SEBA Class 10 Social Science Chapter 12 বিত্তীয় সাক্ষরতা Question Answer Bengali Medium As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Social Science Chapter 12 বিত্তীয় সাক্ষরতা Notes. SEBA Class 10 Social Science Chapter 12 বিত্তীয় সাক্ষরতা Solutions. We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Social Science Chapter 12 বিত্তীয় সাক্ষরতা
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Chapter 12 বিত্তীয় সাক্ষরতা Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Bengali Medium Social Science Solutions For Class 10. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
বিত্তীয় সাক্ষরতা
| অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তর |
(ক) সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Type Questions)
১। ব্যাঙ্ক কী?
উত্তরঃ ব্যাঙ্ক একপ্রকার বিত্তীয় অনুষ্ঠান যে ঋণের ব্যবসায় করে। ব্যাঙ্ক সঞ্চয়কারীর কাছ থেকে সঞ্চয় সংগ্রহ করে ও সংগৃহীত সঞ্চয় ঋণ গ্রহণকারীকে অর্পণ করে। কৃষক, শিল্পপতি, সাধারণ গ্রাহক, ছাত্র-ছাত্রী ও অন্যান্য শ্রেণির লোকেরা এইসব ঋণ ব্যাঙ্ক থেকে লাভ করে। এই ধরনের লেনদেনে ব্যাঙ্কের লাভ হয়। যারা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেয় তাদের মূলধন পরিশোধ করার পাশাপাশি ব্যাঙ্ককে সুদের হারও দিতে হয়। এই সুদের হার সঞ্চয়কারীকে ব্যাঙ্কের দেওয়া সুদের হার অপেক্ষা অধিক। ফলে ব্যাঙ্ক ব্যবসায় লাভজনক হয়ে ওঠে।
২। ডেবিট কার্ড কী?
উত্তরঃ ডেবিট কার্ড হলো একটি ইলেকট্রনিক পেমেন্ট কার্ড যা ব্যাঙ্ক তার অ্যাকাউন্টধারীদের প্রদান করে। এটিকে এ.টি.এম. কার্ড (ATM Card) নামেও পরিচিত। ডেবিট কার্ড দুই ধরনের কাজ করে। প্রথমত, ব্যক্তিরা এ.টি.এম. মেশিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কিং লেনদেন করতে পারে যেমন নগদ জমা, টাকা উত্তোলন এবং অ্যাকাউন্টের তথ্য দেখা ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত, ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে কার্ডধারীরা দোকান বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কার্ড সুইপ মেশিনের মাধ্যমে নগদবিহীন লেনদেন করতে পারে। ডেবিট কার্ড দিয়ে নিরাপদ অনলাইন পেমেন্টও করা যায়। ডেবিট কার্ড হোল্ডারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে কেনাকাটা বা পেমেন্টের পরিমাণ কেটে নেওয়া হয়। এই ধরনের কাটাকাটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্টে দেখা যায়। ডেবিট কার্ডে কার্ড পিন প্রটেকশন (PIN protection) নামে একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। ডেবিট কার্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি কার্ডধারীর হাতে নগদ টাকা বহনের প্রয়োজন কমিয়েছে। তবে, ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ গ্রহণের কোনো সুবিধা নেই।
৩। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৩৫ সালে এটি স্থাপিত হয়েছিল।
8। একটি UPI অ্যাপের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ UPI অ্যাপের উদাহরণ হিসেবে Paytm, PhonePe, Google Pay, BHIM ইত্যাদি উল্লেখ করা যায়।
৫। কারেন্ট ডিপোজিট কী?
উত্তরঃ কারেন্ট ডিপোজিট বা চলিত আমানত হলো বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের সঞ্চয় সংগ্রহের তিন প্রকার আমানতের একটি। চলিত আমানতে সঞ্চয় করলে বা জমা রাখলে, সঞ্চয়কারী বা আমানতকারী নিজের সঞ্চয় যে-কোনো সময় চেকের মাধ্যমে বের করে আনতে পারে।
৬। একটি আর্থিক উপকরণের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ একটি আর্থিক উপকরণের উদাহরণ হলো স্টক (শেয়ার)।
৭। প্রাথমিক বাজারের অন্য নাম কী?
উত্তরঃ নতুন ইস্যু বাজার (New Issues Market, NIM)
৮। SEBI কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৯২ সালে (১২ এপ্রিল, ১৯৯২)
৯। সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্লান (SIP) কী?
উত্তরঃ SIP হলো নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়মিত সময় অন্তর মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা। একটি SIP বিনিয়োগকারীদের একবারে বড় পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করার পরিবর্তে নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ মিউচুয়াল ফান্ড স্কিমে বিনিয়োগ করার সুযোগ দেয়। এটি বিনিয়োগকারীকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর-সাপ্তাহিক, মাসিক বা ত্রৈমাসিক- একটি নির্দিষ্ট অর্থ সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। SIP বিনিয়োগ নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলে। বিনিয়োগকারীরা ছোট পরিমাণ অর্থ নিয়মিতভাবে বিনিয়োগ করতে পারে, যা বিনিয়োগে একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ পদ্ধতি নিশ্চিত করে। SIP -এর জন্য, বিনিয়োগকারীর ব্যাঙ্কে একটি স্থায়ী নির্দেশনা (Standing Instruction) দেওয়া প্রয়োজন। এটি নিশ্চিত করে যে বিনিয়োগকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত সময় অন্তর SIP-এর অর্থ সহজে স্থানান্তরিত হয়।
১০। সাইবার জালিয়াতির বিরুদ্ধে একটি সতর্কতা উল্লেখ করো।
উত্তরঃ (i) শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি (Create Strong Passwords): প্রতিটি অ্যাকাউন্টে অনুমান করা কঠিন এমন শক্তিশালী পাসওয়ার্ড রাখা উচিত, প্রতিটি অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা এবং নাম বা জন্মতারিখের মতো ব্যক্তিগত তথ্য এড়িয়ে চলা নিরাপদ।
অথবা
(ii) সতর্কতা (Be Careful): সতর্কতা বজায় রাখা উচিত এবং সন্দেহজনক লিঙ্কে
ক্লিক করা, অজানা অ্যাটাচমেন্ট খোলা, বা অপ্রত্যাশিত ইমেল, বার্তা, বা কলের জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকা নিরাপদ।
(খ) সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Type Questions)
১। আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কী কী কাজ বা কার্যক্রম আছে?
উত্তরঃ আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের সম্পাদিত প্রধান কাজ দুটো হলো-
(i) দরিদ্র গ্রামবাসীদের সুদের বোঝা থেকে পরিত্রাণ করা। ব্যবসায়ী, মহাজনদের কাছ থেকে অধিক হারে সুদের বিনিময়ে ঋণ নেওয়া বন্ধ করা। পরিবর্তে অতি কম সুদের হারে ঋণ প্রদান করা এবং দরিদ্র গ্রামবাসীদের পরিত্রাণ করা।
(ii) গ্রামীণ সঞ্চয় সংগ্রহ করা।
২। ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং ব্যবহার করে টাকা স্থানান্তর কোন কোন পদ্ধতিতে করা যায়?
উত্তরঃ ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠানো নিচের তিনটি পদ্ধতিতে করা যায় –
(i) ন্যাশনাল ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (NEFT): এই পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের ভিতরে এক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক উপায়ে টাকা স্থানান্তর করা যায়। এটি বছরের সব দিন, ২৪ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়।
(ii) রিয়েল-টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (RTGS): RTGS হলো একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ন্যূনতম চলক্ষ টাকার লেনদেন করা যায় এবং এর কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই। এটি বছরের সব দিন, ২৪ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়।
(iii) ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস (IMPS): IMPS হলো একটি তাতক্ষণিক অর্থ স্থানান্তর পরিষেবা, যা মোবাইল, ইন্টারনেট, এটিএম এবং এসএমএস-এর মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং সব সময় উপলব্ধ থাকে। IMPS লেনদেনের জন্য একটি সামান্য ফি নেওয়া হয়। প্রতিটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্থানান্তর করা যায়।
৩। ব্যাঙ্কিং কার্ডের ভিন্ন ধরনের নাম বলুন।
উত্তরঃ দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কিং কার্ড হল- ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড।
8। নন-ব্যাঙ্কিং ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান (NBFC) ব্যাঙ্কেরর থেকে কিভাবে আলাদা?
উত্তরঃ ব্যাঙ্ক এবং ব্যাঙ্ক-বিহীন বিত্ত প্রতিষ্ঠানের (NBFC/NBFI) প্রধান পার্থক্য বা আলাদা হওয়ার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
(i) চেকের সুবিধা: ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে চেকের মাধ্যমে সঞ্চয়কারী নিজের জমানো ধন তুলে আনতে পারে; কিন্তু ব্যাঙ্ক-বিহীন প্রতিষ্ঠানাদি চেকের যোগান দেয় না। তাই চেকের মাধ্যমে এই ধরণের প্রতিষ্ঠান থেকে সঞ্চয়কারী নিজের জমা ধন তুলে আনার সুযোগ পায় না।
(ii) বীমাকরণের ব্যবস্থা: ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে জমাকারীর সঞ্চয়ের বীমা পরিকল্পনা থাকে, কিন্তু ব্যাঙ্ক-বিহীন প্রতিষ্ঠানাদিতে এই বীমাকরণের ব্যবস্থা থাকে না।
৫। ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) কী এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তরঃ UPI হলো একটি তাৎক্ষণিক পেমেন্ট ব্যবস্থা, যা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়। এটি ২০১৬ সালে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। UPI হলো একটি খুবই সহজ পেমেন্ট পদ্ধতি, যেখানে মোবাইলের UPI অ্যাপ ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়। প্রতিটি ব্যবহারকারীর একটি বিশেষ UPI আইডি থাকে, যার মাধ্যমে সে টাকা পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারে। কোনো লেনদেন করার আগে ব্যবহারকারীকে নিজের UPI পিন দিতে হয়। UPI অ্যাপের উদাহরণ হিসেবে Paytm, PhonePe, Google Pay, BHIM ইত্যাদি উল্লেখ করা যায়।
UPI ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
(i) UPI ব্যবস্থার মাধ্যমে নগদবিহীন লেনদেন এখন সহজ, নিরাপদ এবং তাৎক্ষণিক হয়েছে।
(ii) এটি ব্যবহারকারীদেরকে UPI আইডি বা UPI কিউআর কোড ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাঙ্ক থেকে পেমেন্ট করার সুবিধা দিয়েছে।
(iii) UPI, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দুই-ধাপ যাচাইকরণ (two-factor authentication) নিয়ম অনুসরণ করে। প্রথম ধাপে ব্যবহারকারীর মোবাইল নম্বরটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে, আর দ্বিতীয় ধাপে UPI পিন ব্যবহার করা হয়, যা লেনদেনকে অননুমোদিত প্রবেশ বা অপব্যবহার থেকে নিরাপদ রাখে।
(iv) এটি দৈনন্দিন খরচ, অনলাইন কেনাকাটা এবং বিল পরিশোধের মতো কাজের জন্য ব্যবহারযোগ্য।
(v) সাধারণ ইউপিআই লেনদেনের দৈনিক সীমা এক লাখ টাকা।
৬। আর্থিক বাজারের কোন কোন উপাদান আছে?
উত্তরঃ আর্থিক বা বিত্তীয় বাজারের উপাদানগুলো নিচে দেওয়া হলো:
বিত্তীয় বাজারের (Financial Market) দুটি অংশ বা ধরন রয়েছে — (i) মানি মার্কেট (Money Market) (ii) ক্যাপিটাল মার্কেট (Capital Market)
(i) মানি মার্কেট (Money Market): মানি মার্কেটে স্বল্পমেয়াদি লেনদেন হয়।
(ii) ক্যাপিটাল মার্কেট (Capital Market): ক্যাপিটাল মার্কেটে দীর্ঘমেয়াদি সিকিউরিটিজ বা বিনিয়োগের লেনদেন হয়।
এই ক্যাপিটাল বা বিত্তীয় বাজারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো:
(i) প্রাথমিক বাজার (Primary Market): যেখানে নতুন সিকিউরিটি প্রথমবার ইস্যু করা হয়।
(ii) মাধ্যমিক বাজার (Secondary Market): যেখানে ইতিমধ্যে বিদ্যমান সিকিউরিটি বা শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।
৭। বন্ড বা ঋণপত্র কী?
উত্তরঃ বন্ড হল ঋণ (Debt) উপকরণ। মূলত কোম্পানি এবং সরকার অর্থ ধার নেওয়ার জন্য বন্ড ইস্যু করে। একটি বন্ড একটি লোনকে প্রকাশ করে, যা একজন বিনিয়োগকারী কোম্পানি বা সরকারকে প্রদান করে। ঋণগ্রহীতা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ধারকৃত অর্থের উপর নির্দিষ্ট সুদ (Interest) প্রদান করার জন্য সম্মত হয়। এই সুদ সাধারণত স্থিতিশীল থাকে, যা বিনিয়োগকারীকে নিয়মিত আয় নিশ্চিত করে। বন্ডের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ (Maturity Date) তারিখ নির্ধারিত থাকে; এই তারিখে বন্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীর নিকট মূলধন ফেরত প্রদান করে। সরকারও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে বন্ড ইস্যু করতে পারে। এই ধরনের সরকারি বন্ডকে ঝুঁকিমুক্ত (Risk-Free) ধরা হয় এবং এগুলো নির্ধারিত সময় অন্তর নিয়মিত সুদ প্রদান করে। বন্ডের উদাহরণ, সোভেরেইন গোল্ড বন্ড (SGBs), ইনফ্লেশন-ইনডেক্সড বন্ড (IIBs) ইত্যাদি।
৮। আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কী কী সতর্কতা নেওয়া উচিত?
