SEBA Class 10 Science Chapter 16 প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Science Chapter 16 প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus Provided by the Roy Library. SEBA Class 10 General Science Bengali Medium Notes is made for SEBA Class 10 Science Chapter 16 প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা Students. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Textual Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Science Chapter 16 প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 General Science Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Solutions For Class 10 Science in Bengali. If you liked Class 10 Science Textbook Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা

TEXTUAL QUESTION ANSWER
প্রশ্নাবলী 1.1

1. আরও বেশী করে পরিবেশ বান্ধব হওয়ার জন্য তোমাদের স্বভাবের কি কি পরিবর্তন করতে পার?

উত্তরঃ আরও বেশি করে পরিবেশ বান্ধব হওয়ার জন্য আমাদের দৈনন্দিন স্বভাবে কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। 

প্রথমত, সম্পদের ব্যবহার হ্রাস (Reduce) করতে হবে; যেমন— অপ্রয়োজনে বাতি ও পাখার সুইচ বন্ধ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা, ছিদ্রযুক্ত জলের কল মেরামত করে জল সংরক্ষণ করা এবং খাবার নষ্ট না করা। এছাড়াও যাতায়াতের জন্য নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার না করে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করা, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করা এবং ঠাণ্ডার দিনে তাপ যন্ত্র (হিটার বা সিগরি) ব্যবহার না করে বেশি করে গরম জামাকাপড় পরা আমাদের স্বভাবের অন্যতম পরিবেশবান্ধব পরিবর্তন হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, প্লাস্টিক, কাগজ, কাঁচ ও ধাতব বস্তুসমূহ নতুন করে প্রস্তুত না করে, পুরোনো সংগৃহীত বস্তু পুনরাবর্তন (Recycle) করে প্রয়োজনীয় জিনিস প্রস্তুত করতে হবে এবং এর জন্য বর্জ্য পদার্থসমূহকে অন্যান্য আবর্জনা থেকে পৃথক করে রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও কোনো জিনিস ফেলে না দিয়ে বারবার ব্যবহার বা পুনর্ব্যবহার (Reuse) করতে হবে; যেমন— ব্যবহৃত খাম ফেলে না দিয়ে উল্টে দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা এবং জ্যাম, জেলি বা আচারের খালি বোতল ভালো করে পরিষ্কার করে রান্নাঘরে কোনো জিনিস রাখার জন্য ব্যবহার করা। সামগ্রিকভাবে এই তিন ‘R’ নীতি মেনে চললে আমাদের স্বভাব পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।

2. স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পদ ব্যবহারের কি সুবিধা হতে পারে?

উত্তরঃ স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পদ ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো এর মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদী লাভ (Short-term gain) অর্জন করা সম্ভব হয়। এটি মূলত বর্তমান প্রজন্মের তাৎক্ষণিক চাহিদা বা প্রয়োজনগুলো দ্রুত পূরণ করার ওপর গুরুত্ব দেয়। তবে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন, যাতে এই সম্পদগুলি স্রেফ স্বল্পমেয়াদী লাভের জন্য ব্যবহৃত না হয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী হতে পারে।

3. আমাদের সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য এইসব সুবিধা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের সুবিধার থেকে কিভবে পৃথক হবে?

উত্তরঃ সম্পদের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী সুবিধাগুলি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের সুবিধার থেকে নিম্নলিখিতভাবে পৃথক হবে:

স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পদ ব্যবহারের সুবিধাগুলি মূলত নিছক স্বল্পমেয়াদী লাভের (short-term gain) ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, যা কেবল বর্তমানের তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটানোর ওপর গুরুত্ব দেয়।

অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের সুবিধার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণের প্রয়োজন হয়, যাতে সম্পদগুলি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী হয়। দীর্ঘমেয়াদী উন্নতির এই ধারণা মানুষের বর্তমানের প্রয়োজন পূরণ করে বৃদ্ধিতে সাহায্য করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ব্যবহারের জন্যও সম্পদ সংরক্ষণ করে। এছাড়াও, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে যে সম্পদ ব্যবহারের সময় যেন পরিবেশের ক্ষতির কারণ না হয় এবং দূষণ ছড়ানো বর্জ্য পদার্থগুলি নিরাপদে নিষ্পত্তি করার পরিকল্পনা করা হয়।

4. সম্পদের সমবন্টন হওয়া উচিত বলে কেন ভাব? আমাদের সম্পদের সমবন্টনের বিরূদ্ধে কোন কোন শক্তি কাজ করছে?

উত্তরঃ সম্পদের সমবন্টন হওয়া উচিত যাতে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের সুবিধা সমাজের সকল মানুষ সমানভাবে পায়। এটি নিশ্চিত করে যে সম্পদগুলি যেন কেবল মুষ্টিমেয় ধনী এবং ক্ষমতাশালী লোকদের হাতে কুক্ষিগত না থাকে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর জন্য এবং উন্নয়নের সুফল যাতে প্রত্যেক মানুষের কাছে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে পারে, তার জন্য সম্পদের সঠিক বণ্টন একান্ত প্রয়োজন।

আমাদের সম্পদের সমবন্টনের বিরুদ্ধে মূলত সেইসব ধনী ও ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা কাজ করছে যারা নিজেদের স্বার্থে এই সম্পদগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এছাড়াও মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা এবং কেবল নিজের লাভের কথা চিন্তা করার মানসিকতা এই সমবন্টনের বিরুদ্ধে একটি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের বিপদ ডেকে আনে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।

প্রশ্নাবলী 1.2

1. আমাদের বন সম্পদ এবং বন্যজন্তু সংরক্ষণ করা উচিত কেন?

উত্তরঃ আমাদের বন সম্পদ এবং বন্যজন্তু সংরক্ষণ করা উচিত নিম্নলিখিত কারণে:

প্রথমত, বন বা জঙ্গল হলো ‘জীববৈচিত্র্যের উচ্চ অঞ্চল’ (biodiversity hotspots)। একটি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের পরিমাপ হলো সেই অঞ্চলে পাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির (যেমন— ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ফার্ন, সপুষ্পক উদ্ভিদ, নেমাটোড, কীটপতঙ্গ, পাখি, সরীসৃপ ইত্যাদি) সংখ্যা। অরণ্য সম্পদ রক্ষা করার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ করা।

দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন পরীক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হলে পরিস্থিতির স্থিতিশীলতার (ecological stability) ক্ষতি হয়। এছাড়াও, বনের ধ্বংস শুধু বন-সম্পদের প্রাপ্তির পরিমাণকেই প্রভাবিত করে না, এটি মাটির গুণমান এবং জলের উৎসগুলিকেও প্রভাবিত করে। তাই সামগ্রিকভাবে পরিবেশের সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে বন ও বন্যজন্তু সংরক্ষণ করা আবশ্যক।

2. বন-জঙ্গল সংরক্ষণের জন্য কোনও উপায় অবলম্বন করতে প্রস্তাব দাও।

উত্তরঃ বন-জঙ্গল সংরক্ষণের জন্য বনসম্পদের ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিতভাবে করা প্রয়োজন। একটি অঞ্চল থেকে সীমিত পরিমাণে গাছ কাটা উচিত যাতে বন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। বন ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় মানুষের জ্ঞান ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিতে হবে, কারণ তারা বনসম্পদের উপর নির্ভরশীল এবং দীর্ঘদিন ধরে বনকে সংরক্ষণ করে এসেছে। একফসলি বনায়নের পরিবর্তে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করে জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে হবে। শিল্পকারখানার প্রয়োজনের জন্য নির্বিচারে বন ধ্বংস না করে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বন ও বন্যজন্তু সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সরকারি নিয়মকানুন কঠোরভাবে মানা প্রয়োজন।

প্রশ্নাবলী 1.3

1. তোমাদের অঞ্চলে জল চাষের/ব্যবস্থাপনার কি কি পরম্পরাগত পদ্ধতি আছে বের কর।

উত্তরঃ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাচীন জল চাষ বা জল ব্যবস্থাপনার অনেক পদ্ধতি প্রচলিত আছে। রাজস্থানে পুকুর বা নদী এবং খাদিন (Khadins), মহারাষ্ট্রে বান্ধারা ও তাল, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশে বুন্দি, বিহারে আহার এবং পাইন, হিমাচল প্রদেশে কুলস্ (Kulhs), জম্মু অঞ্চলের কান্দি বেল্টে পুকুর, তামিলনাড়ুতে এরিস (পুকুর), কেরালায় সুড়ঙ্গম এবং কর্ণাটকে কাটটা হচ্ছে প্রাচীন জল চাষ বা জল ব্যবস্থাপনার উদাহরণ। এই কৌশলগুলি সম্পূর্ণ স্থানীয় এবং এগুলির মাধ্যমে সংগৃহীত জল মূলত কৃষিকাজে ও দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়। মূলত এই পরম্পরাগত পদ্ধতিতে ছোট ছোট গর্ত বা পুকুর খনন করা, মাটির ছোট ছোট বাঁধ নির্মাণ করা অথবা বালু ও চুনাপাথরের জলাধার তৈরি করার মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ জলের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়। স্থানীয় লোকেদের ওপর স্থানীয় জলের উৎসের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেওয়ার ফলে এই জল ব্যবস্থাপনার অপচয় হ্রাস পায়। এছাড়া জল পরিবহণের ও উদাহরণ এবং এইসব জলাধার আজও ব্যবহৃত হচ্ছে (চিত্র ১৬.৩ দেখ)। 

2. পাহাড়ী অঞ্চল বা সমতল অথবা মালভূমি অঞ্চলের সম্ভাব্য পদ্ধতির সঙ্গে উপরোক্ত পদ্ধতির তুলনা কর।

উত্তরঃ সমতল ক্ষেত্রে জল চাষের গঠনগুলি প্রধানত অর্ধচন্দ্রাকার মাটির তৈরী বাঁধ অথবা নিচু সোজা জমাট বাঁধা পাথর কুচির ‘চেক বাঁধ’, যা ঋতুকালীন প্লাবিত খাদ বা নালা জুড়ে নির্মিত হয়। অন্যদিকে, পাহাড়ী অঞ্চলে খালদ্বারা জলসিঞ্চনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেমন হিমাচল প্রদেশে নদীর জলকে মানুষের তৈরী করা খাল জাতীয় জলস্রোতে ঘুরিয়ে দিয়ে পাহাড়ের পাদদেশের অসংখ্য গ্রামে জল নিয়ে যাওয়া হয় যাকে ‘কুলস্’ (Kulhs) বলা হয়। উপরোক্ত জল চাষের পদ্ধতিগুলির সাথে বৃহৎ বাঁধ বা মেগা প্রজেক্টের তুলনা করলে দেখা যায় যে, জল চাষের প্রাচীন কৌশলগুলি সম্পূর্ণ স্থানীয় এবং এর উপকারও স্থানকেন্দ্রিক। এই গঠনগুলির প্রধান উদ্দেশ্য ভূ-পৃষ্ঠের জল ধরে রাখা নয় কিন্তু ভূ-গর্ভস্থ জল ধরে রাখা বা রিচার্জ করা। ভূ-গর্ভে জল থাকার অনেক সুবিধা রয়েছে, কারণ এই জল বাষ্পীভূত হয়ে উড়ে যায় না, অথচ কূপ ইত্যাদিতে জলের পরিমাণ বাড়ায় এবং অনেক বেশী অঞ্চলের গাছপালাকে আর্দ্রতা দেয়। এছাড়া, ভূ-গর্ভস্থ জলে ভূপৃষ্ঠের জমা জলে যেমন পুকুর বা কৃত্রিম হ্রদের মত মশার বাসস্থান হয় না এবং মানুষ বা অন্য প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ দিয়ে দূষিত হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

3. তোমাদের অঞ্চলের জলের উৎস বের কর। এই থেকে এলাকায় বসবাসকারী সকল মানুষের প্রয়োজনীয় জল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় কি?

উত্তরঃ আমাদের অঞ্চলের জলের সম্ভাব্য উৎসগুলি হলো স্থানীয় আঞ্চলিক জলাধার (যেমন- পুকুর, নদী, হ্রদ ইত্যাদি) এবং ভূগর্ভস্থ জল। এই উৎসগুলি থেকে এলাকায় বসবাসকারী সকল মানুষের প্রয়োজনীয় জল সবসময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় না। 

প্রয়োজনীয় জল পর্যাপ্ত না হওয়ার প্রধান কারণগুলি নিচে দেওয়া হলো:

(i) জনসংখ্যা বৃদ্ধি: মানুষের জনসংখ্যা অসাধারণ ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর ফলে জলের মতো সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

(ii) ভূগর্ভস্থ জল ধরে রাখতে না পারা: ভারতবর্ষে বৃষ্টিপাতের প্রধান কারণ হলো মৌসুমী বায়ু, অর্থাৎ বৃষ্টি কেবলমাত্র বৎসরের কয়েক মাসই হয়। মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও ভূগর্ভস্থ জল ধরে রাখতে না পারার জন্য জলের অভাব দেখা দেয়।

(iii) জলের দূষণ: মানুষের নানা রকম কাজ, কল-কারখানা বা শহরের বর্জ্য পদার্থ জলে জমা হওয়ার ফলে প্রচুর দূষণ হয়, যা জলকে ব্যবহারের অযোগ্য করে তোলে।

(iv) জলের অসম বণ্টন: অনেক ক্ষেত্রে জলের উৎসের কাছাকাছি অঞ্চলের মানুষ বেশী জলের প্রয়োজন হয় এমন ফসল (যেমন আখ, ধান ইত্যাদি) ফলায়, যার ফলে দূরের মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় পরিমাণ জল পায় না।

1 thought on “SEBA Class 10 Science Chapter 16 প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা”

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top