SEBA Class 10 Science Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Science Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Science Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

বংশগতি এবং বিবর্তন

TEXTUAL QUESTION ANSWER
প্রশ্নাবলী 1.1

1. কোনও অযৌন প্রজননে অনুশীলন করা জীবের প্রজাতির জনসংখ্যার 10% এর মধ্যে কোন চরিত্র A থাকে এবং 60% এর মধ্যে চরিত্র B থাকে, কোন্ চরিত্রটি আগে দেখা দিবে?

উত্তরঃ চরিত্র B আগে দেখা দিবে। কারণ প্রজাতির জনসংখ্যার মধ্যে যে চরিত্রটির উপস্থিতি বেশি থাকে, সেটি প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি হয়। এখানে চরিত্র B ৬০% জীবের মধ্যে উপস্থিত, আর চরিত্র A মাত্র ১০% জীবের মধ্যে উপস্থিত। তাই চরিত্র B-ই আগে দেখা দিবে।

2. কোন প্রজাতিতে ঘটা প্রকারণের ফলে জীবের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কিভাবে প্রভাবিত হয়?

উত্তরঃ প্রকরণের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন জীব বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পায়। এখানে অনুকূল প্রকরণগুলি জীবের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। যেমন তীব্র তাপ সহ্য করার ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া প্রবল তাপপ্রবাহের মধ্যেও অন্যদের তুলনায় ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে। প্রাকৃতিক নির্বাচনের (Selection) মাধ্যমে পরিবেশের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের ফলে এই অনুকূল প্রকরণগুলিই টিকে থাকে এবং প্রজাতির বেঁচে থাকার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।

প্রশ্নাবলী 1.2

1. মেণ্ডেলের পরীক্ষাদ্বারা কিভাবে বোঝা যায় চারিত্রিক লক্ষণ প্রভাবী বা অপ্রভাবী হতে পারে?

উত্তরঃ মেণ্ডেলের পরীক্ষায় লম্বা (TT) ও খাটো (tt) মটরগাছের সংকরায়ন করলে F₁ প্রজন্মে সব গাছই লম্বা হয়, অর্থাৎ খাটো লক্ষণটি প্রকাশ পায় না। পরে F₁ প্রজন্মের গাছগুলির স্ব-পরাগযোগে F₂ প্রজন্মে লম্বা ও খাটো গাছ ৩:১ অনুপাতে দেখা যায়। এর থেকে বোঝা যায় যে যে লক্ষণটি F₁ প্রজন্মে প্রকাশ পায় তাকে প্রভাবী (Dominant) লক্ষণ এবং যে লক্ষণটি F₁-এ প্রকাশ পায় না কিন্তু F₂ প্রজন্মে আবার দেখা যায় তাকে অপ্রভাবী (Recessive) লক্ষণ বলা হয়।

2. চারিত্রিক লক্ষণগুলি স্বতন্ত্রভাবে বংশ পরম্পরায় যায় বলে মেণ্ডেলের পরীক্ষাদ্বারা কিভাবে বোঝাবে?

উত্তরঃ মেণ্ডেল একটি দীর্ঘ ও গোলাকার বীজযুক্ত মটর গাছের সঙ্গে একটি খর্বকায় ও কুঞ্চিত বীজযুক্ত মটর গাছের মিলন ঘটান। প্রথম অপত্য জনুর (F1) সব গাছই দীর্ঘ ও গোলাকার বীজযুক্ত হয়। কিন্তু দ্বিতীয় অপত্য জনুতে (F2) পৈতৃক সংমিশ্রণ ছাড়াও কিছু নতুন মিশ্রিত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন গাছ উৎপন্ন হয়, যেমন— কিছু গাছ দীর্ঘ কিন্তু কুঞ্চিত বীজযুক্ত এবং কিছু গাছ খর্বকায় কিন্তু গোলাকার বীজযুক্ত হয়। এই পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয় যে, উচ্চতা এবং বীজের আকৃতির মতো চারিত্রিক লক্ষণগুলি একে অপরের ওপর নির্ভর না করে স্বতন্ত্রভাবে (Independently) বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয়।

3. ব্লাড গ্রুপ “A” থাকা একটি লোক ব্লাডগ্রুপ “O” থাকা কোনও মহিলাকে বিয়ে করলে তাদের মেয়ের ব্লাডগ্রুপ হ’ল “O” এই তথ্য থেকে ব্লাডগ্রুপ “A” অথবা “O” কোন চারিত্রিক লক্ষণটি প্রভাবী বলে বলতে পারছ? কেন এবং কেন নয়?