উত্তরঃ আর্থিক বা বিত্তীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিম্নলিখিত সতর্কতাগুলো অবশ্যই বিবেচনায় রাখা উচিত:
(i) বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে ঋণ: বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কখনও ঋণ গ্রহণ করা উচিত নয়।
(ii) ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার: ক্রেডিট কার্ডকে কখনও “ফ্রি মানি” বা অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে ভাবা উচিত নয়। ব্যক্তিকে সর্বদা নিজের আয়ের সীমার মধ্যে ব্যয় করা উচিত এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা সামগ্রীই কেনা উচিত।
(iii) তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা: স্টক, বন্ড বা মিউচুয়াল ফান্ডের মতো যেকোনো আর্থিক বা বিত্তীয় উপকরণে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট উপকরণ, কোম্পানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য ভালোভাবে সংগ্রহ করা উচিত।
(iv) অবাস্তব লোভনীয় অফার এড়ানো: খুব কম সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত রিটার্ন বা সুদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া কোনো বিনিয়োগ পরিকল্পনাকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করা উচিত নয়।
(v) সঠিক নির্দেশিকা অনুসরণ: সবসময় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (SEBI)-এর নির্দেশিকা অনুসরণ করা উচিত। মেসেজ, ইমেল বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অপরিচিত বা অনৈতিক আর্থিক পরামর্শদাতাদের দেওয়া কোনো পরামর্শে বিশ্বাস করা উচিত নয়।
(vi) লোভ নিয়ন্ত্রণ: লোভ যদি যৌক্তিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ওপরে প্রভাব ফেলে, তবে কষ্টার্জিত অর্থ হারানোর বা ক্ষতি হওয়ার বড় সম্ভাবনা থাকে।
৯। সাইবার জালিয়াতির কী কী ধরন আছে?
উত্তরঃ সাইবার প্রতারণা বা জালিয়াতি ঘটানোর অনেক উপায় আছে। নিচে সাধারণ ৫টি সাইবার জালিয়াতির ধরন বিস্তারিত দেওয়া হলো-
(i) অনলাইন ব্যাঙ্কিং ও ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা (Online Banking and Credit Card Fraud): সাইবার অপরাধীরা ভুক্তভোগীর অনলাইন ব্যাঙ্কিং বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করে। এরপর এই তথ্য ব্যবহার করে অনুমোদন ছাড়া লেনদেন বা ভুক্তভোগীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেয়।
(ii) বিনিয়োগ প্রতারণা (Investment Scams): এগুলো এমন ভুয়া বিনিয়োগের প্রস্তাব, যা উচ্চ রিটার্ন বা দ্রুত লাভের প্রতিশ্রুতি দেয়। লোকজনকে টাকার লোভ দেখিয়ে ভুয়া বিনিয়োগ স্কিম বা ভুয়া ট্রেডিং অ্যাপে টাকা দেওয়ার ফাঁদে ফেলা হয়, তাদের বিশ্বাস করানো হয় যে তাদের টাকা দ্রুত দ্বিগুণ হবে।
(iii) পরিচয় চুরি (Identity Theft): প্রতারকরা ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন নাম, ঠিকানা, বা ব্যাঙ্কের বিবরণ) চুরি করে। তারপর তারা ভুক্তভোগীর ছদ্মবেশ ধরে অপরাধ করে বা অর্থ উপার্জন করে।
(iv) মুক্তিপণের দাবি (Ransomware): এটি একটি ক্ষতিকর কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ভুক্তভোগীর কম্পিউটারের ফাইল লক করে দেয়। সাইবার অপরাধীরা ভুক্তভোগীর এই ফাইল আনলক করার জন্য অর্থ দাবি করে।
(v) ফিশিং (Phishing): এটি ঘটে যখন প্রতারকরা ভুয়া ইমেল, বার্তা পাঠায় বা এমন ওয়েবসাইট তৈরি করে যা সত্যি মনে হয়, যাতে তারা ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য ভাগ করতে প্ররোচিত করতে পারে।
যদি আপনি এর চেয়ে আরও বেশি প্রশ্ন-উত্তর খুঁজছেন, তাহলে নিচে দেওয়া Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. Click on the required chapter title to start your preparation Today:
SEBA Class 10 Social Science Textual [New Syllabus Updated]
| Sl. No. | সূচিপত্র |
| Chapter – 1 | বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন |
| Chapter – 2 | মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম |
| Chapter – 3 | অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ |
| Chapter – 4 | স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ |
| Chapter – 5 | ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য |
| Chapter – 6 | অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ |
| Chapter – 7 | পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা |
| Chapter – 8 | পৃথিবীর ভূগোল |
| Chapter – 9 | অসমের ভূগোল |
| Chapter – 10 | ভারতীয় গণতন্ত্র |
| Chapter – 11 | আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য |
| Chapter – 12 | বিত্তীয় সাক্ষরতা [New Syllabus] |
| Chapter – 13 | অর্থনৈতিক উন্নয়ন |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel