SEBA Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by the Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

শক্তির উৎসসমূহ

TEXTUAL QUESTION ANSWER
প্রশ্নাবলী 1.1

1. শক্তির উত্তম উৎস কাকে বলে।

উত্তরঃ অতএব আমরা বলতে পারি কোন কাজের জন্য উত্তম শক্তির উৎস হবে সেটা-

(i) যার প্রতি একক আয়তন বা ভর অধিক কার্য সম্পাদন করতে পারে।

(ii) যা সহজে পাওয়া যায়।

(iii) যায় সংরক্ষন পরিবহন সহজতর।

(iv) যা সবচেয়ে কম খরচ সাপেক্ষ।

2. উত্তম জ্বালানী কোনটি?

উত্তরঃ যে জ্বালানী নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো পূরণ করে তাকেই উত্তম জ্বালানী বলা হয়:

(i) যা দহনের ফলে প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন করতে পারে।

(ii) যা ব্যবহার করলে কোনো ধোঁয়া উৎপন্ন হয় না।

(iii) যা অত্যন্ত সহজলভ্য।

(iv) জ্বলনের পর ছাইয়ের মতো কোনো উপজাত পদার্থ বা অবশিষ্টাংশ ফেলে রাখে না।

(v) যা সবচেয়ে কম খরচ সাপেক্ষ বা সস্তা।

3. তোমার পক্ষে খাদ্য গরম করার জন্য যদি যে কোষ শক্তির উৎস মজুত থাকে, তুমি কোন প্রকারের শক্তি ব্যবহার করবে এবং কেন?

উত্তরঃ আমি খাদ্য গরম করার জন্য এল.পি.জি (LPG) বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করব। কারণ একটি উত্তম শক্তির উৎসের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা প্রয়োজন যা এই উৎসগুলোর মধ্যে বর্তমান:

(i) এটি প্রতি একক আয়তন বা ভরে অধিক কার্য (তাপ) সম্পাদন করতে পারে।

(ii) এটি সহজে পাওয়া যায়।

(iii) এর সংরক্ষণ ও পরিবহন সহজতর।

(iv) এটি ব্যবহারের ফলে কোনো ধোঁয়া উৎপন্ন হয় না এবং এটি পরিবেশ দূষণ কম করে।

(v) এটি দহনের পর কোনো অবশিষ্টাংশ বা উপজাত পদার্থ ফেলে রাখে না।

প্রশ্নাবলী 1.2

1. জীবাশ্ম জ্বালানী ব্যবহারের অসুবিধা কি?

উত্তরঃ জীবাশ্ম জ্বালানী ব্যবহারের প্রধান অসুবিধাগুলি হলো:

(i) জীবাশ্ম জ্বালানী ব্যবহারের ফলে বায়ুর দূষণ ঘটে।

(ii) জীবাশ্ম জ্বালানী প্রজ্বলনের ফলে উপজাত হিসেবে কার্বন, নাইট্রোজেন এবং সালফার অক্সাইডের মতো আম্লিক অক্সাইড (acidic oxide) উৎপন্ন হয়।

(iii) এই আম্লিক অক্সাইডগুলোর ফলে এসিড বৃষ্টি হয়, যা জল ও মৃত্তিকা সম্পদের প্রভূত ক্ষতি সাধন করে।

(iv) বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সবুজ গৃহ প্রতিক্রিয়া (green house effect) সৃষ্টি হয়।

(v) জীবাশ্ম জ্বালানী পুনর্নবীকরণযোগ্য নয় (Non-renewable), তাই ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অদূর ভবিষ্যতে এই শক্তির উৎস দ্রুত নিঃশেষিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

2. আমরা বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধান করি কেন?

উত্তরঃ আমরা বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধান করি নিম্নলিখিত কারণে:

(i) ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা: প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে দিনে দিনে আমাদের প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদাও ক্রমাগত বেড়ে চলেছে এবং আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার ফলে শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।

(ii) জীবাশ্ম জ্বালানীর সীমাবদ্ধতা: আমাদের শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য আমরা মূলত কয়লা ও পেট্রোলিয়ামের মতো জীবাশ্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীল, কিন্তু এই জীবাশ্ম জ্বালানীসমূহ পুনর্নবীকরণযোগ্য নয় (Non-renewable)।

(iii) নিঃশেষিত হওয়ার সম্ভাবনা: অদূর ভবিষ্যতে এই জীবাশ্ম জ্বালানীর উৎসসমূহ দ্রুত নিঃশেষিত হয়ে যাওয়ার এক বিপজ্জনক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তাই অদূর ভবিষ্যতে শক্তির সংকট এড়াতে এবং নিরবচ্ছিন্ন শক্তির যোগান বজায় রাখতে আমরা নিত্য নতুন ও বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধান করি।

3. আমাদের সুবিধার জন্য কিভাবে প্রচলিত বায়ু ও জলশক্তি ব্যবহারের উন্নতি সাধন করা হয়েছে?

উত্তরঃ প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্যমে প্রচলিত বায়ু ও জলশক্তি ব্যবহারের উন্নতি যেভাবে সাধন করা হয়েছে তা নিচে দেওয়া হলো:

(i) জলশক্তি ব্যবহারের উন্নতি: জল বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নদীতে অতি উচ্চ বাঁধ (Dam) নির্মাণ করে জলপ্রবাহে বাধার সৃষ্টি করা হয় এবং বিশাল আকারে জলাশয়ে সেই জল সঞ্চিত করা হয়। ফলে জলাশয়ে জল স্তর বৃদ্ধি হয়। এই পদ্ধতিতে প্রবাহিত জলের গতিশক্তিকে স্থিতিশক্তিতে রূপান্তর করা হয়। বাঁধের এই উচ্চ স্তরের জলকে নলের সাহায্যে বাঁধের নীচে স্থাপিত টারবাইন (Turbine)-এ চালিত করা হয় (যা বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে)।

(ii) বায়ুশক্তি ব্যবহারের উন্নতি: পূর্বে বায়ুকলের (Wind mill) সাহায্যে যান্ত্রিক কার্য সম্পাদন করা হতো; যেমন— জল-উত্তোলক পাম্পে বায়ুকলের ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগিয়ে কূপ থেকে জল উঠানো হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বায়ু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বায়ুকলের গঠন এখন একটি সুউচ্চ স্তম্ভের উপর বসানো বিশাল বৈদ্যুতিক পাখার মতো, যা বায়ুর ধাক্কায় ঘুরতে থাকে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বায়ুকলের ঘূর্ণন গতির সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদকের টারবাইন ঘুরানো হয়। একক বায়ুকলের দ্বারা উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ কম হওয়ায় বর্তমানে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অধিক সংখ্যক বায়ুকল স্থাপন করে ‘বায়ু শক্তি ফার্ম’ (Wind energy farm) গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে বাণিজ্যিকভাবে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব হয়।

প্রশ্নাবলী 1.3

1. সৌর কুকার নির্মানে অবতল উত্তল বা সমতল আয়নার মধ্যে-কোনটি সবচেয়ে উপযুক্ত? কারন দর্শাও।

উত্তরঃ সৌর কুকার নির্মানে অবতল আয়না (Concave mirror) সবচেয়ে উপযুক্ত।

কারণ: কিছু সৌর কুকারে উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টির জন্য সূর্য রশ্মিকে ফোকাস করার কাজে আয়না ব্যবহার করা হয়। যেহেতু অবতল আয়না সমান্তরাল সূর্য রশ্মিকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে ফোকাস বা কেন্দ্রীভূত করতে পারে, তাই এটি উচ্চ তাপ উৎপন্ন করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

2. সমুদ্র থেকে সংগৃহীত শক্তির সীমাবদ্ধতা কি কি?

উত্তরঃ সমুদ্র থেকে প্রাপ্ত শক্তির (যেমন— জোয়ার শক্তি, তরঙ্গ শক্তি এবং সমুদ্রের তাপশক্তি) প্রধান সীমাবদ্ধতাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

(i) জোয়ার শক্তি (Tidal Energy): জোয়ার-ভাটার শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য সমুদ্রের নিকটবর্তী কোনো সংকীর্ণ জলভাগের ওপর বাঁধ নির্মাণ করতে হয়। তবে এই ধরনের বাঁধ নির্মাণের উপযুক্ত স্থান অত্যন্ত সীমিত।

(ii) তরঙ্গ শক্তি (Wave Energy): তরঙ্গ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেবলমাত্র সেই সকল স্থানেই সম্ভব যেখানে সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রবল বায়ুর ফলে অত্যন্ত শক্তিশালী তরঙ্গের সৃষ্টি হয়।

(iii) সমুদ্রের তাপশক্তি (Ocean Thermal Energy): এই শক্তি ব্যবহারের প্রকল্পগুলো তখনই কার্যকর হয় যখন সমুদ্রের উপরিভাগের জলের তাপমাত্রা এবং ২ কিমি গভীরতায় থাকা জলের তাপমাত্রার পার্থক্য ২৯৩ কেলভিন (২০°C) বা তার বেশি থাকে।

(iv) বাণিজ্যিক সীমাবদ্ধতা: সামগ্রিকভাবে সমুদ্র থেকে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ অনেক বেশি হলেও, একে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানো অত্যন্ত কষ্টকর।

