SEBA Class 10 Science Additional Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Science Additional Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ Notes. SEBA Class 10 General Science Important Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Additional Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Science Additional Chapter 14 শক্তির উৎসসমূহ
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Science Additional Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Science Important Notes in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Science Additional Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
শক্তির উৎসসমূহ
| IMPORTANT QUESTION ANSWER |
(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer) — ২০টি
১। শক্তির একটি উত্তম উৎস কী?
উত্তরঃ শক্তির একটি উত্তম উৎস হল সেই উৎস যা প্রতি একক আয়তন বা ভরে অধিক কার্য সম্পাদন করতে পারে।
২। জীবাশ্মজাত জ্বালানির একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ কয়লা বা পেট্রোলিয়াম হল জীবাশ্মজাত জ্বালানির উদাহরণ।
৩। পারমাণবিক শক্তির একক কী?
উত্তরঃ পারমাণবিক বিজ্ঞানে শক্তির একক হল ইলেকট্রন ভোল্ট (eV)।
৪। E = mc2 সমীকরণটির উদ্ভাবক কে?
উত্তরঃ ১৯০৫ সনে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এই সমীকরণটির উদ্ভাবন করেন।
৫। জৈব-ভর বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত কাঠ, গোবরের চাবড়া ইত্যাদি উদ্ভিদ ও প্রাণীজ উৎসকে জৈব-ভর বলা হয়।
৬। জৈব গ্যাসে কত শতাংশ মিথেন থাকে?
উত্তরঃ জৈব গ্যাসে প্রায় ৭৫% মিথেন থাকে।
৭। বায়ু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারতের স্থান কত?
উত্তরঃ বায়ু শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভারতের স্থান পঞ্চম।
৮। ভূ-তাপীয় শক্তির ক্ষেত্রে ‘হট স্পট’ কী?
উত্তরঃ ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে উত্তপ্ত অঞ্চলে আটকা পড়া গলিত শিলাস্তুপকে হট স্পট বলে।
৯। সি.এন.জি (CNG)-এর একটি সুবিধা লেখো।
উত্তরঃ সি.এন.জি বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস অন্যান্য জ্বালানির তুলনায় অধিক দূষণমুক্ত।
১০। সৌর ধ্রুবক বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলের বহিঃস্তরে প্রতি বর্গমিটার স্থানে প্রতি সেকেন্ডে সূর্য থেকে আগত প্রায় ১.৪ কিলো জুল শক্তিকে সৌর ধ্রুবক বলে।
(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer) — ১৫টি
১। একটি উত্তম জ্বালানির বৈশিষ্ট্যসমূহ কী কী?
উত্তরঃ একটি উত্তম জ্বালানি দহনের ফলে প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে এবং খুব বেশি ধোঁয়া উৎপন্ন করে না। এছাড়াও এটি সহজে পাওয়া যায় এবং এর পরিবহন ও সঞ্চয় সুবিধাজনক হয়।
২। জীবাশ্মজাত জ্বালানি ব্যবহারের অসুবিধাগুলো কী কী?
উত্তরঃ জীবাশ্মজাত জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন, নাইট্রোজেন এবং সালফারের অক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বায়ু দূষণ ঘটায়। এছাড়াও এগুলি অনবীকরণযোগ্য উৎস হওয়ায় দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে।
৩। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাকে বলে?
উত্তরঃ যে কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি দহন করে জলকে বাষ্পীভূত করা হয় এবং সেই বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় তাকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বলে। এখানে তাপ শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৪। বড় বাঁধ নির্মাণের ফলে কী কী সমস্যা দেখা দেয়?
উত্তরঃ বাঁধ নির্মাণের ফলে বিশাল কৃষিজমি ও জনবসতি এলাকা জলে ডুবে যায় এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বিনষ্ট হয়। এছাড়াও জলের নিচে গাছপালা পচে গিয়ে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করে যা পরিবেশের ক্ষতি করে।
৫। কাঠকয়লা কীভাবে প্রস্তুত করা হয়?
