SEBA Class 10 Science Additional Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়

SEBA Class 10 Science Additional Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Science Additional Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় Notes. SEBA Class 10 General Science Important Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Additional Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 10 Science Additional Chapter 7 নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Science Additional Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Science Important Notes in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Science Additional Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়

IMPORTANT QUESTION ANSWER

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer) — ২০টি

১। উদ্দীপনা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ পরিবেশের প্রতিটি পরিবর্তন বা ঘটনার প্রেক্ষিতে জীবদেহ যে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাকে উদ্দীপনা বলা হয়।

২। প্রাণীর শরীরে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ের জন্য কোন দুটি কলা কাজ করে?

উত্তরঃ প্রাণীর শরীরে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ের জন্য স্নায়ু এবং পেশিকলা কাজ করে।

৩। আমাদের শরীরে ঘ্রাণগ্রাহক কোথায় থাকে?

উত্তরঃ আমাদের শরীরের ঘ্রাণগ্রাহক বা সংবেদী কোষগুলো নাকে অবস্থিত থাকে।

৪। স্নায়ুপ্রেরণা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ নিউরনের ডেনড্রাইটে সংগৃহীত তথ্য যখন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক প্রবাহে পরিণত হয়, তাকে স্নায়ুপ্রেরণা বলে।

৫। সাইন্যাস্প কী?

উত্তরঃ দুটি কাছাকাছি থাকা স্নায়ুকোষের মধ্যবর্তী অতি ক্ষুদ্র ফাঁক যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত রাসায়নিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়ে প্রবাহিত হয়, তাকে সাইন্যাস্প বলে।

৬। সংজ্ঞাবহ স্নায়ু কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সমস্ত স্নায়ু শরীরের বিভিন্ন অংশ বা সংজ্ঞাবহ অঙ্গ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মস্তিষ্কে বা স্নায়ুরজ্জুতে নিয়ে যায়, তাদের সংজ্ঞাবহ স্নায়ু বলে।

৭। প্রতিবর্ত ক্রিয়া কাকে বলে?

উত্তরঃ পরিবেশের কোনো পরিবর্তনের ফলে মস্তিষ্ক বা চিন্তাভাবনা ছাড়াই শরীরের যে তাৎক্ষণিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া ঘটে, তাকে প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে।

৮। প্রতিবর্ত চাপ কোথায় গঠিত হয়?

উত্তরঃ প্রতিবর্ত চাপ প্রধানত স্নায়ুরজ্জু বা মেরুরজ্জুতে (Spinal cord) গঠিত হয়।

৯। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System) কী কী নিয়ে গঠিত?

উত্তরঃ কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র মস্তিষ্ক (Brain) এবং স্নায়ুরজ্জু (Spinal cord) নিয়ে গঠিত।

১০। প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral Nervous System) কী নিয়ে গঠিত?

উত্তরঃ মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন করোটীয় স্নায়ু এবং স্নায়ুরজ্জু থেকে উৎপন্ন মেরু স্নায়ু নিয়ে প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র গঠিত।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer) — ১৫টি

১। স্নায়ুপ্রেরণা কীভাবে নিউরনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়?

উত্তরঃ স্নায়ুপ্রেরণা প্রথমে ডেনড্রাইটের অগ্রভাগে গৃহীত হয়ে কোষদেহে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে অ্যাক্সনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে স্নায়ুর প্রান্তে যায়। প্রান্তভাগে এটি কিছু রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে যা সাইন্যাস্প অতিক্রম করে পরবর্তী নিউরনে নতুন বৈদ্যুতিক প্রবাহ সৃষ্টি করে।

২। প্রতিবর্ত চাপ (Reflex arc) বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ স্নায়ুরজ্জুতে সংজ্ঞাবহ স্নায়ু এবং আজ্ঞাবহ স্নায়ুর যে সংযোগস্থলের মাধ্যমে সংকেত দ্রুত গৃহীত ও প্রবাহিত হয়, তাকে প্রতিবর্ত চাপ বলে। এটি মস্তিষ্কে সংকেত পাঠানোর আগেই পেশিকোষকে কাজ করার নির্দেশ দেয়।

৩। করোটীয় স্নায়ু এবং মেরু স্নায়ুর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তরঃ করোটীয় স্নায়ু সরাসরি মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয়। অন্যদিকে মেরু স্নায়ু স্নায়ুরজ্জু বা মেরুরজ্জু থেকে উৎপন্ন হয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

৪। সেরিবেলাম (Cerebellum) ক্ষতিগ্রস্ত হলে কী সমস্যা হতে পারে?

