Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 5 কৃপণ Question Answers As Per the New Syllabus. Students can easily browse the chapter-wise list to find the required questions and answers for Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 5 কৃপণ Notes. Here, you can also access HS 2nd Year Bengali MIL Important Solutions. You can also Download PDF for offline study.
Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 5 কৃপণ
AHSEC Class 12 Bengali MIL Additional Notes are useful for revision and exam preparation. Students can explore the HS 2nd Year Bengali Additional Solutions for all chapters to understand important topics, strengthen their knowledge, and prepare confidently for their final examinations.
কৃপণ
| Additional Question Answer |
১। ভিখারি কোথায় ভিক্ষা করছিল ?
উত্তরঃ ভিখারি গ্রামের পথে পথে ভিক্ষা করছিল ।
২। ভিখারি যখন ভিক্ষা করছিল তখন রাজভিখারি কোথায় ছিল ?
উত্তরঃ ভিখারি যখন ভিক্ষা করছিল তখন রাজভিখারি স্বর্ণরথে চড়ে যাচ্ছিলেন ।
৩। রাজভিখারিকে দেখে ভিখারির চোখে কেমন লেগেছিল ?
উত্তরঃ রাজভিখারিকে দেখে ভিখারির চোখে স্বপ্নের মতো লেগেছিল ।
৪। রাজভিখারি দেখতে কেমন ছিলেন ?
উত্তরঃ রাজভিখারি বিচিত্র শোভা ও সাজে সজ্জিত ছিলেন ।
৫। রাজভিখারিকে দেখে ভিখারির কী মনে হয়েছিল ?
উত্তরঃ রাজভিখারিকে দেখে ভিখারির মনে হয়েছিল কোনো মহারাজ । ভিখারিকে এখন আর পথে পথে ঘুরতে হবে না।
৬। রথ চলার সময় রাজা কী করবেন বলে ভিখারি ভেবেছিলেন ?
উত্তরঃ রথ চলার সময় রাজা পথের দুধারে ধন – ধান্য ছড়াবেন বলে ভিখারি ভেবেছিলেন ।
৭। ধন – ধান্য ছড়ালে ভিখারি কী করবে ?
উত্তরঃ ধন – ধান্য ছড়ালে ভিখারি তা মুঠো মুঠো দুহাতে কুড়িয়ে ঝোলায় ভর্তি করবে ।
৮। পথের ধারে যখন ভিখারি এই কথা ভাবছিল তখন কী হল ?
উত্তরঃ পথের ধারে যখন ভিখারি এই কথা ভাবছিল তখন রাজার রথ তার সামনে এসে দাঁড়ালো ।
৯ । রাজা ভিখারির সামনে এসে কী করলেন ?
উত্তরঃ রাজা ভিখারির সামনে এসে হাত বাড়িয়ে বললেন – আমায় কিছু দাও গো ‘ ।
১০। রাজা ভিক্ষা চাওয়াতে ভিখারির মনের অবস্থা কী হয়েছিল ?
উত্তরঃ রাজা ভিক্ষা চাওয়াতে ভিখারির মনে হয়েছিল রাজা তার সঙ্গে কৌতুক করে প্রবঞ্চনা করছেন ।
১১। ভিখারি রাজাকে কি দিল ?
উত্তরঃ ভিখারি রাজাকে থলি থেকে শস্য কণা দিল ।
১২। ভিখারি ভিক্ষা মাঝে কী দেখতে পেল ?
উত্তরঃ ভিখারি ভিক্ষা মাঝে একটি ছোট্ট সোনার কণা দেখতে পেল ।
১৩। ভিখারি কেন কেঁদেছিল ?
উত্তরঃ ভিখারি কেঁদেছিল এই ভেবে যে সে সকল কিছু শূণ্য করে রাজাকে কেন দেয়নি ।
১৪। ‘ কৃপণ ’ কবিতায় আমি বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ?
উত্তরঃ ‘ কৃপণ ’ কবিতায় আমি বলতে ভিখারিকে বোঝানো হয়েছে ।
১৫। সামনে মহারাজকে দেখতে পেয়ে ভিখারির মনে কোন আশা জেগেছিল ? কেন ?
উত্তরঃ সামনে মহারাজকে দেখতে পেয়ে ভিখারির মনে আশা জেগেছিল নিজেকে সৌভাগ্যবান ভেবে । তাকে আর পথে পথে ঘুরে ভিক্ষা করে বেড়াতে হবে না । কারণ রাজা পথের দুধারে ধন – ধান্য ছড়িয়ে দেবেন আর ভিখারি দুহাতে মুঠো মুঠো করে তা ঝুলিতে ভর্তি করবে । তবে তার দুঃখের দিন অবসান হবে ।
১৬। রাজা ভিখারির সামনে এসে কী করলেন ?
