Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 3 বঙ্গভাষা Question Answers As Per the New Syllabus. Students can easily browse the chapter-wise list to find the required questions and answers for Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 3 বঙ্গভাষা Notes. Here, you can also access HS 2nd Year Bengali MIL Important Solutions. You can also Download PDF for offline study.
Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 3 বঙ্গভাষা
AHSEC Class 12 Bengali MIL Additional Notes are useful for revision and exam preparation. Students can explore the HS 2nd Year Bengali Additional Solutions for all chapters to understand important topics, strengthen their knowledge, and prepare confidently for their final examinations.
বঙ্গভাষা
| Additional Question Answer |
১। ‘ বঙ্গভাষা ’ কবিতাটি কার রচনা ?
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ।
২। মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম কবে হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ শে জানুয়ারী ।
৩। মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোথায় ?
উত্তরঃ বাংলাদেশের যশোহর জেলার সাগরদাড়ি গ্রামে ৷
৪। মধুসূদন দত্তের পিতা – মাতার নাম কী ?
উত্তরঃ মধুসূদন দত্তের পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত এবং মাতার নাম জাহ্নবী দেবী ।
৫। কত খ্রিষ্টাব্দে মধুসূদন বিলেত যান ?
উত্তরঃ ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে মধুসূদন বিলেত যান ।
৬। মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবে মৃত্যু হয় ?
উত্তরঃ ১৮৭৩ সালের ২৯ শে জুন ।
৭। বঙ্গের ভাণ্ডারে কি আছে ?
উত্তরঃ বঙ্গের ভাণ্ডারে বিবিধ রত্ন আছে ।
৮। কবি ইংরেজি ভাষায় বুৎপত্তি লাভের আশায় কিভাবে দিন অতিবাহিত করেছেন?
উত্তরঃ কবি ইংরেজি ভাষায় বুৎপত্তি লাভের আশায় অনিদ্রায় অনাহারে দিন অতিবাহিত করেছেন ।
৯। কুললক্ষ্মী কবিকে মাতৃকোষে কি আছে বলে জানিয়েছেন ?
উত্তরঃ কুললক্ষ্মী কবিকে মাতৃকোষে ‘ রতনের রাজি ’ আছে বলে জানিয়েছেন ।
১০। কবিকে কে স্বপ্নাদেশ দিয়েছেন ?
উত্তরঃ কবিকে কুললক্ষ্মী স্বপ্নাদেশ দিয়েছেন ।
১১। গ্রন্থাকারে কবির প্রকাশিত প্রথম কাব্যটির নাম কী ? সেই কাব্য কোন ভাষায় কবে প্রকাশিত হয়েছিল ?
উত্তরঃ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত কবির প্রথম কাব্যটির নাম ‘ The Captive Lady ‘ গ্রন্থটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল ।
১২। বাংলা ভাষায় মধুসূদনের প্রথম রচনা কী ? সেটি কবে প্রকাশিত হয়েছিল ?
উত্তরঃ বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম রচনা ‘ শর্মিষ্ঠা ’ নাটক । এটি . ৮৫৯ সালে প্রকাশিত ।
১৩। পরধন লোভে মত্ত’– বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন ?
উত্তরঃ পরধন বলতে এখানে পাশ্চাত্য সাহিত্যের কথা বলা হয়েছে । ইংরেজি সাহিত্যের ভাবসম্পদে কবি যশস্বী হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন । ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করে তিনি পণ্ডিত হতে চেয়েছিলেন , এবং ব্যর্থ হয়েছেন । অথচ কবি তা বুঝতে পারেননি যে আসলে ইংরেজি ভাষা পরদেশের ভাষা , পরের ধন । তাই তিনি লোভ করে বসেন । অথচ মাতৃভাষার ভাণ্ডারে অফুরন্ত সম্পদরাজিকে তিনি উপেক্ষা করেছেন । তাই কবি বলেছেন , পরধনে লোভে মত্ত থেকে তিন ব্যর্থতাছাড় আর কিছুই লাভ করতে পারেননি ।
১৪। সপ্রঙ্গ ব্যাখ্যা :
( ক ) হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
কেলিনু শৈবালে , ভুল কমল – কানন ৷
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি কবি মধুসূদনকে ‘ বঙ্গভাষা ‘ শীর্ষক সনেট থেকে গৃহিত হয়েছে । ইংরেজি ভাষায় কাব্য – সাহিত্য রচনা করে মধুসূদন নাম যশ ও প্রতিপত্তি আশা করেছিলেন । কিন্তু তাঁর ধারণা ব্যর্থ হয়েছে । ফলে পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রতি মোহ ভঙ্গ করে তিনি মাতৃভাষার সাহিত্যের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ কবেন । মাতৃভাষার প্রতি সাগ্রহ জন্মালে কবির মানসিকতার পরিবর্তন এখানে ধরা পরেছে ।
বঙ্গভাষা নানাবিধ ভাণ্ডারে পরিপূর্ণ । কিন্তু কবি নিজ মাতৃভাষাকে উপেক্ষা করে ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনা করে বিদগ্ধ হতে চেয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করলে তিনি অনেক প্রতিপত্তির অধিকারী হতে পারবেন । এবং এই ধারণার বশবর্তী হয়েই তিনি ইংরেজি সাহিত্যে কাব্য রচনা শুরু করেন । তাঁর ইংরেজি ভাষার প্রথম কাব্য ‘ ক্যাপটিভ লেডি ‘ রচনার পর তার মোহ ভঙ্গ হয়ে যায় । কবির ধারণা ভ্রান্ত প্রমাণিত হয় ৷ এরপর তিনি মাতৃভাষার প্রতি অনুরক্ত হন ।
কারণ পাশ্চাত্য বিজাতীয় ভাষাকে আয়ত্তাধীন করতে কবিকে বহু পরিশ্রম করতে হয় । অনাহারে অনিদ্রায় দিন যাপন করতে হয়েছে । বহু পরিশ্রমের পরেও তিনি ইংরেজি সাহিত্যে সাবাল্য লাভ করতে পারেননি । তাই তিনি মনে করেছেন শৈবাল ভূমিতে তিনি বৃথা ক্রীড়া করেছেন । অথচ বঙ্গ জননীর কমল – কানন অর্থাৎ পদ্মের বাগান তিনি বিস্মৃত ছিলেন । বঙ্গ ভাষার মধ্যেই যে সাহিত্য সৃষ্টির প্রচুর অমূল্য রত্ন লুকিয়ে আছে তা তিনি অনুধাবন করলেন ।
( খ ) “ স্বপ্নে তা ……..পূর্ণ মনিজালে ”
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি কবি মধুসূদনকে ‘ বঙ্গভাষা ‘ শীর্ষক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে । ইংরেজি কাব্য রচনা করে প্রতিপত্তি আইন করতে গিয়ে ব্যর্থ কবির মনে নিজ মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধার কথা এখানে বর্ণিত হয়েছে ।
কবি বাল্যকাল থেকেই ইংরেজি ভাষায় আকৃষ্ট হয়েছিলেন । কবির ধারণা ছিল ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করলে তিনি অনেক যশ ও প্রতিপত্তি অর্জন করতে পারবেন । ইংরেজি ভাষাই একমাত্র কবিকে অমরত্ব দিতে পারবে ভেবে কবি সেই ভাষায় অনুসরণ করেন । এবং কঠোর পরিশ্রম করে ইংরেজিতে প্রথম কাব্য ‘ ক্যাপটিভ লেডি ‘ রচনা করেন । কিন্তু কাব্যটির ভাষা উন্নত হলেও কবি এই কাব্য রচনা করে বিশেষ প্রশংসা লাভ করলেন না । কবির পরিশ্রম ব্যর্থ হলে , তিনি পুনরায় মাতৃভাষার প্রতি দৃষ্টি দিলেন । কারণ বঙ্গকুল লক্ষী কবিকে স্বপ্নে বলে দিলেন । কবির চেতনাকে জাগিয়ে তুললেন , যে বঙ্গ ভাঙ্গারে এত অফুরন্ত রত্ন থেকে কবি পরদেশে পরধনে লোভ করে ভিখারির দশা করেছেন ।
তাই কবি কুললক্ষ্মীর আদেশে বঙ্গভাষায় দৃষ্টিনিবদ্ধ করেন । বাংলা যেহেতু কবির মাতৃভাষা কবি তাই খুব অল্প পরিশ্রমেই উক্ত ভাষাকে আয়ত্ত করতে পারেন । যথার্থই কবি বুঝতে পারলেন বঙ্গ ভাণ্ডার মনিমুক্ত রত্নের খনি । এবং এই ভাষাতেই পরবর্তীতে কাব্য সাহিত্য রচনা করে কবি শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করলেন । বঙ্গ সাহিত্যে কবি অনেক সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হলেন ।
( গ ) “ পর – ধন – লোভে মত্ত , করিনু ভ্রমণ
পরদেশে , ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি । ” তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো ।
উত্তরঃ উক্ত পংক্তিটিতে পাশ্চাত্য সাহিত্যের কথা বলা হয়েছে । কবি মধুসূদন পাশ্চাত্য সাহিত্য থেকে নানাবিধ ভাবসম্পন্ন সংগ্রহ করে পণ্ডিত হতে চেয়েছেন । ইংরাজি ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টি করে এই যশস্বী হতে চেয়েছিলেন । কিন্তু পরে কবি অনুভব করলেন যে তিনি পরদেশে ভিক্ষাবৃত্তি করে অখ্যাতি অর্জন করেছেন । তাই কবির অনুশোচনা যে তিনি কোণে কুক্ষণে পরদেশে পরধনের লোভে ভ্রমণ করেছেন । অথচ মাতৃভাষায় অফুরন্ত ভাণ্ডার ছড়িয়ে রয়েছে । নিজ মাতৃভাষা পদ্মবনকে উপেক্ষা করে বিদেশের ভাষায় খ্যাতি অর্জন করতে চেয়েছিলেন । এবং সেই প্রচেষ্টায় কবি ব্যর্থ হয়ে এরূপ উক্তি করেছেন ।
শব্দার্থ :
ভাণ্ডার – ভাঁড়ার।
বিবিধ – নানারকম।
অবোধ – অজ্ঞ।
অবহেলা – অনাদর।
রতন – রত্ন।
কুক্ষণে – খারাপ লগ্নে বা সময়ে।
আচরি – আচরণ করি।
পরিহরি – বর্জন করে।
মজিনু – অনুরাগী হলাম।
সঁপি – সমর্পন করে।

YouTube Channel