Class 12 Bengali MIL Chapter 6 কুলিমজুর Question Answer As Per AHSEC New Syllabus. AHSEC Class 12 Bengali Textual Solutions is made for AHSEC Bengali Medium Students. Class 12 Bengali MIL Chapter 6 কুলিমজুর Notes We ensure that You can completely trust this content. AHSEC Class 12 Bengali MIL Textbook Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
Class 12 Bengali MIL Chapter 6 কুলিমজুর
Today’s We have Shared in This Post AHSEC Class 12 Bengali Textbook Notes. I Hope, you Liked The information About The Class 12 Bengali MIL Question Answer. If you liked Class 12 Bengali Textual Notes Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
কুলিমজুর
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ
( ক ) বাবুসাব কাদের রেল থেকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ বাবুসাব রেল থেকে এক কুলিকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলেন ।
( খ ) ‘ কুলি – মজুর ’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ?
উত্তরঃ কুলি – মজুর কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ সর্বহারা ’ কাব্য গ্রন্থের অন্তর্গত ।
( গ ) শকট শব্দের অর্থ কী ?
উত্তরঃ শকট শব্দের অর্থ গাড়ী ।
( ঘ ) কাজী নজরুল ইসলাম কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ?
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম ‘ ধূমকেতু ’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ।
( ঙ ) কবিতায় উল্লেখিত শ্রমজীবী মানুষের তিনটি জীবিকার উল্লেখ করো ।
উত্তরঃ শ্রমজীবী মানুষের তিনটি জীবিকা হল — মুটে , মজুর ও কলি ।
২। সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ
( ক ) কবির মতে কাদের হাড় দিয়ে কোন যান চলে ?
উত্তরঃ পুরাণে দধিচী মুণির নাম প্রসিদ্ধ । তিনি দেবতাদের জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন । বৃত্রাসুরকে বধ করার জন্য দধিচী মুনি দেহত্যাগ করেন , তাঁর হাড় বা অস্থি দিয়ে বজ্ৰ নিৰ্মাণ করে পুণরায় স্বর্গের অধিকার লাভ করেন । বর্তমান যুগে বাটির মতে কুলি – মজুররা দধিচী মুণির মত আত্মত্যাগ করে । এবং তাদের হাড় দিয়ে বাষ্প শকট অর্থাৎ রেলগাড়ি চলে ।
( খ ) পাহাড় ভাঙ্গার জন্য কোন কোন হাতিয়ার ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে ?
উত্তরঃ পাহাড় ভাঙ্গার জন্য কবি হাতুড়ি , শাবল ও গাঁইতি ব্যবহার করার কথা বলেছেন ।
( গ ) ‘ গাহি তাহাদেরি গান ’ । কবি কাদের জয়গান করেছেন এবং কেন ?
উত্তরঃ কবি কাজি নজরুল ইসলাম সমাজের নিপীড়িত , নির্যাতিত শ্রমিক সম্প্রদায় কুলি মজুর যারা আসলে মানব – সভ্যতার ধারক তাদের জয়গান করেছেন ।
কবির মতে কুলি মজুরাই হচ্ছে সমাজের ধারক ও বাহক । কারণ তারা তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে হাতুড়ি শাবল দিয়ে পাহাড় কেটে পথ তৈরি করেছে । যারা সমাজের ভার বহন করার জন্য নিজেরে গায়ে ধূলা মেখেছে তারাই মানব সভ্যতার ধারক তাদের পরিশ্রমের ফলেই সভ্যতা এগিয়ে চলেছে । তাই কবি সমাজের এই নিম্ন শ্রেণি কুলিদের জয়গান করেছেন ।
( ঘ ) কবির মতে প্রভাত সূর্য কোন রঙে রাঙা ?
উত্তরঃ কবির মতে প্রভাত সূর্য লাল রঙে রাঙা । কারণ কবি বলতে চেয়েছেন পীড়িত অত্যাচারিত শ্রমিকদের রক্তে রাঙা হয়েছে এই শোষণমুক্ত পৃথিবী । তাই কবির ভাবনায় ‘ নতুন পৃথিবীর প্রভাত সূর্য রক্তের রঙে রাঙা ।
( ঙ ) মহা – মানবের উত্থানে কে হাসছেন আর কে কাঁপছে ?
উত্তরঃ মহা মানবের উত্থানে স্বর্গে ভগবান হাসছেন আর নীচে পৃথিবীর শয়তান কাঁপছে ।
৩। দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ
( ক ) ‘ কুলি – মজুর কবিতায় কবি দধিচী মুনির সঙ্গে কাদের তুলনা করেছেন এবং কেন ?
