SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 3 ধূলামন্দির

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 3 ধূলামন্দির Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 3 ধূলামন্দির Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 3 ধূলামন্দির Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 3 ধূলামন্দির

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

ধূলামন্দির

IMPORTANT QUESTION ANSWER

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)

১। ‘ধূলামন্দির’ কবিতাটির কবি কে?

উত্তরঃ ‘ধূলামন্দির’ কবিতাটির কবি হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২। কবি পূজারিকে কী কী ফেলে রেখে কর্মে যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন?

উত্তরঃ কবি পূজারি বা ভক্তকে তাঁর মনের নির্জন ধ্যান এবং পূজার জন্য সাজানো ফুলের ডালি ফেলে রেখে বাস্তব কর্মক্ষেত্রে নেমে আসার কথা বলেছেন।

৩। ঈশ্বরের দুই হাতে কী লেগে আছে বলে কবি উল্লেখ করেছেন?

উত্তরঃ রৌদ্রে এবং জলে সবার সাথে থাকার কারণে এবং ধূলিমলিন পৃথিবীর শ্রমজীবী মানুষের সাথে কর্মে যুক্ত থাকায় ঈশ্বরের দুই হাতে ধূলা লেগে আছে।

৪। কবির মতে প্রকৃতপক্ষে দেবতার आवास বা বাস কোথায়?

উত্তরঃ কবির মতে প্রকৃতপক্ষে দেবতার আবাস কোনো রুদ্ধদ্বার মন্দিরে নয়, বরং রৌদ্রে- জলে ধূলিকণায় ইট-কাঠ পাথরে গড়া বাস্তব পৃথিবীতে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের কর্মের মধ্যে দেবতা বাস করেন।

৫। ঈশ্বর কার নিকট বাঁধা আছেন?

উত্তরঃ ঈশ্বর বা পরমেশ্বর নিজেই ভালোবেসে তাঁর নিজের সৃষ্টির নিকট অর্থাৎ সবার কাছে চিরকালের জন্য বাঁধা আছেন।

৬। কবির মতে মানুষের প্রকৃত ধর্ম কী?

উত্তরঃ কবির মতে মানুষের প্রকৃত ধর্ম হলো ধূলিমাখা হাতে কর্মযোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের সাথে যুক্ত হয়ে কর্ম সম্পাদন করা।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)

১। “দেবতা নাই ঘরে”—কবি কেন এ কথা বলেছেন?

উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করেন যে, রুদ্ধদ্বারে দেবালয়ের কোণে অন্ধকারের মধ্যে কোনো দেবতা বাস করেন না। দেবতা আসলে মন্দিরের কৃত্রিম শুচিতা ও অন্ধকারের সংকীর্ণতায় সীমাবদ্ধ নন, বরং তিনি বাইরে রৌদ্রে-জলে কর্মব্যস্ত সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন; তাই মন্দিরের দরোজা বন্ধ করে অন্ধকারে সংগোপনে পূজা করলে দেবতাকে পাওয়া যাবে না বলেই কবি উক্ত কথাটি বলেছেন।

২। কবি পূজারিদের কেন শুচি বসন ছেড়ে ধুলার পরে নেমে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন?

উত্তরঃ কবি পূজারিদের শুচি বসন ছেড়ে ধুলার পরে নেমে আসতে বলেছেন কারণ প্রকৃত ঈশ্বর মন্দিরের বিলাস বা কৃত্রিম শুচিতার অন্তরালে থাকেন না। তিনি মাঠে-ঘাটে রৌদ্রে-জলে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের সাথে ধুলোবালি মেখে থাকেন, তাই তাঁর সান্নিধ্য পেতে হলে পূজারিকেও শুচি বসনের অহংকার ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের কাতারে ধুলার পরে নেমে আসতে হবে।

৩। “মুক্তি? ওরে মুক্তি কোথায় পাবি”—কবির এই উক্তির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ কবির অন্তর্দৃষ্টি অনুসারে এই পৃথিবীতে সংসার ও কর্মকে অস্বীকার করে মানুষের জন্য মুক্তি পাওয়ার কোনো পথ নেই। পরমেশ্বর স্বয়ং তাঁর নিজের সৃষ্টির কাছে অত্যন্ত আনন্দের সাথে প্রেম ও স্নেহের বাঁধনে বাঁধা পড়ে আছেন, তাই ধ্যান বা পূজার ডালি নিয়ে সংসার থেকে দূরে গিয়ে মুক্তি খোঁজা সম্পূর্ণ বৃথা; পরমেশ্বরের পরম সান্নিধ্য পাওয়ার একমাত্র পথ হলো তাঁর সৃষ্টির সাথে কর্মযোগে যুক্ত হওয়া।

৪। চাষী ও পথ কাটার শ্রমিকদের সাথে ঈশ্বরের সম্পর্ক কেমন?

উত্তরঃ চাষী যখন রোদে-জলে ভিজে মাটিতে চাষ করে এবং শ্রমিকেরা যখন বারো মাস কঠোর পরিশ্রমে পাথর ভেঙে পথ কাটে, ঈশ্বর তখন প্রতি মুহূর্তে তাদের সাথে থাকেন। তাদের কাজের মধ্যেই ঈশ্বর লীন হয়ে থাকেন এবং তাদের মতো ঈশ্বরের নিজের দুই হাতেও ধূলি লেগে থাকে, যা শ্রমজীবী মানুষের সাথে তাঁর নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ককে প্রকাশ করে।

(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)

১। “তিনি গেছেন যেথায় মাটি ভেঙে করছে চাষা চাষ”—এখানে ‘তিনি’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? কবি কীভাবে তাঁর উপস্থিতি বর্ণনা করেছেন তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ এখানে ‘তিনি’ বলতে সৃষ্টির পরম প্রভু বা দেবতাকে বোঝানো হয়েছে। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঐতিহ্যগত দেবালয়ের রুদ্ধদ্বার ও অন্ধকারের পূজা-আরাধনা বর্জন করে ঈশ্বরের প্রকৃত রূপ সন্ধান করেছেন বাস্তব পৃথিবীর কর্মক্ষেত্রের মাঝে। কবি দেখিয়েছেন যে, ঈশ্বর কোনো মন্দিরের কোণে অন্ধকারে নিজেকে লুকিয়ে রাখেন না; তিনি থাকেন খোলা আকাশের নিচে, রৌদ্রে ও জলে মানুষের সাথে। যেখানে চাষা অক্লান্ত পরিশ্রমে মাটি ভেঙে চাষ করছে আর যেখানে শ্রমিক বারো মাস পাথর ভেঙে পথ কাটছে, পরমেশ্বর সেখানেই বিরাজমান। সাধারণ মানুষের মতোই ঈশ্বরের দুই হাতও কর্মের ধূলায় মলিন হয়ে আছে। ঈশ্বর নিজেকে তাঁর সৃষ্টির পরম বন্ধনে আবদ্ধ করে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কর্মের সাথে নিজেকে একাত্ম করে রেখেছেন। কবি ভক্তদের এই সত্য অনুধাবন করে শুচি বসনের গৌরব বর্জন করে ধুলার পরে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ সাধারণের কর্মের মাঝেই ঈশ্বরের প্রকৃত সান্নিধ্য ও মহিমা প্রকাশ পায়।

২। “ধূলামন্দির” কবিতার মূল ভাব বা সারাংশ নিজের ভাষায় সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ ‘ধূলামন্দির’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বর আরাধনার চিরাচরিত বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান, ভজন-পূজন ও ধ্যান-ধারণার অসারতা তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, রুদ্ধদ্বারে দেবালয়ের কোণে অন্ধকারের মধ্যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব মেলে না। প্রকৃত দেবতা হলেন কর্মের দেবতা, যিনি রৌদ্রে-জলে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী চাষী ও শ্রমিকদের সাথে ধুলোমাটি মেখে অবস্থান করছেন। পরমেশ্বর তাঁর নিজের সৃষ্টির সাথে প্রেমের বাঁধনে বাঁধা পড়ে আছেন, তাই সংসার বা কর্ম ত্যাগ করে একাগ্র মনে ধ্যান বা ফুলের ডালি সাজিয়ে মুক্তি লাভ করা অসম্ভব। কবি পরমেশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য মানুষকে মন্দিরের কৃত্রিম শুচিতা ও শুচিবসন ত্যাগ করে ধূলিমলিন কর্মযজ্ঞে শামিল হতে বলেছেন। মানুষের সঙ্গে কর্মযোগে যুক্ত হয়ে, ধুলোবালি মেখে কর্মের মাধ্যমে ধর্মকে জীবনের অঙ্গ করে তোলাই হলো এই কবিতার মূল শিক্ষা ও ভাববস্তু।

৩। “আপনি প্রভু সৃষ্টিবাঁধন প’রে বাঁধা সবার কাছে”—এই চরণের অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ এই চরণের অন্তর্নিহিত অর্থ হলো ঈশ্বর তাঁর নিজের সৃষ্টিজগৎ এবং জীবকুল থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো সত্তা নন, বরং তিনি তাঁর সৃষ্টির সাথে গভীরভাবে যুক্ত। ভক্তরা প্রায়শই মনে করেন যে সংসার ত্যাগ করে বা নিভৃতে ধ্যানমগ্ন হয়ে মায়ামুক্তির মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করা সম্ভব। কিন্তু কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, স্বয়ং পরমেশ্বরই প্রেম ও আনন্দের টানে তাঁর নিজের সৃষ্টির বাঁধনে সবার কাছে বাঁধা পড়ে আছেন। তিনি জীবজগতের প্রতিটি কর্মের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। তাই ঈশ্বর যেখানে নিজেই সৃষ্টির আনন্দ-বেদনা ও শ্রমের বন্ধনে আবদ্ধ, সেখানে মানুষের পক্ষে সৃষ্টিকে অবহেলা করে কেবল মন্দিরের নির্জনতায় মুক্তি খোঁজা অর্থহীন। প্রকৃত মুক্তি নিহিত রয়েছে ঈশ্বরের এই মহান সৃষ্টিলীলায় নিজেকে কর্মযোগের মাধ্যমে সঁপে দেওয়ার মধ্যে।