উত্তরঃ সীমিত পরিমাণ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে কাঠ দহন করলে তাতে থাকা জল ও উদ্বায়ী পদার্থ অপসারিত হয়ে কাঠকয়লা উৎপন্ন হয়। এটি শিখাহীনভাবে জ্বলে এবং ধোঁয়া কম উৎপন্ন করে।
(C) বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর (Descriptive Answer) — ১০টি
১। জলবিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নদীতে উঁচু বাঁধ নির্মাণ করে জলপ্রবাহকে বাধা দেওয়া হয় এবং বিশাল জলাশয়ে জল সঞ্চিত করা হয়। এর ফলে জলের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং গতিশক্তি স্থিতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বাঁধের উঁচু স্তর থেকে এই জল নলের মাধ্যমে নিচে থাকা টারবাইনে ফেলা হয়, যা বিদ্যুৎ উৎপাদকের সঙ্গে যুক্ত থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
২। জৈব গ্যাস প্ল্যান্ট বা ডাইজেস্টার কীভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ জৈব গ্যাস প্ল্যান্টে গোবর ও জলের মিশ্রণকে একটি বায়ুরোধী ডাইজেস্টার বা পাচক প্রকোষ্ঠে রাখা হয়]। এখানে অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অবাত অণুজীবগুলি জৈব পদার্থের বিয়োজন ঘটায় এবং পচনের ফলে মিথেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের মিশ্রণ উৎপন্ন করে। উৎপন্ন গ্যাস ডাইজেস্টারের উপরের অংশে জমা হয় এবং নলের সাহায্যে ব্যবহারের জন্য বের করা হয়।
৩। বায়ুকলের গঠন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি আলোচনা করো।
উত্তরঃ বায়ুকল হল একটি বড় আকারের বৈদ্যুতিক পাখার মতো কাঠামো যা একটি শক্ত খুঁটির ওপর অনেক উঁচুতে স্থাপন করা হয়। বায়ুর প্রবাহ যখন এই পাখার ব্লেডগুলোতে আঘাত করে, তখন ব্লেডগুলো ঘুরতে শুরু করে। এই ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদকের (জেনারেটর) মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয়।
৪। সৌর প্যানেলের উপযোগিতা বর্ণনা করো।
উত্তরঃ একটি একক সৌরকোষ খুব সামান্য বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে বলে অনেকগুলো সৌরকোষকে একত্রে যুক্ত করে সৌর প্যানেল তৈরি করা হয়। এই প্যানেলগুলি কৃত্রিম উপগ্রহ, মহাকাশ অভিযান এবং দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুতের প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এগুলি রক্ষণাবেক্ষণহীনভাবে কাজ করতে পারে এবং পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।
৫। পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারের বিপদসমূহ কী কী?
উত্তরঃ পারমাণবিক শক্তির প্রধান বিপদ হল ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় জ্বালানির অবশিষ্টাংশ সঞ্চয় এবং অপসারণ করা, কারণ এগুলি থেকে দীর্ঘসময় ক্ষতিকারক বিকিরণ নির্গত হতে থাকে। সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে পরিবেশ দূষিত হওয়ার ভয় থাকে। এছাড়াও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটলে ব্যাপক তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
(D) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer) — ১০টি
১। জীবাশ্মজাত জ্বালানির বিস্তারিত বিশ্লেষণ করো। এর সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ জীবাশ্মজাত জ্বালানি যেমন কয়লা ও পেট্রোলিয়াম কোটি কোটি বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি হয়েছে। শিল্প বিপ্লবের সময় থেকেই এটি আমাদের শক্তির প্রধান উৎস। সুবিধা হিসেবে এটি সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং পরিবহনের জন্য পরিকাঠামো বিদ্যমান। তবে এর অসুবিধাগুলো ব্যাপক; যেমন এটি একটি অনবীকরণযোগ্য উৎস এবং এর ভাণ্ডার সীমিত। দহনের ফলে কার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেনের অক্সাইড উৎপন্ন হয় যা বায়ু দূষণ ও অ্যাসিড বৃষ্টি ঘটায়। এছাড়াও কার্বন ডাই-অক্সাইডের নির্গমন বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
২। জৈব গ্যাস উৎপাদন পদ্ধতি এবং এর উপযোগিতা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ জৈব গ্যাস বা গোবর গ্যাস মূলত কৃষি বর্জ্য, গোবর এবং পয়ঃপ্রণালীর আবর্জনা থেকে অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অবাত পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। এর প্রধান উপাদান মিথেন (৭৫%), যা অত্যন্ত ভালো জ্বালানি। বায়ুরোধী ডাইজেস্টার চেম্বারে অণুজীবগুলো জৈব পদার্থের বিয়োজন ঘটায় এবং কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস উৎপন্ন হয়। সুবিধা হিসেবে এটি ধোঁয়াহীন শিখায় জ্বলে এবং দহন শেষে কোনো ছাই বা অবশিষ্ট রাখে না। এর তাপ উৎপাদন ক্ষমতাও অনেক বেশি। এছাড়া অবশিষ্টাংশ হিসেবে পাওয়া কাদা বা স্লারি নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সমৃদ্ধ অত্যন্ত ভালো সার হিসেবে কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩। বায়ু শক্তি ব্যবহারের পদ্ধতি, গুরুত্ব এবং সীমাবদ্ধতাসমূহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ সূর্যের তাপে ভূমি ও জলভাগ অসমভাবে উত্তপ্ত হওয়ায় বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয় এবং এই প্রবাহের গতিশক্তিকে বায়ুকলের সাহায্যে কাজে লাগানো হয়। ডেনমার্ককে বায়ু প্রবাহের দেশ বলা হয় এবং ভারত এই শক্তি উৎপাদনে বিশ্বে পঞ্চম। একক বায়ুকলের উৎপাদন ক্ষমতা কম হওয়ায় বড় এলাকায় অনেকগুলো বায়ুকল স্থাপন করে বায়ু শক্তি ফার্ম তৈরি করা হয়। এর সুবিধা হল এটি একটি নবীকরণযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উৎস যার জন্য বারবার খরচ করতে হয় না। তবে সীমাবদ্ধতা হল এটি শুধুমাত্র বায়ু প্রবাহ থাকা অঞ্চলে স্থাপনযোগ্য এবং বায়ুর গতিবেগ অন্তত ১৫ কিমি/ঘণ্টা হতে হয়। এছাড়া স্থাপনের প্রাথমিক খরচ অনেক বেশি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।
৪। সৌর শক্তির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং এর সুবিধা-অসুবিধা আলোচনা করো।
উত্তরঃ সৌর শক্তিকে সরাসরি কাজে লাগানোর জন্য সৌর কুকার, সৌর জল-উত্তাপক এবং সৌরকোষ ব্যবহৃত হয়। সৌর কুকারে কালো পৃষ্ঠতল এবং কাঁচের প্লেট ব্যবহার করে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপ ধরে রাখা হয়। সৌরকোষ সূর্যালোককে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। সুবিধা হিসেবে এগুলি রক্ষণাবেক্ষণহীনভাবে কাজ করে এবং দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুতের যোগান দেয়। অসুবিধা হল সৌরকোষ নির্মাণের সিলিকন অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং রূপালী সংযোগকারী তারের কারণে এর উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। মেঘলা দিনে বা রাতে এই ব্যবস্থা থেকে শক্তি পাওয়া যায় না।
৫। সমুদ্র থেকে পাওয়া শক্তির বিভিন্ন রূপসমূহ (জোয়ার, তরঙ্গ, তাপীয়) বর্ণনা করো।
উত্তরঃ সমুদ্র থেকে তিনভাবে শক্তি পাওয়া যায়:
(i) জোয়ার-ভাটা শক্তি: চাঁদের মহাকর্ষীয় টানে জলস্তরের উচ্চতার পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়।
(ii) তরঙ্গ শক্তি: সমুদ্রের উপরিভাগের প্রবল বায়ু প্রবাহের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গের গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
(iii) সমুদ্রের তাপীয় শক্তি (OTE): সমুদ্রের উপরিভাগের গরম জল এবং গভীর তলার ঠান্ডা জলের তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে উদ্বায়ী তরলকে ফুটিয়ে তার বাষ্প দিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়। তবে এগুলি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা বেশ কঠিন ও ব্যয়বহুল।
(E) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks) — ১৫টি
১। জৈব গ্যাসে প্রায় ৭৫ শতাংশ ________ থাকে।
উত্তরঃ মিথেন।
২। বায়ু শক্তি উৎপাদনে ভারতের স্থান বিশ্বে ________।
উত্তরঃ পঞ্চম।
৩। সৌর ধ্রুবকের মান প্রায় ________ kW/m2
উত্তরঃ ১.৪।
৪। ১ ইলেকট্রন ভোল্ট (eV) = ________ জুল।
উত্তরঃ 1.602×10−19
৫। জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত কাঠ বা গোবরকে ________ বলা হয়।
উত্তরঃ জৈব-ভর।
(F) সত্য/মিথ্যা (True or False) — ১৫টি
১। জীবাশ্ম জ্বালানি শক্তির একটি নবীকরণযোগ্য উৎস।
উত্তরঃ মিথ্যা।
২। সৌরকোষ সূর্যালোককে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
উত্তরঃ সত্য।
৩। গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার জন্য অক্সিজেন গ্যাস দায়ী।
উত্তরঃ মিথ্যা।
৪। কাঠকয়লা দহনের সময় ধোঁয়া উৎপন্ন হয় না।
উত্তরঃ সত্য।
৫। বাঁধ নির্মাণ করলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় থাকে।
উত্তরঃ মিথ্যা।
(G) MCQ (Multiple Choice Questions) — ৩০টি
১। নিচের কোনটি অনবীকরণযোগ্য শক্তির উৎস?
(a) সৌর শক্তি।
(b) বায়ু শক্তি।
(c) কয়লা।
(d) জল শক্তি।
উত্তরঃ (c) কয়লা।
২। জৈব গ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি?
(a) অক্সিজেন।
(b) মিথেন।
(c) হাইড্রোজেন।
(d) নাইট্রোজেন।
উত্তরঃ (b) মিথেন।
৩। অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস কোনটি?
(a) সালফার ডাই-অক্সাইড।
(b) অক্সিজেন।
(c) আর্গন।
(d) হিলিয়াম।
উত্তরঃ (a) সালফার ডাই-অক্সাইড।
৪। বায়ু শক্তি উৎপাদনে কোন দেশ প্রথম?
(a) ভারত।
(b) জার্মানি।
(c) ডেনমার্ক।
(d) চীন।
উত্তরঃ (b) জার্মানি।
৫। একটি সৌরকোষের বিভব প্রভেদ কত?
(a) ৫-১০ ভোল্ট।
(b) ০.৫-১ ভোল্ট।
(c) ১০০-২০০ ভোল্ট।
(d) ১২ ভোল্ট।
উত্তরঃ (b) ০.৫-১ ভোল্ট।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel