Class 12 Advance Bengali Chapter 2 বিপ্রবেশে অর্জুন Question Answers As Per the New Syllabus. Students can easily browse the chapter-wise list to find the required questions and answers for Class 12 Advance Bengali Chapter 2 বিপ্রবেশে অর্জুন Notes. Here, you can also access HS 2nd Year Advance Bengali Solutions. You can also Download PDF for offline study.
Class 12 Advance Bengali Chapter 2 বিপ্রবেশে অর্জুন
AHSEC Class 12 Advance Bengali Notes are useful for revision and exam preparation. Students can explore the HS 2nd Year Advance Bengali Solutions for all chapters to understand important topics, strengthen their knowledge, and prepare confidently for their final examinations.
বিপ্রবেশে অর্জুন
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
প্রশ্ন ১। “বিপ্রবেশে অর্জুন বতাটির বিষয়বস্তু সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ পরমা সুন্দরী পাঞ্চালরাজ কন্যা দ্রৌপদীর স্বয়ম্বরসভা বসেছে। তাঁর পাণিগ্রহণ করার জন্য সেখানে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য থেকে ক্ষত্রিয় রাজকুমারদের আগমন হয়েছে। ব্রাহ্মণের ছদ্মবেশে অর্জুনও আসেন দ্রৌপদীকে পত্নীরূপে লাভের আশায়। স্বয়ংবর সভায় ঘোষিত হয়েছিল, যে রাজকুমার জলের ছায়া লক্ষ্য করে উপরে টাঙানো মাছের চোখ বিদ্ধ করতে পারবেন তিনিই রাজকন্যার পাণিগ্রহণ করবেন। ক্ষত্রিয় রাজকুমাররা একের পর এক এই লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হলেন। এমন সময় ব্রাহ্মণের ছদ্মবেশধারী অর্জুন সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। ব্রাহ্মণের এই আস্পর্ধা দেখে রাজকুমারগণ উপহাস করতে আরম্ভ করলেন।
রাজপুত্রদের মধ্যে কেউ কেউ ভাবলেন এই ব্রাহ্মণ রাজকন্যার রূপে পাগল হয়ে এরকম প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। অর্জুনের বীরসুলভ আচরণ দেখে কোনো কোনো রাজকুমার বুঝতে পারলেন অর্জুন সাধারণ ব্রাহ্মণ নন। তারা উপলব্ধি করলেন তাঁর চেহারায় কামদেবজয়ী মূর্তি। তাঁর চোখ দুটি পদ্মপাতার মতো কর্ণ পর্যন্ত প্রসারিত। তাঁর অনুপম শ্যামল গাত্র নীল পদ্মের মতো শোভা দিচ্ছে। সিংহের ঘাড়ের মতো তাঁর ঘাড়। তাঁর ঠোঁট দুটি বাঁধুলি ফুলের মতো রাঙ্গা। নাক গরুড় পাখির নাকের চেয়েও উন্নত। হাত দুখানি জানু পর্যন্ত লম্বা। জানু দুখানি তাঁর হাতির শুঁড়ের মতো শক্তিশালী। তাঁর মহাবীর্য মেঘে টাকা সূর্যের মতো। তাঁর হাঁটা চলা মদমত্ত হাতির মতো ধীর লয়ের। তাঁকে দেখে মনে হয় তিনিই মাছের চোখে শর নিক্ষেপ করতে পারবেন। কবি কাশীরাম দাস পাঠক-পাঠিকাদের উদ্দেশ্যে জানাচ্ছেন যে, অর্জুনের পক্ষে কোনো কাজই অসম্ভব নয়।
প্রশ্ন ২। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কবিতাটিতে রাজসভায় বিপ্রবেশে অর্জুনকে দেখে ক্ষত্রিয়দের মধ্যে কীরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল তা সংক্ষেপে বিবৃত করো।
উত্তরঃ পাঞ্চালরাজ দ্রুপদ-কন্যা দ্রৌপদির স্বয়ংবর সভায় ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্ষত্রিয় রাজপুত্ররা এসে যখন পরাস্ত হয়ে বসে আছেন ঠিক সেই সময়ে ব্রাহ্মণের ছদ্মবেশে অর্জুনকে সভায় প্রবেশ করতে দেখে রাজপুত্ররা উপহাস ও বিদ্রূপ করতে লাগলেন – এরূপ অসম্ভব কাজে এ ব্রাহ্মণ কেন চেষ্টা করতে এলো ? স্বয়ংবর সভায় কেবলমাত্র ক্ষত্রিয়দের উপস্থিত হওয়ার কথা, তবে এ সভায় ব্রাহ্মণ এলেন কেন? তার কি কোন লজ্জা নেই ! রাজকন্যার রূপ দেখে বোধ হয় সে পাগল হয়ে গেছে! তারা সহজে এ ব্রাহ্মণকে ছাড়বে না। লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হলে তার উচিত শাস্তি দিবে।
আবার এই ক্ষত্রিয়দের মধ্যে কেউ কেউ অবশ্য বলেছেন এ ব্রাহ্মণকে এরূপ অপমান করা উচিত নয়। তাকে দেখলে সামান্য মানুষ বলে মনে হয় না। তার সৌন্দর্য কামদেবকেও হার মানায়। তাঁর অনুপম তনু নীলপদ্মের সৌন্দর্যের সমান। সিংহের মতো উদ্ধৃত ঘাড় নিয়ে অর্জুন মদমত্ত হাতির গতিতে হেঁটে চলেছেন। বাঁধুলি ফুলের মতো তাঁর দুটি ঠোঁট, গরুড়ের নাকের চেয়েও তার নাক উঁচু। তার বাহু দুটি আজানুলম্বিত। অর্জুনের তেজ মেঘে ঢাকা সূর্যের মতো। মনে হয় যেন তিনি লক্ষ্যভেদ করতে পারবেন।
শব্দার্থ:
দ্বিজ – ব্রাহ্মণ।
বাতুল – উন্মত্ত,পাগল।
মনসিজ – কন্দর্প,কামদেব।
রাতুল – রাঙা।
খগরাজ – পক্ষিশ্রেষ্ঠ,গরুড়।
চারু – সুন্দর,মনোহর।
করিবব – হস্তিশ্রেষ্ঠ।
জলদে – মেঘ।
অশক্য – অসাধ্য।

YouTube Channel