SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 4 কবর

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 4 কবর Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 4 কবর Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 4 কবর Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 4 কবর

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

কবর

IMPORTANT QUESTION ANSWER

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)

১। কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্য জগতে কী হিসেবে সুপরিচিত? 

উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্য জগতে ‘পল্লী কবি’ হিসেবে সুপরিচিত।

২। কবি জসীমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? 

উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীন ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারি বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অম্বিকাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। কবি জসীমউদ্দীন কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ. পাস করেন? 

উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ. পাস করেন।

৪। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীমউদ্দীনকে কী উপাধিতে সম্মানিত করেছিল? 

উত্তরঃ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসীমউদ্দীনকে ‘ডি. লিট’ উপাধিতে সম্মানিত করেছিল।

৫। কবি জসীমউদ্দীন তাঁর জীবনের কোন অবস্থায় ‘কবর’ কবিতাটি রচনা করে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন? 

উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীন তাঁর ছাত্রাবস্থায় ‘কবর’ কবিতাটি রচনা করে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন।

৬। কবি জসীমউদ্দীনের রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম লেখো। 

উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীনের রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো– ‘রাখালী’, ‘নক্‌সী কাঁথার মাঠ’, ‘রূপবতী’, ‘পদ্মা পার’ এবং ‘মাটির কান্না’।

৭। কত খ্রিষ্টাব্দে কবি জসীমউদ্দীনের দেহাবসান ঘটে? 

উত্তরঃ ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই মার্চ কবি জসীমউদ্দীনের দেহাবসান ঘটে।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)

১। দাদির কবরটি কোন গাছের নিচে অবস্থিত? 

উত্তরঃ দাদির কবরটি ডালিম-গাছের নিচে অবস্থিত।

২। দাদু তাঁর জীবনের কত বছর দাদির কবরটি চোখের জলে ভিজিয়ে রেখেছেন? 

উত্তরঃ দাদু তাঁর জীবনের দীর্ঘ তিরিশ বছর দাদির কবরটি তাঁর দুই নয়নের চোখের জলে ভিজিয়ে রেখেছেন।

৩। দাদি বাপের বাড়ি যাওয়ার সময় দাদুকে কোন গ্রামে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতেন? 

উত্তরঃ দাদি বাপের বাড়ি যাওয়ার সময় দাদুর পা জড়িয়ে ধরে তাঁকে ‘উজান-তলির গাঁ’-য়ে দেখতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতেন।

৪। শাপলার হাটে দাদু কী বিক্রি করতেন? 

উত্তরঃ শাপলার হাটে দাদু তরমুজ বিক্রি করতেন।

৫। দাদু তরমুজ বিক্রি করে কত পয়সা বাঁচিয়ে দাদির জন্য তামাক ও মাজন কিনতেন? 

উত্তরঃ দাদু তরমুজ বিক্রি করে বাঁচানো পয়সা থেকে দেড় পয়সার তামাক ও মাজন কিনতেন।

৬। দাদির জন্য দাদু তামাক ও মাজন ছাড়া আর কী উপহার কিনতেন? 

উত্তরঃ দাদির জন্য দাদু তামাক ও মাজন ছাড়াও একছড়া পুঁতির মালা কিনতেন।

৭। দাদুর ছেলে (নাতির বাবা) কোন মাসে শেষ বিদায় নিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ এক ফাল্গুন মাসে দাদুর ছেলে শেষ বিদায় নিয়েছিলেন।

৮। দাদির রূপ-লাবণ্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে দাদু তাঁর নাতিকে কী বলেছেন? 

উত্তরঃ দাদুর ছোট সুন্দরী বধূর রূপ-লাবণ্যের ছটায় সারা বাড়ি যেন সোনালী রঙে উজ্জ্বল হয়ে উঠত এবং দাদুর নয়ন তাঁর সেই সোনামুখ দিয়ে সবসময় ভরে থাকত।

৯। বাপের বাড়ি যাওয়ার সময় দাদি দাদুকে কীভাবে এবং কী অনুরোধ জানাতেন? 

উত্তরঃ বাপের বাড়ি যাওয়ার সময় দাদি দাদুর পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতেন এবং অনুরোধ করে বলতেন যে দাদু যেন উজান-তলির গাঁয়ে অবশ্যই তাঁকে দেখতে যান।

১০। দাদির জন্য উপহার সামগ্রী কিনতে দাদু কীভাবে পয়সা জোগাড় করতেন এবং কী কী জিনিস কিনতেন? 

উত্তরঃ দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করে কিছু পয়সা বাঁচাতেন এবং সেই জমানো পয়সা দিয়ে তিনি স্ত্রীর জন্য দেড় পয়সার তামাক, মাজন এবং একছড়া পুঁতির মালা কিনে নিয়ে যেতেন।

(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)

১। ‘কবর’ কবিতার মূলভাব নিজের ভাষায় আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ‘কবর’ কবিতাটিতে প্রিয়তমা পত্নীর মৃত্যুর পটভূমিতে সাংসারিক স্নেহ-প্রেমের এক আশ্চর্য করুণাঘন রূপ ফুটে উঠেছে। বৃদ্ধ দাদু তাঁর জীবনের একমাত্র নাতির কাছে অতীত জীবনের সুখের স্মৃতিগুলো রোমন্থন করেছেন। তিরিশ বছরের বিপত্নীক জীবনে দাদুর কাছে তাঁর স্ত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত প্রেমঘন সান্নিধ্যের স্মৃতি ছিল অত্যন্ত মধুর। দাদির রূপ-লাবণ্য, বাপের বাড়ি যাওয়ার আকুতি, এবং শাপলার হাট থেকে কেনা তামাক, মাজন ও পুঁতির মালার স্মৃতি দাদুকে এখনো নাড়া দেয়। পরিশেষে, দাদি ছাড়াও ছেলে ও পুত্রবধূসহ নিজের সমস্ত আপনজনদের একে একে বিদায় দেওয়ার মাধ্যমে দাদুর জীবন যে চরম শূন্যতায় ভরে গেছে, সেই চিরন্তন মানবীয় বেদনা ও জীবনবোধই এ কবিতায় অত্যন্ত সহজ-সরল ও অনাড়ম্বরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

২। দাদিকে নিয়ে দাদুর মধুর অতীত স্মৃতির পরিচয় দাও। 

উত্তরঃ দাদুর স্ত্রী ছিলেন অত্যন্ত রূপবতী, যাঁর রূপের লাবণ্যে সারা বাড়ি সোনালী রঙে উজ্জ্বল হয়ে উঠত। দাদু যখন লাঙ্গল নিয়ে গাঁয়ের পথ ধরে মাঠে কাজ করতে যেতেন, তখন আড়চোখে বারবার তাঁর প্রিয়তমা পত্নীকে দেখে নিতেন। দাদিও বাপের বাড়ি যাওয়ার সময় দাদুর পা জড়িয়ে ধরে উজান-তলির গাঁয়ে তাঁর সাথে দেখা করার অনুরোধ জানাতেন। দাদুও শাপলার হাট থেকে তরমুজ বিক্রি করে বাঁচানো পয়সা দিয়ে স্ত্রীর জন্য দেড় পয়সার তামাক, মাজন ও পুঁতির মালা কিনে এনে সন্ধ্যাবেলায় শ্বশুরবাড়ির বাটে ছুটে যেতেন। এই সমস্ত উপহার পেয়ে দাদি ভীষণ খুশি হতেন এবং নথ নেড়ে হেসে দাদুকে বলতেন যে তিনি এতদিন পথ চেয়ে আঁখিজলে কেঁদে মরছিলেন। এভাবেই দাদির স্বতঃস্ফূর্ত প্রেমঘন সান্নিধ্য দাদুর মনকে এক মধুর ও গভীর ভালোবাসায় অভিষিক্ত করে তুলেছিল।

৩। ‘কবর’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ‘কবর’ বা সমাধি মানুষের জীবনের এক চরম ও অন্তিম সত্যকে প্রকাশ করে। কবি জসীমউদ্দীন এই কবিতায় এক বৃদ্ধ দাদুর জবানিতে তাঁর একমাত্র নাতির কাছে নিজের জীবনের প্রিয়জনদের হারানোর মর্মস্পর্শী স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন। কবিতার শুরুতেই ডালিম-গাছের তলে দাদির তিরিশ বছরের পুরনো কবরের কথা বলা হয়েছে। এরপর একে একে দাদুর ছেলে ও পুত্রবধূর কবরের স্মৃতিও এই কবিতায় অত্যন্ত করুণভাবে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। দাদু তাঁর জীবনের সমস্ত প্রিয়জনকে হারিয়ে অবশেষে কবরের কঠিন মাটির বুকেই নিজের ভালোবাসা ও আশ্রয় খুঁজে পেয়েছেন। প্রিয়জনদের হারানোর বেদনা এবং কবরের অন্তিম পটভূমিকে কেন্দ্র করেই সম্পূর্ণ কবিতার ভাববস্তু ও রস ঘনীভূত হয়েছে। তাই বিষাদময় ও করুণ রসপূর্ণ এই কবিতার ‘কবর’ নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক ও হৃদয়গ্রাহী হয়েছে।

(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)

১। এইখানে তোর দাদির কবর _______ তলে। 

উত্তরঃ ডালিম-গাছের।

২। কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্য জগতে ‘_______’ হিসেবে সুপরিচিত। 

উত্তরঃ পল্লী কবি।

৩। দাদু দীর্ঘ _______ বছর দাদির কবর ভিজিয়ে রেখেছেন। 

উত্তরঃ তিরিশ।

৪। বাপের বাড়িতে যাইবার কালে দাদি দাদুকে ‘_______’ গাঁয়ে দেখা করতে যেতে বলতেন। 

উত্তরঃ উজান-তলির।

৫। দাদু ‘_______’ হাটে তরমুজ বেচে পয়সা সঞ্চয় করতেন। 

উত্তরঃ শাপলার।

ব্যাকরণ ও ভাষা

সন্ধি বিচ্ছেদ করো:

  • সম্মান = সম্ + মান
  • সত্যানুসন্ধান = সত্য + অনুসন্ধান
  • সংগ্রাম = সম্ + গ্রাম
  • ইষ্ট = ইষ্ + ত
  • বাঞ্ছিত = বাঞ্ছ্ + ইত

প্রত্যয় নির্ণয় করো:

  • সোনালী = সোনা + আলী
  • হাসি = হাস্ + ই
  • উজান = উজ + আন
  • মাজন = মাজ্ + অন
  • হাসিয়া = হাস্ + ইয়া
  • সাধনীয় = সাধ্ + অনীয়
  • কর্তব্য = কৃ + তব্য
  • সাধক = সাধ্ + অক
  • কম্পমান = কম্প্ + শানচ
  • তেজস্বী = তেজস্ + বিন্

বাক্য রচনা করো:

কবর, নয়ন, পুতুল, তামাশা, বাটে

উত্তরঃ কবর– ডালিম-গাছের নিচে বৃদ্ধ দাদুর দাদির কবরটি অবস্থিত।

নয়ন– দাদু তাঁর নয়নের জলে দাদির কবর তিরিশ বছর ধরে ভিজিয়ে রেখেছেন।

পুতুল– পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেলে ছোটবেলায় দাদি কেঁদে বুক ভাসাতেন।

তামাশা– দাদুর সরল ভাবনা নিয়ে গ্রামের অনেকেই তামাশা করত।

বাটে– সন্ধ্যাবেলা দাদু তাঁর স্ত্রীর জন্য তামাক ও মাজন নিয়ে শ্বশুরবাড়ির বাটে ছুটে যেতেন।

বাগধারা ও বিশিষ্ট প্রয়োগ (অর্থসহ বাক্য রচনা):

‘কান’ শব্দের বিশিষ্ট প্রয়োগ:

১। কান পাতা 

উত্তরঃ অর্থ: মনঃসংযোগ করা। 

বাক্য: কান পেতে শোনো, একজন কেউ ডাকছে।

২। কান কাটা 

উত্তরঃ অর্থ: নির্লজ্জ। 

বাক্য: লোকটির কান কাটা, গালাগাল গায়ে মাখে না।

৩। কান ভাঙানি 

উত্তরঃ অর্থ: বিরুদ্ধভাবাপন্ন করা। 

বাক্য: আর কত কান ভাঙানি দেবে শুনব?

‘বুক’ শব্দের বিশিষ্ট প্রয়োগ:

৪। বুক ফাটা 

উত্তরঃ অর্থ: অত্যন্ত করুণ। 

বাক্য: একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে বিধবা মায়ের বুক ফাটা হাহাকার, সত্যিই বেদনাদায়ক।

৫। বুক উঁচু করা 

উত্তরঃ অর্থ: গর্বিত হওয়া। 

বাক্য: দরিদ্র পিতা কৃতী সন্তানের সাফল্যে বুক উঁচু করে সকলকে বলে বেড়াচ্ছেন।

৬। বুক ভরা 

উত্তরঃ অর্থ: পরম তৃপ্তি। 

বাক্য: সন্তানের সাফল্যে বাবা-মায়ের বুক ভরে ওঠে।

‘চোখ’ শব্দের বিশিষ্ট প্রয়োগ:

৭। চোখ ওঠা 

উত্তরঃ অর্থ: চোখের অসুখ। 

বাক্য: চোখ উঠলে বাইরে রোদে বেরোনো যায় না।

৮। চোখ বোজা 

উত্তরঃ অর্থ: মৃত্যু হওয়া। 

বাক্য: আমি চোখ বুজলে এই সংসারের কী অবস্থা হবে তা ঈশ্বরই জানেন।

শব্দার্থ ও টীকা:

  • কবর – সমাধি
  • নয়ন – চোখ 
  • ঊষা – সূর্য বা ভোরবেলা
  • তামাশা – কৌতুক বা মজা
  • লাঙ্গল – জমি চাষ করার যন্ত্র বা হল
  • গাঁটে – ট্যাঁকে বা বাঁধনে
  • বাটে – পথে
  • নথ – নাকের একপাশে পরার গয়না

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top