SEBA Class 9 Bengali Chapter 13 আগামী

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 9 Bengali Chapter 13 আগামী Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Chapter 13 আগামী Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Chapter 13 আগামী Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 9 Bengali Chapter 13 আগামী

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 9 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। শুদ্ধ উত্তরটি লেখো:

(ক) ‘আগামী’ কবিতাটির কবি কে?

১। নজরুল।

২। শঙ্খ ঘােষ।

৩। সুকান্ত ভট্টাচার্য।

৪। মধুসূদন দত্ত।

উত্তরঃ ৩। সুকান্ত ভট্টাচার্য।

(খ) কবি সুকান্তের জন্ম সাল কত?

১। ১৯২৫ সাল।

২। ১৯২৬ সাল।

৩। ১৯১৯ সাল।

৪। ১৯৪৭ সাল।

উত্তরঃ ২। ১৯২৬ সাল।

(গ) কবি সুকান্ত কত সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়েছিলেন?

১। ১৯৩০ সালে।

২। ১৯৪৫ সালে।

৩। ১৯৪৭ সালে।

৪। ১৯৫০ সালে।

উত্তরঃ ২। ১৯৪৫ সালে।

(ঘ) কবি কত মাসের জন্য তাঁর কাঙিক্ষত ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তি দেখে যেতে পারেননি?

১। ৪ মাস।

২। ৫ মাস।

৩। ২ মাস।

৪। ৩ মাস।

উত্তরঃ ৪। ৩ মাস।

(ঙ) কবি সুকান্তের মায়ের নাম কী ছিল?

১। সুনীতি দেবী।

২। মায়া দেবী।

৩। ছায়া দেবী।

৪। করুণা দেবী।

উত্তরঃ ১। সুনীতি দেবী।

২। শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও:

(ক) ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই- জানি আমি ভাবী___________।

উত্তরঃ বনস্পতি।

২। জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের ___________।

উত্তরঃ খনিজ।

৩। সংহত কঠিন ঝড়ে ___________ প্রত্যেক শিকড়।

উত্তরঃ দৃঢ়প্রাণ।

৪। মেলেছি ___________ চোখ, স্বপ্ন ঘিরে রয়েছে আমাকে,

উত্তরঃ সন্দিগ্ধ।

৫। বৃষ্টির, ___________ পাই আমি তারি তো সম্মতি।

উত্তরঃ মাটির রসে।

৩। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য প্রশ্ন:

(ক) আগামী কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তরঃ আগামী কবিতাটির রচয়িতা হলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য।

(খ) কত সালে কবি সুকান্ত মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তরঃ কবি সুকান্ত ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মৃত্যুবরণ করেন।

(গ) কবি সুকান্তের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ কবি সুকান্তের পিতার নাম ছিল নিবারণ চন্দ্র ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম ছিল সুনীতি দেবী।

(ঘ) কবি সুকান্ত কোন রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন?

উত্তরঃ কবি সুকান্ত মার্ক্সের মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন।

(ঙ) কবির শৈশবকাল কোথায় কেটেছিল?

উত্তরঃ কবির শৈশব কেটেছিল বাগবাজারের নিবেদিতা লেনে মামার বাড়িতে।

(চ) কবি কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান?

উত্তরঃ কবি ক্ষয়রোগে বা যক্ষ্মারােগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

(ছ) কবি সুকান্ত কার কাছে কুসংস্কার-বিরোধী মনোভাব পেয়েছিলেন?

উত্তরঃ কবি সুকান্ত তাঁর দাদা মহাশয়ের নিকট কুসংস্কার-বিরোধী মনোভাব পেয়েছিলেন।

(জ) কবি সুকান্ত দিদিমার নিকট থেকে কী শক্তি আহরণ করেছিলেন?

উত্তরঃ কবি সুকান্ত দিদিমার নিকট থেকে গরিব-দুঃখীর প্রতি মমত্ববোধ-শক্তি আহরণ করেছিলেন।

(ঝ) অঙ্কুরিত বীজ কীসের প্রতীক?

উত্তরঃ অঙ্কুরিত বীজটি একটি ছোট্ট বালকের বড় হয়ে ওঠার মহৎ আকাঙক্ষা বা স্বপ্নের প্রতীক এবং ভাবী সু-নাগরিকের প্রতীক।

(ঞ) অনেকের কাছে কবি সুকান্ত কী কবি বলে অভিহিত?

উত্তরঃ অনেকে কবি সুকান্তকে ‘কিশোর কবি’ এবং বিপ্লব ও বিদ্রোহের কবি বলে অভিহিত করেছেন।

৪। সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য প্রশ্ন:

(ক) কবিতাটিতে কবি কীসের সম্ভাবনার কথা বলেছেন?

উত্তরঃ কবিতাটিতে কবি একটি ছোট্ট বালকের মধ্যে ভাবী বনস্পতিতে পরিণত হওয়ার এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার মহৎ আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে, অঙ্কুরিত বীজটি জল, হাওয়া, মাটি এবং আলোর স্পর্শ পেয়ে একদিন মহা মহিরুহে পরিণত হবে। সেই বনস্পতি সমাজের সকল অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূর করে খেটে খাওয়া দুঃখী মানুষকে শোষণমুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে— এই সম্ভাবনার কথাই কবি ব্যক্ত করেছেন।

(খ) কবিতায় অঙ্কুরিত বীজটির অন্তরে কীসের স্বপ্ন ফুটে উঠেছে?

উত্তরঃ কবিতায় অঙ্কুরিত বীজটির অন্তরে বড় হয়ে ওঠার এবং সমাজে এক বিশাল চেতনা জাগিয়ে তোলার স্বপ্ন ফুটে উঠেছে। সে ভবিষ্যতে সমাজের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার দূর করে, খেটে খাওয়া মানুষের দুঃখপীড়িত অবস্থা এবং দুর্ভিক্ষ-পীড়িত মানুষকে শোষণমুক্ত হতে অনুপ্রেরণা জোগাবে— এই স্বপ্নই তার মধ্যে নিহিত।

(গ) অঙ্কুরিত বীজটি বড় হয়ে কী করবে বলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ?

উত্তরঃ অঙ্কুরিত বীজটি (ভাবী সু-নাগরিক) বড় হয়ে সমাজের উচ্চনীচ ভেদে সকলকে আপন জন মনে করে সর্বতোভাবে সাহায্য করার জন্য দুহাত বাড়িয়ে দেবে বলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে ফল, ফুল ও পাখির কূজন দিয়ে সকলের উপকারে আসবে এবং শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্য ও সংহতির মনোভাব ব্যক্ত করবে।

(ঘ) ‘ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই’- কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ ‘ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই’— কথাটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, আপাতদৃষ্টিতে বালকটিকে (অঙ্কুরিত বীজ) ছোট বা নগণ্য মনে হলেও, তার মধ্যে এক বিরাট সম্ভাবনা ও শক্তি লুকিয়ে আছে। সে আজ একটি ক্ষুদ্র অঙ্কুর মাত্র, কিন্তু তার শরীরে গোপনে বনস্পতি হয়ে ওঠার বিরাট সম্ভাবনা (‘মর্মরধ্বনি’) বাজে। সে ভাবী সু-নাগরিক হিসেবে সমাজের অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। তাই সে বর্তমানে ক্ষুদ্র হলেও কোনোভাবেই তুচ্ছ বা গুরুত্বহীন নয়।

(ঙ) কবিতাটির মর্মার্থ সংক্ষেপে ব্যক্ত করো।

উত্তরঃ ‘আগামী’ কবিতাটির মর্মার্থ হলো একটি অঙ্কুরিত বীজের মাধ্যমে সমাজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অপার সম্ভাবনা ও মহৎ আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ। কবি নিজেকে জড় বা মৃত না বলে জীবন্ত প্রাণ এবং অঙ্কুরিত বীজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই বীজ একদিন মহীরুহে পরিণত হবে এবং তার শিকড়ে অরণ্যের বিশাল চেতনা দেখা দেবে। সেই মহীরুহ রূপী ভাবী সু-নাগরিক সমাজের কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও শোষণ দূর করে খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করবে, যা কবির সামাজিক একতাবোধ ও প্রতিবাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে ফুটিয়ে তোলে।

৫। রচনাধর্মী উত্তর লেখো:

(ক) আগামী কবিতায় কবির বক্তব্য বিষয় আলোচনা করো।

উত্তরঃ আগামী’ কবিতায় কবির বক্তব্যকে নীচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