উত্তরঃ পুরাণে বর্ণিত আছে বৃত্রাসুর যখন স্বর্গ থেকে দেবতাদের বিতাড়িত করে দেয় তখন দেবতারা বিপদসদৃশ অবস্থায় পড়েন । তখন জানা যায় যে একমাত্র বৃত্রাসুরকে বধ করা সম্ভব হবে দধিচী মুনির অস্থি দিয়েই । আর একথা জানতে পেরে দধিচী স্বেচ্ছায় দেহত্যাগ করেন এবং অস্থি দিয়েই দেবতারা বজ্র তৈরি করে বৃত্রাসুরকে বধ করে স্বর্গরাজ্য পুণরায় লাভ করেন । দধিচীর এই আত্মত্যাগ যুগে যুগে স্মরণীয় ।
কবি এখানে প্রসঙ্গ ক্রমে দধিচী মুনিকে এনেছেন । বর্তমান যুগে কুলি – মজুর শ্রমিকরা হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে সভ্যতার ভিত নির্মাণ করে । কবি বলেছেন দধিচীর মতোই কুলি – মজুররা তাদের পরিশ্রমের আত্মত্যাগ করেছে , তাই তারা দধিচীর সঙ্গে তুলনীয় । কারণ শ্রমিকদের পরিশ্রমের ফলেই তিল তিল করে মানব সভ্যতা উঠেছে । অথচ পরিশ্রমের সঠিক পারিশ্রমিক তারা পায় না । তাই কবি বলেছেন এরা দধিচীর মতোই মহান । মানব সভ্যতার ইতিহাসে ধনী শ্রেণিরা সর্বদাই শ্রমিকদের উপর অন্যায় করে এসেছে , শ্রমিকদের শোষণ করেছে । শ্রমিকরা তাদের পারিশ্রমিকের বদলে লাঞ্ছনা , গঞ্জনা অপমানছাড়া আর কিছুই পায় না । অথচ এই শ্রমিকরাই সমাজের ধারক ও বাহক । আর এরাই সমাজে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত ।
( খ ) নজরুলের সাম্যবাদী চেতনার আলোকে ‘ কুলি – মজুর ‘ কবিতাটি বিশ্লেষণ করো ।
উত্তরঃ মানব ধর্মে বিশ্বাসী কাজী নজরুল ইসলাম সর্বদাই সাম্যের জয়গান গেয়েছেন । কবি নজরুল কোনো ধর্মভেদ , জাতিভেদ মানতেন না । তাঁর কাছে একটাই ধর্ম মানবধর্ম। হিন্দু মুসলমান খ্রিস্টান বলে যেমন তিনি কোনো ধর্মের ভেদাভেদ মানতেন না ঠিক তেমনি ধনী ও দরিদ্র বলে সমাজের যে উচ্চ – নীচ সম্প্রদায়িক ভেদাভেদ আছে সেটাও তিনি মানতেন না । কবির মতে মানুষের আসল পরিচয় মনুষ্যত্বে , কোনো ধর্ম , বর্ণ বা শ্রেণিতে নয় ।
মানুষ ঈশ্বরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন । মানুষ তার বুদ্ধিবলে শ্রেষ্ঠতার অধিকারী হয়েছে । আর এই বুদ্ধির অপপ্রয়োগ করে মানুষ দরিদ্র – পীড়িত মানুষের উপর আধিপত্যও বিস্তার করে এসেছে । দরিদ্রদের বুদ্ধিবলে পদানত করেছে । কিন্তু কবি বলতে চেয়েছেন যে মানুষ সকলেই সমান । কারণ উদার মনোভক্তির সাহায্যে বিচার করলে দেখা যাবে না ধনী দরিদ্র , উচ্চ – নীচ এগুলো শুধুমাত্র একটা আচ্ছাদন । এই আচ্ছাদন সরিয়ে দিলে সবাই সমান । সকলেই এক রক্ত – মাংসের মানুষ। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ নেই ।
আলোচ্য ‘ কুলি – মজুর ‘ কবিতাটিতে কবির সাম্যবাদ চেতনাই ধ্বনিত হয়েছে । কবি সমাজের কুলি – মজুর শ্রমিকদের জয়গান করেছেন । কবিতাটিতে প্রথমেই দেখতে পাওয়া যায় নির্যাতনের ছবি । সমাজের বাবু শ্রেণি অর্থাৎ ধনী শ্রেণি কুলির – মজুর শ্রেণির সঙ্গে সামান্য পারিশ্রমিক নিয়ে অপমান নির্যাতন করছে । আর এই পারিশ্রমিক নিয়ে অপমান নির্যাতন করছে । আর এই ছবি কবিকে মর্মাহত করেছে । কিন্তু কবি আশাহত হননি । আশাবাদী কবি তাই কবিতাটির পরবর্তীতে কুলি- মজুরদের সুবিচার আশা করেছেন । কবি বলেছেন কুলি – মজুররা অবশ্যই সুবিচার পাবে । কারণ সমাজ কখনো এভাবে চলতে পারে না । কবির মতে যেভাবে একটি নতুন দিনের সূচনা হয় ঠিক তেমনি সূর্যের রাঙা আলোর মতোই একটি নতুন যুগের সূচনা হবে । কুলি – মজুর শ্রমিক বলে আলাদা কোনো বিভেদ থাকবে না । কবি তাই আহ্বান জানাচ্ছেন দেশের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য । কারণ কবি বিশ্বাস করেন সকল মানুষ সমস্ত বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হলে বিশ্ব জুড়ে গাড়ী উঠবে একটি জাতি যার নাম মানবজাতি ।
( গ ) সম্প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো :
“ তুমি শুয়ে রবে তেতালার পরে আমরা রহিব নীচে
অথচ তোমারে দেবতা বলিব , সে ভরসা আজ মিছে । ”
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ কুলি – মজুর ‘ কবিতার অন্তর্গত । উক্ত অংশে কবি নজরুল ইসলাম সামাজিক বৈষম্যের প্রতি আঙুল তুলেছেন । সমাজের উঁচু শ্রেণির মানুষ সমাজের সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে আর নীচু তলার মানুষরা শুধু খেটে যাবে । আর উচ্চ শ্রেণির সুবিধাভোগী মানুষরা সমাজের কোনো দায়িত্ব পালন করবে না , এই অমানবিক নিয়মের বিরুদ্ধে কবি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন । শ্রমিকের পরিশ্রম তৈরি দালানে আরাম শয্যায় শয়ন করবে সমাজের এই সুবিধাভোগী দল আর শ্রমিকরা তাদের দেবতাজ্ঞানে পূজা করবে এই নিয়ম আর চলবে না । কবির মতে দেবতা হতে গেলে দেবত্ব গুণ থাকতে লাগবে , সত্ত্বগুনের অধিকারী হতে হবে , মানুষের প্রতি স্নেহ প্রীতি প্রেম থাকতে হবে । উঁচু – নীচু , ধনী – গরীব ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজ সাধারণ মনোভাবে সাম্যতা গড়ে তুলতে হবে । উঁচু শ্রেণির অহংকার ভুলে নীচু তলার মানুষের সঙ্গে এক হতে হবে । তবেই মানুষ তাদের দেবতাজ্ঞানে পূজা করবে ।
( ঘ ) সম্প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করোঃ
‘ একের অসম্মান নিখিল মানব জাতির লজ্জা – সকলের অপমান ‘
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি কাজি নজরুল ইসলাম বিরচিত ‘ কুলি – মজুর ‘ কবিতা থেকে গৃহিত হয়েছে । কবি এখানে বিশ্বের মানব জাতির ঐক্যের কথা বলেছেন । মহা – মানবের মিলন তীর্থে মানুষই পারবে মানবতার ঐক্যতা বাঁধতে । সমস্ত রকমের ভেদাভেদ ভুলে মানুষই পারবে এক মানবজাতি গঠন করতে মহা মানবের সাগর তীরে । কবি চান সমস্ত রকমের ধর্ম বর্ণের উচু – নীচু ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বের সকল মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহামিলনের সুর বাঁধুক । নতুন সমাজ গড়ে উঠুক । এক স্বচ্ছ নির্মল পবিত্র সমাজে যেখানে কোনো ধরণের বৈষম্যের জঞ্জাল থাকবে না , সেরকম সমাজে সকলের মধ্যে এক গভীর বোধ জন্ম নিবে। একজনের কষ্টে সকলে কষ্ট পাবে , একজনের অসম্মানে সকলে অসম্মানিত অপমানিত বোধ করবে । তখন বিশ্বজুড়ে গড়ে উঠবে একটি জাতি যার নাম মানব জাতি ।
কবি এই সাম – গান ই করেছেন উক্ত কবিতাটিতে । তিনি দেখেছেন সমাজে নিম্ন শ্রেণির উপর অত্যাচারের ছবি । সমাজে কুলি – মজুর শ্রমিকদের উপর অত্যাচার , নিপীড়ন ও উৎপীড়ন হতে দেখেছেন । সমাজের উচ্চশ্রেণির শোষনের শিকার এই কুলি – মজুর শ্রমিকেরা । তাই কবি বলতে চান তাদের এই অপমান – অসম্মান তাদের এই অপমান – অসম্মান আসলে সম্পূর্ণ মানব জাতির অসম্মান অপমান স্বরূপ । কবির বিশ্বাস সমাজের এই চেহারা একদিন পরিবর্তন হবে । সমাজের এই উৎপীড়িত নির্যাতিতরা সুবিচার পাবে , উঁচু – নীচু শ্রেণির ভেদাভোদ ঘুচে কুলি – মজুরেরা একদিন যোগ্য সম্মান পাবে ।

YouTube Channel