SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 2 খাই খাই

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 2 খাই খাই Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 2 খাই খাই Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 2 খাই খাই Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 2 খাই খাই

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

খাই খাই

IMPORTANT QUESTION ANSWER

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)

১। সুকুমার রায়ের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল? 

উত্তরঃ শিশুসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার সুকুমার রায়ের জন্ম ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় হয়েছিল।

২। সুকুমার রায়ের আদি পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল? 

উত্তরঃ সুকুমার রায়ের আদি পৈতৃক নিবাস ছিল অবিভক্ত বাংলার ময়মনসিংহ জেলার মসুয়া গ্রামে।

৩। সুকুমার রায়ের পিতা ও পুত্রের নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ সুকুমার রায়ের পিতা ছিলেন বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং তাঁর অস্কার পুরস্কার প্রাপ্ত বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্রকার পুত্র ছিলেন সত্যজিৎ রায়।

৪। সুকুমার রায় কত সালে এবং কোন কলেজ থেকে রসায়নে অনার্স-সহ বি.এসসি পাস করেন? 

উত্তরঃ সুকুমার রায় প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯১১ সালে রসায়নে অনার্স-সহ বি.এসসি পাস করেন।

৫। উচ্চশিক্ষার জন্য সুকুমার রায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ নিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে সুকুমার রায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ নিয়ে বিলেতে (ইংল্যান্ডে) গিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টিং টেকনোলজিতে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।

৬। সুকুমার রায়ের মৃত্যুর পর ১৯৫০ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত শিশুসাহিত্য গ্রন্থটির নাম কী? 

উত্তরঃ ১৯২৩ সালে সুকুমার রায়ের অকালপ্রয়াণের দীর্ঘ সময় পর ১৯৫০ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত শিশুসাহিত্য গ্রন্থটির নাম হলো ‘খাই খাই’।

৭। ‘খাই খাই’ কবিতাটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য বা পাঠ-প্রসঙ্গটি কী? 

উত্তরঃ কবিতাটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো কিশোর-কিশোরীদের মনে নির্মল হাস্য-মধুর ভাবের সঞ্চার করা, যার ফলে মনের কলুষ দূর হয়ে মন ও প্রাণে স্নিগ্ধতা নেমে আসে।

৮। বাংলা সাহিত্যে কাকে ‘শিশু-সাহিত্যের সম্রাট’ বলা যেতে পারে? 

উত্তরঃ অসাধারণ শব্দ প্রয়োগ ও অনন্য সাধারণ ছড়ার রচয়িতা কবি সুকুমার রায়কে বাংলা ‘শিশু-সাহিত্যের সম্রাট’ বলা যেতে পারে।

৯। ‘খাই খাই’ কবিতার শুরুতে বাঙালি খাদ্য তালিকার কোন কোন উপাদানের কথা বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ বাঙালি খাদ্য তালিকার ডাল, ভাত, তরকারি, ফলমূল, শস্য, আমিষ ও নিরামিষ এবং চর্ব্য ও চোষ্য খাবারের কথা কবিতার শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১০। ফরাসিরা কোন প্রাণীর মাংস খেয়ে থাকে বলে কবিতায় উল্লেখ আছে? 

উত্তরঃ ফরাসিরা ব্যাঙ খেয়ে থাকে এবং তাদের কাছে এই খাবারটি খেতে মোটেও মন্দ লাগে না বলে কবিতায় উল্লেখ আছে।

১১। জাপানে কোন পোকার ঘণ্ট খাওয়ার কথা কবি সুকুমার রায় উল্লেখ করেছেন? 

উত্তরঃ জাপানে ফড়িঙের ঘণ্ট খাওয়ার কথা কবি সুকুমার রায় তাঁর কৌতুকপূর্ণ কবিতায় উল্লেখ করেছেন।

১২। চীনদেশের অধিবাসীরা সুখে মুখে দিয়ে কী খেয়ে থাকে? 