অঙ্কুরিত বীজ যদিও ক্ষুদ্র, তবু তাকে তুচ্ছ ভাবা যায় না—কারণ তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের অরণ্যের সম্ভাবনা। সে একদিন হবে বিশাল বনস্পতি। প্রকৃতির বৃষ্টি ও মাটির স্নেহরসে তার ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা যেন তার ভবিষ্যৎ শক্তির প্রতি প্রকৃতির আন্তরিক সমর্থন। যখন সে পূর্ণ বনস্পতিতে পরিণত হবে, তখন বহু মানুষের হবে আশ্রয়স্থল। তার ছায়ায় ক্লান্ত মানুষ শান্তি পাবে। অকৃতজ্ঞ কেউ কেউ তাকে আঘাত করলেও সে সকলকে টেনে নেবে নিজের দিকে, আমন্ত্রণ জানাবে নিঃস্বার্থভাবে। ফল-ফুল দিয়ে মানুষকে তৃপ্ত করবে, ডালে আশ্রয় নেয়া পাখিদের কলরবে চারদিক মুখরিত করবে। কেননা বৃক্ষ ও প্রাণী—উভয়ই একই মা-মাটির স্তন্যে লালিত সন্তান, পরস্পরের নিবিড় আপনজন।

এই কবিতায় কিশোর-কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বীজ ও বৃক্ষের রূপকে ব্যবহার করেছেন নিজের আত্মবিস্তারের স্বপ্ন, মানবকল্যাণের আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রতীকে। আয়ুর বিচারে কবি যেন সদ্য অঙ্কুরিত এক বীজ। বিশাল মানবসমাজের অরণ্যে মহান ব্যক্তিত্বদের সামনে তিনি নিজেকে সামান্য বলে মনে করেন। কিন্তু সাহিত্যচর্চা এবং সক্রিয় রাজনীতির আলোর স্পর্শ তাকে ক্রমাগত প্রেরণা দিয়েছে, তাকে উজ্জ্বল ও জাগ্রত করে তুলেছে। বীজ যেমন কিশলয় হয়ে ধীরে ধীরে বৃক্ষ হয়, তেমনি কিশোর-কবি একদিন তরুণ হবেন। বৃক্ষের শাখায় কুসুমবিকাশ যেমন তার যৌবনের পরিচয় বহন করে, কবিও তেমনি পরিণত সাহিত্যসৃষ্টির মাধ্যমে আগামী দিনে নিজের শক্তিকে প্রকাশ করবেন। ভবিষ্যতের বসন্তে তিনি হয়ে উঠবেন পূর্ণাঙ্গ কবি—টেকসই সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে সমাজে অর্জন করবেন গৌরবময় স্থান। তিনি একা নন; তার রচনায় উদ্দীপিত ও অনুপ্রাণিত হবে পরবর্তী প্রজন্ম। বৃহত্তর পাঠকসমাজ তাঁকে অভিনন্দন ও স্বীকৃতি দেবে। তাঁর সৃষ্টি মানুষের আশ্রয় হয়ে উঠবে—আনুগত্যশীল ও প্রতিবাদী সকলের পথেই। সাম্যবাদী কবির দৃষ্টিতে পৃথিবীর সকল মানুষই তাঁর আত্মীয়—একই ভূমিজ সন্তান।

কবিতাটিকে আরও বৃহত্তর তাৎপর্যে দেখা যায়। কেবল কবির ব্যক্তিগত বিকাশ নয়, দুনিয়ার সকল আপাত-তুচ্ছ মানুষ ও জাতির মধ্যেও যে অনন্ত সম্ভাবনা রয়েছে—সেটিও কবি তুলে ধরেছেন। সমাজে যাদের ছোট বা গুরুত্বহীন বলে অবহেলা করা হয়, কবি তাদের প্রতিটি মানব-অঙ্কুরের মধ্যেই ভবিষ্যতের বনস্পতির স্বপ্ন দেখেছেন। একইভাবে, পরাধীন ভারত একসময় পৃথিবীর সভায় ছিল অবহেলিত। কবি হয়তো কল্পনা করেছিলেন—ভারত একদিন ব্রিটিশ শাসনের ঝড় অতিক্রম করে স্বাধীন হবে এবং বিশ্বমঞ্চে অর্জন করবে তার যথাযথ মর্যাদা ও গৌরবময় স্থান।

Class 9 Bengali Textual [New Syllabus Updated]

S.L. No.Group – A সূচীপত্র
পাঠ – ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ – ২খাই খাই
পাঠ – ৩ধূলামন্দির
পাঠ – ৪কবর
পাঠ – ৫মনসামঙ্গল
পাঠ – ৬প্রত্যুপকার
পাঠ – ৭ছুটি
পাঠ – ৮ডাইনী
পাঠ – ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ – ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ – ১১লড়াই
পাঠ – ১২আমরা
পাঠ – ১৩আগামী
পাঠ – ১৪আত্মকথা
পাঠ – ১৫ভারতবর্ষ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top