উত্তরঃ রাজা রথে চজেড ভিখারির সামনে এসে দাড়িয়েছেন । ভিখারির মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি মৃদু হেসে রথ থেকে নামলেন । এরপর ভিখারির সামনে এসে ভিখারির কাছে হাত পেতে ‘ আমায় কিছু দাও গো’ বলে ভিখারিকে অবাক করে দিলেন ।
১৭। ভিক্ষা মাঝে সোনার কণা দেখে ভিখারির কি অনুভূতি হয়েছিল ?
উত্তরঃ ভিক্ষা মাঝে সোনার কণা দেখে ভিখারির মনে হয়েছিল , সামান্য একটা শস্য কণার পরিবর্তে সে সোনার কণা পেয়েছে আর যদি সে সম্পূর্ণ শূণ্য করে দিত তাহলে সে বোঝা ভর্তি সোনা পেত । অর্থাৎ ভিখারি বুঝতে পারল যে রাজভিখারি আসলে স্বয়ং ঈশ্বর । ভিখারি আক্ষেপ করে ক্রন্দন করতে লাগল যে সকল শূণ্য করে কেন সে ঈশ্বরকে দান দিল না ।
১৮। ভিখারি ও রাজভিখারির চরিত্র দুটির মধ্য দিয়ে কবি আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন ?
উত্তরঃ ভিখারি ও রাজভিখারি চরিত্র দুটির অন্তরালে কবি জীবাত্মা ও পরমাত্মার চরিত্র ধর্মকেই ফুটিয়ে তুলেছেন । ভিখারি এখানে জীবাত্মার প্রতীক এবং রাজভিখারি হল পরমাত্মার প্রতীক । জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যে এক গভীর আত্মিক সংযোগ রয়েছে । জীবাত্মা পরমাত্মার কাছে অনবরত চাইতেই থাকে নিজের সমস্ত সঞ্চয় করে রেখে । কিন্তু পরমাত্মাও জীবাত্মার কাছে চান , জীবাত্মার ভক্তি তার নিঃস্বার্থ সমর্পণ। তবেই পরমাত্মা জীবাত্মাকে শান্তি ও মুক্তি দিয়ে থাকেন । কবিতাটিতে রাজভিখারি পরমাত্মার প্রতীক তিনি ভিখারির কাছ থেকে যা চেয়েছিলেন কিন্তু ভিখারি কৃপণ বলে প্রকৃত অর্থ বুঝতে না পেরে ভিক্ষালব্ধ সামগ্রীর ক্ষুদ্রতম কণাই দান করেছে এবং পরিবর্তে সে ক্ষুদ্রকণা স্বর্ণই লাভ করেছে ।
১৯। ব্যাখ্যা করোঃ
( ক ) “ তোমার কিবা অভাব আছে ভিখারি ভিক্ষুকের কাছে । ”
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘ কৃপণ ’ কবিতা থেকে গৃহিত হয়েছে । কবি এখানে রূপকের আশ্রয়ে ভক্ত এবং ভগবানের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন । একবার এক গ্রামের পথে এক ভিক্ষুক ও এক রাজভিখারির সাক্ষাৎ হয় । রাজভিখারি স্বর্ণরথে বেড়িয়েছিল আর ভিখারি ভিক্ষা করে ফিরছিল । রাজভিখারি বিচিত্র শোভা দেখে ভিখারি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল । ভিখারি ভেবেছিল তার দুঃখের দিন অবসান হয়েছে , রাজভিখারি সমস্ত ধন ধান্য পথের দুধারে ছড়িয়ে দেবেন আর ভিখারি তা মুঠো মুঠো করে ঝুলিতে ভর্তি করবে । কিন্তু প্রবল প্রত্যাশী ভিখারি অবাক হয়ে যায় যখন স্বয়ং রাজবেশি রাজভিখারি ভিখারির সামনে এসে দাড়ায় ও হাত পেতে ভিখারির কাছে ভিক্ষা চান । তখন ভিখারি অবাক হয়ে যায় এই ভেবে যে , ভিখারি ভিক্ষুকের কাছে রাজাধিরাজের কী চাওয়া থাকতে পারে । তিনি স্বয়ং ধন – ঐশ্বর্যের অধিকারী । তিনি হয়তো কৌতুক করে ভিখারির সঙ্গে প্রবঞ্চনা করছেন ।
এখানে রাজভিখারি আসলে স্বয়ং ঈশ্বর । আর ভিখারি হ’ল মানবাত্মার প্রতীক । ঈশ্বর ভক্তদের মনের বাঞ্ছা পূরণ করেন ভেবে মানব তাঁর পূজা অর্চনা করে থাকেন । কিন্তু ঈশ্বর আড়ম্বর চান না , ঈশ্বর চান , ভক্তের সম্পূর্ণ সমর্পন । তবেই ঈশ্বর ভক্তকে পূর্ণতা দান করেন । কিন্তু সামান্য মানব তা বুঝতে পারে না ফলে ঈশ্বরের পূর্ণতা থেকে বঞ্চিত হয়।
( খ ) “ তোমায় কেন দিই নি আমার সকল শূন্য করে ? ”
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিরচিত ‘ কৃপণ ’ কবিতা থেকে গৃহিত হয়েছে । রাজভিখারি ও ভিখারির চরিত্র দুটিতে রূপকের আড়ালে কবি জীবাত্মা ও পরমাত্মার প্রসঙ্গ এনেছেন ।
ঈশ্বর আসলে ভক্তদের থেকে আড়ম্বরপূর্বক কিছুই চান না , কিন্তু সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারে না । সাধারণ মানুষের ধারণা ঈশ্বরের পূজা অর্চনা করলেই ঈশ্বর সন্তুষ্ট হয়ে মানুষের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন । আসলে ঈশ্বর চান ভক্তের আকুতি , ভক্তের সমর্পণ । কিন্তু মানুষ তা নিঃস্বার্থভাবে তা করতে পারে না । ফলে ঈশ্বরের পূর্ণতা থেকে বঞ্চিত হয়।
কবিতাটিতে ভিখারির সঙ্গেও তাই হয়েছে । রাজভিখারি যখন ভিখারির কাছে ভিক্ষা চেয়েছে তখন ভিখারি কৃপণতা করে ঝুলি থেকে ক্ষুদ্র এক কণা শস্য দান করেছে । পরে গৃহে ফিরে এসে যখন ঝুলি উজার করে ভিক্ষালব্ধ সামগ্রী দেখছে তখন ভিখারি দেখতে পায় ভিক্ষার সামগ্রীতে এক ক্ষুদ্র স্বর্ণকণা তখন ভিখারি বুঝতে পারে ও অলৌকিক মহিমা একমাত্র স্বয়ং ঈশ্বরই করতে পারেন । তাই ভিখারি আক্ষেপ করে অশ্রুবরণ করে বলতে থাকে সে তার সমস্ত শূণ্য করে অর্থাৎ নিজেকে সমর্পণ কেন করল না । তবে সে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারত ।
( গ ) “ আমায় কিছুদাও গো ” বলে বাড়িয়ে দিলেম হাত – (অধ্যায় -১) পংক্তিটি কোন কবিতার ? কে , কার কাছে , কেন হাত পেতেছিল ?
উত্তরঃ পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ রচিত ‘ কৃপণ ’ কবিতার থেকে নেওয়া হয়েছে । রাজাধিরাজ ভিক্ষুকের কাছে হাত পাত পেতেছিলেন । ভিখারি গ্রামের পথে পথে ভিক্ষা করে বেরিয়ে একদিন হঠাৎ এক মহারাজের দেখা পায় । স্বর্ণরথে চড়ে মহারাজ পথে বেরিয়েছিলেন । ভিখারি রাজাকে দেখে ভেবেছিল মহারাজ পথের দুধারে ধনধান্য ছড়িয়ে দেবেন আর ভিখারি দুহাত ভরে তা তুলি নিবেন । কিন্তু ভিখারির ভাবনা উল্টো হল । দেখা গেল রাজাধিরাজ রথ থেকে নেমে ভিখারির কাছে পাত পেতে ভিক্ষা চাইলেন ।
আসলে রূপকের আড়ালে করি এটাই দেখাতে চেয়েছেন যে রাজাধিরাজ আসলে স্বয়ং ঈশ্বর , তিনি ভক্তের কাছে ভিক্ষা চেয়ে তার মন পরীক্ষা করতে চেয়েছেন । তাই তিনি হাত পেতেছিলেন ।
শব্দার্থ :
ভিক্ষা – প্রার্থনা।
প্রসন্নতা – সন্তুষ্টি।
অপূর্ব – সুন্দর।
হেনকালে – এইসময়।
স্বপ্নসম – স্বপ্নের মত।
কিসের লাগি – কিসের জন্য।
মম – আমার।
অকস্মাৎ – হঠাৎ।
বিচিত্র – অপূর্ব।
রাজধিরাজ – রাজাদের রাজা।
শুভক্ষণ – ভালো সময়।
প্রবঞ্চনা – প্রতারণা।
রাত পোহাল – ভোর হল।
উজার করি – উপুর করে ঢালা।
দ্বারে দ্বারে – দরজায় দরজায়।
কণা – ছোট অংশ।

YouTube Channel