Hello Viewers Today’s We are going to Share the Complete New Syllabus of SEBA Class 6 Bengali Chapter 7 অপু-দুর্গা Question Answer As Per The SEBA New Syllabus. SEBA Class 6 Bengali Chapter 7 অপু-দুর্গা Solutions. SCERT Class 6 Bengali Questions and Answers PDF Download Are you a Student of SEBA Class 6 Bengali Chapter 7 অপু-দুর্গা PDF Which you can Download PDF Class 6 Bengali Questions and Answers PDF for free using direct Download Link Given Below in This Post.
SEBA Class 6 Bengali Chapter 7 অপু-দুর্গা
Today’s We have Shared in This Post, SEBA Class 6 Bengali Book PDF Solutions for Free. Class 6 Class 6 Science Solutions in Bengali. SEBA Class 6 Bengali Textbook Question Answer. Class 6 Ankuan Question Answer. I Hope, you Liked The information About The ক্লাস 6 বাংলা প্রশ্ন উত্তর If you liked Assam Board ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা বইয়ের প্রশ্ন উত্তর Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
অপু-দুর্গা
| ক্রিয়াকলাপ – পাঠভিত্তিক |
১। নীচের প্রশ্নগুলির শুদ্ধ উত্তরটি বেছে বের করে সঠিক বৃত্তটি পূর্ণ করো।
(i) দুর্গা ওর ছোটো ভাইকে কী আনতে বলেছিল?
(ক) বাদাম ও নুন।
(খ) নুন ও তেল।
(গ) লংকা ও বাদাম।
(ঘ) চালভাজা ও লঙ্কা।
উত্তরঃ (খ) নুন ও তেল।
(i) সর্বজায়া কে?
(ক) অপু ও দুর্গার ঠাম্মা।
(খ) অপু ও দুর্গার মাসি।
(গ) অপু ও দুর্গার পিসি।
(ঘ) অপু ও দুর্গার মা।
উত্তরঃ (ঘ) অপু ও দুর্গার মা।
২। তুমি ওপরের উত্তরগুলো কেন শুদ্ধ বলে বেছে নিয়েছ? বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করে বলো।
উত্তরঃ পাঠটি পড়ে আমরা জানতে পারি দুর্গা তার ভাইকে আম খাওয়ার জন্য নুন ও তেল আনতে বলেছিল। এবং অপু এ দুর্গার মা হলেন সর্বজয়া এবং পিতা-হরিহর।
৩। নীচে দেওয়া শব্দগুলির অর্থ পাশের বাক্সে থাকা অর্থগুলির মধ্যে তেকে খুঁজে বের করে লেখো।
কচি, আবদার বা বায়না ধরা, বড় বড়, গ্রাস, টুকরো
উত্তরঃ ফাই ― ফরমাজ আবদার বা বায়না ধরা
গোগ্রাস ― বড় বড়
কুশি ― কচি
চাক্কা ― গ্রাস, টুকরো
৪। উত্তর বলো ও লেখো―
(ক) দুর্গার বয়স কত ছিল?
উত্তরঃ দুর্গার বয়স দশ এগারো বৎসর ছিল।
(খ) আম খেয়ে অপুর দাঁতে কী হয়েছিল?
উত্তরঃ আম খেয়ে অপুর দাঁত টকে গেছিল।
(গ) সর্বজয়া কোথায় গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ সর্বজয়া ঘাটে জামা কাপড় কাচতে গিয়েছিলেন।
(ঘ) মা লংকা কোথায় রেখে দেন?
উত্তরঃ মা তাকের ওপর লংকা রেখে দেন।
(ঙ) দুর্গা কোথা থেকে আম কুড়িয়ে এনেছিল?
উত্তরঃ দুর্গা পূটলিদের বাগানে সিঁদুর কোটার তলা থেকে আম কুড়িয়ে এনেছিল।
৫। আলোচনা করো ও বলো―
(ক) দুর্গা ও অপুর মধ্যে কোন চরিত্রটি তোমার বেশি ভালো লেগেছে এবং কেন?
উত্তরঃ অপুর চরিত্রটি বেশি ভালো লেগেছে কারণ, সে ছিল খুবই প্রানোচ্ছল একটি ছেলে। তার চোখে ছিল কৌতূহল ও বিস্ময়, অজানাকে জানবার আকাঙ্খা। তার অভিজ্ঞতাগুলি গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার আনন্দ ও সংগ্রামকে প্রতিফলিত করে। সে দারিদ্র্য সহ বিভিন্ন কষ্টের মুখোমুখি হলেও তার মনে এসব বেশিক্ষণ স্থায়ী হত না। সে বড়োদের ভয় পেত এবং তার দিদির সব কথা শুনত। বাড়ির সবার সাথে তার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। সারাদিন দিদির সাথে খেলে বেড়াতো এবং দিদির প্রতি তার ছিল অশেষ ভালোবাসা।
(খ) মায়ের অনুপস্থিতিতে অপু ও দুর্গা যা করেছে সেটা কী ঠিক, নাকি ভুল? তোমার মতামত প্রকাশ করো। তোমরাও কি কখনো অপু-দুর্গার মতো বাড়ির বড়ো মানুষদের থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু খেয়েছ? যদি হ্যাঁ, তাহলে কি সেটা ঠিক করেছ? ভেবে বলো।
উত্তরঃ মায়ের অনুপস্থিতিতে অপু ও দুর্গা যা করেছে সেটা ভুল। কারণ তারা বাড়ির বড়োদের থেকে লুকিয়ে কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি অঘটন ঘটে তখন বাড়ির লোকেরাও চিন্তায় পড়বে। দুর্গা চেয়েছিল মাকে লুকিয়ে আম মাখা খাবে, আর সঙ্গে সে অপুকেও নিয়েছিল। কিন্তু অপুর সরল মনে কোনো রকম কোনো জটিলতা ছিল না তাই সে আম খাওয়ার কথা তার মাকে মুখ ফসকে জানিয়ে দিতে যাচ্ছিল। কিন্তু দুর্গা জানত যে তার মা তাকে বকবে তাই সে লুকোতে চেয়েছিল। কিন্তু এটা তাদের উচিত হয়নি। মাকে সত্যি কথা বলে যদি খেতো তাহলে লুকিয়ে নুন, তেল আনতে হতো না। তারা স্বাভাবিকভাবেই খেতে পারত। তাড়াহুড়ো করে খেতে গিয়ে তাদের গলায় লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। তাহলে বড়ো বিপদ হতো। তাই বাড়ির কারোর থেকে লুকিয়ে কোনো কিছু খাওয়া উচিত না।
হ্যাঁ, আমরাও অপু দুর্গার মতো বাড়ির বড়োদের থেকে লুকিয়ে পেয়ারা মাখা খেয়েছি।
না, আমরা এটা ঠিক করিনি। কারণ পেয়ারা পাড়তে গিয়ে কারো হাত, পা ভাঙতে পারতো। যদি বাড়ির বড়োদের জানাতাম তাহলে তারা পেয়ারা পাড়তে সাহায্য করত এবং আমাদের ভয়ে ভয়ে পেয়ারা মাখা খেতে হত না। খুব আনন্দ করে খেতে পারতাম।
(গ) মা হঠাৎ বাড়ি ফিরে আসায় দুর্গার কী অবস্থা হয়েছিল? দুর্গার জায়গায় যদি তুমি থাকতে তাহলে কী করতে?
উত্তরঃ মা হঠাৎ বাড়ি ফিরে আসায় দুর্গা ভয়ে মুখ ভর্তি করে জারানো আমের চাকলাগুলি তাড়াতাড়ি খেতে লাগল। যখন দেখলো আরও বাকী আছে তখন সে কাঁঠাল গাছের পিছনে লুকিয়ে গোগ্রাসে আমের চাকলাগুলি খেতে লাগল এবং শেষ হয়ে গেলে মালাটি ছুঁড়ে ফেলে দিলো।
দুর্গার জায়গায় আমি থাকলে মাকে সব সত্যি বলে দিতাম। কারণ মা পরেও তো জানতেই পারবে যে আমি লুকিয়ে খেয়েছি। তাই এখন বলে দিলেই হলো, তাহলে আমার কোনো সমস্যা হলে মা আমাকে সাহায্য করতে পারবে।
(ঘ) কাহিনীর শেষে দুর্গা তার ভাইকে কেন শাসিয়েছিল? তুমি অপুর জায়গায় থাকলে দিদিকে কী উত্তর দিতে?
উত্তরঃ দুর্গা তার ভাইকে শাসিয়েছিল কারণ, তার ভাই আর একটু হলে তার মাকে আম খাওয়ার কথা বলে দিচ্ছিল। তাই দুর্গা তাকে আর আম দেবে না বলে দিয়েছিল।
আমি অপুর জায়গায় থাকলে দিদিকে বলতাম যে, পরের বার থেকে মাকে জানিয়ে আম খাবো, নাহলে মা আমাকে আর দিদিকে দুজনকেই বকবে। তাছাড়া মাকে লুকিয়ে কী ই বা হবে। হয় একটু বকা খাবো তা বলে মাকে লুকানো উচিত নয়।
৬। কে, কাকে এবং কেন বলেছিল লেখো―
(ক) “মুখে যে নুনের গুঁড়ো লেগে আছে, মুছে ফ্যাল্ ―”
উত্তরঃ দুর্গা অপুকে বলল। কারণ মা তাদের ডাক ছিল।
(খ) “মা ঘাট থেকে আসেনি তো?”
উত্তরঃ দুর্গা অপুকে জিজ্ঞেস করেছিল। কারণ দুর্গা কচি আম কেটে এনেছিল।
৭। কাহিনীতে তোমরা দেখেছ যে দুর্গা কাঁচা আম কুড়িয়ে এনেছে এবং সেটা নুন-তেল দিয়ে মেখে তৃপ্তির সঙ্গে খেয়েছে। নীচের প্রশ্নগুলো পড়ো এবং ঘটনাগুলো তোমাদের জীবনেও ঘটেছে কি না ভাবো ও বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করো।
উত্তরঃ নিজেরা করো।
(ক) তোমরাও কি কখনো আম কুড়িয়েছ? কবে ও কোথায়?
উত্তরঃ হ্যাঁ। কালবৈশাখীর ঝড়ে গত সপ্তাহে বিকালবেলা।
(খ) কোন্ আমটি খেতে তোমার বেশি ভালো লাগে এবং কেন ― কাঁচা আমা, পাকা আম, কাঁচামিঠা আম?
উত্তরঃ আমার কাঁচামিঠা আম খেতে ভাল লাগে। কারণ আমটি খুব টকও নয় আবার মিষ্টিও নয়।
(গ) আম দিয়ে প্রস্তুত কোন খাবারটি তোমার বেশি প্রিয় এবং কেন আমসত্ত্ব, আমশি, আমের আচার, আমের চাটনি?
উত্তরঃ আমের আচার খেতে বেশি ভাল লাগে।
(ঘ) কোন ধরনের আম তোমার বেশি প্রিয়- ল্যাংরা আম, ফজলি আম, চোষা আম, হিমসাগর আম?
উত্তরঃ আমার হিমসাগর আম বেশি প্রিয়।
(ঙ) তোমরা আর কী কী আম অথবা আম দিয়ে প্রস্তুত খাবার খেয়েছ তার একটা তালিকা প্রস্তুত করো।
উত্তরঃ আমরা ল্যাংরা, ফজলি, হিমসাগর, টুসি প্রভৃতি আম খেয়েছি। আম দিয়ে আচার, চাটনি, আমসত্ত্ব প্রভতি খেয়েছি।
৮। এসো, কিছু শব্দ নিয়ে কথা বলি। নীচের শব্দগুলোর সঙ্গে ‘আম’ যুক্ত থাকলেও সেটা আম ফলটিকে না বুঝিয়ে ভিন্ন কিছু প্রকাশ করে―
আম-জনতা ― সাধারণ মানুষ
আমফান ― একটি ঘূর্ণিঝড় যা ২০২০ সালের বঙ্গোপসারের তীরবর্তী পূর্ব-ভারত ও বাংলাদেশে বিস্তর ক্ষতিসাধন করেছিল।
আমাশয় ― মানব অস্ত্রে রোগ জীবাণু সংক্রমিত রোগ। আমাদের পেট খারাপ হলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আমড়া ― লম্বাটে গোল ধরনের টক স্বাদযুক্ত ফলবিশেষ, সংস্কৃতে একে বলে আম্রাতক।
আমদানি ― ভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আনা, ইংরেজিতে একে বলে ইমপোর্ট।
আমলকী ― টক ও কষায় স্বাদযুক্ত ফল বিশেষ যাকে ‘আমলা’ বলা হয়। ‘আমলা’ শব্দের আরেকটি অর্থ হলো কর্মচারী বা আধিকারিক।
এসো, জেনে নিই―
তোমরা আম খাওয়ার পর আমের আঁটি কখনো চুষেছ? তারপর সেটা কী করেছ? চারা নিশ্চয় ফেলে দিয়েছ। কিন্তু তোমরা জান কি যে আঁটিটা কিছুদিন ফেলে রেখে দিলে সেখান থেকে চাড়া বের হয়। তখন চারা-অংশটি ভেঙে, খোসা ছাড়িয়ে নিলে ভেতরে একটা নরম সাদা ‘কষি’ পাওয়া যায়। তারপর সেই কষিটার একদিকটা পাথর, ইঁট বা অসমৃণ কোথাও ঘষতে থাকলে একটু পরে কষিটার ভেতরে সামান্য-ফাঁক বেরিয়ে আসে। সেখানে জোরে ফু দিলে দারুণ শব্দ হয়। এই বাঁশিকে বলা হয় ‘আম-আঁটির ভেঁপু’। ভেঁপু মানে হচ্ছে বাঁশি। তোমরাও ইচ্ছে করলে এই ধরনের বাঁশি বানিয়ে বাজাতে পার।
| ভাষা-অধ্যয়ন |
৯। নীচের বাক্যগুলি দেখো―
একটু পরেই সর্বজয়ার গলা শুনা গেল দুগ্গা ও দুর্গা আর এট্টু আটা বের করো না মা, মুখে বড্ড লাগে।
ওপরের উদাহরণে মোটা অক্ষরে লেখা শব্দগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখো। অপুর দিদির নাম আসলে ছিল দুর্গা। উচ্চারণের সুবিধার জন্য ‘দুর্গা’ হয়ে গেছে ‘দুর্গা’। একই ভাবে ‘একটু’ থেকে হয়েছে ‘এট্টু’। ব্যাকরণে একে বলে সমীভবন। অর্থাৎ, উচ্চারণের সুবিধার জন্য দুটো আলাদা ব্যঞ্জনধ্বনির জায়গায় একটিই ব্যঞ্জনধ্বনি দু-বার উচ্চারিত হয়েছে।
এসো, আরও কয়েকটি সমীভবনের উদাহরণ দেখে নেওয়া যাক-
গল্প ― গল্প
ধর্ম ― ধম্ম
জন্ম ― জন্ম
কর্তা ― কত্তা
আর না ― আন্না
এসো, বাক্সে দেওয়া সমীভূত শব্দগুলি নীচে মূল শব্দের পাশে লিখি-
মুখখু, কান্না, কম্ম, চন্নন
কর্ম ― কম্ম
কাঁদনা ― কান্না
চন্দন ― চন্নন
মূর্খ ― মুখখু
১০। এসো, নীচের বাক্যগুলি পড়ি―
যা, বাছুরটা ধরগে যা
আমগুলি বেশ করিয়া মাখিল।
প্রথম উদাহরণটিতে ‘বাছুরটা’ শব্দে বাছুরের পরে ‘টা’ যুক্ত হওয়ায় আমরা সহজেই বুঝলাম যে এখানে একটি বাছুরের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ একটি বস্তু বা একজনকে বোঝালে তাকে একবচন বলে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় উদাহরণের ‘আমগুলি’ শব্দটি একাধিক বা অনেক আমের কথা বোঝাচ্ছে। বাংলা বাষায় কোনো শব্দের পরে ‘গুলি’ বা ‘গুলো’ ইত্যাদি যোগ করে বহুবচন বোঝানো হয়। এর দ্বারা বোঝা গেল যে একটির বেশি বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝালে সেটা বহুবচন হয়।
এসো নীচের উদাহরণগুলি দেখি―
| একবচন | বহুবচন |
| বইটি দাও | বইগুলি দাও |
| শিষ্যটি মেধাবী | শিষ্যরা মেধাবী |
| কাকুকে ডাকো | কাকুদের ডাকো |
| জামাটি দাও | জামাগুলো দাও |
মনে রেখো, কাউকে সম্মান দিতে হলে বহুবচন বোঝানোর সময় ‘গুলি বা ‘গুলো’ যোগ করা যায় না। তার পরিবর্তে ‘রা’, ‘গণ’, ‘বৃন্দ’ ইত্যাদি যোগ করতে হয়। তাই ‘শিক্ষকগুলি’ ভুল প্রয়োগ। তার বদলে বলা উচিত ‘শিক্ষকরা’ বা ‘শিক্ষকগণ’।
নীচের শব্দগুলি একবচন বা বহুবচন, তা লেখো―
উত্তরঃ মেয়েটি ― একবচন।
বৃক্ষসমূহ ― বহুবচন
নক্ষত্রমালা ― বহুবচন।
দেহখানি ― একবচন।
পণ্ডিত ― একবচন।
ফুটবলটা ― একবচন।
If you Want More Questions Answers Then Click on the Buy Link Given Below
SCERT Class 6 Bengali Question Answer [New Book Updated]
| S.L No. | সূচীপত্র |
| Chapter – 1 | বলো বলো বলো সবে |
| Chapter – 2 | খরগোশ ও সিংহ |
| Chapter – 3 | গ্রন্থ পাঠ |
| Chapter – 4 | চলো গাছের চারা রোপন করি |
| Chapter – 5 | আষাঢ় |
| Chapter – 6 | বৈজ্ঞানিক মানসিকতা এবং আমাদের সমাজ |
| Chapter – 7 | অপু-দুর্গা |
| Chapter – 8 | বিরুবালা রাভা |
| Chapter – 9 | খুড়োর কল |
| Chapter – 10 | সত্যজিৎ রায়ের দুটি সাক্ষাৎকার |
| Chapter – 11 | মাইনুর টনসিলাইটিস |
| Chapter – 12 | মানুষ মানুষের জন্যে |
| Chapter – 13 | সাপ এবং ব্যাং রাজা |
| Chapter – 14 | নদীপথে |
| Chapter – 15 | নৌকা বাইচের গান |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.

