SEBA Class 10 Science Additional Chapter 15 আমাদের পরিবেশ Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Science Additional Chapter 15 আমাদের পরিবেশ Notes. SEBA Class 10 General Science Important Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 10 Science Additional Chapter 15 আমাদের পরিবেশ Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Science Additional Chapter 15 আমাদের পরিবেশ
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Science Additional Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Science Important Notes in Bengali. If you liked SEBA Class 10 Science Additional Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
আমাদের পরিবেশ
| IMPORTANT QUESTION ANSWER |
(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer) — ২০টি
১। পরিস্থিতি তন্ত্র বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের সমস্ত জীব এবং পরিবেশের অজৈব উপাদানসমূহ একত্রে মিলে যে তন্ত্র গঠন করে, তাকে পরিস্থিতি তন্ত্র বা বাস্তুতন্ত্র বলা হয়।
২। উৎপাদক কাদের বলা হয়?
উত্তরঃ যেসব সবুজ উদ্ভিদ এবং নীল-সবুজ শৈবাল সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৌরশক্তি ব্যবহার করে অজৈব পদার্থ থেকে খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে, তাদের উৎপাদক বলা হয়।
৩। কৃত্রিম পরিস্থিতি তন্ত্রের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ মানুষের তৈরি বাগান বা শস্যক্ষেত্র হলো কৃত্রিম পরিস্থিতি তন্ত্রের উদাহরণ।
৪। ওজোন অণু (O₃) কয়টি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত?
উত্তরঃ ওজোন অণু তিনটি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত।
৫। CFC-এর সম্পূর্ণ নাম কী?
উত্তরঃ CFC-এর সম্পূর্ণ নাম হলো ক্লোরোফ্লুরো কার্বন।
৬। জৈব-বিনাশক পদার্থ কী?
উত্তরঃ যেসব পদার্থ জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে (যেমন অণুজীবের ক্রিয়ায়) ভেঙে বা পচে যায়, তাদের জৈব-বিনাশক পদার্থ বলা হয়।
৭। বিয়োজক কারা?
উত্তরঃ ব্যাকটিরিয়া এবং ছত্রাকের মতো অণুজীব যারা মৃত জীবদেহের অবশিষ্টাংশ ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত করে, তাদের বিয়োজক বলা হয়।
৮। পরিস্থিতি তন্ত্রে শক্তির প্রবাহ কেমন হয়?
উত্তরঃ পরিস্থিতি তন্ত্রে শক্তির প্রবাহ সর্বদা একমুখী হয়।
৯। UNEP-এর পুরো নাম কী?
উত্তরঃ UNEP-এর পুরো নাম হলো ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম।
১০। শক্তির ১০ শতাংশ নীতি কী?
উত্তরঃ একটি পৌষ্টিক স্তর থেকে পরবর্তী উচ্চতর পৌষ্টিক স্তরে মাত্র ১০ শতাংশ শক্তি স্থানান্তরিত হয়, একেই ১০ শতাংশ নীতি বলা হয়।
১১। সূর্যরশ্মির কোন উপাদান মানুষের ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টি করে?
উত্তরঃ সূর্যের অতি-বেগুনি রশ্মি মানুষের ত্বকের ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী।
১২। জৈব-অবিনাশক পদার্থের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ প্লাস্টিক হলো একটি জৈব-অবিনাশক পদার্থের উদাহরণ যা অণুজীবের দ্বারা বিয়োজিত হয় না।
১৩। পরিস্থিতি তন্ত্রের মূল শক্তির উৎস কী?
উত্তরঃ পরিস্থিতি তন্ত্রের শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য বা সৌরশক্তি।
১৪। একটি প্রাকৃতিক পরিস্থিতি তন্ত্রের নাম লেখো।
উত্তরঃ বন বা পুকুর হলো প্রাকৃতিক পরিস্থিতি তন্ত্রের উদাহরণ।
১৫। খাদ্য শৃঙ্খল কী?
উত্তরঃ জীবের মধ্যে একে অন্যকে খাওয়ার মাধ্যমে যে ধারাবাহিক সম্পর্ক বা অনুক্রম তৈরি হয়, তাকে খাদ্য শৃঙ্খল বলা হয়।
(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer) — ১৫টি
১। পরিস্থিতি তন্ত্রে বিয়োজকদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ বিয়োজকরা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর জটিল জৈব পদার্থগুলোকে সরল অজৈব উপাদানে ভেঙে ফেলে। এই উপাদানগুলো পুনরায় মাটিতে মিশে যায় এবং উদ্ভিদ তা ব্যবহার করতে পারে, ফলে পরিবেশে পদার্থের চক্রাকার আবর্তন বজায় থাকে।
২। পরিস্থিতি তন্ত্রের জৈব ও অজৈব উপাদানগুলোর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তরঃ পরিস্থিতি তন্ত্রের জৈব উপাদান হলো উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের মতো জীবন্ত সত্তা। অন্যদিকে, অজৈব উপাদান হলো তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ু, মাটি এবং খনিজ পদার্থের মতো জড় বস্তু।
৩। অ্যাকোয়ারিয়ামকে কেন মানুষের তৈরি বা কৃত্রিম পরিস্থিতি তন্ত্র বলা হয়?
উত্তরঃ অ্যাকোয়ারিয়াম মানুষের দ্বারা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয় যেখানে মাছ ও উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার, অক্সিজেন ও জল বাইরে থেকে সরবরাহ করতে হয়, তাই এটি একটি কৃত্রিম পরিস্থিতি তন্ত্র।
৪। জৈব-বিনাশক এবং জৈব-অবিনাশক বর্জ্যের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
উত্তরঃ জৈব-বিনাশক বর্জ্য অণুজীবের ক্রিয়ায় সহজে পচে মাটিতে মিশে যায়, যেমন সবজির খোসা। কিন্তু জৈব-অবিনাশক বর্জ্য অণুজীবের দ্বারা ভেঙে যায় না এবং দীর্ঘকাল পরিবেশে অপরিবর্তিত থেকে দূষণ ঘটায়, যেমন প্লাস্টিক।
৫। উচ্চতর পৌষ্টিক স্তরে জীবের সংখ্যা কেন কম থাকে?
উত্তরঃ প্রতিটি পৌষ্টিক স্তরে স্থানান্তরের সময় প্রচুর পরিমাণে শক্তি তাপ হিসেবে নষ্ট হয়। ফলে চতুর্থ বা পঞ্চম স্তরের পর ব্যবহারের মতো অতি সামান্য শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাই উচ্চতর স্তরে জীবের সংখ্যা কম হয়।
(C) বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর (Descriptive Answer) — ১০টি
১। পরিস্থিতি তন্ত্রে শক্তির প্রবাহ চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ পরিস্থিতি তন্ত্রে শক্তি সর্বদা সৌরশক্তি থেকে উৎপাদকে প্রবেশ করে। উৎপাদকরা এই শক্তির মাত্র ১ শতাংশ গ্রহণ করে খাদ্যে রূপান্তর করে। এরপর তৃণভোজী প্রাণীরা উৎপাদককে খেলে শক্তি তাদের দেহে যায়। প্রতিটি স্তরে বিপাকীয় কাজ ও তাপ হিসেবে প্রচুর শক্তি নষ্ট হয় এবং পরবর্তী স্তরে মাত্র ১০ শতাংশ শক্তি পৌঁছায়। এই প্রবাহ সবসময় একমুখী হয় এবং পুনরায় সূর্যের কাছে ফিরে যায় না।
২। ওজোন স্তরের ক্ষয় এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে লেখো।
উত্তরঃ ওজোন স্তর হ্রাসের প্রধান কারণ হলো মানুষের ব্যবহৃত CFC গ্যাস। ১৯৮০-র দশক থেকে ওজোন স্তরের ফুটো বা ক্ষয় লক্ষ্য করা গেছে। এটি প্রতিকারের জন্য ১৯৮৭ সালে UNEP আন্তর্জাতিক চুক্তি করেছে যাতে CFC উৎপাদন হ্রাস করা যায়। বর্তমানে এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটরে CFC-মুক্ত গ্যাস ব্যবহার করার চেষ্টা চলছে যাতে বায়ুমণ্ডলের এই সুরক্ষা কবচ রক্ষা পায়।
৩। নগরাঞ্চলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা ও সমাধান আলোচনা করো।
উত্তরঃ নগরাঞ্চলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রচুর পরিমাণে গৃহস্থালি ও শিল্প বর্জ্য তৈরি হয়। এই বর্জ্যগুলো যত্রতত্র ফেলার ফলে নর্দমা আটকে যায় এবং পরিবেশ দূষিত হয়। সমাধানের জন্য জৈব-বিনাশক এবং জৈব-অবিনাশক বর্জ্য পৃথক করা জরুরি। পচনশীল বর্জ্য থেকে সার তৈরি করা এবং প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে এই সমস্যা কমানো সম্ভব।
৪। খাদ্য জালের ধারণাটি একটি উদাহরণের সাহায্যে বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ প্রকৃতিতে কোনো প্রাণীই কেবল একটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপর নির্ভর করে না। একটি প্রাণী একাধিক স্তরের প্রাণীকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। যেমন—একটি ইঁদুরকে সাপও খেতে পারে আবার বাজপাখিও খেতে পারে। এভাবে বিভিন্ন খাদ্য শৃঙ্খল পরষ্পর যুক্ত হয়ে যে জালিকাকার সম্পর্ক তৈরি করে তাকে খাদ্য জাল বলে। এটি পরিস্থিতি তন্ত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
৫। কীভাবে কীটনাশক আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলে প্রবেশ করে?
উত্তরঃ ফসলকে রোগ ও পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে যে কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, তা বৃষ্টির জলে ধুয়ে মাটি বা জলাশয়ে মেশে। মাটি থেকে উদ্ভিদ তা শোষণ করে এবং জলাশয় থেকে জলজ উদ্ভিদে প্রবেশ করে। যখন মানুষ বা অন্য প্রাণী ওই উদ্ভিদ বা মাছ গ্রহণ করে, তখন সেই বিষাক্ত রাসায়নিক তাদের দেহে প্রবেশ করে।
(D) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer) — ১০টি
১। পরিস্থিতি তন্ত্রের উপাদানগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ পরিস্থিতি তন্ত্র মূলত দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত—অজৈব এবং জৈব। অজৈব উপাদানের মধ্যে রয়েছে জল, বাতাস, মাটি, খনিজ পদার্থ এবং প্রাকৃতিক অবস্থা যেমন তাপমাত্রা ও আলো।
জৈব উপাদানকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
(ক) উৎপাদক—যারা সবুজ উদ্ভিদের মতো নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে।
(খ) উপভোক্তা—যারা খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল। এদের আবার তৃণভোজী, মাংসাশী ও সর্বভুক শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
(গ) বিয়োজক—ব্যাকটিরিয়া ও ছত্রাক যারা মৃত জীবদেহ পচিয়ে পুনরায় অজৈব উপাদানে পরিণত করে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে নিরন্তর পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলেই পরিস্থিতি তন্ত্রের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২। খাদ্য শৃঙ্খল ও শক্তির প্রবাহের চিত্রসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ খাদ্য শৃঙ্খল হলো জীবের এমন এক অনুক্রম যেখানে এক জীব অন্য জীবকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ: ঘাস (উৎপাদক) → ফড়িং (তৃণভোজী) → ব্যাং (মাংসাশী) → সাপ (উচ্চতর মাংসাশী)। শক্তির প্রবাহের ক্ষেত্রে সূর্য থেকে আসা শক্তির মাত্র ১ শতাংশ উদ্ভিদ ব্যবহার করে। প্রতিটি ধাপে শক্তি স্থানান্তরের সময় শক্তির অপচয় ঘটে এবং পরবর্তী ধাপে মাত্র ১০ শতাংশ শক্তি যায়। শক্তির এই প্রবাহ সর্বদা একমুখী এবং উচ্চতর স্তরে শক্তির পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে বলে খাদ্য শৃঙ্খল সাধারণত সীমিত দৈর্ঘ্যের হয়।
৩। ওজোন স্তর সংকট: কারণ, প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আলোচনা করো।
উত্তরঃ ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতি-বেগুনি (UV) রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। কিন্তু ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC) গ্যাসের ব্যবহারের ফলে এই স্তরে ক্ষয় দেখা দিচ্ছে। এর প্রভাবে মানুষের ত্বকের ক্যানসার, চোখের সমস্যা এবং উদ্ভিদের ক্ষতি হতে পারে। এই সংকট মোকাবিলায় ১৯৮৭ সালে UNEP (ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম) উদ্যোগ নেয়। তারা একটি চুক্তির মাধ্যমে CFC উৎপাদন ১৯৮৬ সালের মাত্রায় সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ওজোন বান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা চলছে যাতে এই সুরক্ষা কবচটি পুনর্গঠিত হতে পারে।
৪। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো উল্লেখ করো এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাব বর্ণনা করো।
উত্তরঃ আধুনিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ফলে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদিত হচ্ছে। এই বর্জ্য দুই ধরনের—জৈব-বিনাশক ও জৈব-অবিনাশক। প্লাস্টিক, ধাতব পদার্থ এবং কাঁচের মতো জৈব-অবিনাশক বর্জ্য মাটিতে মিশে যায় না এবং দীর্ঘকাল পরিবেশে থেকে জমি ও জল দূষিত করে। এর ফলে পরিস্থিতি তন্ত্রের বাস্তুসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক প্রজাতির মৃত্যু ঘটে। এছাড়া অব্যবস্থাপিত বর্জ্য থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে পারে যা ওজোন স্তরেরও ক্ষতি করে। তাই বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং পুনর্ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি।
৫। জৈব-বিবর্ধনের প্রক্রিয়াটি বুঝিয়ে লেখো এবং এটি মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে?
উত্তরঃ কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত রাসায়নিক কীটনাশক ও সার মাটিতে বা জলে মেশে। উদ্ভিদ যখন জল শোষণ করে তখন এই রাসায়নিকগুলো তাদের দেহে প্রবেশ করে। তৃণভোজী প্রাণী যখন ওই উদ্ভিদ খায় তখন রাসায়নিকগুলো তাদের শরীরে জমা হয়। যেহেতু এই পদার্থগুলো জৈব-অবিনাশক, তাই এগুলি প্রাণীর দেহে পাচিত হয় না বরং জমা হতে থাকে। মানুষ খাদ্য শৃঙ্খলের শীর্ষে থাকায় এবং বিভিন্ন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করায় এই বিষাক্ত পদার্থের ঘনত্ব মানুষের রক্তে ও পেশিতে সবচেয়ে বেশি হয়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও রোগ দেখা দিতে পারে।
(E) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks) — ১৫টি
১। পরিস্থিতি তন্ত্রের অজৈব উপাদানের একটি উদাহরণ হলো ________।
উত্তরঃ তাপমাত্রা।
২। নীল-সবুজ শৈবাল পরিস্থিতি তন্ত্রের ________ শ্রেণিতে পড়ে।
উত্তরঃ উৎপাদক।
৩। একটি খাদ্য শৃঙ্খলে উৎপাদকরা সর্বদা ________ পৌষ্টিক স্তরে থাকে।
উত্তরঃ প্রথম।
৪। খাদ্য শৃঙ্খলের প্রতিটি ধাপকে ________ স্তর বলা হয়।
উত্তরঃ পৌষ্টিক।
৫। ওজোন অণু অক্সিজেন ও অতি-বেগুনি রশ্মির ________ ফলে গঠিত হয়।
উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ার।
(F) সত্য/মিথ্যা (True or False) — ১৫টি
১। একটি খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তির প্রবাহ উভয়মুখী হয়।
উত্তরঃ মিথ্যা।
২। ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য অক্সিজেন গ্যাস দায়ী।
উত্তরঃ মিথ্যা।
৩। ঘাস ফড়িং ব্যাং সাপ—এটি একটি সঠিক খাদ্য শৃঙ্খল।
উত্তরঃ সত্য।
৪। প্লাস্টিক একটি জৈব-বিনাশক পদার্থ।
উত্তরঃ মিথ্যা।
৫। মানুষ খাদ্য শৃঙ্খলের উপরের স্তরে থাকায় জৈব-বিবর্ধন বেশি হয়।
উত্তরঃ সত্য।
(G) MCQ (Multiple Choice Questions) — ৩০টি
১। নিচের কোনটি একটি প্রাকৃতিক পরিস্থিতি তন্ত্র?
(a) বাগান।
(b) পুকুর।
(c) শস্যক্ষেত্র।
(d) অ্যাকোয়ারিয়াম।
উত্তরঃ (b) পুকুর।
২। ওজোন স্তরের ক্ষয়ের জন্য প্রধানত দায়ী কোনটি?
(a) অক্সিজেন।
(b) নাইট্রোজেন।
(c) CFC
(d) হাইড্রোজেন।
উত্তরঃ (c) CFC
৩। একটি খাদ্য শৃঙ্খলে উৎপাদকদের অবস্থান কোথায়?
(a) প্রথম পৌষ্টিক স্তর।
(b) দ্বিতীয় পৌষ্টিক স্তর।
(c) তৃতীয় পৌষ্টিক স্তর।
(d) শেষ পৌষ্টিক স্তর।
উত্তরঃ (a) প্রথম পৌষ্টিক স্তর।
৪। নিচের কোনটি জৈব-বিনাশক বর্জ্য?
(a) প্লাস্টিক ব্যাগ।
(b) কাঁচের বোতল।
(c) ফলের খোসা।
(d) লোহার টুকরো।
উত্তরঃ (c) ফলের খোসা।
৫। অতি-বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের কোন রোগটি হতে পারে?
(a) ম্যালেরিয়া।
(b) যক্ষ্মা।
(c) ত্বকের ক্যানসার।
(d) টাইফয়েড।
উত্তরঃ (c) ত্বকের ক্যানসার।
যদি আপনি এর চেয়ে আরও বেশি প্রশ্ন-উত্তর খুঁজছেন, তাহলে নিচে দেওয়া Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Science Important Solutions Bengali Medium. Click on the required chapter title to start your preparation today:
| Sl. No. | CONTENTS |
| Chapter – 1 | রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ |
| Chapter – 2 | এসিড ক্ষার ও লবণ |
| Chapter – 3 | ধাতু এবং অধাতু |
| Chapter – 4 | কার্বন এবং এর যৌগসমূহ |
| Chapter – 5 | মৌলসমূহের পর্যায়গত শ্রেণিবিভাজন |
| Chapter – 6 | জীবন প্রক্রিয়া |
| Chapter – 7 | নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় |
| Chapter – 8 | জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? |
| Chapter – 9 | বংশগতি এবং বিবর্তন |
| Chapter – 10 | আলোক প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ |
| Chapter – 11 | মানুষের চোখ এবং বর্ণময় বিশ্ব |
| Chapter – 12 | বিদ্যুৎ বিজ্ঞান |
| Chapter – 13 | বিদ্যুত প্রবাহের চুম্বকীয় প্রভাব |
| Chapter – 14 | শক্তির উৎসসমূহ |
| Chapter – 15 | আমাদের পরিবেশ |
| Chapter – 16 | প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel