SEBA Class 10 Social Science Additional Chapter 4 স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Social Science Additional Chapter 4 স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Social Science Additional Chapter 4 স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ Notes. Class 10 Social Science Important Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Social Science Additional Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
Telegram Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 10 Social Science Additional Chapter 4 স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Additional Notes Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Social Science Important Notes in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Social Science Important Question Answer Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ

ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(a) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (১ নম্বর)

১। কত সালে ইয়াণ্ডাবু সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৮২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে ইয়াণ্ডাবু সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

২। অসমে ‘কোম্পানির আমল’ বলতে কোন সময়সীমাকে বোঝায়? 

উত্তরঃ ১৮২৬ সাল থেকে ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত সময়সীমাকে কোস্পানির আমল বলা হয়।

৩। কার উদ্যোগে ‘জ্ঞান প্রদায়িনী সভা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ আনন্দরাম ঢেকীয়াল ফুকন এবং গুণাভিরাম বরুয়ার উদ্যমিতায় ১৮৫৭ সালে জ্ঞান প্রদায়িনী সভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

৪। ‘অসমীয়া লিটারেসি সোসাইটি’ কত সালে এবং কোথায় স্থাপিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৮৭২ সালে প্রথম সংগঠন হিসেবে এটি কলকাতায় স্থাপিত হয়েছিল।

৫। ‘অসমীয়া লিটারেসি সোসাইটি’র অন্যতম প্রাণপুরুষ কারা ছিলেন? 

উত্তরঃ জগন্নাথ বরুয়া এবং মাণিক চন্দ্র বরুয়া ছিলেন এই সংগঠনের অন্যতম প্রাণপুরুষ।

৬। ‘অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভা’ (অ. ভা. উ. সা.) কত সালে গঠিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৮৮৮ সালে অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভা গঠিত হয়েছিল।

৭। ‘অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভা’ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকাটির নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ এই সভা কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকাটির নাম ছিল ‘জোনাকী’।

৮। ‘জোনাকী’র প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন? 

উত্তরঃ জোনাকীর প্রথম সম্পাদক ছিলেন চন্দ্র কুমার আগরওয়ালা।

৯। ‘জোনাকী’ যুগের ত্রিমূর্তি কাদের বলা হয়? 

উত্তরঃ লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া, চন্দ কুমার আগরওয়ালা এবং হেমচন্দ্র গোস্বামীকে জোনাকী যুগের ত্রিমূর্তি বলা হয়।

১০। অসম ছাত্র সম্মেলন কত সালে গঠিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৯১৬ সালে অসম ছাত্র সম্মেলন গঠিত হয়েছিল।

(b) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ নম্বর)

১। আধুনিক শিক্ষা ভারতীয় সমাজে কীভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল? 

উত্তরঃ আধুনিক শিক্ষা ভারতীয় সমাজে দুভাবে প্রভাব ফেলেছিল; একদিকে এটি শিক্ষিত শ্রেণিকে প্রচলিত পরম্পরাকে সমালোচনাত্মক দৃষ্টিতে দেখতে প্রেরণা দিয়েছিল এবং অন্যদিকে ১৯ শতকের শেষে জাতীয় চেতনার জাগরণে প্রাণসঞ্চার করেছিল।

২। অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভার দুটি প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করো। 

উত্তরঃ সভার প্রধান লক্ষ্য ছিল অসমীয়া ভাষার এক শক্তিশালী বিজ্ঞানসম্মত উত্তরণ কামনা করা এবং অসমের সকল পাঠশালা ও বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ ও উন্নত মানের ব্যাকরণ প্রয়োগের জন্য বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

৩। ‘জোনাকী’ পত্রিকার মাধ্যমে কীভাবে জাতীয়তাবাদ প্রচার হয়েছিল? 

উত্তরঃ জোনাকীতে প্রকাশিত কবিতা ও প্রবন্ধাদিতে লেখকদের জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছিল এবং ব্রিটিশ আগমনের ফলে অসমের ঘরোয়া শিল্প ও বাণিজ্যে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল সে বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল।

৪। রায়ত সভার মূল উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল? 

উত্তরঃ রায়ত সভার উদ্দেশ্য ছিল গ্রেজিং কর বন্ধ করা, জমির খাজনা হ্রাস করা এবং পূর্ববঙ্গ থেকে আসা প্রব্রজন রোধ করা।

৫। যোরহাট সর্বজনীন সভার দুটি লক্ষ্য লেখো। 

উত্তরঃ (i) জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা সরকারকে অবগত করানো। এবং 

(ii) সরকারের উদ্দেশ্য ও নীতি জনসাধারণকে অবগত করানো ও জনসাধারণের অবস্থার উন্নতি সাধন করা।

৬। অসম অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষা ক্ষেত্রে কী কী দাবি উত্থাপন করেছিল? 

উত্তরঃ অ্যাসোসিয়েশন কটন কলেজে অসমীয়া শিক্ষকের নিযুক্তি এবং অসমে কারিগরি শিক্ষানুষ্ঠান স্থাপনের দাবিতে সরব হয়েছিল।

৭। ১৯২১ সালে গান্ধীর অসম ভ্রমণ কংগ্রেস কর্মীদের কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? 

উত্তরঃ ওই বছর আগস্ট মাসে গান্ধীর অসম ভ্রমণ নবগঠিত কংগ্রেসের কর্মীবৃন্দকে আলোড়িত করেছিল এবং ফলস্বরূপ অসহযোগ আন্দোলন অসমে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছিল।

৮। ১৯৪২ সালের আন্দোলনে অসমে ‘বিপ্লবী রূপ’ ধারণের কারণ কী ছিল? 

উত্তরঃ জেলবন্দি নেতাদের ওপর পুলিশের অত্যাচার সীমা অতিক্রম করে গেলে আন্দোলন বিপ্লবী বা হিংসাত্মক রূপ ধারণ করে এবং জনসাধারণ সরকারি ঘর-দুয়ার আক্রমণ করে রেল পথ ও সামরিক বাহিনীর অস্ত্র সরবরাহ পথ বিনষ্ট করে দেয়।

৯। ১৯৪২ সালের আন্দোলনে অসমের কয়েকজন আত্মবলিদানকারীর নাম লেখো। 

উত্তরঃ কনকলতা বরুয়া, কুশল কোঁওর, এবং পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়া অন্যান্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ভোলানাথ দাস প্রমুখ।

১০। কনকলতা বরুয়া সম্পর্কে টীকা লেখো। 

উত্তরঃ গহপুরের ১৪ বছরের মেয়ে কনকলতা বরুয়া ১৯৪২ সালের আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন যখন তিনি থানায় পতাকা উত্তোলন করতে গিয়েছিলেন।

(c) রচনাধর্মী প্রশ্ন (৩/৫ নম্বর)

১। অসমীয়া ভাষা উন্নতি সাধিনী সভার ভূমিকা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ১৮৮৮ সালে হেমচন্দ্র গোস্বামী, লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া প্রমুখের নেতৃত্বে এই সভা গঠিত হয়। এই সভা অসমীয়াদের মধ্যে একতা ও জাতীয়তাবোধের ভাব গড়ে তুলেছিল এবং অসমীয়া ভাষার এক শক্তিশালী ও বিজ্ঞানসম্মত উত্তরণ কামনা করেছিল। সভার অন্যতম কৃতিত্ব হলো হেমচন্দ্র বরুয়ার ‘হেমকোষ’ প্রকাশের দায়িত্ব গ্রহণ এবং অসমের সকল বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ ব্যাকরণ প্রয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া। এছাড়া সভা সংস্কৃত বা অন্যান্য ভাষার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ অসমীয়া ভাষায় অনুবাদ করার কাজও অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে গ্রহণ করেছিল এবং ক্রমে অসমের বিভিন্ন প্রান্তে এর শাখা প্রশাখা বিস্তৃত হয়েছিল।

২। অসমে স্বদেশী আন্দোলনের প্রভাব সংক্ষেপে বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ ১৯০৫ সালের বঙ্গ বিভাজনের প্রভাব অসমেও বিস্তারিত হয়েছিল, বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার ধুবড়ি, গুয়াহাটি, ডিব্রুগড় প্রভৃতি শহরে। অম্বিকাগিরি রায়চৌধুরী এবং গোবিন্দ লাহিড়ী গুয়াহাটির ছাত্রদের মধ্যে বিদ্রোহী সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন এবং বিদেশি পণ্য বর্জনের প্রচার চালিয়েছিলেন। এর ফলে অসমের মানুষ লবণের পরিবর্তে ক্ষার, বিদেশি চিনির বদলে বেনারসের চিনি এবং বিদেশি বস্ত্রের বিপরীতে দেশীয় এরি, মুগা ও খাদি বস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছিল। গুয়াহাটির একদল ছাত্র সপ্তাহে দুদিন জাহাজ ঘাটে কুলির কাজ করে উপার্জিত অর্থ স্বদেশী আন্দোলনের তহবিলে দান করেছিল।

৩। অসহযোগ আন্দোলনে অসমের ছাত্র সমাজের ভূমিকা কীরূপ ছিল? 

উত্তরঃ গান্ধীর আহ্বানে অসমের ছাত্ররা সরকারি শিক্ষানুষ্ঠান বর্জন করে অসহযোগ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। চন্দ্রনাথ শর্মা, হেমচন্দ্র বরুয়া প্রমুখের নেতৃত্বে যুবকরা সক্রিয় ভূমিকা নেয় এবং লক্ষ্মীধর শর্মা, রোহিণীকান্ত হাতিবরুয়া প্রমুখ ছাত্ররা শিক্ষানুষ্ঠান ত্যাগ করে আন্দোলনে যোগ দেন। এই আন্দোলনের প্রভাবে গুয়াহাটি, যোরহাট, শিবসাগর প্রভৃতি স্থানে জাতীয় শিক্ষানুষ্ঠান গড়ে ওঠে এবং ১৯২১ সালে গুয়াহাটিতে ‘তিলক সোঁঅরণী স্কুল’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ছাত্রদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আন্দোলনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল।

(d) শূন্যস্থান পূরণ করো (১ নম্বর)

১। ১৮২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে ________ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উত্তরঃ ইয়াণ্ডাবু।

২। ‘জোনাকী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন ________।

উত্তরঃ চন্দ্র কুমার আগরওয়ালা।

৩। ১৮৮৪ সালে ________ র নেতৃত্বে যোরহাট সর্বজনীন সভা স্থাপিত হয়।

উত্তরঃ জগন্নাথ বরুয়া।

৪। ১৯০৫ সালে ডিব্রুগড় শহরে অনুষ্ঠিত অসম অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম অধিবেশনে ________ কে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছিল।

উত্তরঃ রাজা প্রভাতচন্দ্র বরুয়া।

(e) সত্য অথবা মিথ্যা নির্ণয় করো (১ নম্বর)

১। ১৮৩৬ সাল থেকে অসমে সরকারিভাবে বাংলা ভাষার প্রচলন শুরু হয়। 

উত্তরঃ সত্য।

২। ১৯১৬ সালে লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার সভাপতিত্বে প্রথম অসম ছাত্র সম্মেলন গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত হয়। 

উত্তরঃ সত্য।

৩। রায়ত সভাগুলি ১৯০৫ সালের বঙ্গ বিভাজনের তীব্র বিরোধিতা করেছিল। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

৪। কুশল কোঁওরকে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। 

উত্তরঃ সত্য।

(f) মিল খুঁজে বের করো (২ নম্বর)

স্তম্ভ ‘ক’স্তম্ভ ‘খ’
(১) ইয়াণ্ডাবু সন্ধি(ক) ১৮৮৪
(২) অসম প্রদেশ কংগ্রেস গঠন(খ) ১৮২৬
(৩) যোরহাট সর্বজনীন সভা(গ) ১৯১৬
(৪) অসম ছাত্র সম্মেলন(ঘ) ১৯৪৮
(৫) গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়(ঙ) ১৯২১

উত্তরঃ 

স্তম্ভ ‘ক’স্তম্ভ ‘খ’
(১) ইয়াণ্ডাবু সন্ধি(খ) ১৮২৬
(২) অসম প্রদেশ কংগ্রেস গঠন(ঙ) ১৯২১
(৩) যোরহাট সর্বজনীন সভা(ক) ১৮৮৪
(৪) অসম ছাত্র সম্মেলন(গ) ১৯১৬
(৫) গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়(ঘ) ১৯৪৮

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top