উত্তরঃ চীনদেশের অধিবাসী অর্থাৎ চীনারা আরশোলা মুখে দিয়ে পরম সুখে আহার করে থাকে।

১৩। ‘খাই খাই’ কবিতায় উল্লেখিত অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত বার্মার বিখ্যাত খাবারটির নাম কী? 

উত্তরঃ তীব্র দুর্গন্ধযুক্ত তৎকালীন বার্মার (বর্তমান মায়ানমার) বিখ্যাত খাবারটির নাম হলো ‘ঙাপ্পি’।

১৪। কবিতায় উল্লেখিত “নুন খাই গুণ গাই” বাক্যটি কী ধরণের শব্দবন্ধ? 

উত্তরঃ কবিতায় ব্যবহৃত “নুন খাই গুণ গাই” বাক্যটি হলো বাংলা ভাষার একটি বহুল প্রচলিত ও বিশিষ্ট অর্থপূর্ণ প্রবাদ।

১৫। ‘খাই খাই’ কবিতায় পালোয়ান কতটি ডিগবাজি খায়? 

উত্তরঃ ‘খাই খাই’ কবিতার বর্ণনা অনুযায়ী শারীরিক কসরত প্রদর্শনকারী পালোয়ান কুড়িটি (২০) ডিগবাজি খায়।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)

১। ‘খাই খাই’ কবিতায় ফলাহার এবং জলযোগের মাধ্যমে কোন বিশেষ খাওয়ার কথা বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ কবি সুকুমার রায়ের মতে সাধারণ মানুষের কাছে ফলাহার মানে কেবল ফলমূল খাওয়া হলেও কবিতায় তিনি দেখিয়েছেন যে ফল ছাড়াই যখন চিঁড়ে ও দই খাওয়া হয়, তখন তাকে ফলাহার বলা যায়। ঠিক একইভাবে জলযোগের ক্ষেত্রে জল খাওয়া বলতে কেবল সাধারণ জল পান করা বোঝায় না, বরং এর সাথে অন্যান্য শুষ্ক বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়াকেও নির্দেশ করে।

২। “মাদরাজি ঝাল খেলে জ্বলে যায় কণ্ঠ / জাপানেতে খায় নাকি ফড়িঙের ঘণ্ট”— কবি এখানে কোন বৈচিত্র্যের কথা বলেছেন? 

উত্তরঃ কবি এখানে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের বিচিত্র এবং অদ্ভুত খাদ্যাভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন। মাদ্রাজ অঞ্চলের লোকেরা অতিরিক্ত ঝাল খাবার খেতে পছন্দ করে যা খেলে সাধারণ মানুষের কণ্ঠনালী জ্বলে যায়, আবার অন্য সীমান্ত দেশ জাপানে লোকজনের ফড়িঙের ঘণ্টার মতো অদ্ভুত পতঙ্গ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে বলে কবি প্রকাশ করেছেন।

৩। সমাজে মহাজন ও দারোগার নৈতিক স্খলনের কোন খাওয়ার দিকটি কবি কৌতুকের ছলে তুলে ধরেছেন? 

উত্তরঃ কবি আমাদের পরিচিত সমাজের এক অনৈতিক রূপকে ‘খাওয়া’ শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। সমাজে যারা মহাজন তারা গরিব মানুষকে ঋণ দিয়ে তার পরিবর্তে চড়া সুদ খেয়ে বেঁচে থাকে এবং আইনি রক্ষাকর্তা হয়েও যারা দারোগা তারা অসহায় মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক ঘুষ খায়, যা সমাজের নৈতিক অবক্ষয়কে ইঙ্গিত করে।

৪। পাঠশালার পরিবেশ এবং ছেলেদের কান্না ও শিক্ষকদের শাসনের মধ্যে কোন কোন ‘খাওয়া’র সংযোগ আছে? 

উত্তরঃ পাঠশালার কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে শিক্ষকের মারের ভয়ে ছেলেরা হাবুডুবু বা খাবি খায়, আবার অনেকে পড়া না পারলে বেতের বাড়ি খেয়ে কান্না করে। যারা বাধ্য বা অনুগত নয়, তারা শিক্ষকের ধমক, বকুনি, কিল, চড়, লাথি, ঘুষি, জুতো ও গুঁতো এবং চাবুকের চোট আক্ষরিক অর্থে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

৫। প্রকৃতি ও ঋতু পরিবর্তনের সাথে মানুষের কোন ধরণের ‘খাওয়া’ যুক্ত বলে কবি বর্ণনা করেছেন? 

উত্তরঃ কবি সুকুমার রায়ের মতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের খাওয়ার ধরণও বদলে যায়। যেমন প্রচণ্ড গরমের সময় আমরা স্বস্তি পেতে ঠান্ডা বাতাস খাই এবং শীতের তীব্রতায় আমরা শীতে হিমশিম খেয়ে কাঁপতে থাকি, যা প্রকৃতির সাথে মানুষের এক অদ্ভুত বেঁচে থাকার যুদ্ধ।

(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)

১। ‘খাই খাই’ কবিতায় কবির ‘খাওয়া’ ক্রিয়াপদের বহুমুখী ও বিশিষ্ট ব্যবহার কীভাবে চমৎকার কাব্য সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে তা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ সুকুমার রায়ের ‘খাই খাই’ কবিতাটি কেবল খাদ্য তালিকার বিবরণ নয়, এটি বাংলা ভাষায় ‘খাওয়া’ শব্দটির বিচিত্র ও রূপক ব্যবহারের এক নিখুঁত কোলাজ। কবি কবিতার প্রথমভাগে ডাল, ভাত, তরকারি, লুচি, আমিষ, নিরামিষ, চর্ব্য ও চোষ্য সুস্বাদু খাবারের বর্ণনা দিয়েছেন এবং পরে ফরাসিদের ব্যাঙ খাওয়া বা জাপানিদের ফড়িঙের ঘণ্টার মতো আন্তর্জাতিক বিচিত্র খাবারের কথা এনেছেন। কিন্তু কবিতার মূল আকর্ষণ হলো বাংলা ভাষার বিশিষ্ট বাগধারা ও অনুষঙ্গের প্রয়োগ। কবি দেখিয়েছেন যে মানুষ কেবল খাবারই খায় না; পরিস্থিতির কারণে সে ঘুষ খায়, সুদ খায়, জুড়িগাড়িতে চড়ে হাওয়া খায়, বেহালা মোচড় খায়, ঘুড়ি গোঁত খায়, পালোয়ান ডিগবাজি খায়, এবং বোকারা ঘাবড়িয়ে ঘোল খায়। এমনকি মারের অংশ হিসেবে কিল, চড়, লাথি, জুতো ও চাবুক খাওয়া এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে তিরস্কারের মুখ খাওয়ার মতো অপ্রীতিকর ঘটনাকেও কবি অত্যন্ত চমৎকারভাবে ‘খাওয়া’র ফ্রেমে বন্দি করেছেন। এই অসাধারণ ভাষাগত দক্ষতাই কবিতাটিতে এক অভূতপূর্ব কাব্যিক সৌন্দর্য এবং নির্মল কৌতুকরসের জন্ম দিয়েছে।

২। সুকুমার রায়ের জন্ম, বংশ পরিচয় ও শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ দাও। 

উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা রসরাজ ও শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় এক বিখ্যাত সংস্কৃতিবান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আদি পৈতৃক বাসস্থান ছিল তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার মসুয়া গ্রামে। তাঁর পিতা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ছিলেন বাংলা শিশুসাহিত্যের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব এবং তাঁরই সুযোগ্য পুত্র সত্যজিৎ রায় পরবর্তীকালে অস্কার পুরস্কার লাভ করে চলচ্চিত্র জগতে বিশ্বজয় করেছিলেন। সুকুমার রায় কলকাতার সিটি স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে ১৯১১ সালে রসায়নে অনার্স-সহ বি.এসসি পাস করেন। রসায়নের ছাত্র হয়েও তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি বা স্কলারশিপ লাভ করে ইংল্যান্ডে (বিলেতে) পাড়ি জমান এবং সেখানে ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টিং টেকনোলজি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। এই শিক্ষা ও পারিবারিক সাহিত্য-সংস্কৃতির চমৎকার মিশ্রণ তাঁর সমগ্র কর্মজীবন ও সাহিত্যে অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল।

