ ‘সপোন’ নামের গানের অ্যালবামটি জুবিন গার্গ এবং সুধাকণ্ঠ ভূপেন হাজারিকা—এই দুই খ্যাতিমান শিল্পীর যুগ্ম কীর্তি।
(ঘ) কবি হিসেবে জুবিন গার্গের পরিচয় সম্বন্ধে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ কণ্ঠশিল্পী, সুরকার এবং অভিনেতার পাশাপাশি জুবিন গার্গ নিজেকে একজন কবি হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কাব্য সংকলনের নাম হলো ‘শব্দ- অনুভূতি’। তিনি কেবল কবিতাই লেখেননি, ৫০০০-এরও বেশি গান তিনি নিজে রচনা করেছেন। সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি তাঁর লেখনীতে জীবনদর্শন এবং সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিবাচক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন।
(ঙ) জুবিন গার্গ প্রযোজিত শেষ চলচ্চিত্রটির নাম কী? চলচ্চিত্রটিতে মুখ্য চরিত্রের অভিনেতা এবং পরিচালকের নাম উল্লেখ করো।
উত্তরঃ জুবিন গার্গ প্রযোজিত শেষ চলচ্চিত্রটির নাম হলো ‘রৈ রৈ বিনালি’। এই চলচ্চিত্রটিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুবিন গার্গ নিজে এবং এটি ছিল তাঁর নিজেরই স্বপ্নের সৃষ্টি। জুবিন গার্গের ইচ্ছা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর তারিখে চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। তাঁর পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মতো এটিও তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য কাজ।
৩। দীর্ঘ প্রশ্ন (প্রতিটি প্রশ্নের মূল্যাঙক: ৪/৫)
(ক) অসমিয়া সংগীতের জগতে জুবিন গার্গের অবদান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ অসমিয়া সংগীত জগতের এক কিংবদন্তি হলেন জুবিন গার্গ। ১৯৯২ সালে ‘অনামিকা’ অ্যালবামের মাধ্যমে তাঁর সংগীত যাত্রা শুরু হয়। সংগীত জীবনের দীর্ঘ ৩৩ বছরে (১৯৯২-২০২৫) তিনি ৩৮,০০০-এরও বেশি গান গেয়ে শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন এবং প্রায় ৪০টিরও বেশি ভাষা ও উপভাষায় কণ্ঠ দিয়েছেন। তিনি কেবল কণ্ঠশিল্পীই নন, একাধারে সুরকার, গীতিকার এবং সংগীত পরিচালকও ছিলেন। তিনি নিজে ৫০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন।
১৯৯৫ সালে তাঁর কণ্ঠে গীত বিহু অ্যালবাম ‘উজান পীরিতি’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০৯ সালে ‘ইকোস অফ সাইলেন্স’ নামক নন-ফিচার চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালকের ৫৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। সুধাকণ্ঠ ভূপেন হাজারিকার সাথে তাঁর যুগ্ম সৃষ্টি ‘সপোন’ অ্যালবামটি অসমিয়া সংগীতের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন। যে সময়ে অসমিয়া জাতি নিজেদের গান ভুলে হিন্দি গানের প্রতি বেশি আকৃষ্ট ছিল, ঠিক সেই সন্ধিক্ষণে জুবিন গার্গই অসমিয়া আধুনিক গানকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় করে তোলেন। তাঁর এই বিশাল অবদানের জন্য তিনি অসমের সর্বাধিক পারিশ্রমিক প্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন।
(খ) অসমিয়া চলচ্চিত্র জগতে জুবিন গার্গের অবদান সম্পর্কে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা প্রস্তুত করো।
উত্তরঃ অসমিয়া চলচ্চিত্রের দুরবস্থার চিত্র দেখে জুবিন গার্গ এই শিল্পকে একটি শক্তিশালী উদ্যোগে রূপান্তরিত করার জন্য আমৃত্যু প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ২০০০ সালে তিনি ‘তুমি মোর মাথোঁ মোর’ চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা, পরিচালনা, অভিনয় এবং সংগীত পরিচালনা— সবই নিজে করার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে তাঁর বলিষ্ঠ পদার্পণ ঘটে। তাঁর পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘মিশন চায়না’ (২০১৭) এবং ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ (২০১৯)।
অভিনেতা হিসেবেও তিনি অত্যন্ত সফল ছিলেন এবং ‘প্রেম আরু প্রেম’ (২০০২), ‘দিনবন্ধু’ (২০০৪), ‘মন যায়’ (২০০৮), ‘রাজনীতি, খণ্ড-১’ (২০২২) ও ‘শিকার’ (২০২৪)-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এ ছাড়াও তিনি প্রায় ১৫টি চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনার কাজ করেছেন। তাঁর নিজের স্বপ্নের সৃষ্টি এবং প্রযোজিত শেষ চলচ্চিত্র ‘রৈ রৈ বিনালি’ অসমিয়া চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন এবং এটি দর্শকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে।
(গ) ‘জুবিন গাৰ্গ এবং মানবতাবাদ’ সম্বন্ধে এক টীকা লেখো।
উত্তরঃ শিল্পী সত্তার বাইরে জুবিন গার্গ ছিলেন প্রকৃত অর্থেই একজন মানবপ্রেমী এবং সমাজসেবক। তিনি নিজেকে একজন ‘সমাজতন্ত্রী’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। তিনি তাঁর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ কোনো বাছবিচার ছাড়াই অসংখ্য দরিদ্র ও আর্ত মানুষের চিকিৎসা, পড়াশোনা এবং আর্থিক অনটনের সময় অকাতরে বিলিয়ে দিতেন।
মঞ্চে গান গাওয়ার অবসরে তিনি মানুষের মাঝে জীবনদর্শন এবং অসমের সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতেন। কেবল মানুষই নয়, প্রকৃতি ও জীবজন্তুর প্রতিও তাঁর ছিল অগাধ ভালোবাসা। তিনি বিশ্বাস করতেন যে গাছেরও প্রাণ আছে এবং অনেক সময় তিনি গাছের সাথে কথাও বলতেন। আজীবন তিনি তাঁর শিশুসুলভ সরল মন বজায় রেখেছিলেন।
তাঁর এই নিঃস্বার্থ মানবসেবা এবং প্রকৃতিপ্রেম বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক আদর্শ স্বরূপ। এ ছাড়াও তিনি বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং সমাজকর্মীদের জন্য ছিলেন সাহস ও অনুপ্রেরণার উৎস এবং বিপদের দিনে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে বলতেন— “তোরা এগিয়ে যা, আমি আছি সঙ্গে”। তাঁর এই মানবিক গুণাবলি তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক অনন্য আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
(ঘ) অভিনেতা রূপে জুবিন গার্গের সম্বন্ধে এক সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।
উত্তরঃ কণ্ঠশিল্পী পরিচয়ের পাশাপাশি জুবিন গার্গ একাধারে একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। ২০০০ সালে তাঁর নিজের পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘তুমি মোর মাথোঁ মোর’-এর মাধ্যমে তিনি অভিনয় জগতে বলিষ্ঠ পদার্পণ করেন, যেখানে তিনি একাধারে প্রযোজনা, পরিচালনা, অভিনয় এবং সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অভিনেতা হিসেবে তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেম আরু প্রেম’ (২০০২), ‘দিনবন্ধু’ (২০০৪), ‘মন যায়’ (২০০৮), ‘রাজনীতি, খণ্ড-১’ (২০২২) এবং ‘শিকার’ (২০২৪)। তাঁর অভিনীত শেষ ছবি ছিল ‘রৈ রৈ বিনালি’, যা ছিল তাঁর নিজেরই স্বপ্নের সৃষ্টি এবং এতে তিনি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। জুবিন গার্গের এই বলিষ্ঠ অভিনয় দক্ষতা এবং চলচ্চিত্রের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা অসমীয়া সিনেমা জগতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel