Class 12 Advance Bengali Chapter 1 বংশীনাদে

Class 12 Advance Bengali Chapter 1 বংশীনাদে Question Answers As Per the New Syllabus. Students can easily browse the chapter-wise list to find the required questions and answers for Class 12 Advance Bengali Chapter 1 বংশীনাদে Notes. Here, you can also access HS 2nd Year Advance Bengali Solutions. You can also Download PDF for offline study.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 12 Advance Bengali Chapter 1 বংশীনাদে

AHSEC Class 12 Advance Bengali Notes are useful for revision and exam preparation. Students can explore the HS 2nd Year Advance Bengali Solutions for all chapters to understand important topics, strengthen their knowledge, and prepare confidently for their final examinations.

TEXTUAL QUESTION ANSWER

প্রশ্ন ১। ‘বংশীনাদে’ কবিতাটির নামকরণের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ নবজাতকের জন্মের পর যেভাবে তাঁর পিতা-মাতা বা দাদু-ঠাকুরমা তার নামকরণ করে থাকেন ঠিক সেভাবে শিল্প সাহিত্যেও নামকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সাহিত্যে নামকরণের কোন বাধাধরা নিয়ম বা রীতি নেই। তবে নামকরণকে হতে হয় কখনও বিষয়মুখি, আবার কখনও বা কাহিনি নির্ভর। আবার শিরোনামের মধ্যে কখনও চরিত্র কখনও মুখ্য ঘটনা প্রধান হয়ে উঠে।

‘বংশীনাদে’ কবিতাটির নামকরণ বিষয়ভিত্তিক। শ্রীকৃষ্ণের মনোমুগ্ধকর বংশীধ্বনি শ্রবণ করে শ্রীমতি রাধিকার যে চিত্ত চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছিল তাই এখানে বর্ণিত।

মনমোহিনী বাঁশির আওয়াজ প্রেম পাগলিনী রাধাকে কতটা বিপর্যস্থ করে তুলেছিল তা কবিতাটিতে উপস্থাপিত হয়েছে। বাঁশির শব্দে রাধার দেহমন উতলা, তাঁর গৃহের রন্ধন কার্যে গোলমাল ঘটেছে। তিনি দাসী হয়ে কৃষ্ণের চরণে আত্মসমর্পণ করতে চান। তাঁর দুচোখ হতে ঝর্ণাধারার মতো অশ্রু নির্গত হচ্ছে। তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যদি পাখি হতেন তবে তখনই উড়ে যেতেন কৃষ্ণের কাছে। কখনওবা বিষণ্ণ রাধা ধরণীর ফাটলেও প্রবেশ করতে চান। শ্রীকৃষ্ণের বংশীধ্বনি শ্রবণেই তার এই আত্মহারা অবস্থা। সুতরাং বলা যেতে পারে যে বিষয়বস্তু বা কথা বস্তুর দিক হতে বিচার করলে বলতে হয় ‘বংশীনাদে’ নামকরণটি সার্থক হয়েছে।

প্রশ্ন ২। শ্রীকৃষ্ণের বংশীনাদ শুনে রাধার অন্তরে যে ব্যাকুলতা দেখা দেয় তার পরিচয় দাও।

উত্তরঃ ‘বংশীনাদে’ কবিতায় কৃষ্ণের বাঁশির ধ্বনি শুনে শ্রীরাধিকার অন্তরে যে ব্যাকুলতা দেখা দিয়েছে তাহাই বিভিন্ন উপমার মাধ্যমে কবিতাটিতে বর্ণিত হয়েছে। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ‘তাম্বুল খণ্ডে’ বড়াইয়ের মুখে রাধিকার রূপ-যৌবনের কথা শুনে নন্দের ঘরের গরু-রাখোয়াল কৃষ্ণ বড়ায়ির মাধ্যমে রাধিকার নিকট প্রেম নিবেদন করলে রাধিকা বড়ায়িকে অপমান করে তার প্রেম প্রত্যাখ্যান করেন। এরই প্রতিশোধ নিতে ‘বংশীখণ্ডে’ দেখা যায় শ্রীকৃষ্ণ মোহনবাঁশি বাজিয়ে রাধিকা চিত্তকে উৎপীড়িত করতে এক নিষ্ঠুর লীলায় মেতে উঠেছেন।

এই হৃদয় বিদারক বংশীধ্বনি শুনে রাধিকা বড়ায়িকে প্রশ্ন করছেন কে সেই লোক যে কালিন্দী নদী তীর (বৃন্দাবন) গোচারণ ভূমি হতে বাঁশি বাজিয়ে তাঁর শরীরকে আকুল ও মনকে ব্যাকুল করছে। আর এক্ষেত্রে তিনি একজন গৃহিনী, তাঁর ঘরের রন্ধন কার্যও এলোমেলো হচ্ছে। মধুর এই বংশীধ্বনিতে রাধা অস্থির হয়ে পড়ছেন। কোন উপায় না পেয়ে রাধিকা শ্রীকৃষ্ণের পদপ্রান্তে আত্মসমর্পণ করতে ইচ্ছুক। প্রেমিক কৃষ্ণের সহিত তাঁর মিলন যেন ত্বরান্বিত হয়, এটিই তার একমাত্র কাম্য। কৃষ্ণের বাঁশির সুর নিজস্ব গুণে তাঁকে উতলা করে তুলছে। ঘরের মানুষ, সমাজের মানুষকে উপেক্ষা করে তিনি কৃষ্ণের কাছে হাজির হতে পারছেন না। তিনি যদি পাখি হতেন তা হলে সমাজের ভয় থাকত না। কিন্তু তা হবার নয়, তাই তাঁর পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই রাধিকা ধরণীর ফাটলে প্রবেশ করে কৃষ্ণপ্রেমের জ্বালা হতে রক্ষা পেতে চান।

বনে যদি আগুন লাগে তবে তা সকলেই দেখতে পায় কিন্তু কুম্ভকারের তুষের আগুনে যে মাটির পাত্র কঠিন করে, সে আগুন কেউ দেখতে পায় না। শ্রীরাধিকার অন্তর আগুনও সকলের অগোচরে ধীরে ধীরে জ্বলছে। তাই এই বিরহরূপ আগুনের জ্বালা হতে মুক্তির জন্য রাধা কৃষ্ণের সাথে মিলন কামনা করছেন কেননা এ মিলনই তাঁকে যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি দিতে পারে।

প্রেমিকের জন্য প্রেমিকার এরূপ তীব্র ব্যাকুলতা বৈষ্ণব সাহিত্য ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া দুষ্কর।

শব্দার্থ ও টীকা:

বড়াষি – শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বিশিষ্ট চরিত্র। ইনি রাধার সহচরী ও দূতী।

কৃষ্ণের সঙ্গে রাধার মিলনে ইনি প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।

কালিনী – কালিন্দী। 

নই – নদী। 

বেআকুল – ব্যাকুল।

নিশিবো – সঁপেদেবো। 

পরানী – প্রাণ। 

সুসব – সুস্বর, সুমিষ্ট।

নান্দের নন্দন – নন্দ রাজ কৃষ্ণের পালক পিতা। কৃষ্ণের আসল পিতার নাম বসুদেব ও মাতার নাম দেবকী। কৃষ্ণের মামা কংস বসুদের ও দেবকীকে কারাগারে বন্দী করে রাখেন কারণ আকাশবাণী মতে দেবকীর অষ্টম পুত্র কৃষ্ণের হাতে কংস বধ হওয়ার কথা। তাই কৃষ্ণের জন্ম হলে কংস আগেই তাকে বধ করবেন, এই ছিল তাঁর ইচ্ছা। কিন্তু কৃষ্ণের জন্মের পর বসুদেব তাকে যমুনা পারে বৃন্দাবনে নন্দের আলয়ে রেখে আসেন। নন্দ তাকে পুত্রবৎ পালন করেন।

এই কারণে কৃষ্ণ ‘নান্দের নন্দন’ নামে পরিচিত।

মেদনী – পৃথিবী।

বাসলী – বাসলী নামক লৌকিক দেবী।

Ankit Roy

Founder & CEO

Roy Library

Hi! I’m Ankit Roy, Founder & CEO of Roy Library—An Educational platform dedicated to helping students learn better with quality Notes, Study Materials, Exam Suggestions, Textbooks, Previous Year Question Papers, Academic News, Job-Related News, and other useful educational resources.

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top