৩। পাঠ্যবইয়ের টীকা অনুসরণে ভারতের প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্র ‘বার্মা’ এবং ‘চীন’ সম্পর্কে কী কী গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য জানা যায় তা সংক্ষেপে লেখো। 

উত্তরঃ পাঠ্যবইয়ের ঐতিহাসিক টীকা অনুযায়ী, বার্মা হলো ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র যার প্রাচীন নাম ছিল ব্রহ্মদেশ এবং ১৯৪৮ সালে এটি ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়। ১৯৬২ সাল থেকে সেখানে সামরিক সরকার শাসন শুরু করে এবং ২০১০ সালে দেশটির রাজধানী রেঙ্গুনের নাম বদলে ইয়াঙ্গুন এবং সরকারি নাম ‘রিপাবলিক অফ দি ইউনিয়ন অফ মায়ানমার’ রাখা হয়। আনুমানিক খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে পিউ নামের এক উপজাতি ইরাবতী নদী উপত্যকা দিয়ে এই দেশে প্রবেশ করেছিল। অন্যদিকে চীন হলো দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশাল প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র যা জনসংখ্যা ও ভাষার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম এবং আয়তনে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। চীনারা নিজেদের দেশকে ‘চুংকও’ অর্থাৎ ‘মধ্যদেশ’ বলে ডাকে। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের ‘ছিন’ রাজবংশের নাম থেকেই মূলত এই ‘চীন’ শব্দের উৎপত্তি ঘটেছিল এবং পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ মানুষ এই সুবৃহৎ রাষ্ট্রে বসবাস করে থাকে।

(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)

১। খাওয়ার আজব খাওয়া, _______ কয় যাহারে। 

উত্তরঃ ভোজ।

২। যত কিছু খাওয়া লেখে _______ ভাষাতে। 

উত্তরঃ বাঙালির।

৩। মাদরাজি ঝাল খেলে জ্বলে যায় _______। 

উত্তরঃ কণ্ঠ।

৪ জ্যাঠাশেলে বিড়ি খায়, _______ ধরে টানিয়ে। 

উত্তরঃ কান।

৫। ডিঙি চড়ে স্রোতে পড়ে _______ খায় জেলেরা। 

উত্তরঃ পাক।

ব্যাকরণ ভাগ

১। ধাতু বা ক্রিয়ামূল কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে (অর্থাৎ পদটি থেকে প্রত্যয় ও বিভক্তি আলাদা করলে) যে মূল কাঠামো বা অংশটি পাওয়া যায়, তাকে ধাতু, ক্রিয়া-ধাতু বা ধাতুমূল (Verb root) বলা হয়। 

যেমন: ‘খাই’ ক্রিয়াপদের ধাতু হলো ‘খা’।

২। বাংলায় ব্যবহৃত মোট ধাতুর সংখ্যা কত এবং এগুলি কোথা থেকে এসেছে?

উত্তরঃ সংস্কৃতে ব্যাকরণবিদ পাণিনি প্রায় ২,০০০ (দুই হাজার) ধাতুর উল্লেখ করেছেন। তবে বাংলায় ব্যবহৃত মোট ধাতুর সংখ্যা আনুমানিক ১,৫০০ (দেড় হাজার)।

এই বাংলা ধাতুগুলির কিছু এসেছে সংস্কৃত থেকে, এবং অবশিষ্টাংশ প্রাকৃত, দেশী শব্দ, নাম শব্দ, ধ্বন্যাত্মক শব্দ কিংবা বিদেশী শব্দ থেকে এসেছে।

৩। উৎপত্তি ও প্রকৃতির দিক থেকে ধাতুকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?

উত্তরঃ উৎপত্তি ও প্রকৃতির দিক থেকে বিচার করে ধাতুকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়:

  • সিদ্ধ বা মৌলিক ধাতু।
  • সাধিত ধাতু।
  • সংযোগমূলক ধাতু।
  • যৌগিক বা মিশ্র ধাতু।

৪। সিদ্ধ বা মৌলিক ধাতু কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ যে-সব ধাতু স্বয়ংসিদ্ধ, অর্থাৎ যাদের আর কোনো বিশ্লেষণ বা খণ্ড করা যায় না, তাদের সিদ্ধ বা মৌলিক ধাতু বলে।

উদাহরণ: খা, কর, যা, দেখ, বল, শুন, ধর, পড়, হাস, কাঁদ, সর, সহ, তুল, মর ইত্যাদি।

৫। সিদ্ধ বা মৌলিক ধাতুকে উৎসের বিচারে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? উদাহরণসহ লেখো।

উত্তরঃ সিদ্ধ বা মৌলিক ধাতুকে উৎসের বিচারে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

যেমন: 

সংস্কৃত ধাতু: চর, চল, ভজ, পাল, জ্বল, লিখ, বহ, ঘট, বাধ, ফুল, শুষ, পিস, যা, সাধ ইত্যাদি।

তদ্ভব ধাতু: কৃ > কর, ধৃ > ধর, দা > দি, মৃ > মর, পঠ > পড়, জ্ঞা > জান, পত > পড় ইত্যাদি।

অজ্ঞাতমূল খাঁটি বাংলা ধাতু: টুট, জুড়, ফির, ভাস, ডাক, নড়, হাঁট, বাঁচ, খাট, ফেল, এড়, রখ, ঠেল, বল, খোঁজ, কাট ইত্যাদি।

সংস্কৃত বিশেষ্য বা বিশেষণ থেকে উৎপন্ন ধাতু: মত্ত > মাত, গর্ত > গাড়, হৃষ্ট > ভড়কা, পাক > পাক ইত্যাদি।

কবিতায় ব্যবহৃত ধাতু: পাসর, বধ, নম, বন্দ, হের, নেহার, কুহর, স্মর, ত্যজ, দহ, পশ, বিরাজ ইত্যাদি।

ধ্বন্যাত্মক ধাতু: ধুক, ফুঁস, ফুঁক, ঠুক, হাঁচ ইত্যাদি।

৬। সাধিত ধাতু কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ মৌলিক ধাতু বা নাম শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় বা অন্য কোনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।

উদাহরণ: কর + আ = করা, হাস + আ = হাসা, দেখ + আ = দেখা, শোন + আ = শোনা, কাঁদ + আনো = কাঁদানো, বেড় + আনো = বেড়ানো, খেল + আনো = খেলানো ইত্যাদি।

৭। কর্মবাচ্যের ধাতু কীভাবে গঠিত হয়? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ মূল ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্মবাচ্যের ধাতু গঠিত হয়।

উদাহরণ: দেখ + আ = দেখা, শুন + আ = শোনা, কর + আ = করা, বল + আ = বলা, লেখ + আ = লেখা, হাঁট + আ = হাঁটা, নাচ + আ = নাচা, খেল + আ = খেলা, চল + আ = চলা, কাঁদ + আ = কাঁদা, ছোড় + আ = ছোড়া, মান + আ = মানা ইত্যাদি।

৮। সংযোগমূলক ধাতু কাকে বলে? কয়েকটি উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে ‘কর’, ‘হ’, ‘পা’, ‘দে’, ‘খা’, ‘মার’, ‘বাস’ ইত্যাদি ধাতু যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে সংযোগমূলক ধাতু বলে।

উদাহরণ (ক্রিয়ারূপ): ডুব দেওয়া, মাথা খাওয়া, দৌড় দেওয়া, ভূতে পাওয়া, লজ্জা পাওয়া, কষ্ট পাওয়া ইত্যাদি।

৯। যৌগিক বা মিশ্র ধাতু কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে পড়, ফেল, দে, লাগ, থাক, ওঠ ইত্যাদি ধাতু যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বা মিশ্র ধাতু বলে।

উদাহরণ: খেয়ে + ফেল = খেয়ে ফেল, বলে + ফেল = বলে ফেল, বসে + পড় = বসে পড় ইত্যাদি।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top