SEBA Class 10 Social Science Chapter 10 ভারতীয় গণতন্ত্র

SEBA Class 10 Social Science Chapter 10 ভারতীয় গণতন্ত্র Question Answer As Per SEBA New Syllabus. SEBA Class 10 Social Science Chapter 10 ভারতীয় গণতন্ত্র Notes. SEBA Class 10 Social Science Chapter 10 ভারতীয় গণতন্ত্র Solutions. We ensure that You can completely trust this content. Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 10 Social Science Chapter 10 ভারতীয় গণতন্ত্র

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Social Science Chapter 10 ভারতীয় গণতন্ত্র Question Answer Bengali Medium. I Hope, you Liked The information About The Bengali Medium Social Science Solutions For Class 10. If you liked SEBA Class 10 Social Science Notes in Bengali Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

ভারতীয় গণতন্ত্র

অনুশীলনী

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন

১। ১৯৪৫ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ইংল্যান্ডের কোন দল জয়ী হয়েছিল?

উত্তরঃ শ্রমিক দল।

২। কত সালে ‘কেবিনেট মিশন’ ভারতে এসেছিল?

উত্তরঃ ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে।

৩। ভারতীয় সংবিধান সভার প্রথম সভাপতি কে ছিলেন?

উত্তরঃ ড° সচ্চিদানন্দ সিন্‌হা।

৪। সংবিধানের খসড়া সমিতির অধ্যক্ষের নাম কী?

উত্তরঃ ড° বি. আর. অম্বেদকর।

৫। ‘সমাজবাদী’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দুটি সংবিধানের কত সংখ্যক সংশোধনে প্রস্তাবনায় সন্নিবিষ্ট হয়েছিল?

উত্তরঃ ৪২তম সংশোধনে।

৬। ইংরাজি Federation শব্দটি লাতিন কোন শব্দ থেকে এসেছে?

উত্তরঃ ‘Foedus’ শব্দ থেকে।

৭। ‘যুক্তরাষ্ট্রের গৃহভূমি’ বললে কাকে বোঝায়?

উত্তরঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে।

৮। ভারতবর্ষে দ্বৈত নাগরিকত্বের ব্যবস্থা আছে কি?

উত্তরঃ না, ভারতবর্ষে দ্বৈত নাগরিকত্বের ব্যবস্থা নেই।

৯। ভারতবর্ষের সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারণা কোন দেশের সংবিধানের অনুকরণে গঠিত হয়েছ?

উত্তরঃ ইংল্যান্ডের সংবিধানের অনুকরণে গঠিত হয়েছে।

সংক্ষেপে উত্তর দাও:

১। ব্রিটিশ সরকার কেন ভারতবর্ষে ‘কেবিনেট মিশন’ প্রেরণ করেছিল?

উত্তরঃ নবগঠিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পক্ষে প্রয়োজনীয় একখানি সংবিধান রচনার অনুকূল পরিবেশ এবং প্রস্তুতি তরান্বিত করার জন্য ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষে ‘কেবিনেট মিশন’ প্রেরণ করেছিল।

২। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতবর্ষের শাসন ব্যবস্থা কোন আইনের ভিত্তিতে চলেছিল এবং আইনটি কে প্রস্তুত করেছিলেন?

উত্তরঃ ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতবর্ষের শাসন ব্যবস্থা ১৯৩৫ সালের ‘ভারত সরকার আইন’ অনুযায়ী চলেছিল। এই আইনটি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রস্তুত ও প্রণয়ন করা হয়েছিল।

৩। প্রস্তাবনায় ‘আমরা ভারতবাসী জনগণ’ বলে কেন উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তরঃ প্রস্তাবনায় ‘আমরা ভারতবাসী’ বলে উল্লেখ করে সংবিধান প্রণেতাগণ এটাই স্পষ্ট করতে চেয়েছেন যে সংবিধানটির রচয়িতা ভারতের জনগণ। সংবিধানটি ভারতীয় জনগণের এবং ভারতীয় জনগণই হচ্ছে সংবিধানের অন্তরালের বৃহত্তম শক্তি।

৪। ‘সার্বভৌম’ কথার মানে কী?

উত্তরঃ ‘সার্বভৌম’ কথার মানে হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা। এর অর্থ হলো বাহ্যিকভাবে ভারতবর্ষ কোনো বিদেশী শক্তির পদানত নয় এবং আভ্যন্তরীণভাবেও ভারতবর্ষ কোনো শক্তির দ্বারা পরিচালিত নয়।

৫। কোন সালের কত সংখ্যক সংশোধন অনুসারে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘সমাজবাদী’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দুটি সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে?

উত্তরঃ ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংশোধন অনুসারে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘সমাজবাদী’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দুটি সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে।

৬। ‘অর্ধ-যুক্তরাষ্ট্র’ কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি যুক্তরাষ্ট্রে যে-সকল বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন তার বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য বর্তমান থাকা সত্ত্বেও ভারতবর্ষের শাসন ব্যবস্থাকে প্রকৃত যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বলা যায় না। কারণ এখানে এককেন্দ্রীয় সরকারের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য একাত্ম হয়ে আছে। এই কারণে পণ্ডিতগণ আমাদের দেশের শাসন ব্যবস্থাকে ‘অর্ধ-যুক্তরাষ্ট্র’ (Quasi-federal) বলে অভিহিত করেছেন।

৭। কোন আইন ভারতবর্ষে সীমিত সংসদীয় শাসন-পদ্ধতির প্রবর্তন করেছিল?

উত্তরঃ ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইন ভারতবর্ষের সীমিত সংসদীয় শাসন-পদ্ধতির প্রবর্তন করেছিল।

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (সংক্ষেপে উত্তর)

১। ভারতবর্ষের সংবিধানের প্রস্তাবনায় সংবিধানের আদর্শ কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা হলো এর আদর্শ ও উদ্দেশ্যগুলির একটি সংক্ষিপ্তসার। এটি মূলত দুটি মূল বিষয়কে প্রতিফলিত করে: রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং সংবিধানের লক্ষ্য।

১। রাষ্ট্রের প্রকৃতি (Nature of the State):

প্রস্তাবনা ভারতকে নিম্নলিখিত পাঁচটি আদর্শের ভিত্তিতে গঠিত রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে:

(i) সার্বভৌম (Sovereign): ভারত কোনো বহিরাগত শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়; অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ে এটি সম্পূর্ণ স্বাধীন। সর্বোচ্চ ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত।

(ii) সমাজতান্ত্রিক (Socialist): (৪২তম সংশোধনীতে যুক্ত) অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা এবং সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এই আদর্শের লক্ষ্য।

(iii) ধর্মনিরপেক্ষ (Secular): (৪২তম সংশোধনীতে যুক্ত) রাষ্ট্র সকল ধর্মের প্রতি সমান সম্মান দেখাবে এবং কোনো বিশেষ ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে মর্যাদা দেবে না।

(iv) গণতান্ত্রিক (Democratic): সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। জনগণই ক্ষমতার মূল উৎস।

(v) প্রজাতন্ত্র (Republic): রাষ্ট্রের প্রধান (রাষ্ট্রপতি) নির্বাচিত হবেন, কোনো বংশানুক্রমিক শাসক হবেন না।

২। সংবিধানের লক্ষ্য (Objectives of the Constitution):

রাষ্ট্রের এই প্রকৃতির মাধ্যমে সংবিধান চারটি প্রধান লক্ষ্য পূরণ করতে চায়:

(i) ন্যায় (Justice): সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক—এই তিন ধরনের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এর অর্থ হলো জাতি, ধর্ম বা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ।

(ii) স্বাধীনতা (Liberty): চিন্তা, অভিব্যক্তি, বিশ্বাস, ধর্ম ও উপাসনার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, যা ব্যক্তির সার্বিক বিকাশের জন্য জরুরি।

(iii) সমতা (Equality): মর্যাদা ও সুযোগের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সমতা প্রতিষ্ঠা করা।

(iv) ভ্রাতৃত্ববোধ (Fraternity): ব্যক্তি-মর্যাদা এবং জাতির ঐক্য ও সংহতি সুনিশ্চিত করার জন্য জনগণের মধ্যে একতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধ গড়ে তোলা।

২। ‘সার্বভৌম’, ‘সমাজবাদী’, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’, ‘গণতান্ত্রিক’ এবং ‘গণরাজ্য’ বলতে কী বোঝো, বিশদভাবে বর্ননা করো।

উত্তরঃ সার্বভৌম (Sovereign): ভারতবর্ষ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। সার্বভৌমত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে ভারতবর্ষ কোনো বিদেশী শক্তির পদানত নয়। এবং আভ্যন্তরীণভাবেও ভারতবর্ষ কোনো শক্তির দ্বারা পরিচালিত নয়।

সমাজবাদী (Socialist): ভারতবর্ষ একটি সমাজবাদী রাষ্ট্র। সংবিধানের ৪২ নং সংশোধন আইনের মাধ্যেম ১৯৭৬ সালে এই শব্দটি প্রস্তাবনায় সংযোজন করা হয়েছে। ভারতবর্ষে মানুষের মধ্যে আয়, মর্যাদা এবং জীবনধারণের মানদণ্ডের ক্ষেত্রে বৈষম্য অথবা অসমতা থাকবে না। উৎপাদনের কৌশলসমূহ জাতীয়করণ করা হবে। জাতীয় আয়ের সমবিতরণ ব্যবস্থায় এবং মিশ্র অর্থনীতির মাধ্যমে সমাজবাদ প্রতিষ্ঠা করা হবে। দেশের অর্থনীতি নির্ধারণ করবে দেশের জনসাধারণ। কোনো পুঁজিপতির দ্বারা দেশের অর্থনীতি নির্ধারিত হবে না।

ধর্মনিরপেক্ষ (Secular): ভারতবর্ষ হবে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানে সরকারি ধর্ম (Official religion or state religion) বলে কোনো ধর্ম থাকবে না। সরকারের দৃষ্টিতে সকল ধর্মই সমান। ধর্মের নামে থাকবে না কোনো বৈষম্য। তৎসহ সরকার কোনো ধর্মের প্রতিই অনুগ্রহ প্রদর্শন করবে না। উল্লেখ্য যে এই শব্দটি প্রস্তাবনার ৪২ নং সংশোধন অনুযায়ী সন্নিবিষ্ট হয়েছে।

গণতান্ত্রিক (Democratic): ভারতবর্ষ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দেশের শাসন ব্যবস্থা জনসাধারণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত হবে। জনসাধারণ দেশের শাসন নিজের জন্য নিজেই চালনা করবে। অধিকন্তু প্রশাসন জনসাধারণের নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।

গণরাজ্য (Republic): ভারতবর্ষ একটি গণরাজ্য। দেশের রাষ্ট্রপ্রধান (রাষ্ট্রপতি) জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপ্রধানের পদবি ও পদে আসীন ব্যক্তি বংশানুক্রমিক হবেন না, অথবা কোনো ব্যক্তি বিশেষের দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তি হবেন না। এ ছাড়াও প্রস্তাবনায় উল্লেখ আছে, যে, ভারতের জনগণই দেশে ন্যায় (justice), স্বাধীনতা (liberty), সমতা (equality) এবং ভ্রাতৃত্ববোধ (fraternity) প্রতিষ্ঠা করবে। ন্যায়, স্বাধীনতা, সমতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে সংবিধান প্রণেতাগণ সংবিধানের আদর্শ এবং লক্ষ্যকে বিশেষভাবে প্রতিফলিত করেছেন।

Below is the complete list of chapters for SEBA Class 10 Social Science Solutions Bengali Medium. Click on the required chapter title to start your preparation Today:

SEBA Class 10 Social Science Textual [New Syllabus Updated]

Sl. No.সূচিপত্র
Chapter – 1বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫–১৯১১ ) ও স্বদেশী আন্দোলন
Chapter – 2মহাত্মা গান্ধি এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম
Chapter – 3অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Chapter – 4স্বাধীনতা আন্দোলন এবং অসমে জাতীয় জাগরণ
Chapter – 5ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Chapter – 6অর্থনৈতিক ভূগোল: বিষয়বস্তু এবং সম্পদ
Chapter – 7পরিবেশ ও পরিবেশের সমস্যা
Chapter – 8পৃথিবীর ভূগোল
Chapter – 9অসমের ভূগোল
Chapter – 10ভারতীয় গণতন্ত্র
Chapter – 11আন্তর্জাতিক সংস্থা ― রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Chapter – 12বিত্তীয় সাক্ষরতা [New Syllabus]
Chapter – 13অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top