Class 12 Bengali MIL Chapter 3 বঙ্গভাষা

Class 12 Bengali MIL Chapter 3 বঙ্গভাষা Question Answer As Per AHSEC New Syllabus. AHSEC Class 12 Bengali Textual Solutions is made for AHSEC Bengali Medium Students. Class 12 Bengali MIL Chapter 3 বঙ্গভাষা Notes We ensure that You can completely trust this content. AHSEC Class 12 Bengali MIL Textbook Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 12 Bengali MIL Chapter 3 বঙ্গভাষা

Today’s We have Shared in This Post AHSEC Class 12 Bengali Textbook Notes. I Hope, you Liked The information About The Class 12 Bengali MIL Question Answer. If you liked Class 12 Bengali Textual Notes Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

বঙ্গভাষা

TEXTUAL QUESTION ANSWER

১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ 

( ক ) বাংলা সাহিত্যে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কী কবি নামে পরিচিত ? 

উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যে কবি মাইকেল মধুসূদন ‘ মধুকবি ’ নামে পরিচিত। 

( খ ) কবি মধুসূদনের লেখা ‘ বঙ্গভাষা ‘ কবিতাটির নাম প্রথমাবস্থায় কী ছিল ? 

উত্তরঃ কবি মধুসূদনের লেখা বঙ্গভাষা কবিতাটির নাম প্রথমাবস্থায় ‘ মাতৃভাষা ’ ছিল । 

( গ ) কবির একটি বিখ্যাত নাটকের নাম করো । 

উত্তরঃ মধুসূদনের বিখ্যাত নাটকটির নাম ‘ কৃষ্ণকুমারী ’ । 

( ঘ ) মাইকেল মধুসূদনের একটি বিখ্যাত কাব্যের নাম করো । 

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদনের একটি বিখ্যাত কাব্যের নাম ‘ মেঘনাদবধ কাব্য ‘ । 

২। সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ

( ক ) মাইকেল মধুসূদন দত্তের দুটি প্রহসনের নাম লেখো । 

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্তের দুইটি প্রহসনের নাম হল – ‘ বুড়ো শালিখের ঘায়ে রোঁ’ আর ‘ একেই কী বলে সভ্যতা ’ ।

( খ ) কুললক্ষ্মী বলতে কী বোঝ ? 

উত্তরঃ মানুষের গৃহে যে লক্ষ্মীদেবী পূজিতা হন , তিনিই কুললক্ষ্মী । এখানে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষা লক্ষীর কথা বলেছেন । 

( গ ) চতুর্দশপদী কবিতা কী ? 

উত্তরঃ একটি পংক্তিতে চৌদ্দটি অস্তর এবং চৌদ্দটি পংক্তিতে যে কবিতা সম্পূর্ণ হয় । সেই কবিতাকে চতুর্দশপদী কবিতা বোলে । ইংরাজীতে যাকে সনেট ( Sonnet ) বলা হয় । চতুর্দশপদী কবিতায় দুইটি স্তবক বিভাগ আছে । ‘ অষ্টক ’ বা ‘ ষটক ’ আট পংক্তি বিশিষ্ট স্তবককে অষ্টক এবং ছয় পংক্তি বিশিষ্ট স্তবক বা ষট্‌ক ।

( ঘ ) পরদেশে ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি ’ – বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন ? 

উত্তরঃ নিজের কাছে যা আছে তাকে অবহেলা করে অপরের সামগ্রী ভোগ করার বাসনাকে কবি এখানে ভিক্ষাবৃত্তি বলেছেন । অর্থাৎ কবি নিজে তাঁর কর্মভাষাকে অবহেলা করেছেন । বঙ্গভাষার নিজস্ব সম্পদ ও প্রাচুর্যকে অবহেলা করে কবি ইংরাজী ভাষার প্রতি অনুরাগী হয়েছিলেন । আর ইংরাজী ভাষাতেই তিনি সাহিত্য সৃষ্টি করতে চেষ্টা করেছিলেন , এই চেষ্টাকেই কবি ভিক্ষাবৃত্তি বলেছেন । 

৩। দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ 

( ক ) কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে কীভাবে অর্থাৎ কী কী সাহিত্যকীর্তির দ্বারা আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন ? 

উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজি এবং বাংলা উভয় ভাষাতেই দক্ষতা অর্জন করেছিলেন । ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে বেলগাছিয়া নাট্যশালার মাইকেল মধুসূদন রামনারায়ণ তর্করত্ন … বিরচিত ‘ রত্নাবলী ’ নাটকের অভিনয় দেখতে গিয়েছিলেন । রত্নাবলী নাটকের অভিনয় দেখে মধুসূদন আহত হন , বাংলা সাহিত্যের দীনতা দেখে । তখন মধুসূদন নিজের প্রতিভা বলে ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ‘ শর্মিষ্ঠা’ নাটক রচনা করে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার নতুন দিগান্ত উন্মোচন করেন । ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে ‘ পদ্মাবতী ’ নাটক , ‘ কৃষ্ণকুমারী ’ নাটক ‘ তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ’ এবং ১৮৬১ ‘ মেঘনাদ বধ কাব্য ’ ব্রজাঙ্গনা কাব্য , ১৮৬২ খ্রিষ্টাব্দে ‘ বীরাঙ্গনা কাব্য ’ প্রকাশিত হয় । ‘ একেই কি বলে সভ্যতা ’ এবং বুড়ো শালিখের ঘাড়ে রোঁ ‘ এই দুটি তাঁর বিখ্যাত প্রহসন যা বাংলা সাহিত্যে অনবদ্য । এরপর ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি ‘ চতুর্দশপদী ’ কবিতাবলী রচনা করেন । কাব্য , নাটক , প্রহসন সনেট ইত্যাদি বিভিন্ন সাহিত্য সৃষ্টি করে তিনি বাংলা সাহিত্যর আধুনিকতার প্রবর্তন করলেন । 

৩। ‘ বঙ্গভাষা ’ কবিতায় কবির আত্ম – অনুশোচনার কারণ নির্দেশ করো । 

উত্তরঃ মধুসূদন ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি ভাষার প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন । শেলী , কীটস বায়রণ প্রভৃতি ইংরেজি সাহিত্যের কবিদের কবিতা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন এবং ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনা করে বিখ্যাত হতে চেয়েছিলেন । ১৮৬২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্যারিষ্টারী পড়তে বিলেত যান।এরপর তিনি ফরাসী দেশে ভার্সাই নগরীতে বসবাসকালীন সময়ে ‘ মাতৃভাষা ’ নামে একটি চতুর্দশপদী কবিতা লিখে তাঁর বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে পাঠিয়েছিলেন । পরে এই কবিতাটি ‘ বঙ্গভাষা ’ নামে প্রকাশিত হয় । এই কবিতাটিতে তিনি তাঁর মো আক্ষেপকেই প্রকাশ করেছেন । বাংলা সাহিত্যকে অবহেলা করে ইংরাজি সাহিত্যে নাম – যশ অর্জন করতে গিয়ে যে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন এবং ভুল করেছেন সেই আক্ষেপই এই কবিতায় প্রকাশ করেছেন । 

বিভিন্ন রত্নে পূর্ণ আমাদের এই বঙ্গভাষার ভাণ্ডার । কিন্তু কবি মাতৃভাষাকে অবহেলা করে ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনা শুরু করেন । কবি ভেবেছিলেন ইংরেজি ভাষায় কাব্য রচনা করে তিনি অনেক নাম – যশ প্রতিপত্তি পাবেন । কিন্তু ইংরেজি ভাষায় প্রথম সৃষ্টি ‘ ক্যাপটিভ লেডি ’ রচনা করেই তাঁর ধারণা ভুল বলে প্রমানিত হয় । তখন কবি অনুতপ্ত হয়ে নিজ মাতৃভাষার প্রতি অনুরক্ত হন । কবি ইংরেজি ভাষার প্রতি লোভে মত্ত হয়েছিলেন , কিন্তু সেই ভাষাকে তিনি আয়ত্তে আনতে পারেনি এবং কবির জীবনের সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরচুর হয়ে যায় । তাই তখন তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে বঙ্গভাষার প্রতি আকৃষ্ট হন । সম্পদে পূর্ণ বঙ্গভাষার ভাণ্ডার ও বঙ্গ জননীর মাতৃক্রোড়কে কবি বিস্মৃত হয়েছিলেন । পরে কবি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছিলেন এবং বঙ্গভাষা কবিতাটি রচনাটি করে আত্ম – অনুশোচনা করেছেন ৷ 

( গ ) ‘ ওরে বাছা মাতৃকোষে রতনের রাজি 

         এ ভিখারী দশা তবে কেন তোর আছি এখানে ‘ ওরে বাছা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ? তাঁর ভিখারি দশার কারণ কী ? 

