SEBA Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য Question Answer As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য Notes. SEBA Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য Solutions. We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Chapter 11 আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Bengali Medium Social Science Solutions For Class 10. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
| অনুশীলনী |
অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
১। রাষ্ট্রসংঘ কেন গঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ এবং অবর্ণনীয় ধ্বংসলীলা বিশ্ববাসীকে ভয়ার্ত করে তুলেছিল। সেই কারণে আরও একবার অন্য এক বিশ্ব সংস্থা গঠনের চিন্তা করা হয়, সেই মর্মে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ‘রাষ্ট্রসংঘ’ গঠিত হয়েছিল।
২। রাষ্ট্রসংঘের দুটি উদ্দেশ্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের দুটি উদ্দেশ্য হলো:
(i) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
(ii) সমান অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা।
৩। রাষ্ট্রসংঘের অঙ্গ কয়টির নাম লেখো।
উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের নাম হলো:
(i) সাধারণ সভা।
(ii) নিরাপত্তা পরিষদ।
(iii) অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিষদ।
(iv) ন্যাসরক্ষা পরিষদ।
(v) আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়। এবং
(vi) সচিবালয়।
৪। রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে জড়িত দুটি এজেন্সির নাম লেখো।
উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে জড়িত দুটি এজেন্সির নাম হলো:
(i) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শ্রমিক সংঘ (International Labour Organisation সংক্ষেপে ILO)।
(ii) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation সংক্ষেপে WHO)।
৫। নিরস্ত্রীকরণের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত দুটি চুক্তির নাম লেখো।
উত্তরঃ নিরস্ত্রীকরণের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত দুটি চুক্তির নাম হলো:
(i) আংশিকভাবে আণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ চুক্তি (Partial Nuclear Test Ban Treaty) (১৯৬৩ সালে)।
(ii) পারমাণবিক অস্ত্র সংকোচন চুক্তি (Nuclear Non-proliferation Treaty) (১৯৬৮ সালে)।
৬। মানব অধিকার মানে কী?
উত্তরঃ মানব অধিকার হলো মানুষের মৌলিক ও জন্মগত কিছু অধিকার, যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য কোনো ভেদাভেদ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এই অধিকারগুলো একজন মানুষের সম্মানজনক ও স্বাধীন জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য এবং রাষ্ট্র ও সমাজের দ্বারা স্বীকৃত ও সুরক্ষিত। এর মধ্যে রয়েছে জীবনধারণ, স্বাধীনতা, শিক্ষা, কাজ, স্বাস্থ্য এবং সবার জন্য সমান অধিকার।
দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন:
১। রাষ্ট্রসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য এবং এর নীতিগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের সনদের প্রথম অনুচ্ছেদে চারটি উদ্দেশ্য সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে:
(i) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
(ii) সমান অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা।
(iii) আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতার ভিত্তিতে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সমস্যাগুলোর সমাধান করা এবং প্রত্যেকটি ব্যক্তিই যেন মানব অধিকার এবং মৌলিক অধিকার উপভোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
(iv) উল্লিখিত উদ্দেশ্যগুলোর সমাধানের জন্য বিভিন্ন দেশের মধ্যে সম্বন্ধ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হিসেবে কার্য সমাধান করা।
রাষ্ট্রসংঘের প্রধান নীতিগুলো নিম্নরূপ:
(i) সকল সদস্য রাষ্ট্রের সমান সার্বভৌম নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠিত হবে।
(ii) রাষ্ট্রসংঘের সনদে উল্লেখিত নিয়মগুলো মেনে নিয়ে সকল সদস্য রাষ্ট্রই নিজের দায়িত্ব পালন করবে।
(iii) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শান্তি, নিরাপত্তা এবং ন্যায়-এ যাতে কোনো ধরনের আঘাত না-আসে সেই মতো সব সদস্য রাষ্ট্রকে সব ধরনের বিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করতে হবে।
(iv) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষা করার স্বার্থে কোনো সদস্য রাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে না।
(v) সনদে উল্লেখ অনুসারে রাষ্ট্রসংঘ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করলে রাষ্ট্রগুলো রাষ্ট্রসংঘকে সাহায্য করতে হবে। এ ছাড়া রাষ্ট্রসংঘ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, এমন কোনো রাষ্ট্রকে সাহায্য করতে পারবে না।
(vi) রাষ্ট্রসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।
২। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ওপর একটি টীকা লেখো।
উত্তরঃ রাষ্ট্রসংঘের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল নিরাপত্তা পরিষদ। রাষ্ট্রসংঘ গঠিত হবার সময় পরিষদের স্থায়ী সদস্য ছিল পাঁচজন এবং অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়। ১৯৬৩ সালে রাষ্ট্রসংঘের সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন করে অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা দশ পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া হয়। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের সাধারণ সভাই নির্বাচিত করে। স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলি হচ্ছে আমেরিকা, গ্রেট ব্রিটেইন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে স্থায়ী পাঁচজন সদস্য সহ মোট ৯ জন সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন। স্থায়ী সদস্যগুলির ‘ভেটো’ প্রয়োগের ক্ষমতা আছে। সেই জন্য কোনো বিষয়ে স্থায়ী সদস্যই ‘ভেটো’ প্রদান করলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না।
৩। বিশ্বশান্তির জন্য রাষ্ট্রসংঘ দ্বারা গৃহীত পদক্ষেপসমূহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকার পর ১৯৪৫ সালে রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় মানবজাতির মনে শান্তি ও আস্থার পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাষ্ট্রসংঘ বিশ্বে যুদ্ধ ও সংঘাত দূর করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নানা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
প্রথমেই, যুদ্ধ প্রতিরোধ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রসংঘ ১৯৫২ সালে নিরস্ত্রীকরণ কমিশন (Disarmament Commission) গঠন করে। এই কমিশনের মাধ্যমে পারমাণবিক ও অন্যান্য অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়।
পরবর্তীকালে রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
- ১৯৬৩ সালে আংশিকভাবে আণবিক অস্ত্র বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ চুক্তি (Partial Nuclear Test Ban Treaty)।
- ১৯৬৭ সালে বহিঃমহাকাশ চুক্তি (Outer Space Treaty)।
- ১৯৬৮ সালে পারমাণবিক অস্ত্র সংকোচন চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty)।
- ১৯৭১ সালে সিন্ধুতল নিয়ন্ত্রণ চুক্তি (Seabed Control Treaty)।
- ১৯৭২ ও ১৯৭৯ সালে সল্ট-১ এবং সল্ট-২ চুক্তি (Strategic Arms Limitation Treaty)।
- ১৯৯১ ও ১৯৯৩ সালে START-১ ও START-২ (Strategic Arms Reduction Treaty)।
- এবং ১৯৯৬ সালে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Comprehensive Test Ban Treaty – CTBT)।
এছাড়াও, ২০০৭ সালের জুন মাসে রাষ্ট্রসংঘ ‘প্রতিরোধমূলক কূটনীতি’ (Preventive Diplomacy) নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে যুদ্ধের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করার পথ তৈরি হয়।
সবশেষে বলা যায়, রাষ্ট্রসংঘের এই সব উদ্যোগ বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। তবে এই সংস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার দায়িত্ব সদস্য রাষ্ট্রগুলির উপর নির্ভরশীল। তাদের সহযোগিতা ও সদিচ্ছাই বিশ্বশান্তিকে স্থায়ী ও সুসংহত করে তুলবে।
যদি আপনি এর চেয়ে আরও বেশি প্রশ্ন-উত্তর খুঁজছেন, তাহলে নিচে দেওয়া Buy Now লিঙ্কে ক্লিক করুন
Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. Click on the required chapter title to start your preparation Today:
SEBA Class 10 Social Science Textual [New Syllabus Updated]
| Sl. No. | সূচিপত্র |
| Chapter – 1 | বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন |
| Chapter – 2 | মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম |
| Chapter – 3 | অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ |
| Chapter – 4 | স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ |
| Chapter – 5 | ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য |
| Chapter – 6 | অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ |
| Chapter – 7 | পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা |
| Chapter – 8 | পৃথিবীর ভূগোল |
| Chapter – 9 | অসমের ভূগোল |
| Chapter – 10 | ভারতীয় গণতন্ত্র |
| Chapter – 11 | আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য |
| Chapter – 12 | বিত্তীয় সাক্ষরতা [New Syllabus] |
| Chapter – 13 | অর্থনৈতিক উন্নয়ন |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel