SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 13 আগামী Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 13 আগামী Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 13 আগামী Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 13 আগামী
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
আগামী
| IMPORTANT QUESTION ANSWER |
(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)
১। ‘আগামী’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ ‘আগামী’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
২। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম হয় ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর মামার বাড়ি বাগবাজারের নিবেদিতা লেনে।
৩। ‘আগামী’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘আগামী’ কবিতাটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
৪। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত সালে এবং কোন রোগে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য অতি অল্প বয়সে যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মৃত্যুবরণ করেন।
৫। কবি সুকান্তের পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার কোটালীপাড়া গ্রামে।
৬। কবি সুকান্তের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবির বাবার নাম ছিল নিবারণ চন্দ্র ভট্টাচার্য এবং মায়ের নাম ছিল সুনীতি দেবী।
৭। অনেকে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কী নামে অভিহিত করেছেন?
উত্তরঃ অনেকে কবি সুকান্তকে ‘কিশোর কবি’ এবং বিপ্লব ও বিদ্রোহের কবি বলে অভিহিত করেছেন।
৮। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কার নিকট থেকে কুসংস্কার-বিরোধী মনোভাব পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তাঁর কাকা মহাশয়ের নিকট থেকে কুসংস্কার-বিরোধী মনোভাব পেয়েছিলেন।
৯। কবি কার নিকট থেকে গরিব-দুঃখীর প্রতি মমতাবোধ-শক্তি অর্জন করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি তাঁর দিদিমার নিকট থেকে গরিব-দুঃখীর প্রতি মমতাবোধ-শক্তি অর্জন করেছিলেন।
১০। অংকুরিত বীজটি জল, হাওয়া, মাটি ও আলোর স্পর্শ পেয়ে কিসে পরিণত হবে?
উত্তরঃ অংকুরিত বীজটি জল, হাওয়া, মাটি এবং আলোকের স্পর্শ পেয়ে একদিন মহা মহীরুহে পরিণত হবে।
(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)
১। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে প্রধান হলো ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ এবং ‘মিঠে কড়া’।
২। ‘আগামী’ কবিতায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রধান সামাজিক বার্তা বা মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তরঃ ‘আগামী’ কবিতায় কবি শোষণমুক্ত সমাজ, জাতীয় সংহতি, ঐক্যবোধ এবং সমাজের ক্লিষ্ট-তাপিত খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণের মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। কবিতায় কবির সামাজিক একতাবোধ, ত্যাগ ও সংহতির অতীব সুন্দর ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩। “ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই— জানি আমি ভাবী বনস্পতি”— উক্তিটির তাৎপর্য সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ কবি নিজেকে বা রূপক অর্থে একটি বালককে আপাতদৃষ্টিতে অতি ক্ষুদ্র বীজ বা সামান্য বালক মনে করলেও সে তুচ্ছ নয়। কারণ তার মধ্যে এক বিরাট ভাবী বনস্পতি বা সু-নাগরিক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে, যা উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে একদিন মহা মহীরুহে পরিণত হবে।
৪। ‘আগামী’ কবিতায় বালকটি রূপক অর্থে নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে কী উপলব্ধি করেছে?
উত্তরঃ বালকটি উপলব্ধি করেছে যে সে কোনো জড় বস্তু নয়, মৃত নয় এবং অন্ধকারের খনিজের মতো নিস্তেজ পদার্থ নয়; সে হলো এক জীবন্ত প্রাণ ও অংকুরিত বীজ। তার ক্ষুদ্র শরীরের গোপনে বড় হয়ে ওঠার এক বিরাট সম্ভাবনা ও বিশাল চেতনা লুকিয়ে রয়েছে।
৫। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়েছিলেন এবং পাস করতে পারেননি কেন?
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি বারবার অসুস্থ হয়ে পড়তেন বলে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারেননি।
(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)
১। ‘আগামী’ কবিতার নামকরণ বা মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আগামী’ কবিতাটিতে একটি ছোট্ট বালকের বড় হয়ে ওঠার মহৎ আকাঙ্ক্ষা এবং ভাবী সু-নাগরিক হয়ে ওঠার স্বপ্ন প্রকাশ পেয়েছে। রূপক অর্থে একটি অংকুরিত বীজ যেমন মাটি, জল, হাওয়া ও আলোর স্পর্শ পেয়ে বিশাল মহা মহীরুহে পরিণত হয়, তেমনি এই বালকটিও ভবিষ্যতে এক বিশাল চেতনাসম্পন্ন মানুষে রূপ নেবে। সে নিজেকে কোনো জড় বা মৃত খনিজ না ভেবে এক জীবন্ত প্রাণ হিসেবে গণ্য করে, যার ভেতরে এক বিরাট সম্ভাবনা বিরাজমান। বড় হয়ে সে সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূর করবে, খেটে খাওয়া দুঃখপীড়িত ও দুর্ভিক্ষ-পীড়িত মানুষকে শোষণমুক্ত করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং সর্বতোভাবে সাহায্য করার জন্য হাত বাড়িয়ে দেবে। সমাজের উচ্চ-নীচ ভেদ ভুলে সে সবাইকে আপন করে নেবে এবং পুষ্প, ফল ও পাখির কূজনে চারপাশ ভরিয়ে তুলবে। কবিতাটিতে এই সুন্দর ও শোষণমুক্ত ভবিষ্যৎ গঠনের বারতাই ধ্বনিত হয়েছে বলে ‘আগামী’ নামটি অত্যন্ত সার্থক ও তাৎপর্যপূর্ণ।
২। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও তাঁর কবিপ্রতিভার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট মামার বাড়ি বাগবাজারের নিবেদিতা লেনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার কোটালীপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম নিবারণ চন্দ্র ভট্টাচার্য এবং মায়ের নাম সুনীতি দেবী। তিনি বেলেঘাটায় নিজেদের বাড়িতে শৈশব শিক্ষা লাভ করেন, তবে বারবার অসুস্থ হওয়ার কারণে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করতে পারেননি। তাঁর কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল দরিদ্র-নিপীড়িত খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি গভীর সহানুভূতি। তিনি তাঁর কাকা মহাশয়ের নিকট থেকে কুসংস্কার-বিরোধী মনোভাব এবং দিদিমার নিকট থেকে গরিব-দুঃখীর প্রতি মমতাবোধ লাভ করেছিলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে এই বিপ্লবী ‘কিশোর কবি’ মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ ও ‘মিঠে কড়া’ অন্যতম।
৩। “ফল দেব, ফুল দেব, দেব আমি পাখিরও কূজন / একই মাটিতে পুষ্ট তোমাদের আপনার জন।।”— চরণ দুটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ উক্ত চরণ দুটিতে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য আগামী দিনের এক শোষণমুক্ত ও কল্যাণকামী সমাজ গঠনের রূপ তুলে ধরেছেন। রূপক অর্থে এক অংকুরিত বীজ বা বালক নিজেকে মহীরুহ ও সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে সমাজের সব মানুষকে সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে। বড় হয়ে সে বিশাল বৃক্ষের মতো মানুষকে ছায়া দেবে, ফুল ও ফল প্রদান করবে এবং পাখির কূজনে চারপাশ ভরিয়ে তুলবে। যে মাটিতে সমাজের অন্যান্য মানুষ লালিত-পালিত হচ্ছে, সেই একই মাটিতে পুষ্ট হয়ে সেও মানুষের আপন জন হিসেবে পাশে দাঁড়াবে। তখন সমাজের উচ্চ-নীচ ভেদ ভেঙে গিয়ে সকলে তার আপন হয়ে উঠবে এবং সে খেটে খাওয়া নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করবে।
(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)
১। ‘আগামী’ কবিতাটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের _______ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
উত্তরঃ ছাড়পত্র।
২। জড় নই, মৃত নই, নই _______ খনিজ।
উত্তরঃ অন্ধকারের।
৩। সংহত কঠিন ঝড়ে _______ প্রত্যেক শিকড়।
উত্তরঃ দৃপ্তপ্রাণ।
৪। ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই— জানি আমি ভাবী _______।
উত্তরঃ বনস্পতি।
৫। বৃষ্টির, _______ রসে পাই আমি তারই তো সম্মতি।
উত্তরঃ মাটির।
৬। কবি সুকান্তের পূর্বপুরুষের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার _______ গ্রাম।
উত্তরঃ কোটালীপাড়া।
৭। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র ২১ বছর বয়সে অতি অল্প বয়সে _______ রোগে মৃত্যুবরণ করেন।
উত্তরঃ যক্ষ্মারোগে।
৮। কবি সুকান্তকে অনেকে ‘কিশোর কবি’ এবং _______ ও বিদ্রোহের কবি বলে অভিহিত করেছেন।
উত্তরঃ বিপ্লব।
৯। কবি সুকান্তের মায়ের নাম ছিল _______ দেবী।
উত্তরঃ সুনীতি।
১০। ‘আগামী’ শব্দের অর্থ হলো _______।
উত্তরঃ পরবর্তী (বা ভাবী)।
টীকা লেখো:
১। সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তরঃ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার কোটালীপাড়া গ্রামে এবং পরে তাঁদের কয়েকজন মাতাবাড়ী গ্রামে বাস করতেন। ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট বাগবাজারের নিবেদিতা লেনে মামার বাড়িতে কবি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম নিবারণ চন্দ্র ভট্টাচার্য এবং মায়ের নাম সুনীতি দেবী। কবির শৈশব কাটে মামার বাড়িতে এবং পরে বেলেঘাটায় হরমোহন ঘোষ লেনে নিজেদের বাড়িতে তাঁর শৈশব শিক্ষার সূচনা হয়। বারবার অসুস্থতার কারণে তিনি ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারেননি। কবি তাঁর কাকা মহাশয়ের নিকট থেকে কুসংস্কার- বিরোধী মনোভাব এবং দিদিমার নিকট থেকে গরিব-দুঃখীর প্রতি মমতাবোধ অর্জন করেছিলেন। তাঁর কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল দরিদ্র-নিপীড়িত খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি গভীর সহানুভূতি। অনেকে তাঁকে ‘কিশোর কবি’ এবং বিপ্লব ও বিদ্রোহের কবি বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ ও ‘মিঠে কড়া’ প্রধান। মাত্র ২১ বছর বয়সে যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কবি মৃত্যুবরণ করেন এবং মাত্র ৩ মাসের জন্য তাঁর কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন ভারত রাষ্ট্র দেখে যেতে পারেননি।
২। বনস্পতি
উত্তরঃ ‘বনস্পতি’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো বিশাল গাছ। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আগামী’ কবিতায় ‘বনস্পতি’ শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কবিতায় একটি ক্ষুদ্র অংকুরিত বীজ জল, মাটি, হাওয়া ও আলোকের স্পর্শ লাভ করে ভবিষ্যতে মহা মহীরুহ বা বিশাল বনস্পতিতে পরিণত হওয়ার আশা ব্যক্ত করেছে। রূপক অর্থে এটি সমাজের একটি ক্ষুদ্র বালকের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও মহান চেতনার প্রতীক। আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছ ও ক্ষুদ্র হলেও সেই বালকের ভেতরে রয়েছে এক ভাবী সু-নাগরিক বা বনস্পতি হয়ে ওঠার বিরাট সম্ভাবনা। বিশাল বনস্পতি যেমন কঠিন ঝড়ে দৃঢ় শিকড়ে দাঁড়িয়ে থাকে এবং মানুষকে ছায়া, ফুল, ফল ও পাখির কূজন উপহার দেয়, তেমনি এই বালকটিও বড় হয়ে সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূর করবে এবং খেটে খাওয়া দুঃখ-পীড়িত মানুষকে শোষণমুক্ত করতে ছায়া ও সাহায্য নিয়ে পাশে দাঁড়াবে।
শব্দার্থ:
ভীরু – ভয়কাতর/ ভয়াতুর।
সংহত – একতাবদ্ধ।
আহ্বানে – ডাকে।
আগামী – পরবর্তী/ভাবী।
কিশলয় – নবপল্লব/ কচিপাতা।
নগণ্য – তুচ্ছ, সামান্য।
বনস্পতি – বিশাল গাছ।
কূজন – পাখির ডাক।
ক্ষুদ্র – ছোট। সম্বর্ধনা-অভ্যর্থনা/ সম্মান প্রদর্শন।
সন্দিগ্ধ – সন্দেহযুক্ত।
বিদীর্ণ – খণ্ডিত।
মুখরিত – ধ্বনিত/বাণীময়।
দৃপ্ত – গর্বিত/ বলিষ্ঠ।
বিস্মিত – অবাক/ চমকিত
| ব্যাকরণ ভাগ |
১। সন্ধি বিশ্লেষণ / বিচ্ছেদ
- জীবন্ত = জীব্ + অন্ত
- সংহত = সম্ + হৃত
- বনস্পতি = বন + পতি
- প্রত্যেক = প্রতি + এক
- নয়ন = নে + অন
- চলন্ত = চল্ + অন্ত
- ঘুমন্ত = ঘুম্ + অন্ত
- শয়ন = শে + অন
- নীরেন্দ্র = নীর + ইন্দ্র
- সমীরেন্দ্র = সমীর + ইন্দ্র
- কটূক্তি = কটু + উক্তি
- গণেশ = গণ + ঈশ
২। পদ পরিবর্তন
- কঠিন ➔ কাঠিন্য
- জড় ➔ জড়তা
- ভীরু ➔ ভীরুতা
- অরণ্য ➔ আরণ্যক
- বিস্তৃত ➔ বিস্ময় / বিস্ময়াপন্ন
- শরীর ➔ শরীরী / শারীরিক
- গোপন ➔ গোপনীয়
- বিশাল ➔ বিশালতা
- মুখরিত ➔ মুখর
- পুষ্ট ➔ পুষ্টি
- সংবর্ধনা ➔ সংবর্ধিত
- রস ➔ রসাল
- খনিজ ➔ খনি
- আকাশ ➔ আকাশী
৩। বিপরীত শব্দ
- অন্ধকার ➔ আলো
- মৃত ➔ জীবন্ত / জীবিত
- ভীরু ➔ সাহসী
- ক্ষুদ্র ➔ বিশাল / বৃহৎ
- সম্মতি ➔ অসম্মতি
- বিনাশ ➔ অবিনাশ / সৃষ্টি
- বন্ধু ➔ শত্রু
- চেতন ➔ অচেতন
- গোপন ➔ প্রকাশ্য
৪। বাক্য-সংকোচন (এক কথায় প্রকাশ)
- যাহা বেঁচে আছে ➔ জীবন্ত
- আগে জন্ম যাহার ➔ অগ্রজ
- যাহা নিবারণ করা যায় না ➔ অনিবার্য
- যাহা বিনাশ হইবে ➔ নশ্বর
- পতিপুত্রহীনা নারী ➔ অবীরা
- ভিক্ষার অভাব ➔ দুর্ভিক্ষ
- মমতা নাই যাহার ➔ নির্মম
- যাহা হইতে পারবে না ➔ অসম্ভব
- অল্প কথা বলে যে ➔ মিতভাষী
- যাহা বলার যোগ্য নহে ➔ অকথ্য
- হরিণের চামড়া ➔ অজিন
- যে নারীর সন্তান হয় না ➔ বন্ধ্যা
- অন্য দেশ ➔ দেশান্তর
- অমৃতের ন্যায় মধুর ➔ অমৃতমধুর
- অনুসন্ধান করিবার ইচ্ছা ➔ অনুসন্ধিৎসা
- অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা করে না যে ➔ অবিমৃষ্যকারী
- অতিশয় শীতও নয় উষ্ণও নয় ➔ নাতিশীতোষ্ণ
- অনায়াসে যাহা পাওয়া যায় ➔ অনায়াসলভ্য
- অপত্য হইতে বিশেষ না করিয়া ➔ অপত্যনির্বিশেষে
- অন্য বিষয়ে মন যাহার ➔ অন্যমনস্ক
- আমিষের অভাব ➔ নিরামিষ
- আকাশে উড়িয়া বেড়ায় যে ➔ খেচর
- আপনাকে কৃতার্থ মনে করে যে ➔ কৃতার্থম্মন্য
- আপাতত মধুর যাহা ➔ আপাতমধুর
- আমার তুল্য ➔ মাদৃশ
- আদরের সহিত ➔ সমাদরে
- ইহার তুল্য ➔ ঈদৃশ
- ইতিহাস জানে যে ➔ ঐতিহাসিক
- উপায় নাই যাহার ➔ নিরুপায়
- যাহার শত্রু জন্মায় নাই ➔ অজাতশত্রু
- একই গুরুর বা তীর্থের শিষ্য ➔ সতীর্থ
- একই সময়ে বর্তমান ➔ সমসাময়িক
৫। বাক্য-সম্প্রসারণ (উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের প্রসারণ)
(i) ‘উদ্দেশের প্রসারক’ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদ বা পদসমষ্টি দ্বারা বাক্যের উদ্দেশ্য অংশকে বর্ধিত বা প্রসারিত করা হয়, তাকে উদ্দেশের প্রসারক বলে।
উদাহরণ: “পিতৃহীন দরিদ্র বালকটি কাঁদিতে কাঁদিতে আসিয়াছিল।” (এখানে ‘পিতৃহীন দরিদ্র’ অংশটি উদ্দেশ্য ‘বালকটি’-র প্রসারক)।
(ii) ‘বিধেয়ের প্রসারক’ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদ বা পদসমষ্টি দ্বারা বাক্যের বিধেয় অংশকে (প্রধানত ক্রিয়াপদকে) প্রসারিত করা হয়, তাকে বিধেয়ের প্রসারক বলে।
উদাহরণ: “তিনি ‘তাড়াতাড়ি’ চলিয়া গেলেন।” (এখানে ‘তাড়াতাড়ি’ অংশটি বিধেয়ের প্রসারক)।
৩। নিচের শব্দগুলির বাক্য-সম্প্রসারণ করো:
- পাঞ্চজন্য: ভগবান বিষ্ণুর শঙ্খ।
- অজিন: হরিণের চামড়া।
- খেচর: যে আকাশে উড়ে বেড়ায়।
- আকণ্ঠ: কণ্ঠ পর্যন্ত।
- অনুজ: পরে জন্মগ্রহণ করেছে যে।
- অনুক্ত: যা বলা হয়নি।
- সহোদর: একই মায়ের পুত্র।
- অভূতপূর্ব: যাহা পূর্বে কখনও হয়নি।

YouTube Channel