উত্তরঃ এখানে ‘ ওরে বাছা ’ বলতে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে বোঝানো হয়েছে । কবি নিজেই নিজেকে বলেছেন । তিনি একজন বঙ্গজননীর সস্তান হয়েও বঙ্গভাষাকে অবহেলা করে বিদেশি ভাষা ইংরেজি প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন । ইংরেজি ভাষাকেই তিনি বেশি মর্যাদা দিয়েছিলেন । মধুসূদনের প্রিয় কবি শেলী , কীটস্ , বায়রণ প্রভৃতি কবির রচনায় অনুপ্রানিত হয়ে ইংরেজি সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন । তারপর তিনি “ The Captive Lady ‘ কাব্যটি লেখেন এবং ব্যর্থ হন । নাম যশ অর্থ অর্জন করতে গিয়ে তিনি অনিদ্রায় অনাহারে দিন যাপন করেছেন ৷ সেই সময় কুললক্ষ্মী তাঁকে স্বপ্নে আদেশ দেন যে , বাংলা ভাষায় অগাধ রয়েছে । তা সত্ত্বেও কবি কেন ভিক্ষাবৃত্তি করছেন । অর্থাৎ ভিক্ষাবৃত্তি স্বরূপ বিদেশি ভাষায় সাহিত্য রচনা করতে গিয়েছেন । বিদেশি ভাষায় সাহিত্য রচনা করতে গিয়েছেন । কবি তার এই অবস্থাকে ভিখারির দশা বলে উল্লেখ করেছেন ৷ 

( ঘ ) “ মজিনু বিফল তপে অবরণ্যে বরি 

         কেলিনু শৈবালে ভূলি কমল কানন ’ মর্মার্থ বিশ্লেষণ করো । 

উত্তরঃ মধুসূদন বাল্যকাল থেকেই ইংরেজি ভাষার প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন তাই ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করে যশস্বী হতে চেয়েছিলেন । এমনকী তিনি ইংরেজি ভাষায় এতটাই প্রভাবিত ছিলেন যে , তিনি হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন । এরপর কবি পাশ্চাত্য সাহিত্য চর্চ করতে গিয়ে বিফল পরিশ্রম করেছেন । তখন তিনি মাতৃভাষার প্রতি সন্মানবশত বিদেশি ভাষাকে অবরণীয় বলে স্বীকার করেছেন । তিনি বুঝতে পেরেছেন ইংরেজি ভাষা গ্রহণ যোগ্য নয় , মাতৃভাষার তুলনায় । তাই তিনি বলেছেন তিনি শৈবাল ভূমিতে ক্রীড়া করেছেন , মাতৃভাষা পদ্মবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে । তিনি এখানে শৈবালকে ইংরেজি ভাষা এবং পদ্মকে মাতৃভাষার সঙ্গে তুলনা করেছেন ।

( ঙ ) ‘ মাতৃভাষা রূপ খনি , পূর্ণ মণিজালে ’ – তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো । 

উত্তরঃ পৃথিবীর ভূগর্ভের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকে মহামূল্যবান সব রত্ন । মানুষ অনেক সাধনায় সেই ভূগর্ভের সন্ধান লাভ করে এবং বহু পরিশ্রমের ফসল স্বরূপ লুকিয়ে থাকা রত্নরাজি লাভ করে । কবি এখানে নিজের মাতৃভাষা বাংলাকে ভূগর্ভের লুকিয়ে থাকা রত্নের সঙ্গে তুলনা করেছেন । কবি বিদেশি ভাষার প্রতি এতটাই আসক্ত ছিলেন যে , মাতৃভাষা বাংলার মধ্যে যে অফুরন্ত রত্নরাজি রয়েছে তা তিনি জানতে পারেননি । যে অমূল্য রত্ন অন্য ভাষায় নেই । আর কবি সেই মোহে মরিচীকা স্বরূপ বিদেশি ভাষায় সুনাম অর্জন করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন । ব্যর্থ হয়ে পরবর্তী জীবনে এসে মাতৃভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করেন । বাংলা ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করে তিনি খ্যাতির শীর্ষে পৌছান । তাই তিনি মনে করেছেন মাতৃভাষার রূপ খনি তিনি কঠোর সাধনার মধ্য দিয়ে আবিস্কার করেছেন । 

বাংলা ভাষা আসলেও খনির মতোই অনন্তরত্নে পরিপূর্ণ । আর এই ভাষার খনিতে মহামূল্যবান কাব্য , সব সাহিত্য লুকিয়ে আছে । 

Ankit Roy

Founder & CEO

Roy Library

Hi! I’m Ankit Roy, Founder & CEO of Roy Library—An Educational platform dedicated to helping students learn better with quality Notes, Study Materials, Exam Suggestions, Textbooks, Previous Year Question Papers, Academic News, Job-Related News, and other useful educational resources.

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top