3. ভূতাপ শক্তি বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে উষ্ণ অঞ্চলে গলিত শিলা উৎপন্ন হয়। এই শিলা উপর দিকে ধাবিত হয়ে কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের তলদেশে আবদ্ধ অবস্থায় থাকে, এমন স্থানকে হট স্পট (hot spot) বলে। ভূ-গর্ভস্থ জল এই হটস্পটের সংস্পর্শে এলে তা বাষ্পে পরিণত হয়। কখনো কখনো ভূ-গর্ভস্থ এই উচ্চ উষ্ণতার জল বা বাষ্প ফাটল পথে ভূ-পৃষ্ঠে নির্গত হয়, যাকে উচ্চ প্রস্রবণ (hot spring) বলা হয়। শিলাস্তরে আবদ্ধ এই বাষ্পকে নলের সাহায্যে বের করে এনে টারবাইনের (Turbine) ঘূর্ণনের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এই পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ অত্যন্ত সামান্য।

4. নিউক্লীয় শক্তির সুবিধাগুলি কি কি?

উত্তরঃ নিউক্লীয় শক্তির প্রধান সুবিধাগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:

(i) বিপুল শক্তি উৎপাদন: নিউক্লীয় ফিশন প্রক্রিয়ায় ইউরেনিয়ামের একটি পরমাণু থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ, কয়লার একটি কার্বন পরমাণু দহনের ফলে উৎপাদিত শক্তির তুলনায় প্রায় ১০ মিলিয়ন গুণ অধিক।

(ii) বিদ্যুৎ উৎপাদন: নিউক্লীয় রিঅ্যাক্টরে শৃঙ্খল বিক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ভাবে নিউক্লীয় শক্তি উৎপন্ন করা হয়। এই নির্গত শক্তির সাহায্যে জলকে বাষ্পে পরিণত করে টারবাইন ঘোরানো হয় এবং এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

(iii) বিকল্প কৌশল: পাঠ্যপুস্তকে নিউক্লীয় সংযোজন (Nuclear Fusion)-কে নিউক্লীয় শক্তি উৎপাদনের একটি অধিকতর নিরাপদ কৌশল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির উৎস হিসেবেও কাজ করে।

প্রশ্নাবলী 1.4

1. কোন শক্তির উৎস দূষন মুক্ত হতে পারে কি। কেন বা কেন নয়?

উত্তরঃ আসলে যেকোনো শক্তির উৎসের ব্যবহারের ফলেই পরিবেশের ওপর কোনো না কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। 

কোনো শক্তির উৎসই সম্পূর্ণভাবে দূষণমুক্ত নয় তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

(i) আমরা যদিও সিএনজি (CNG)-র মতো জ্বালানীকে দূষণমুক্ত বলি, আসলে এটি অন্যান্য উৎসের তুলনায় কেবল অধিকতর পরিষ্কার বা কম দূষণকারী।

(ii) সৌর কোষের (Solar cell) মতো কৌশলগুলো ব্যবহারের সময় দূষণমুক্ত হতে পারে, কিন্তু সেই কৌশল বা যন্ত্রাংশগুলি তৈরির প্রক্রিয়া পরিবেশগত ক্ষতির কারণ হতে পারে।

(iii) যেকোনো শক্তির উৎস নির্বাচন করার সময় সেই উৎস থেকে শক্তি নিষ্কাশনের সহজতা, প্রযুক্তির দক্ষতা এবং তার ফলে ঘটা পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তাই বলা যায়, কোনো শক্তির উৎসই পুরোপুরি দূষণমুক্ত নয়, তবে প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতির পরিমাণ ন্যূনতম করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

2. রকেট জ্বালানী হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করা হয়। একে CNG থেকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানী মনে কর কি? কেন বা কেন নয়?

উত্তরঃ হ্যাঁ, হাইড্রোজেনকে CNG অপেক্ষা অধিকতর পরিচ্ছন্ন জ্বালানী মনে করা হয়। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

CNG সহ সকল জীবাশ্ম জ্বালানী দহনের ফলে কার্বন, নাইট্রোজেন এবং সালফার অক্সাইডের মতো আম্লিক অক্সাইড (acidic oxide) উৎপন্ন হয় যা বায়ু দূষণ ঘটায়। এই অক্সাইডগুলোর ফলে এসিড বৃষ্টি হয় যা পরিবেশের ক্ষতি করে এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সবুজ গৃহ প্রতিক্রিয়া (green house effect) সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে, হাইড্রোজেন দহনের ফলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বা সালফার ও নাইট্রোজেনের আম্লিক অক্সাইডের মতো ক্ষতিকারক দূষক পদার্থ উৎপন্ন হয় না। যদিও CNG-কে অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানীর তুলনায় একটি পরিষ্কার জ্বালানী বলা হয়, কিন্তু হাইড্রোজেনের দহন প্রক্রিয়া তার চেয়েও বেশি পরিবেশবান্ধব এবং দূষণমুক্ত। তাই হাইড্রোজেনকে CNG অপেক্ষা একটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানী হিসেবে গণ্য করা হয়।

2 thoughts on “SEBA Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ”

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top