(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)

১। ভজন পূজন সাধন আরাধনা সমস্ত থাক্ _______।

উত্তরঃ পড়ে।

২। _______ দেবালয়ের কোণে কেন আছিস ওরে।

উত্তরঃ রুদ্ধদ্বারে।

৩। অন্ধকারে লুকিয়ে আপন মনে কাহারে তুই পুজিস _______।

উত্তরঃ সংগোপনে।

৪। নয়ন মেলে দেখ্ দেখি তুই চেয়ে— দেবতা নাই _______।

উত্তরঃ ঘরে।

৫। তিনি গেছেন যেথায় মাটি ভেঙে করছে চাষা _______।

উত্তরঃ চাষ।

ব্যাকরণ ভাগ

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)

১। অর্থ অনুসারে বাক্যকে কয়টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে?

উত্তরঃ অর্থ অনুসারে বা অর্থানুসারে বাক্যকে সাতটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।

২। নির্দেশক বাক্যকে কয়টি উপবিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে এবং কী কী?

উত্তরঃ নির্দেশক বাক্যকে দুটি উপবিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে; যথা: অস্ত্যর্থক বা সদর্থক (হ্যাঁ-বাচক) এবং নাস্ত্যর্থক বা নঞর্থক (না-বাচক)।

৩। অস্ত্যর্থক বা সদর্থক বাক্য কাকে বলে?

উত্তরঃ যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা অবস্থার বিবৃতির দ্বারা কোনো কিছু স্বীকার বা স্থাপন করা হয়, তাকে অস্ত্যর্থক বা সদর্থক বাক্য বলে।

৪। নাস্ত্যর্থক বা নঞর্থক বাক্য বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ যে বাক্যে বক্তা বিবৃতির মাধ্যমে অস্বীকৃতি, নিষেধ বা না-এর মনোভাব প্রকাশ করে, তাকে নাস্ত্যর্থক বা নঞর্থক বাক্য বলে।

৫। প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নসূচক বাক্য কাকে বলে?

উত্তরঃ যে বাক্যে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় অর্থাৎ কোনো কিছু জানার ইচ্ছা প্রকাশ পায়, তাকে প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নসূচক বাক্য বলে।

(B) বাক্য পরিবর্তন

১। “তাহাকে সকলেই চিনে।” — বাক্যটিকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে পরিবর্তন করো।

উত্তরঃ তাহাকে কে না চিনে?

২। “রবীন্দ্রনাথ ভারতের শ্রেষ্ঠ কবি।” — বাক্যটিকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে পরিবর্তন করো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ভারতের শ্রেষ্ঠ কবি কি?

৩। “সকলে ভুল করে।” — বাক্যটিকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে পরিবর্তন করো।

উত্তরঃ ভুল কার না হয়?

৪। “তোমার নাম সকলেই জানে।” — বাক্যটিকে নঞর্থক (না-বাচক) বাক্যে পরিবর্তন করো।

উত্তরঃ তোমার নাম কে না জানে।

(C) বাক্য শ্রেণী নির্ণয়

১। “সৎ ব্যক্তিকে সকলে বিশ্বাস করে।” — এটি কী ধরনের বাক্য?

উত্তরঃ এটি একটি অস্ত্যর্থক বা সদর্থক (হ্যাঁ-বাচক) বাক্য।

২। “আমি অন্যায় যুদ্ধ করিনি।” — বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে কী ধরনের বাক্য?

উত্তরঃ এটি একটি নাস্ত্যর্থক বা নঞর্থক (না-বাচক) বাক্য।

৩। “মহাশয়ের নিবাস কোথায় জানতে পারি?” — এটি কী প্রকারের বাক্য?

উত্তরঃ এটি একটি প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নসূচক বাক্য।

৪। “আজ সন্ধেয় যে করেই হোক কাবুল পৌঁছবেন।” — বাক্যটির শ্রেণী নির্ণয় করো।

উত্তরঃ এটি একটি অস্ত্যর্থক বা সদর্থক (হ্যাঁ-বাচক) বাক্য।

৫। “চৌকি শুনে কুকুর ডাকে না।” — এটি কী ধরনের বাক্য?

উত্তরঃ এটি একটি নাস্ত্যর্থক বা নঞর্থক (না-বাচক) বাক্য।

(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)

১। অর্থবোধই বাক্যের মূল _______।

উত্তরঃ বৈশিষ্ট্য।

২। অর্থানুসারে বাক্যকে _______ শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।

উত্তরঃ সাতটি।

৩। নির্দেশক বাক্যকে আবার অস্ত্যর্থক এবং _______ এই দুটি উপবিভাগে বিভক্ত করা 

হয়েছে।

উত্তরঃ নাস্ত্যর্থক।

৪। যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব, অবস্থা বিবৃতির দ্বারা স্থাপন করা হয় তাকে _______ বাক্য বলে।

উত্তরঃ অস্ত্যর্থক।

৫। যে বাক্যে কোনো কিছু জানার ইচ্ছা প্রকাশ পায় তাকে _______ বাক্য বলে।

উত্তরঃ প্রশ্নবোধক।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top