উত্তরঃ সেরিবেলাম ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং সূক্ষ্ম ঐচ্ছিক কাজগুলো যেমন— পেন্সিল ধরা বা সোজা পথে হাঁটা সম্ভব হবে না।

৫। পেশিকোষ কীভাবে আকার পরিবর্তন করে?

উত্তরঃ পেশিকোষে বিশেষ ধরনের প্রোটিন থাকে যা স্নায়ু উদ্দীপনার প্রভাবে নিজেদের বিন্যাস পরিবর্তন করতে পারে। এর ফলে পেশিকোষ সংকুচিত বা প্রসারিত হয়ে নিজের আকার পরিবর্তন করে এবং অঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে।

(C) বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর (Descriptive Answer) — ১০টি

১। একটি স্নায়ুকোষ বা নিউরনের চিত্রসহ গঠন বর্ণনা করো।

উত্তরঃ নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের গাঠনিক ও কার্যকরী একক যা একটি কোষদেহ, অসংখ্য ছোট শাখা বা ডেনড্রাইট এবং একটি লম্বা শাখা বা অ্যাক্সন নিয়ে গঠিত। ডেনড্রাইট পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কোষদেহে পাঠায় এবং অ্যাক্সন সেই তথ্যকে বৈদ্যুতিক সংকেত হিসেবে পরবর্তী কোষে নিয়ে যায়।

২। প্রতিবর্ত ক্রিয়া এবং হাঁটার মধ্যে পার্থক্য বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ প্রতিবর্ত ক্রিয়া হলো মস্তিষ্কের কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়াই পরিবেশের উদ্দীপনায় তাৎক্ষণিক ও স্বয়ংক্রিয় সাড়া দেওয়া। অন্যদিকে হাঁটা হলো একটি ঐচ্ছিক কাজ যা মস্তিষ্কের বিচার-বুদ্ধি ও নির্দেশের মাধ্যমে ঘটে এবং এতে সেরিবেলামের ভূমিকা থাকে।

৩। মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে সুরক্ষিত থাকে?

উত্তরঃ মস্তিষ্ক করোটি নামক শক্ত হাড়ের বাক্সের ভেতরে অবস্থান করে। এই হাড়ের আবরণের ভেতরে মস্তিষ্ক একটি তরল পদার্থে (Cerebrospinal fluid) পূর্ণ থলিতে থাকে, যা বাইরের কোনো ধাক্কা বা আঘাত থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে।

(D) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer) — ১০টি

১। প্রতিবর্ত চাপের (Reflex arc) পথটি একটি চিত্রের মাধ্যমে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ প্রতিবর্ত চাপের পথে প্রথমে উদ্দীপক থেকে তথ্য গ্রাহক অঙ্গ (যেমন— ত্বক) গ্রহণ করে। সেখান থেকে সংজ্ঞাবহ স্নায়ু হয়ে সংকেত স্নায়ুরজ্জুতে পৌঁছায়। স্নায়ুরজ্জুতে থাকা অন্তঃবর্তী নিউরন তথ্যটি বিশ্লেষণ করে আজ্ঞাবহ স্নায়ুর মাধ্যমে চালক অঙ্গ বা পেশিতে নির্দেশ পাঠায়। এর ফলে পেশি সংকুচিত হয় এবং আমরা অঙ্গটি সরিয়ে নিই।

২। মানুষের মস্তিষ্কের প্রধান তিনটি ভাগ এবং তাদের কাজ বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ মানুষের মস্তিষ্কের তিনটি প্রধান ভাগ হলো— অগ্রমস্তিষ্ক, মধ্য-মস্তিষ্ক এবং পশ্চাৎ মস্তিষ্ক। অগ্রমস্তিষ্ক চিন্তা করা, স্মৃতি ধারণ এবং ঐচ্ছিক পেশি নিয়ন্ত্রণ করে। মধ্য-মস্তিষ্ক ও পশ্চাৎ মস্তিষ্ক অনৈচ্ছিক কাজ যেমন— রক্তচাপ, লালা নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ সেরিবেলাম ভারসাম্য রক্ষা করে এবং মেডুলা শরীরের জৈবনিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩। উদ্ভিদ হরমোন বা ফাইটো হরমোন বলতে কী বোঝো? চারটি উদ্ভিদ হরমোনের কাজ লেখো।

উত্তরঃ উদ্ভিদ হরমোন হলো উদ্ভিদের কোষে উৎপন্ন রাসায়নিক পদার্থ যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও সমন্বয় নিয়ন্ত্রণ করে। 

চারটি প্রধান হরমোন হলো: 

(i) অক্সিন— কোষের দৈর্ঘ্য বাড়ায়।

(ii) জিব্বারেলিন— কাণ্ডের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

(iii) সাইটোকাইনিন— দ্রুত কোষ বিভাজন ঘটায়। এবং 

(iv) অ্যাবসিসিক অ্যাসিড— বৃদ্ধি রোধ করে ও পাতা ঝরিয়ে দেয়।

(E) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks) — ১৫টি

১। দুটি স্নায়ুকোষের সংযোগস্থলকে ________ বলা হয়।

উত্তরঃ সাইন্যাস্প।

২। স্নায়ুরজ্জু ________ দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।

উত্তরঃ মেরুদণ্ড।

৩। মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুরজ্জু নিয়ে ________ স্নায়ুতন্ত্র গঠিত।

উত্তরঃ কেন্দ্রীয়।

৪। মস্তিষ্কের প্রধান চিন্তা করার অংশটি হলো ________।

উত্তরঃ প্রমস্তিষ্ক।

৫। রক্তচাপ ও বমি নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের ________ অংশ।

উত্তরঃ মেডুলা।

(F) সত্য/মিথ্যা (True or False) — ১৫টি

১। ডেনড্রাইট থেকে অ্যাক্সনের দিকে স্নায়ুপ্রেরণা প্রবাহিত হয়।

উত্তরঃ সত্য।

২। প্রতিবর্ত চাপ মস্তিষ্কে গঠিত হয়।

উত্তরঃ মিথ্যা।

৩। করোটীয় স্নায়ু মেরুরজ্জু থেকে উৎপন্ন হয়।

উত্তরঃ মিথ্যা।

৪। মেডুলা একটি ঐচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ।

উত্তরঃ মিথ্যা।

৫। উদ্ভিদ কোষে স্নায়ুকলা উপস্থিত থাকে।

উত্তরঃ মিথ্যা।

(G) MCQ (Multiple Choice Questions) — ৩০টি

১। একটি নিউরনের বৈদ্যুতিক সংকেত রাসায়নিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়—

(a) ডেনড্রাইটে।

(b) কোষদেহে।

(c) অ্যাক্সন প্রান্তে।

(d) নিউক্লিয়াসে।

উত্তরঃ (c) অ্যাক্সন প্রান্তে।

২। আমাদের শরীরে রিলে নিউরন বা অন্তঃবর্তী নিউরন কোথায় থাকে?

(a) হৃদপিণ্ডে।

(b) পেশিতে।

(c) স্নায়ুরজ্জুতে।

(d) যকৃতে।

উত্তরঃ (c) স্নায়ুরজ্জুতে।

৩। নিচের কোনটি একটি অনৈচ্ছিক কাজ?

(a) সাইকেল চালানো।

(b) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ।

(c) পেন্সিল দিয়ে লেখা।

(d) চেয়ার টানা।

উত্তরঃ (b) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ।

৪। সেরিবেলাম কার অংশ?

(a) অগ্রমস্তিষ্ক।

(b) মধ্য-মস্তিষ্ক।

(c) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

(d) মেরুরজ্জু।

উত্তরঃ (c) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

৫। লজ্জাবতী লতার চলন হলো একটি—

(a) ট্রপিক চলন।

(b) নাটি চলন।

(c) বৃদ্ধিহীন চলন।

(d) আলোকানুবর্তন।

উত্তরঃ (c) বৃদ্ধিহীন চলন।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top