SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 2 শিষ্টাচার বা সঠিক আচরণ

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 2 শিষ্টাচার বা সঠিক আচরণ Question Answer Bengali Medium As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 6 Charitra Path Solutions Bengali Medium is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 2 শিষ্টাচার বা সঠিক আচরণ Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 2 শিষ্টাচার বা সঠিক আচরণ Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 2 শিষ্টাচার বা সঠিক আচরণ

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 6 Charitra Path (চরিত্র পাঠ) Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 6 Charitra Path Textbook Question Answer. If you liked SEBA Charitra Path Class 6 Bengali Medium Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

অনুশীলনী

1. সঠিক আচরণ বলতে কী বোঝানো হয়?

উত্তরঃ সঠিক আচরণ মানুষকে সুন্দর করে তোলে। আসলে মানুষের মনের ভাব তার আচরণের মাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং প্রকাশ পায় মানুষটির মূল চরিত্র। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল মানুষের সঙ্গে সকল ক্ষেত্রে যে-ধরনের আচরণ দেখানো হয়, তারথেকে একজন মানুষের প্রকৃত চরিত্রের পরিচয় পাওয়া যায়। বিনয় ও নম্রতা হচ্ছে সঠিক আচরণের মূল ভিত্তি।

2. আমাদের সর্বজনীন স্থানে কী ধরনের আচরণ থাকা উচিত?

উত্তরঃ জনসমাবেশের স্থানগুলোতে বা সর্বজনীন স্থানে আমাদের অশিষ্ট আচরণ যেমন- টিকিটের জানালায় ঠেলা-ধাক্কা, মারামারি, রেল বা বাসে ওঠার সময় ধাক্কা-ধাক্কি এবং অনুষ্ঠান চলার সময় অযথা চিৎকার করা উচিত নয়। আমাদের সর্বদা অন্যের সুবিধে-অসুবিধে দেখা উচিত। রেলে বা বাসে চড়ার সময়, ডাকঘরের জানালার সামনে বা সিনেমা হলে টিকিট কাটার সময় আমাদের সারি পেতে দাঁড়ানো উচিত, যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়। এ ধরনের শিষ্ট আচরণের ফলে সকল কাজ সুশৃংখলভাবে সম্পন্ন হয়। এছাড়া, রাস্তায় আসা-যাওয়া করার পথে দাঁড়িয়ে গল্প করে অন্য পথিকের অসুবিধা সৃষ্টি করা উচিত নয় এবং সরু রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে অন্য কোনো ব্যক্তি আসলে, আমাদের তাকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়া উচিত।  

3. পিতা-মাতার প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? পুরুর কাহিনিটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ আমাদের দেশে একটি পরিবারে পিতা-মাতার আসন সবচেয়ে উঁচুতে এবং পরিবার চালানোর বিষয়ে পিতা-মাতাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। 

পিতা-মাতার প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে বলা হয়েছে যে:

(i) যে পুত্র পিতার মনে মনে ভাবা কাজ পিতা করার পূর্বে নিজেই করে ফেলে, সেই পুত্র উত্তম।

(ii) যে পুত্র পিতার আদেশ পেয়ে কোনো কাজ করে, সেই পুত্র মধ্যম।

(iii) যে পুত্র পিতার আদেশে করা কাজ অশ্রদ্ধার সাথে করে, সেই পুত্র অধম।

(iv) আর যে পুত্র পিতার আদেশ পেয়েও করণীয় কাজ করে না, সেই পুত্রকে পুত্র বলে গণ্য করা যায় না।

পুরুর কাহিনির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: উপর্যুক্ত কথাগুলো বলেই কনিষ্ঠ পুত্র পুরু আনন্দ মনে পিতার জরা (বার্ধক্য) গ্রহণ করে নিজের যৌবন পিতাকে দিলেন। সম্রাট যযাতি প্রায় হাজার বছর সংসার ভোগ করেও এই সুখ অসার বলে বিবেচনা করে পুত্র পুরুর থেকে জরা ফিরিয়ে এনে তাঁকে যৌবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই কনিষ্ঠ পুত্রকে সিংহাসন দান করে বনে চলে গিয়েছিলেন। পুরুর মতো পিতৃভক্তি জগতে বিরল, তাই পুরুর আদর্শ সকলের অনুসরণ করা উচিত।

4. শিক্ষকের প্রতি আমাদের আচরণ কী ধরনের হওয়া উচিত? উপমন্যুর কাহিনিটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ যখন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক প্রবেশ করেন তখন ছাত্রদের নিজেদের আসন থেকে উঠে দাঁড়ানো উচিত। শিক্ষক এলে আসন থেকে উঠে না দাঁড়ানো একটি দোষণীয় আচরণ। অবহেলা বা আলস্যের জন্য দেশের প্রচলিত এই নৈতিক আচরণ ত্যাগ করা কখনোই উচিত নয়।

উপমন্যুর কাহিনির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: প্রাচীনকালে উপমন্যু নামে এক শিষ্য আয়োদ ধৌম্য মুনির আশ্রমে বিদ্যালাভের জন্য গিয়েছিলেন। গুরু উপমন্যুর গুরুভক্তি পরীক্ষা করার জন্য তাঁকে গোরু চড়ানোর দায়িত্ব দেন এবং বিভিন্ন ধাপে তাঁর খাবার খাওয়ার (যেমন- ভিক্ষালব্ধ অন্ন, গোরুর দুধ বা বাছুরের মুখের ফেনা) উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। উপমন্যু নীরবে গুরুর সমস্ত আদেশ মাথা পেতে নেন।

একদিন ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে উপমন্যু বনের আকন্দ পাতা খেয়ে অন্ধ হয়ে পড়েন এবং রাস্তা দেখতে না পেয়ে একটি কুয়োয় পড়ে যান। গোধূলি লগ্নে গোরুগুলো আশ্রমে ফিরে এলেও উপমন্যু না ফেরায় গুরু তাঁকে খুঁজতে বের হন। উপমন্যু কুয়োর ভেতর থেকে অন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা জানালে দিব্যদৃষ্টিসম্পন্ন গুরু সবকিছু বুঝতে পারেন এবং তাঁকে দেববৈদ্য অশ্বিনীকুমারদ্বয়কে স্মরণ করতে বলেন।

গুরুর এই কঠিন পরীক্ষায় উপমন্যু সসম্মানে উত্তীর্ণ হন। গুরুর প্রতি তাঁর অবিচল ভক্তি দেখে গুরু অত্যন্ত প্রীত হন এবং আশীর্বাদ করে বলেন যে, উপমন্যু চতুর্বেদ এবং ছয়টি দর্শনে গভীর জ্ঞান লাভ করতে সমর্থ হবে।

5. অতিথি বা ভিখারির প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? শ্রীকৃষ্ণের কাহিনিটি বর্ণনা করো।

উত্তরঃ অতিথির প্রতি আচরণ: উপনিষদে অতিথিকে দেবতার সমান সম্মান করতে বলা হয়েছে। পৃথিবীর সকল সভ্য জাতিই অতিথি সৎকারকে পুণ্যের কাজ বলে বিবেচনা করে। প্রাচীন ভারতবর্ষের একটি কাহিনিতে বলা হয়েছে—’অতিথি দেব ভব’, অর্থাৎ অতিথি দেবতার সমান বা নারায়ণ। পৃথিবীর আদিম সভ্যতার দেশগুলোতেও অতিথি সৎকারকে পবিত্র ও ধর্মীয় কর্তব্য বলে মনে করা হয়েছে।

ভিখারির প্রতি আচরণ: প্রকৃত অর্থে নিঃস্ব ভিখারিদের সাহায্য করা আমাদের কর্তব্য এবং তাদের প্রতি আমাদের সম্মানের ব্যবহার দেখানো উচিত। ভিখারি বা অক্ষম অনুগ্রহ প্রার্থীদের সকলে মিলে সামর্থ্য অনুসারে সাহায্য করা উচিত। আগের দিনে ভিখারিদের বিমুখ করাকে মানুষ অধর্ম বলে ভাবতেন। পাঠ্যবইতে আরও বলা হয়েছে যে, ভিখারিদের এক মুঠো চাল বা আহার দিয়ে দয়া না করলে দয়াগুণের আচরণ ও অভ্যাসের জায়গা আমাদের থাকবে না এবং আচরণের অভাবে ধীরে ধীরে আমাদের অন্তর থেকে এই ঐশ্বরিক গুণটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, যা একটি ধর্ম বিরোধী মনোভাব।

শ্রীকৃষ্ণের কাহিনি: শ্রীকৃষ্ণের শৈশবকালের পরম মিত্র ছিলেন সুদামা। তাঁরা গুরুগৃহে থেকে অধ্যয়ন করতেন। পরবর্তীকালে কৃষ্ণ দ্বারকায় রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। অন্যদিকে তাঁর বাল্য বন্ধু সুদামা চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে দিন যাপন করছিলেন। এমনকি সন্তানদের মুখে দু-বেলা দু-মুঠো আহার তুলে দেবার সামর্থ্যও তাঁর ছিল না। চরম দ্রারিদ্য ও অর্থকষ্টের দিনে তাঁর পত্নী সুদামাকে বাল্যসখা শ্রীকৃষ্ণের কাছে যেতে বলেন। কিন্তু সুদামা শৈশবের বন্ধুর অনুগ্রহ নিতে রাজি নন। তিনি ভেবেছিলেন, এটি মিত্রতার পক্ষে ঠিক হবে না। তবুও অবশেষে বৃন্দাপুরী থেকে দ্বারকা গেলেন। দীর্ঘ পথ নগররক্ষী ও দ্বারপালের কাছে রাজা শ্রীকৃষ্ণের বাল্যসখা পরিচয় দিলেও তারা তা বিশ্বাস করল না। নির্ধন, জরাজীর্ণ ব্রাহ্মণকে তারা নগরে ঢুকতে দেয়নি। অতিথিকে তারা ফিরে যেতে বলেছে। পরে সৈনিকের মাধ্যমে প্রিয় সখা সুদামার আগমনের কথা জানতে পেরে মাথার মুকুট অঙ্গবস্ত্র ফেলেই শ্রীকৃষ্ণ প্রাসাদ ছেড়ে অতিথিকে আনার জন্য ছুটে যান। দ্বাররক্ষীদের বাধাপ্রদানে অভিমানে দুঃখে-কষ্টে ফিরেই যাচ্ছিলেন সুদামা। শ্রীকৃষ্ণ ছুটে এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। দুই পরম মিত্রের চোখে তখন আনন্দের অশ্রু ধারা। মথুরার রাজা শ্রীকৃষ্ণ তাঁর বাল্যসখাকে রাজ-অতিথি রূপে বরণ করে সসম্মানে রাজ প্রাসাদে নিয়ে যান এবং অতিথির সেবায় নিজেই যুক্ত হন।

ADDITIONAL QUESTION ANSWER

1. সঠিক আচরণ কোথা থেকে সাধারণত শেখা যায় না? 

উত্তরঃ সঠিক আচরণ সাধারণত বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক থেকে শেখা যায় না।

2. কাদের সঠিক আচরণের নমুনা দেখে ছেলে-মেয়েরা সেই আচরণ শিখতে পারে? 

উত্তরঃ বড়োদের সঠিক আচরণের নমুনা দেখে ছেলে-মেয়েরা সেই আচরণ শিখতে পারে।

3. একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হলে সেই সমাজের প্রত্যেক মানুষের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? 

উত্তরঃ একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হলে সেই সমাজের প্রত্যেক মানুষের আচরণ ভালো হওয়া উচিত।

4. একটি সমাজের বিশৃঙ্খলা কারা আনতে পারে? 

উত্তরঃ একটি সমাজের মাত্র কয়েকজন মানুষ অশিষ্ট আচরণের মাধ্যমে সমাজে বিশৃঙ্খলা আনতে পারে।

5. সঠিক আচরণের মূল ভিত্তি কী? 

উত্তরঃ বিনয় ও নম্রতা হচ্ছে সঠিক আচরণের মূল ভিত্তি।

6. কথায় কথায় চট করে উত্তেজিত হয়ে ওঠা কিসের লক্ষণ? 

উত্তরঃ কোনো একটি কথায় চট করে উত্তেজিত হয়ে ওঠা অশিষ্ট আচরণের লক্ষণ।

7. তর্ক-বিতর্ক করার সময় আমাদের কী খেয়াল রাখা উচিত? 

উত্তরঃ তর্ক-বিতর্ক করার সময় খেয়াল রাখা উচিত যেন তা অন্যের অনুভূতিকে কখনো আঘাত না করে।

8. বর্তমান পরিবর্তনশীল জগতে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি কেমন আচরণ দেখানো উচিত নয়? 

উত্তরঃ বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি অশিষ্ট আচরণ বা কঠোর ব্যবহার দেখানো উচিত নয়।

9. যারা বয়স্কদের প্রতি কঠোর আচরণ দেখায়, তারা কিসের পরিচয় দেয়? 

উত্তরঃ যারা বয়স্কদের প্রতি কঠোর আচরণ দেখায়, তারা নিজেদের কঠিন মনের পরিচয় দেয়।

10. অবহেলা বা আলস্যের কারণে কী ত্যাগ করা কখনোই উচিত নয়? 

উত্তরঃ অবহেলা বা আলস্যের জন্য দেশের প্রচলিত নৈতিক আচরণ ত্যাগ করা উচিত নয়।

MCQ

1. মানুষের মনের ভাব কিসের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়? 

(ক) কথার মাধ্যমে। 

(খ) আচরণের মাধ্যমে। 

(গ) পোশাকের মাধ্যমে। 

(ঘ) শিক্ষার মাধ্যমে। 

উত্তরঃ (খ) আচরণের মাধ্যমে।

2. সঠিক আচরণের মূল ভিত্তি কী? 

(ক) অহংকার। 

(খ) স্বার্থপরতা। 

(গ) বিনয় ও নম্রতা। 

(ঘ) কাঠিন্য। 

উত্তরঃ (গ) বিনয় ও নম্রতা।

3. শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক প্রবেশ করলে ছাত্রদের কী করা উচিত? 

(ক) বসে থাকা উচিত। 

(খ) নিজেদের আসন থেকে উঠে দাঁড়ানো উচিত। 

(গ) কথা বলা উচিত। 

(ঘ) শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়া উচিত। 

উত্তরঃ (খ) নিজেদের আসন থেকে উঠে দাঁড়ানো উচিত।

4. যারা বয়স্কদের প্রতি কঠোর আচরণ দেখায়, তারা নিজেদের কিসের পরিচয় দেয়? 

(ক) সাহসের। 

(খ) আধুনিকতার। 

(গ) কঠিন মনের। 

(ঘ) দুর্বলতার। 

উত্তরঃ (গ) কঠিন মনের।

5. জনসমাবেশ বা সর্বজনীন স্থানগুলোতে আমাদের কেমন আচরণ করা উচিত? 

(ক) বিশৃঙ্খল। 

(খ) সুশৃঙ্খল। 

(গ) উদ্ধত। 

(ঘ) স্বার্থপর। 

উত্তরঃ (খ) সুশৃঙ্খল।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top