উত্তরঃ এই তথ্যটি ব্লাডগ্রুপ “A” অথবা “O”-এর মধ্যে কোনটি প্রভাবী তা বলার জন্য পর্যাপ্ত নয়। কারণ, মেণ্ডেলের উত্তরাধিকার সূত্র অনুযায়ী কোনো লক্ষণ প্রভাবী (Dominant) না অপ্রভাবী (Recessive) তা জানার জন্য এক-চতুর্থাংশ বা তার বেশি সংখ্যক অপত্যের অনুপাত বা ফলাফলের প্রয়োজন হয়। এখানে কেবল একটি অপত্যের (মেয়ে) তথ্য দেওয়া হয়েছে যা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

প্রতিটি শিশু তার পিতা ও মাতা উভয়ের থেকে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সমান জিনগত উপাদান বা বিবরণ লাভ করে। এখানে বাবার ব্লাড গ্রুপ “A” হলেও তাঁর জিনগত বিন্যাসে প্রভাবী ও অপ্রভাবী—উভয় প্রকার বিবরণ থাকতে পারে। যেহেতু মেয়ের ব্লাড গ্রুপ “O” হয়েছে, তাই বাবার জিনগত বিন্যাস সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কেবল এই একটি তথ্য থেকে কোনটি প্রভাবী লক্ষণ তা বলা সম্ভব নয়।

4. মানুষের সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ কিভাবে হয়?

উত্তরঃ মানুষের সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ জিনগতভাবে হয়। মানুষের দেহে ২২ জোড়া সাধারণ ক্রোমোজোম ছাড়াও এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে; মহিলাদের ক্ষেত্রে এই জোড়াটি XX এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি XY (একটি স্বাভাবিক X এবং একটি ক্ষুদ্রতর Y)। প্রতিটি সন্তান তার মায়ের থেকে সবসময় X ক্রোমোজোম লাভ করে, তাই সন্তানের লিঙ্গ বাবার থেকে আসা ক্রোমোজোমের ওপর নির্ভর করে। যে সন্তান বাবার থেকে X ক্রোমোজোম লাভ করে সে মেয়ে হয় এবং যে বাবার থেকে Y ক্রোমোজোম লাভ করে সে ছেলে হয়।

প্রশ্নাবলী 1.3

1. কোনও জীবের গোষ্ঠীতে নির্দিষ্ট কোনও চারিত্রিক বৈসাদৃশ্য থাকা জীবের সংখ্যাবৃদ্ধি কি কি ভাবে হয়?

উত্তরঃ কোনও জীবের গোষ্ঠীতে নির্দিষ্ট চারিত্রিক বৈসাদৃশ্য বা প্রকরণ থাকা জীবের সংখ্যাবৃদ্ধি মূলত দুটি উপায়ে হতে পারে:

প্রথমত, প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection)। যদি কোনও প্রকরণ সংশ্লিষ্ট জীবকে পরিবেশে বেঁচে থাকার বাড়তি সুবিধা প্রদান করে, তবে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সেই প্রকরণযুক্ত জীবের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। যেমন—সবুজ রঙের গুবরে পোকা সবুজ ঝোপের মধ্যে কাকের নজর থেকে আড়ালে থেকে বেঁচে থাকার সুবিধা পাওয়ায় তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এটি জীবকে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয়ত, জেনেটিক ড্রিফট (Genetic Drift)। অনেক সময় বেঁচে থাকার কোনও বিশেষ সুবিধা না থাকলেও ছোট জীবগোষ্ঠীতে নিছক দুর্ঘটনার ফলে কোনও নির্দিষ্ট প্রকরণযুক্ত জীবের সংখ্যা আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে কোনও উপযোগিতা ছাড়াই জীবগোষ্ঠীতে প্রকরণ বা বৈচিত্র্য ছড়িয়ে পড়ে।

2. কোনও জীবের জীবদ্দশায় হওয়া অভিজ্ঞতা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে বংশগতি সূত্রে পাওয়া যায় না কেন?

উত্তরঃ কোনও জীবের জীবদ্দশায় হওয়া অভিজ্ঞতা বা পরিবর্তনগুলি সেই জীবের জনন-কোষের (Germ cells) DNA-র গঠনে কোনো পরিবর্তন ঘটায় না। যৌন প্রজনন করা জীবের ক্ষেত্রে প্রজনন প্রক্রিয়া মূলত জনন-কোষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। যদি কোনও অভিজ্ঞতা বা পরিবর্তন জনন-কোষের DNA-তে কোনো প্রভাব না ফেলে, তবে তা পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হতে পারে না। যেমন—খাদ্যের অভাবে গুবরে পোকার ওজন কমে যাওয়া বা ইঁদুরের লেজ কেটে দেওয়া তাদের জনন-কোষের জিনের কোনো পরিবর্তন ঘটায় না, তাই এই অর্জিত বৈশিষ্ট্যগুলি বংশগতি সূত্রে পাওয়া যায় না।

3. অল্প সংখ্যক বেঁচে থাকা বাঘের সংখ্যা জিনগত ভাবে বিপন্ন বা উদ্বেগের কারণ কেন?

উত্তরঃ অল্প সংখ্যক বাঘের টিকে থাকা ওই প্রজাতিটির বিলুপ্তির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কারণ বাঘের সংখ্যা খুব কমে গেলে তাদের মধ্যে জিনগত প্রকরণের (Variation) সুযোগ বা হার কমে যায়। পর্যাপ্ত প্রকরণ না থাকলে বাঘের এই ক্ষুদ্র গোষ্ঠীটি পরিবেশের কোনো আকস্মিক পরিবর্তন বা মহামারীর সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে বা উপযোগীিকরণে (Adaptation) ব্যর্থ হতে পারে। এছাড়া উৎসের তথ্য অনুসারে, ছোট জীবগোষ্ঠীতে নিছক দুর্ঘটনার প্রভাব অনেক বেশি পড়ে যাকে জেনেটিক ড্রিফট (Genetic Drift) বলা হয়; এর ফলে কোনো বেঁচে থাকার সুবিধা ছাড়াই নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিন হারিয়ে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত প্রজাতিটিকে বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যায়।

প্রশ্নাবলী 1.4

1. নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হওয়ার জন্য কি কি কারণ দরকার?

উত্তরঃ নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হওয়ার জন্য (Speciation) মূলত নিম্নলিখিত কারণগুলি দরকার:

প্রথমত, ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা (Geographical Isolation)। যখন কোনো প্রজাতির বিশাল গোষ্ঠী নদী বা পাহাড়ের মতো কোনো ভৌগোলিক বাধার ফলে ছোট ছোট উপগোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে যায়, তখন তাদের মধ্যে জিনের আদান-প্রদান বা বংশগতি ধারা প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ত, জেনেটিক ড্রিফট এবং প্রাকৃতিক নির্বাচন (Genetic Drift and Natural Selection)। বিচ্ছিন্ন উপগোষ্ঠীগুলিতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জেনেটিক ড্রিফট এবং ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে আলাদাভাবে ঘটা প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে।

তৃতীয়ত, প্রজননগত বিচ্ছিন্নতা (Reproductive Isolation)। ডিএনএ (DNA) বা ক্রোমোজোম সংখ্যার পরিবর্তনের ফলে যখন দুটি গোষ্ঠীর জীবের মধ্যে জনন-কোষের মিলন ঘটা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন তারা আর নিজেদের মধ্যে প্রজনন করতে পারে না। এই চূড়ান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমেই একটি নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়।

2. স্বপরাগযোগ করতে পারা উদ্ভিদের প্রজাতির ভিতরে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করতে ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতা কারণ হতে পারে কি? কেন অথবা কেন নয়?

উত্তরঃ স্বপরাগযোগ করতে পারা উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা নতুন প্রজাতির সৃষ্টির প্রধান কারণ হতে পারে না। কারণ, ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার প্রধান কাজ হলো একটি প্রজাতির বিভিন্ন উপগোষ্ঠীর মধ্যে যৌন জনন বা বংশগতির ধারা প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া। কিন্তু স্বপরাগযোগকারী উদ্ভিদরা প্রজননের জন্য অন্য কোনো উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে না এবং তারা নিজেরাই নিজেদের পরাগযোগ সম্পন্ন করে। যেহেতু তাদের মধ্যে জিনের আদান-প্রদান আগে থেকেই নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাই ভৌগোলিক বাধা তাদের প্রজনন ধারা বা নতুন প্রজাতির উৎপত্তিতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন আনতে পারে না।

3. অযৌন প্রজনন করতে পারা জীবের প্রজাতির ভিতর নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করতে ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতা কারণ হতে পারে কি? কেন অথবা কেন নয়?

উত্তরঃ অযৌন প্রজনন করতে পারা জীবের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা নতুন প্রজাতির সৃষ্টির প্রধান কারণ হতে পারে না। ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার প্রধান ভূমিকা হলো একটি প্রজাতির বিভিন্ন উপগোষ্ঠীর মধ্যে যৌন প্রজনন বা বংশগতির ধারা প্রবাহ (Gene flow) বন্ধ করে দেওয়া। কিন্তু অযৌন প্রজনন করা জীবেরা বংশবৃদ্ধির জন্য অন্য কোনো সঙ্গীর ওপর নির্ভর করে না এবং তাদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় জিনের আদান-প্রদান ঘটে না। যেহেতু তাদের মধ্যে জিনের বিনিময় আগে থেকেই অনুপস্থিত, তাই ভৌগোলিক বাধা তাদের বিবর্তন বা নতুন প্রজাতির উৎপত্তিতে বিশেষ কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top